📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ 📄 বংশের বড়াই ও মৃত ব্যক্তির প্রতি বিলাপ করা হারাম

📄 বংশের বড়াই ও মৃত ব্যক্তির প্রতি বিলাপ করা হারাম


عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: أَرْبَعٌ فِي أُمَّتِي مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ لَا يَتْرُكُوْنَهُنَّ الْفَخْرُ فِي الْأَحْسَابِ وَالطَّعْنُ فِي الْأَنْسَابِ وَالِاسْتِسْقَاءُ بِالنُّجُومِ وَالنِّيَاحَةُ. وَقَالَ: النَّائِحَةُ إِذَا لَمْ تَتُبْ قَبْلَ مَوْتِهَا تُقَامُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَعَلَيْهَا سِرْبَالٌ مِنْ قِطْرَانٍ وَدِرْعٍ مِنْ جَرْبٍ.
আবূ মালিক আল আশ্'আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জাহিলী যুগের চারটি কু-স্বভাব আমার উম্মাতের মধ্যে বিদ্যমান থাকবে, যা তারা পরিত্যাগ করতে পারবে না। ১. আভিজাত্যের অহঙ্কার; ২. বংশের অপবাদ দেয়া; ৩. নক্ষত্রের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি কামনা করা; ৪. মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করা। তিনি আরো বলেন, মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপকারিণী তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তাওবাহ্ না করে তবে ক্বিয়ামাতের দিন আলকাতরার জামা ও মরিচা ধরা বর্ম পরিধান করে উঠবে। (মুসলিম- হাঃ ২৯-[৯৩৪], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২২৯১২, মিশকাত- হাঃ ১৭২৭)
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: مَنِ اقْتَبَسَ بَابًا مِّنْ عِلْمِ النُّجُومِ لِغَيْرِ مَا ذَكَرَ اللهُ فَقَدِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِّنَ السِّحْرِ الْمُنَجِّمُ كَاهِنٌ وَالْكَاهِنُ سَاحِرٌ وَالسَّاحِرُ كَافِرُ.
'আবদুল্লাহ বিন 'আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি তারকা বা জ্যোতিষবিদ্যা শিখল, সে যেন যাদুবিদ্যার অংশই শিখল। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২৮৪০ : সানাদ সহীহ, আবূ দাউদ- হাঃ ৩৯০৫: হাসান, মিশকাত- হাঃ ৪৬০৪)
ইবনু 'আব্বাস থেকে আরো বর্ণিত হয়েছে যে, জ্যোতিষী হল গণক। আর গণক হল যাদুকর। আর যাদুকর হলো কাফির। (মিশকাত [ইবনু রযীন]- হাঃ ৪৬০৪)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: اثْنَتَانِ فِي النَّاسِ هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ: الطَّعْنُ فِي النَّسَبِ وَالنِّيَاحَةُ عَلَى الْمَيِّتِ.
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : দু'টি বিষয়ে মানুষ কুফরী করে, আর তা হলো, ১. বংশের দোষারোপ করা; ২. মৃত ব্যক্তির ওপর বিলাপ করা। (মুসলিম- হাঃ ১২১-[৬৭], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ১০৪৩৪)
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ (رضي الله عنه)، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَطَمَ الْخُدُودَ، وَشَقَّ الْجُيُوبَ، وَدَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ.
'আবদুল্লাহ বিন মাস্'ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি গালে থাপ্পড় মারে, জামার পকেট ছিঁড়ে এবং জাহিলী যুগের ডাকের (বিলাপের) ন্যায় ডাকে সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়। (বুখারী- ১ম খণ্ড ১৭২, ১৭৩ পৃষ্ঠা, মুসলিম ১ম খণ্ড ৭০ পৃষ্ঠা)

📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ 📄 আল্লাহ ব্যতীত বাপ-দাদা, মাতা-নানী, পীর-দরবেশ কিংবা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নামে শপথ করার মাধ্যমে মুশরিক

📄 আল্লাহ ব্যতীত বাপ-দাদা, মাতা-নানী, পীর-দরবেশ কিংবা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নামে শপথ করার মাধ্যমে মুশরিক


عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: لَا تَحْلِفُوا بِالطَّوَاعِي، وَلَا بِآبَائِكُمْ.
'আবদুর রহমান বিন সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা ত্বাগূতের নামে এবং বাপ-দাদার নামে কসম বা শপথ করো না। (মুসলিম- হাঃ ৪-[১৬৪৮], ইবনু মাজাহ- হাঃ ২০৯৫, মিশকাত- হাঃ ৩৪০৮)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: لَا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ، وَلَا بِأُمَّهَاتِكُمْ، وَلَا بِالْأَنْدَادِ، وَلَا تَحْلِفُوا إِلَّا بِاللَّهِ، وَلَا تَحْلِفُوا بِاللَّهِ إِلَّا وَأَنْتُمْ صَادِقُونَ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ বলেছেন : তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে, মা-নানীর নামে এবং প্রতিমার নামে শপথ করো না এবং আল্লাহর নামে সত্য কসম ব্যতীত শপথ করো না। (আবূ দাউদ- হাঃ ৩২৪৮, নাসায়ী- হাঃ ৩৭৬৯, মিশকাত- ৩৪১৮ : সহীহ)
عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ حَلَفَ بِالْأَمَانَةِ فَلَيْسَ مِنَّا.
বুরায়দাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ বলেছেন: যে ব্যক্তি আমানাতের কসম বা শপথ করে সে আমার উম্মাত নয়। (আবূ দাউদ- হাঃ ৩২৫৩, মিশকাত- হাঃ ৩৪২০ : সহীহ)
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ: مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ.
'আবদুল্লাহ বিন 'উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কসম করে, সে শির্কই করল। (তিরমিযী- হাঃ ১৫৩৫, আবূ দাউদ- হাঃ ৩২৫১, মিশকাত- হাঃ ৩৪১৯ : সহীহ)
বর্তমান সমাজে অনেকে আছে ছেলে মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে কসম করে বা শুকনা কাঠের উপর বসে কসম করে এগুলো সবই শির্ক। কসম হবে একমাত্র আল্লাহর নামে।

📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ 📄 অহংকারবশত বা লোক দেখানো ‘আমাল করা শির্ক

📄 অহংকারবশত বা লোক দেখানো ‘আমাল করা শির্ক


وَإِذَا قَامُوا إِلَى الصَّلَاةِ قَامُوا كُسَالَى يُرَاءُونَ النَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ إِلَّا قَلِيلًا
“যখন তারা সলাতের জন্য দাঁড়ায় তখন তারা অলসতার সাথে লোকদেরকে দেখানোর জন্য দাঁড়ায় এবং আল্লাহকে কমই স্মরণ করে।” (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ১৪২)
فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ )
“শাস্তি সেই সলাত আদায়কারীর জন্য যারা তাদের সলাতে উদাসীন, যারা শুধু দেখানোর জন্য করে এবং প্রয়োজনীয় ছোট ছোট বস্তুদানে বিরত থাকে।” (সূরাহ্ আল মা'উন ১০৭ : ৪-৭)
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى كَالَّذِي يُنْفِقُ مَالَهُ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لَا يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِمَّا كَسَبُوا وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَفِرِينَ
“হে ঈমানদারগণ! খোঁটা ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দানগুলো নষ্ট করে দিও না। সেই ব্যক্তির ন্যায় যে নিজের ধন-সম্পদ ব্যয় করে লোক দেখানোর জন্য বরং আল্লাহকে ও পরকালকে বিশ্বাস করে না। তার দৃষ্টান্ত স্বচ্ছ পাথরের ন্যায়। যার উপর কিছু মাটি জমে আছে, অতঃপর প্রবল বর্ষণ এসে তা পরিষ্কার করে দিল। তারা যা উপার্জন করেছে তা থেকে তারা উপকৃত হয় না। আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে পথ পদর্শন করেন না।” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৬৪)
রসূলুল্লাহ বলেন: عَنْ أَبِي سَعِيدِ الْخُدْرِي قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ وَنَحْنُ نَتَذَاكَرُ الْمَسِيحَ الدَّجَّالَ فَقَالَ: أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِمَا هُوَ أَخْوَفُ عَلَيْكُمْ عِنْدِي مِنَ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ ؟ فَقُلْنَا: بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ: الشَّرْكُ الْخَفِيُّ أَنْ يَقُومَ الرَّجُلُ فَيُصَلِّي فَيُزَيِّنُ صَلَاتَهُ لِمَا يَرَى مِنْ نَظْرِ رَجُلٍ.
আবু সা'ঈদ আল খুদরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন : তোমাদেরকে আমি এমন বিষয় খবর দিব না যা আমি তোমাদের ওপর মাসীহ দাজ্জাল হতেও বেশি ভয় করছি। সহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ, খবর দিন। তিনি বললেন, তা হচ্ছে শির্ক খফী বা গোপন শিক্। (এর উপমা হচ্ছে) একজন মানুষ দাঁড়িয়ে শুধু এজন্যই তার সলাতকে সুন্দরভাবে আদায় করে যে, কোন মানুষ তার সলাতকে দেখছে (বলে সে মনে করছে)। (ইবনু মাজাহ- হাঃ ৪২০৪, মিশকাত- হাঃ ৫৩৩৩: হাসান)
عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ لا قَالَ : أَخْوَفُ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمُ الشَّرْكُ الْأَصْغَرُ قالوا : يَا رَسُولَ اللهِ وَمَا الشَّرْكُ الْأَصْغَرُ؟ قَالَ: الرِّيَاءُ.
মাহমূদ বিন লাবীদ হতে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী বলেছেন : তোমাদের জন্য আমি সবচেয়ে অধিক ভয় করি শির্ক আসগার বা ছোট শির্কের। বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! সেটা কি? তিনি বললেন, রিয়া বা লোক দেখানো 'আমাল। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২৩৬৩০, মিশকাত- হাঃ ৫৩৩৪ : হাসান; ইবনু কাসীর- ৩য় খণ্ড ১৪৯ পৃষ্ঠা)
নাবী আরো বলেন :
عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ل يَقُولُ: مَنْ صَلَّى يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ وَمَنْ صَامَ يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ وَمَنْ تَصَدَّقَ يُرَائِي فَقَدْ أَشْرَكَ.
শাদ্দাদ বিন আওস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অপরকে দেখাবার উদ্দেশে সলাত আদায় করল, সে শির্ক করল। যে ব্যক্তি অপরকে দেখানোর জন্য সিয়াম বা রোযা রাখল সে শিক্ক করল। যে ব্যক্তি অপরকে দেখানোর জন্য দান করল সে শির্ক করল। (মিশকাত- হাঃ ৫৩৩১; ইবনু কাসীর- ৩য় খণ্ড ১৪৮ পৃষ্ঠা)
অনুরূপ হাজ্জ শেষে নিজের নামের পূর্বে হাজী লিখে মনে মনে গর্ব করলে সেটাও শির্কের অন্তর্ভুক্ত হবে।

📘 প্রথমে বর্জন পরে গ্রহণ 📄 যুগ বা সময়কে গালি দেয়া শির্ক

📄 যুগ বা সময়কে গালি দেয়া শির্ক


وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ وَمَا لَهُمْ بذلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ ﴿٢٤﴾
“তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই একমাত্র জীবন, আমরা মরি এবং বাঁচি, আর কালের প্রবাহেই কেবল আমাদের মৃত্যু হয়। অথচ এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা তো শুধু অনুমান করেই বলেছে।” (সূরাহ্ আল জাসিয়াহ্ ৪৫ : ২৪)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ قَالَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ: يُؤْذِينِي ابْنُ أَدَمَ يَسُبُّ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ، بِيَدِي الأَمْرُ أُقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান দাহার বা সময়কে গালী দিয়ে আমাকে কষ্ট দেয়। অথচ আমি নিজেই দাহ্র বা সময়। আমার হাতেই সকল কর্ম। রাত ও দিনকে আমিই পরিবর্তন করি। (বুখারী- হাঃ ৪৮২৬, ৭৪৯১; আবু দাউদ- হাঃ ৫২৭৪, মিশকাত- হাঃ ২২ : সহীহ)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ: لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ يَا خَيْبَةَ الدَّهْرِ، فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ.
আবূ হুরায়রাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি নাবী হতে বর্ণনা করেন। নাবী বলেছেন: তোমরা দাহ্র বা সময়কে গালি দিও না। কেননা আল্লাহই হলেন দাহার বা সময়। (মুসলিম- হাঃ ৪-[২২৪৬], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৯১১৬)

ফন্ট সাইজ
15px
17px