📄 শুকনা কাঠের উপর দাঁড়িয়ে, অনেকে সন্তানের মাথায় হাত রেখে ক্বস্ম করে কেউ বা বাতাসকে গালি দিয়ে ক্বস্ম করে এগুলো সবই শির্কের অন্তর্ভুক্ত
الله عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ، يَقُولُ: الرِّيحُ مِنْ رَوْحِ اللهِ تَأْتِي بِالرَّحْمَةِ، وَتَأْتِي بِالْعَذَابِ، فَإِذَا رَأَيْتُمُوهَا فَلَا تَسُبُّوهَا، وَسَلُوا اللَّهَ خَيْرَهَا، وَاسْتَعِيذُوا بِاللَّهِ مِنْ شَرِّهَا.
আবু হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ- কে বলতে শুনেছি, বাতাস আল্লাহর ইনসাফের অন্তর্ভুক্ত। এটা কখনো অনুগ্রহ নিয়ে আসে আবার কখনো শান্তি নিয়ে আসে। বিধায় যখন তোমরা তা দেখবে বাতাসকে গালি দিবে না। আল্লাহর নিকট তোমরা বাতাসের কল্যাণ চাবে এবং বাতাসের অকল্যাণ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইবে। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৭৬৩১, আবু দাউদ- হাঃ ৫০৯৭: সহীহ)
عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَا تَسُبُّوا الرِّيحَ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ مَا تَكْرَهُونَ فَقُولُوا: اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ هُذِهِ الرِّيحِ وَخَيْرِ مَا فِيهَا وَخَيْرِ مَا أُمِرْتَ بِهِ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ هَذِهِ الرِّيحِ وَشَرِّ مَا فِيهَا وَشَرِّ مَا أُمِرْتَ بِهِ.
উবাই বিন কা'ব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন: তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। যখন তোমরা তাতে তোমাদের অপছন্দনীয় বিষয় দেখবে তখন বলবে, হে আল্লাহ! আমরা এ বাতাস থেকে কল্যাণ কামনা করি, তাতে যে কল্যাণ রয়েছে এবং তাতে তুমি যে কল্যাণের নির্দেশ দিয়েছ তা কামনা করি এবং এ বাতাসের অকল্যাণ হতে এবং তাতে যে অকল্যাণ রয়েছে এবং তাতে তুমি যে অকল্যাণের নির্দেশ দিয়েছে তা হতেও আমরা তোমার নিকট আশ্রয় চাই। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২১১৩৮, তিরমিযী- হাঃ ২২৫২: সহীহ)
📄 সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা ও মূর্তি পূজা করা সমান শির্ক
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ
“অতএব, তোমরা মূর্তিদের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাকো।” (সূরাহ্ আল হাজ্জ ২২: ৩০)
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ قَالَ: تُعْدِلُ شَهَادَةُ الزُّورِ الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الآية.
'আবদুল্লাহ ইবনু মাস্'উদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিথ্যা সাক্ষ্যকে আল্লাহর সাথে শরীক করার অপরাধের সাথে পরিবর্তন করা হয়েছে। অতঃপর তিনি উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করলেন। (ইবনু কাসীর- ৩য় খণ্ড, ২৯৫ পৃষ্ঠা)
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ، وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِى إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدِقُ وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ صِدِّيقًا، وَإِيَّاكُمْ وَالْكِذْبَ، فَإِنَّ الْكِذْبَ يَهْدِى إِلَى الْفُجُوْرِ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِى إِلَى النَّارِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ وَيَتَحَرَّى الْكِذْبَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللهِ كَذَّابًا.
'আবদুল্লাহ বিন মাস্'ঊদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন : তোমাদের অপরিহার্য কর্তব্য হলো সত্য কথা বলা। কেননা সত্য পূণ্যের দিকে নিয়ে যায়। আর পুণ্য নিয়ে যায় জান্নাতে। লোক সর্বদা সত্য বলতে থাকে এবং সত্যের উপর নির্ভর করে, এমনকি আল্লাহর নিকট সত্যবাদী লিখিত হয়ে যায়। আর তোমরা মিথ্যা হতে বেঁচে থাকো। কেননা, মিথ্যা পাপের দিকে নিয়ে যায় এবং পাপ কাজ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর মানুষ সর্বদা মিথ্যা বলতে থাকে এবং মিথ্যার উপর নির্ভর করে, এমনকি আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদী লিখিত হয়ে যায়। (বুখারী- হাঃ ৬০৯৪, মুসলিম- হাঃ ১০৫-[২৬০৭], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৩৬৩৮, তিরমিযী- হাঃ ১৯৭১; শব্দবিন্যাস মুসলিম-এর)
📄 অমুসলিমদের মতো নববর্ষ, ভ্যালেনটাইনস্ ডে, থার্টিফার্স্ট নাইট, বৈশাখী মেলা, র্যাগ ডে ইত্যাদি উদযাপন করা হারাম
রসূলুল্লাহ বলেছেন : مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ.
যে ব্যক্তি বাহ্যিকভাবে কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য রাখবে সে তাদেরই একজন বলে গণ্য হবে। (আবু দাউদ- হাঃ ৪০৩১ : হাসান সহীহ)
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرو، قَالَ: «مَنْ بَنَى بِبِلَادِ الْأَعَاجِمِ وَصَنَعَ نَيْرُوزَهُمْ وَمِهْرِجَانَهُمْ وَتَشَبَّهُ بِهِمْ حَتَّى يَمُوْتَ وَهُوَ كَذَلِكَ حُشِرَ مَعَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ».
'আবদুল্লাহ বিন 'আম্র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি অনারবীয় দেশে বসবাস করে সে যদি সে দেশের নববর্ষ মেহেরজান উদযাপন করে এবং বাহ্যিকভাবে তাদের সাথে সাদৃশ্য রাখে, এমনকি এ অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করে তাহলে ক্বিয়ামাতের দিন তাকে তাদের (কাফিরদের) সাথে হাশ্র করা হবে। (সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী হাঃ ১৮৮৬৩ : সানাদ বিশুদ্ধ, মাজমু'আতুত্ তাওহীদ ২৭৩) [আলোচ্য বিষয়টি ক্বাযী মুহাম্মাদ ইব্রাহীম-এর তাওহীদ জিজ্ঞাসা জবাব থেকে সংকলিত]
📄 তাওবাহ্
বড় 'ইবাদাত হল সর্বাবস্থায় শিক্ ও পাপাচার থেকে বেঁচে থাকা। আর উত্তম তাওবাহ্ হল কৃত পাপের কথা স্মরণ করে, লজ্জিত হওয়া, অনুতপ্ত হওয়া এবং সে অপরাধে আর কখনো জড়িত না হওয়া মহান আল্লাহর সাথে এই ওয়াদা করা।
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন : يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا تُوبُوا إِلَى اللهِ تَوْبَةً نَصُوحًا عَلَى رَبُّكُمْ أَنْ يُكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ
“হে মু'মিনগণ! তোমরা আল্লাহ তা'আলার কাছে আন্তরিক তাওবাহ করো। আশা করা যায় তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মসমূহ মোচন করে দিবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করাবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত।” (সূরাহ্ আত্ তাহরীম ৬৬ : ৮)
﴿قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَّحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ﴾
“বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর যুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মার্জনা করেন। তিনি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।” (সূরাহ্ আয যুমার ৩৯ : ৫৩)
وَعَنْ ثَوْبَانَ مَوْلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ مَا أَحَبُّ أَنْ لِي الدُّنْيَا وَمَا فِيْهَا بِهَذِهِ الْآيَةِ ﴿قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا .... فَقَالَ رَجُلٌ: فَمَنْ أَشْرَكَ فَسَكَتَ النَّبِيُّ ﷺ ثُمَّ قَالَ : أَلَا وَمَنْ أَشْرَكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ.
রবিয়াল্লা-ক রসূলুল্লাহ ﷺ-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান রাদিয়াল্লা-হু হতে বর্ণিত। 'আনহু তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি আমার জন্য দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা আছে এ আয়াতের চাইতে অধিক প্রিয় আর কিছু নেই। বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। ... এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি শির্ক করে, সে ব্যক্তিও? নাবী ﷺ চুপ থাকলেন। অতঃপর বললেন, সাবধান! যে ব্যক্তি শির্ক করে সে ব্যক্তিও নিরাশ হবে না। এটা তিনবার বললেন। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২২৩৬২ : শেষাংশের সানাদ য'ঈফ, ইবনু কাসীর- ৪র্থ খণ্ড, ৭৫-৭৬ পৃষ্ঠা)
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ ﷺ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَخْطَأْتُمْ حَتَّى تَمْلَأَ خَطَايَاكُمُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ، ثُمَّ اسْتَغْفَرْتُمُ اللهَ لَغَفَرَ لَكُمْ، وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ لَمْ تَخْطَئُوا لَجَاءَ اللهُ بِقَوْمٍ يَخْطَئُونَ، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُونَ اللَّهَ، فَيَغْفِرُ لَهُمْ.
আনাস বিন মালিক হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছি, ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! যদি তোমরা অপরাধ করো, এমনকি তোমাদের গুনাহে আসমান-জমিনের মাঝে যা কিছু আছে তা পরিপূর্ণ হয়ে যায় অতঃপর তোমরা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাও তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। ঐ সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদ-এর প্রাণ! যদি তোমরা গুনাহ বা অপরাধ না করো তাহলে মহান আল্লাহ এক সম্প্রদায়কে নিয়ে আসবেন যারা গুনাহ করবে, অতঃপর, আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে। অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ১৩৪৯৩ : সহীহ লিগয়রিহী; ইবনু কাসীর- ৪র্থ খণ্ড, ৭৭ পৃষ্ঠা)
﴿إِنَّمَا التَّوْبَةُ عَلَى اللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السُّوءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِنْ قَرِيبٍ فَأُولَئِكَ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا ﴾
“আল্লাহর কাছে তাদের তাওবাহ্-ই সত্যিকারের তাওবাহ্, যারা অজ্ঞতাবশত খারাপ কাজ করার সাথে সাথেই তাওবাহ্ করে। আল্লাহ তাদের তাওবাহ্ ক্ববূল করেন। আল্লাহ তো মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়।” (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ১৭)
﴿إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا وَأَصْلَحُوا وَبَيَّنُوا فَأُولَئِكَ أَتُوْبُ عَلَيْهِمْ وَأَنَا التَّوَّابُ الرَّحِيمُ )
“কিন্তু যারা তাওবাহ্ করে ও নিজেদের কর্মনীতির সংশোধন করে নিবে এবং যা গোপন করেছিল তা প্রকাশ করে, আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দিব। প্রকৃতপক্ষে আমি তাওবাহ গ্রহণকারী ও দয়ালু।” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৬০)
﴿إِلَّا مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَأُولَئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ وَكَانَ اللهُ غَفُوْرًا رَّحِيمًا ( وَمَنْ تَابَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَإِنَّهُ يَتُوبُ إِلَى اللَّهِ مَتَابًا )
“কিন্তু যারা তাওবাহ্ করবে, ঈমান আনবে এবং ভালো কাজ করবে আল্লাহ তাদের খারাপ কাজসমূহকে ভালো কাজ দ্বারা পরিবর্তন করে
দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। আর যারা তাওবাহ্ করে এবং সৎকাজ করে সে ফিরে আসার স্থান আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।” (সূরাহ্ আল ফুরক্বান ২৫ : ৭০-৭১)
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ : اللَّهُ أَفْرَحُ بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ مِنْ أَحَدِكُمْ، سَقَطَ عَلَى بَعِيْرِهِ، وَقَدْ أَضَلُّهُ فِي أَرْضِ فَلَاةٍ.
আনাস বিন মালিক হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন : বান্দা গুনাহ করার পর ক্ষমা ভিক্ষার জন্য যখন আল্লাহর দিকে ফিরে যায়, তখন আল্লাহ সে ব্যক্তির তাওবার দরুন ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক খুশি হন। যে ব্যক্তি নিজের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উট সেটা কোন ময়দানে হারিয়ে যাবার পর হঠাৎ তা পেয়ে যায়। (বুখারী- হাঃ ৬৩০৯, মুসলিম- হাঃ ৮-[২৭৪৭])
عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ ، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْسُطُ يَدَهُ بِاللَّيْلِ لِيَتُوبَ مَسِيءُ النَّهَارِ، وَيَبْسُطُ يَدَهُ بِالنَّهَارِ لِيَتُوبَ مَسِيَءُ اللَّيْلِ، حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا.
আবূ মূসা 'আবদুল্লাহ বিন ক্বায়স আল আশ্-আরী হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন, তিনি () বলেছেন: পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ দিনের অপরাধীদের ক্ষমা করার জন্য রাতে এবং রাতের অপরাধীদের ক্ষমা করার জন্য দিনে ক্ষমার হাত প্রসারিত করে রাখেন। (মুসলিম- হাঃ ৩১-[২৭৫৯])
عَنِ ابْنَ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ الَ: «يَأَيُّهَا النَّاسُ تُوبُوا إِلَى اللَّهِ وَاسْتَغْفِرُوهُ، فَإِنِّي أَتُوبُ فِي الْيَوْمِ إِلَيْهِ مِائَةَ مَرَّةٍ».
ইবনু 'উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন : হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবাহ্, করো এবং তার কাছে
ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয় আমি প্রতিদিন একশতবার তাওবাহ্ করে থাকি। (মুসলিম- হাঃ ৪২-[২৭০২])
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ.
হে আল্লাহ! তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং প্রশংসা করছি। অতঃপর সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোন সত্য মা'বৃদ বা উপাস্য নেই। তোমার কাছে তাওবাহ্ করছি এবং ক্ষমা চাচ্ছি। (আবূ দাউদ- হাঃ ৪৮৫৯ : হাসান সহীহ)