📄 আল্লাহ ব্যতীত বাপ-দাদা, মাতা-নানী, পীর-দরবেশ কিংবা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নামে শপথ করার মাধ্যমে মুশরিক
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: لَا تَحْلِفُوا بِالطَّوَاعِي، وَلَا بِآبَائِكُمْ.
'আবদুর রহমান বিন সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা ত্বাগূতের নামে এবং বাপ-দাদার নামে কসম বা শপথ করো না। (মুসলিম- হাঃ ৪-[১৬৪৮], ইবনু মাজাহ- হাঃ ২০৯৫, মিশকাত- হাঃ ৩৪০৮)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: لَا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ، وَلَا بِأُمَّهَاتِكُمْ، وَلَا بِالْأَنْدَادِ، وَلَا تَحْلِفُوا إِلَّا بِاللَّهِ، وَلَا تَحْلِفُوا بِاللَّهِ إِلَّا وَأَنْتُمْ صَادِقُونَ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ বলেছেন : তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে, মা-নানীর নামে এবং প্রতিমার নামে শপথ করো না এবং আল্লাহর নামে সত্য কসম ব্যতীত শপথ করো না। (আবূ দাউদ- হাঃ ৩২৪৮, নাসায়ী- হাঃ ৩৭৬৯, মিশকাত- ৩৪১৮ : সহীহ)
عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ حَلَفَ بِالْأَمَانَةِ فَلَيْسَ مِنَّا.
বুরায়দাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ বলেছেন: যে ব্যক্তি আমানাতের কসম বা শপথ করে সে আমার উম্মাত নয়। (আবূ দাউদ- হাঃ ৩২৫৩, মিশকাত- হাঃ ৩৪২০ : সহীহ)
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ: مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ.
'আবদুল্লাহ বিন 'উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কসম করে, সে শির্কই করল। (তিরমিযী- হাঃ ১৫৩৫, আবূ দাউদ- হাঃ ৩২৫১, মিশকাত- হাঃ ৩৪১৯ : সহীহ)
বর্তমান সমাজে অনেকে আছে ছেলে মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে কসম করে বা শুকনা কাঠের উপর বসে কসম করে এগুলো সবই শির্ক। কসম হবে একমাত্র আল্লাহর নামে।
📄 অহংকারবশত বা লোক দেখানো ‘আমাল করা শির্ক
وَإِذَا قَامُوا إِلَى الصَّلَاةِ قَامُوا كُسَالَى يُرَاءُونَ النَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ إِلَّا قَلِيلًا
“যখন তারা সলাতের জন্য দাঁড়ায় তখন তারা অলসতার সাথে লোকদেরকে দেখানোর জন্য দাঁড়ায় এবং আল্লাহকে কমই স্মরণ করে।” (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ১৪২)
فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ )
“শাস্তি সেই সলাত আদায়কারীর জন্য যারা তাদের সলাতে উদাসীন, যারা শুধু দেখানোর জন্য করে এবং প্রয়োজনীয় ছোট ছোট বস্তুদানে বিরত থাকে।” (সূরাহ্ আল মা'উন ১০৭ : ৪-৭)
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى كَالَّذِي يُنْفِقُ مَالَهُ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لَا يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِمَّا كَسَبُوا وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَفِرِينَ
“হে ঈমানদারগণ! খোঁটা ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দানগুলো নষ্ট করে দিও না। সেই ব্যক্তির ন্যায় যে নিজের ধন-সম্পদ ব্যয় করে লোক দেখানোর জন্য বরং আল্লাহকে ও পরকালকে বিশ্বাস করে না। তার দৃষ্টান্ত স্বচ্ছ পাথরের ন্যায়। যার উপর কিছু মাটি জমে আছে, অতঃপর প্রবল বর্ষণ এসে তা পরিষ্কার করে দিল। তারা যা উপার্জন করেছে তা থেকে তারা উপকৃত হয় না। আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে পথ পদর্শন করেন না।” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৬৪)
রসূলুল্লাহ বলেন: عَنْ أَبِي سَعِيدِ الْخُدْرِي قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ وَنَحْنُ نَتَذَاكَرُ الْمَسِيحَ الدَّجَّالَ فَقَالَ: أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِمَا هُوَ أَخْوَفُ عَلَيْكُمْ عِنْدِي مِنَ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ ؟ فَقُلْنَا: بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ: الشَّرْكُ الْخَفِيُّ أَنْ يَقُومَ الرَّجُلُ فَيُصَلِّي فَيُزَيِّنُ صَلَاتَهُ لِمَا يَرَى مِنْ نَظْرِ رَجُلٍ.
আবু সা'ঈদ আল খুদরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন : তোমাদেরকে আমি এমন বিষয় খবর দিব না যা আমি তোমাদের ওপর মাসীহ দাজ্জাল হতেও বেশি ভয় করছি। সহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ, খবর দিন। তিনি বললেন, তা হচ্ছে শির্ক খফী বা গোপন শিক্। (এর উপমা হচ্ছে) একজন মানুষ দাঁড়িয়ে শুধু এজন্যই তার সলাতকে সুন্দরভাবে আদায় করে যে, কোন মানুষ তার সলাতকে দেখছে (বলে সে মনে করছে)। (ইবনু মাজাহ- হাঃ ৪২০৪, মিশকাত- হাঃ ৫৩৩৩: হাসান)
عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ لا قَالَ : أَخْوَفُ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمُ الشَّرْكُ الْأَصْغَرُ قالوا : يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا الشَّرْكُ الْأَصْغَرُ؟ قَالَ: الرِّيَاءُ.
মাহমূদ বিন লাবীদ হতে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী বলেছেন : তোমাদের জন্য আমি সবচেয়ে অধিক ভয় করি শির্ক আসগার বা ছোট শির্কের। বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! সেটা কি? তিনি বললেন, রিয়া বা লোক দেখানো 'আমাল। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২৩৬৩০, মিশকাত- হাঃ ৫৩৩৪ : হাসান; ইবনু কাসীর- ৩য় খণ্ড ১৪৯ পৃষ্ঠা)
নাবী আরো বলেন :
عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ل يَقُولُ: مَنْ صَلَّى يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ وَمَنْ صَامَ يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ وَمَنْ تَصَدَّقَ يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ.
শাদ্দাদ বিন আওস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অপরকে দেখাবার উদ্দেশে সলাত আদায় করল, সে শির্ক করল। যে ব্যক্তি অপরকে দেখানোর জন্য সিয়াম বা রোযা রাখল সে শিক্ক করল। যে ব্যক্তি অপরকে দেখানোর জন্য দান করল সে শির্ক করল। (মিশকাত- হাঃ ৫৩৩১; ইবনু কাসীর- ৩য় খণ্ড ১৪৮ পৃষ্ঠা)
অনুরূপ হাজ্জ শেষে নিজের নামের পূর্বে হাজী লিখে মনে মনে গর্ব করলে সেটাও শির্কের অন্তর্ভুক্ত হবে।
📄 যুগ বা সময়কে গালি দেয়া শির্ক
وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ وَمَا لَهُمْ بذلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ ﴿٢٤﴾
“তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই একমাত্র জীবন, আমরা মরি এবং বাঁচি, আর কালের প্রবাহেই কেবল আমাদের মৃত্যু হয়। অথচ এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা তো শুধু অনুমান করেই বলেছে।” (সূরাহ্ আল জাসিয়াহ্ ৪৫ : ২৪)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَالَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ: يُؤْذِينِي ابْنُ أَدَمَ يَسُبُّ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ، بِيَدِي الأَمْرُ أُقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান দাহার বা সময়কে গালী দিয়ে আমাকে কষ্ট দেয়। অথচ আমি নিজেই দাহ্র বা সময়। আমার হাতেই সকল কর্ম। রাত ও দিনকে আমিই পরিবর্তন করি। (বুখারী- হাঃ ৪৮২৬, ৭৪৯১; আবু দাউদ- হাঃ ৫২৭৪, মিশকাত- হাঃ ২২ : সহীহ)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ: لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ يَا خَيْبَةَ الدَّهْرِ، فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। নাবী বলেছেন: তোমরা দাহ্র বা সময়কে গালি দিও না। কেননা আল্লাহই হলেন দাহার বা সময়। (মুসলিম- হাঃ ৪-[২২৪৬], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৯১১৬)
📄 দ্বীন ধর্ম বা শারী‘আত প্রবর্তনে অংশীদারিত্বে শির্ক
দ্বীনের ব্যাপারে যত বিধি-বিধান প্রয়োজন সব কিছুর অধিকার কেবলমাত্র আল্লাহর এবং মহান আল্লাহ তার নাবী-কে যতটুকু অধিকার দিয়েছেন। এদ্ব্যতীত যদি কেউ শারী'আতে কোন বিধান প্রবর্তন
করে তাহলে আল্লাহর কাজে অংশীদারিত্ব হবে। কারণ সে আল্লাহর পক্ষ থেকে সে অধিকার ওয়াহীর মাধ্যমে পায়নি। যেমন নাবী আল্লাহর পক্ষ থেকে ফায়সালা ওয়াহীর মাধ্যমে পেতেন। তাই কেউ যদি শারী'আতের মধ্যে আইন প্রচলন করে এবং আল্লাহর আইনের বিরোধী আইন করে তাহলে শিক্ হবে। কেননা এতে মহান আল্লাহর কাজে অংশীদারিত্ব হল।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, মহান আল্লাহ মদ হারাম করেছেন। রসূলুল্লাহ আল্লাহর পক্ষ থেকে ওয়াহীর দ্বারা বলেছেন :
كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»
প্রত্যেক মাদক বা নেশাযুক্ত বস্তু হারাম। (বুখারী- হাঃ ৪৩৪৩, মুসলিম- হাঃ ৭০-[১৭৩৩], আবূ দাউদ- হাঃ ৩৬৮৪, তিরমিযী- হাঃ ১৮৬৪, নাসায়ী- হাঃ ৫৫৮২, মিশকাত- হাঃ ৩৬৫২)
অপরদিকে বুখারী, মুসলিমের হাদীসে মদ পাঁচ ধরনের বস্তু দ্বারা তৈরি হয় বলে উল্লেখ করেছে,
وَهِيَ مِنْ خَمْسَةِ أَشْيَاءَ مِنَ الْحِنْطَةِ، وَالشَّعِيرِ، وَالتَّمَرِ، وَالرَّبِيبِ، وَالْعَسَلِ - وَالْخَمْرُ: مَا خَامَرَ الْعَقْلَ - وَثَلَاثَةُ أَشْيَاءَ.
সে মদ হল পাঁচ বস্তু দ্বারা তৈরি, যেমন গম, যব, খেজুর, কিসমিস, মধু। আর যে বস্তু জ্ঞানকে আচ্ছাদিত বা বিলুপ্ত করে দেয় তা হলো খামর বা মদ। অপর বর্ণনায় আঙ্গুরের কথা রয়েছে। (মুসলিম- হাঃ ৩২-[৩০৩২])
شَرَابٌ مِنَ العَسَلِ، يُقَالُ لَهُ الْبِتْعُ، وَشَرَابٌ مِّنَ الشَّعِيرِ، يُقَالُ لَهُ الْمِزْرُ؟ فَقَالَ
رَسُولُ اللهِ : كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ».
বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে মধু থেকে তৈরি মদ যাকে বিত্ত বলা হয়। আর যব থেকে তৈরি মদকে মিযর বলা হয়। রসূলুল্লাহ বললেন : সকল প্রকার নেশাগ্রস্ত দ্রব্য হারাম। (বুখারী- হাঃ ৬১২৪, মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ১৯৭৪২)
এখন কেউ যদি মহান আল্লাহর ইহরামকৃত মদ হালাল ফাতাওয়া দিয়ে বলে,
فَلَمْ يُحَرِّمُ كُلَّ مُسْكِرٍ. প্রত্যেক প্রকার মদ হারাম নয়।
مَا يُتَّخَذُ مِنَ الْحِنْطَةِ وَالشَّعِيرِ وَالْعَدْلِ وَالدُّرَةِ حَلَالٌ وَلَا يُحَدُّ شَارِبَةَ وَإِنْ سَكَرَ مِنْهُ. যে সমস্ত মদ গম, যব, মধু ও ভুট্টা থেকে তৈরি করা হবে তা হালাল এবং এর পানকারীকে শাস্তি দেয়া যাবে না যদিও সে মাতাল হয়ে যায়। (হিদায়াহ্- ৪র্থ খণ্ড, ৪৯৬ পৃষ্ঠা)
তাহলে তা স্পষ্ট শির্ক হবে এবং আল্লাহ ও তার নাবী -এর বিরোধী শারী'আত প্রবর্তন করা হবে। দ্বীনের ব্যাপারে আল্লাহ কাউকে বিধান চালু করার ক্ষমতা দেননি। কেউ যদি কোন বিধান চালু করে, তাহলে আল্লাহর ক্ষমতায় ভাগ বসানো হবে এবং তা স্পষ্ট শির্ক হবে। মিরাসী সম্পত্তির ব্যাপারে আল্লাহ বলেন,
يُوْصِيكُمُ اللهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ “আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তান-সন্ততির (অংশ) সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন, পুরুষ দুই নারীর অংশের সমান পাবে।” (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ১১)
পুরুষ যা পাবে নারী পাবে তার অর্ধেক এখন কেউ যদি বলে না মেয়েরাও ছেলেদের সমান পাবে। তাহলে এক্ষেত্রেও আল্লাহর বিধান পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায় ভাগ বসানোর কারণে এটাও হবে বড় শির্ক।