📄 আল্লাহ যা চায় এবং তুমি যা চাও বলা শির্ক
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِلنَّي مَا شَاءَ اللهُ، وَشِئْتَ، فَقَالَ : أَجَعَلْتَنِي لِلَّهِ نِدًّا قُلْ مَا شَاءَ اللهُ وَحْدَهُ.
'আবদুল্লাহ বিন 'আব্বাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি 'আলায়হি ওরাসাল্লাম নাবী-কে বললেন, আল্লাহ যা চায় এবং আপনি যা চান। অতঃপর নাবী বললেন, তুমি কি আল্লাহর সাথে আমাকে শরীক করে দিলে? বল আল্লাহ কেবল যা চান। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ১৮৩৯: সহীহ লিগয়রিহী, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী- হাঃ ৫৮১২; ইবনে কাসীর- ১ম খণ্ড, ৮৯ পৃষ্ঠা)
الله عَنْ حُذَيْفَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ، قَالَ: لَا تَقُوْلُوْا مَا شَاءَ اللَّهُ، وَشَاءَ فُلَانٌ، وَلكِنْ قُولُوا مَا شَاءَ اللهُ ثُمَّ شَاءَ فُلَانٌ.
হুযায়ফাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন, যিয়াল্লা- 'আনহু 'আলায়হি নাবী বলেছেন: তোমরা আল্লাহ যা চান এবং অমুক যা চায় বলো না। ওয়াসাল্লাম বরং বলো আল্লাহ যা চান, অতঃপর অমুক যা চায়। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২৩৩৪৭, আবূ দাউদ- হাঃ ৪৯৮০, মিশকাত- হাঃ ৪৭৭৮ : সহীহ; ইবনু কাসীর ১ম খণ্ড ৮৯ পৃষ্ঠা)
আল্লাহ এবং বান্দাকে একত্রে করাটাই শির্ক এজন্য মাঝখানে একটা পৃথককরণ শব্দ যেমন অতঃপর শব্দ যোগ করতে হবে।
📄 কোন কিছুকে কু-লক্ষণ বা অশুভ মনে করা শির্ক
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ: لَا طِيَرَةَ، وَخَيْرُهَا الْفَالُ قَالُوا: وَمَا الْفَالُ؟ قَالَ: الْكَلِمَةُ الصَّالِحَةُ يَسْمَعُهَا أَحَدُكُمْ.
'আনহু 'আলায়হি ওরাসাল্লাম আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ কে বলতে শুনেছি, পাখি উড়িয়ে কু-লক্ষণ বলতে কিছু নেই। ওটার উত্তম হল ফাল। সহাবীগণ বললেন, ফাল কি জিনিস? তিনি বললেন, ফাল হল সৎ বা উত্তম কথা, যা তোমাদের কেউ শুনে। (বুখারী- হাঃ ৫৭৫৪, মুসলিম- হাঃ ১১০-[২২২৩], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৭৬১৮)
الله عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: لَا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ، وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা 'আনহু 'আলায়হি করেন। তিনি () বলেছেন: সংক্রামক রোগ বলতে কিছুই নেই। পাখি উড়িয়ে কুলক্ষণ নির্ণয়ের কিছুই নেই। পেঁচা পাখির কু-লক্ষণ বলতে কিছুই নেই। সফর মাসে বা পেটের পীড়ার কু-লক্ষণ বলতে কিছুই নেই। (বুখারী- হাঃ ৫৭০৭, মুসলিম- হাঃ ২২০২, আবূ দাউদ- হাঃ ৩৯১১, ইবনু মাজাহ- হাঃ ৩৫৩৯,)
ওয়াসাল্লাম আর সহীহ মুসলিম-এর বর্ণনায় রয়েছে, নাবী বলেছেন : তারকার প্রভাবে বৃষ্টিপাত এবং ভূত, রাক্ষস বলতে কিছুই নেই। (মুসলিম- ২য় খণ্ড, ২৩১ পৃষ্ঠা)
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ رَسُولِ اللهِ لا قَالَ: الطَّيَرَةُ شِرْكَ، الطَّيَرَةُ شرك، ثَلَاثًا.
'আলায়হি ওয়াসাল্লাম 'আবদুল্লাহ ইবনু মাস্ঊদ মিয়া মায়া হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: পাখি উড়িয়ে ভাগ্য নির্ণয় করা শিক্, পাখি উড়িয়ে কু-লক্ষণ নির্ণয় করা শিক্, পাখি উড়িয়ে কু-লক্ষণ নির্ণয় করা শিকে। (আবূ দাউদ- হাঃ ৩৯১০, মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৪১৯৪ : সহীহ)
الله الله سلام اللهِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ : مَنْ رَدَّتْهُ الطَّيَرَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ مِنْ حَاجَةٍ، فَقَدْ أَشْرَكَ.
'আনহু 'আবদুল্লাহ বিন 'আম্র হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন: যাকে অশুভ লক্ষণের ধারণা তার কোন প্রয়োজন হতে বিরত রাখে সে শির্ক করল। ওয়াসাল্লাম
(মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৭০৪৫: হাসান; ইবনু কাসীর- ২য় খণ্ড, ৬৫০ পৃষ্ঠা)
অনেকে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কাল কুকুর ডান দিক থেকে বামে গেলে বা হোঁচট খেলে বা পেঁচার বা কাকের ডাক শুনলে মনে করে যাত্রা শুভ হবে না এমন সকল ধারণাই শির্ক। কবুতর উড়িয়ে কল্যাণের আশা করা বা ভাগ্য গণনা করা, টিয়া পাখি দিয়ে ভাগ্য গণনা সবই শির্কের অন্তর্ভুক্ত।
📄 ‘যদি’ বলার মাধ্যমে মুশরিক
মহান আল্লাহর বাণী : ﴿فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ ﴾
“অতএব, জেনে শুনে তোমরা আল্লাহর সাথে শরীক করো না।” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ২২)
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ: فَلا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا قَالَ: الْأَنْدَادُ هُوَ الشَّرْكُ أَخْفَى مِنْ دَبِيْبِ النَّمْلِ عَلَى صَفَاةٍ سَوْدَاءٍ فِي ظُلْمَةِ اللَّيْلِ، وَهُوَ أَنْ يَقُولَ: وَاللَّهِ وَحَيَاتِكَ يَا فُلَانُ وَحَيَاتِي، وَيَقُولُ: لَوْلَا كَلْبَةُ هُذَا لَأَتَانَا اللُّصُوصُ الْبَارِحَةَ، وَلَوْلَا الْبَطْ فِي الدَّارِ لَأَتَنَا اللُّصُوصُ ، وَقَوْلُ الرَّجُلِ لِصَاحِبِهِ: مَا شَاءَ اللهُ وَشِئْتَ، وَقَوْلُ الرَّجُلِ : لَوْلَا اللَّهُ وَفُلَانٌ لَا تَجْعَلُ فِيهَا فُلَانٌ، هَذَا كُلُّهُ بِهِ شِرْكٌ.
এ আয়াতের ব্যাখ্যায় 'আবদুল্লাহ বিন 'আব্বাস বলেন, أَنْدَادٌ 'আনহু (আন্দাদ) হচ্ছে এমন শিক্ যা অন্ধকার রাত্রে নির্মল কাল পাথরের উপর পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আর এটা হচ্ছে যেমন এ কথা বলা, আল্লাহর কসম এবং তোমার জীবনের কসম হে অমুক! আর আমার জীবনের কসম। আরো বলা যে, যদি ছোট্ট কুকুরটি না থাকত, তাহলে গতকাল অবশ্যই চোর আসত এবং হাস যদি ঘরে না থাকত, তাহলে অবশ্যই চোর আসত। কোন ব্যক্তি তার সাথীকে এ কথা বলা, আল্লাহ এবং তুমি যা ইচ্ছা কর এবং কোন ব্যক্তির এ কথা বলা, আল্লাহ এবং অমুক ব্যক্তি যদি সহায়ক না থাকে, তাহলে অমুক ব্যক্তিকে এ কাজে রেখ না, এগুলো সবই শির্ক। (ইবনু আবি হাতিম, ইবনু কাসীর- ১ম খণ্ড, ৮৯ পৃষ্ঠা)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: أَحْرِصْ عَلَى مَا يَنْفَعُكَ، وَاسْتَعِنْ بِاللهِ وَلَا تَعْجَرُ، وَإِنْ أَصَابَكَ شَيْءٌ، فَلَا تَقُلْ لَوْ أَنِّي فَعَلْتُ كَانَ كَذَا وَكَذَا، وَلَكِنْ قُلْ قَدَرُ اللهِ وَمَا شَاءَ فَعَلَ، فَإِنَّ لَوْ تُفْتَحُ عَمَلُ الشَّيْطَانِ.
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যা তোমার উপকারে আসবে তা কামনা কর এবং আল্লাহর নিকট সাহায্য চাও, অক্ষম হয়ো না। যদি কোন কিছু তোমার ওপর পতিত হয়, তুমি বলে থাক আহারে তাহলে যদি আমি এটা, এটা, করতাম তাহলে এটা, এটা হত এ কথা বলো না। বরং এ কথা বল আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং যা চান তা করেন। কেননা ‘লও’ বা ‘যদি’ (শব্দ) শয়তানের কাজকে খুলে দেয়। (মুসলিম- হাঃ ৩৪-[২৬৬৪], ইবনু মাজাহ- হাঃ ৭৯)
অনুরূপ আরো বলা যদি এ বছর জমিতে ধান না হত বাঁচার কোন পথ ছিল না। ছেলেটার যদি চাকরী না থাকত মরেই যেতাম। আহ আজ যদি ড্রাইভার পাকা না হত সব মরেই যেতাম ইত্যাদি বলা শির্ক。
📄 বিনা কারণে ছবি তোলা ও মূর্তি বানানো মুশরিকী কাজ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ؓ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ: قَالَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ: وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ خَلْقًا كَخَلْقِي، فَلْيَخْلُقُوا ذَرَّةً أَوْ لِيَخْلُقُوا حَبَّةً أَوْ شَعِيرَةً.
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন, ঐ ব্যক্তির থেকে কে বড় যালিম হতে পারে, যে আমার মত মাখলুক সৃষ্টি করতে চায়? (এতই যদি পারে) তাহলে তারা যেন অণু সৃষ্টি করে অথবা একটি শস্য দানা তৈরি করে অথবা যেন একটি যব তৈরি করে। (বুখারী- হাঃ ৭৫৫৫, মুসলিম- হাঃ ১০১-[২১১১], মিশকাত- হাঃ ৪৪৯৬)
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ: إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ.
'আবদুল্লাহ বিন মাস্'ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মানুষের মাঝে সবচেয়ে কঠিন 'আযাব হবে আল্লাহর
নিকট ছবি প্রস্তুতকারীদের। (বুখারী- হাঃ ৫৯৫১, মুসলিম- হাঃ ৯৮-[২১০৯], নাসায়ী- হাঃ ৫৩৬৪, মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৩৫৫৮)
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَخْبَرَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ: إِنَّ الَّذِينَ يَصْنَعُونَ هَذِهِ الصُّوَرَ يُعَذِّبُونَ يَوْمَ القِيَامَةِ، يُقَالُ لَهُمْ: أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ.
'আবদুল্লাহ বিন 'উমার থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : যারা এ সমস্ত ছবি তৈরি করে তাদেরকে ক্বিয়ামাতের দিবসে শাস্তি দেয়া হবে। আর তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যা তৈরি করেছ তাদের প্রাণ দাও। (বুখারী- হাঃ ৫৯৫১, মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৫১৬৮, নাসায়ী- হাঃ ৫৩৬২, ইবনু মাজাহ- হাঃ ২১৫১)
عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، فَقَالَ: إِنِّي رَجُلٌ أُصَوِّرُ هَذِهِ الصُّوَرَ، فَأَفْتِنِي فِيْهَا، فَقَالَ لَهُ: ادْنُ مِنِّي، فَدَنَا مِنْهُ، ثُمَّ قَالَ: ادْنُ مِنِّي، فَدَنَا حَتَّى وَضَعَ يَدَهُ عَلَى رَأْسِهِ، قَالَ: أُنَبِّئُكَ بِمَا سَمِعْتُ مِنْ رَّسُولِ اللهِ ﷺ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ: كُلُّ مُصَوَّرٍ فِي النَّارِ، يَجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا، نَفْسًا فَتُعَذِّبُهُ فِي جَهَنَّمَ وَقَالَ: إِنْ كُنْتَ لَا بُدَّ فَاعِلًا، فَاصْنَعِ الشَّجَرَ وَمَا لَا نَفْسَ لَهُ.
সা'ঈদ বিন আবুল হাসান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু 'আব্বাস-এর নিকট এসে বললেন, আমি এমন একজন লোক, আমি এ ছবি তৈরি করি। এ ব্যাপারে আমাকে ফাতওয়া দিন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি আমার নিকট আস, সে নিকটবর্তী হল। তিনি বললেন, তুমি আমার নিকটবর্তী হও, অতঃপর সে আরো নিকটবর্তী হল, এমনকি তিনি তার হাত মাথার উপর ধরলেন। অতঃপর বললেন, আমি যা রসূলুল্লাহ ﷺ থেকে শুনেছি তা তোমাকে সংবাদ দিব।
আমি রসূলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক ছবি প্রস্তুতকারী জাহান্নামে যাবে। প্রত্যেক ছবির আকৃতি তৈরি করে প্রাণ দেয়া হবে তা তাকে জাহান্নামে শাস্তি দিতে থাকবে। অতঃপর ইবনু 'আব্বাস বলেন, যদি তোমার ছবি তৈরি করতেই হয় তাহলে গাছের এবং যার প্রাণ নেই তা তৈরি কর। (মুসলিম- হাঃ ৯৯-[২১১০])
ছবি সম্পর্কে 'আল্লামাহ্ 'আবদুল্লাহ বিন বায একটি স্বতন্ত্র বই-ই লিখেছেন। এর মধ্যে তিনি বলেন,
وَهِيَ عَامَّةُ لِأَنْوَاعِ التَّصْوِيرِ سَوَاءٌ كَانَ لِلصُّورَةِ ظِلُّ أَمْ لَا ، وَسَوَاءٌ كَانَ التَّصْوِيرُ فِي حَائِطٍ أَوْ سِتْرٍ أَوْ قَمِيصِ أَوْ مِرَاةٍ أَوْ قِرْطَاسٍ أَوْ غَيْرِ ذُلِكَ لَأَنَّ النَّبِيَّ لَمْ يُفَرِّقُ بَيْنَ مَالَهُ ظِلَّ وَغَيْرُهُ وَلَا بَيْنَ مَا جَعَلَ فِي سِتْرٍ أَوْ غَيْرِهِ بَلْ لَعَنَ الْمُصَوِّرَ وَأَخْبَرَ أَنَّ الْمُصَوِّرِينَ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَنَّ كُلَّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ وَأَطْلَقَ ذُلِكَ وَلَمْ يَسْتَثْنِ شَيْئًا.
এটা সাধারণ সকল ছবির ব্যাপারে। ছায়া (প্রতিচ্ছবি) বা প্রতিচ্ছবি নয় সবই সমান। প্রাচীরে বা পর্দায় বা জামায় বা আয়নায় বা কাগজে বা অন্য কিছুতে হোক সবই সমান। কেননা নাবী ছায়া বা প্রতিচ্ছবি এবং প্রতিচ্ছবি নয় এর মধ্যে পার্থক্য করেননি এবং পর্দার এবং অন্য কিছুর মধ্যে পার্থক্য করেননি বরং ছবি প্রস্তুতকারীকে অভিসম্পাত করেছেন এবং সংবাদ দিয়েছেন যে, ক্বিয়ামাতের দিনে মানুষের মধ্যে ছবি প্রস্তুতকারীদেরকে সর্বাধিক শাস্তি দেয়া হবে এবং প্রত্যেক ছবি প্রস্তুতকারী জাহান্নামে যাবে। এটা সাধারণভাবে বলা হয়েছে এবং কোন কিছু পৃথক করা হয়নি। (আল জাওয়াবুল মুফীদ ফী হুকমিত্ তাসবীর- ১০-১২ পৃষ্ঠা)