📄 যাদুকর ও গণকেরা যেভাবে গায়েব জানে বলে দাবী করে থাকে
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ: مَفَاتِيحُ الغَيْبِ خَمْسٌ لَا يَعْلَمُهَا إِلَّا اللهُ: لَا يَعْلَمُ مَا فِي غَدٍ إِلَّا اللهُ، وَلَا يَعْلَمُ مَا تَغِيضُ الْأَرْحَامُ إِلَّا اللهُ، وَلاَ يَعْلَمُ مَتى يَأْتِي المَطَرُ أَحَدٌ إِلَّا اللهُ، وَلَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضِ تَمُوتُ، وَلَا يَعْلَمُ مَتَى تَقُوْمُ السَّاعَةُ إِلَّا اللهُ.
'আবদুল্লাহ বিন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'ইল্মে গায়িবের কুঞ্জি পাঁচটি, যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না।
১. আগামীকালের কথা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না।
২. মায়ের পেটের সামান্য খবরও আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না।
৩. কখন বৃষ্টি হবে আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না।
৪. কোন স্থানে মৃত্যু হবে কেউ জানে না।
৫. ক্বিয়ামাত কখন হবে আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। (বুখারী- হাঃ ৪৬৯৭, ৭৩৭৯)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ : إِذَا قَضَى اللَّهُ الأَمْرَ فِي السَّمَاءِ، ضَرَبَتِ الْمَلَائِكَةُ بِأَجْنِحَتِهَا خُضْعَانًا لِقَوْلِهِ، كَالسّلْسِلَةِ عَلَى صَفْوَانٍ قَالَ عَلِيٌّ: وَقَالَ غَيْرُهُ: صَفْوَانٍ يَنْفُذُهُمْ ذُلِكَ فَإِذَا فُزِعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ، قَالُوا: مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ، قَالُوا لِلَّذِي قَالَ: الْحَقَّ، وَهُوَ العَلِيُّ الْكَبِيرُ، فَيَسْمَعُهَا مُسْتَرِقُو السَّمْعِ، وَمُسْتَرِقُو السَّمْعِ هَكَذَا وَاحِدٌ فَوْقَ آخَرَ وَوَصَفَ سُفْيَانُ بِيَدِهِ، وَفَرَّجَ بَيْنَ أَصَابِعِ يَدِهِ اليُمْنَى، نَصَبَهَا بَعْضَهَا فَوْقَ بَعْضٍ فَرُبَّمَا أَدْرَكَ الشَّهَابُ المُسْتَمِعَ قَبْلَ أَنْ يَرْمِيَ بِهَا إِلَى صَاحِبِهِ فَيُحْرِقَهُ، وَرُبَّمَا لَمْ يُدْرِكْهُ حَتَّى يَرْمِيَ بِهَا إِلَى الَّذِي يَلِيْهِ، إِلَى الَّذِي هُوَ أَسْفَلَ مِنْهُ، حَتَّى يُلْقُوْهَا إِلَى الْأَرْضِ وَرُبَّمَا قَالَ سُفْيَانُ: حَتَّى تَنْتَهِيَ إِلَى الْأَرْضِ فَتُلْقَى عَلَى فَمِ السَّاحِرِ، فَيَكْذِبُ مَعَهَا مِائَةَ كَذَّبَةٍ، فَيُصَدِّقُ فَيَقُولُونَ: أَلَمْ يُخْبِرْنَا يَوْمَ كَذَا وَكَذَا، يَكُونُ كَذَا وَكَذَا، فَوَجَدْنَاهُ حَقًّا؟ لِلْكَلِمَةِ الَّتِي سُمِعَتْ مِنَ السَّمَاءِ.
আবূ হুরায়রাহ্ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু হতে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তা'আলা যখন আকাশে কোন কাজের ফায়সালা করেন তখন ফেরেশতাগণ তাদের পাখা বিনয়াবনত হয়ে নাড়াতে থাকে। ডানা নাড়ানোর আওয়াজ যেন ঠিক পাথরের উপর শিকলের আওয়াজ। তাদের অবস্থা এভাবেই চলতে থাকে। যখন তাদের অন্তর থেকে এক সময় ভয়-ভীতি দূর হয়ে যায়, তখন তারা বলে, তোমাদের রব তোমাদেরকে কি বলেছেন? তারা বলে, আল্লাহ সঠিকই বলেছেন। বস্তুতঃ তিনিই হচ্ছেন মহান ও শ্রেষ্ঠ। এমতাবস্থায় চুরি করে কথা শ্রবণকারীরা উক্ত কথা শুনে ফেলে আর এসব কথা চোরেরা এভাবে পরপর অবস্থান করতে থাকে।
হাদীসে রাবী সুফ্য়ান অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে হাতের তালু দ্বারা এর ধরণ বিশ্লেষণ করেছেন এবং হাতের আঙ্গুলগুলো ফাঁক করে তাদের অবস্থা বুঝিয়েছেন। অতঃপর চুপিসারে শ্রবণকারী কথাগুলো শুনে তার নিজের ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়। শেষ পর্যন্ত এ কথা একজন যাদুকর বা গণকের ভাষায় দুনিয়াতে প্রকাশ পায়। কোন কোন সময় যাদুকর বা গণকের কাছে উক্ত কথা পৌঁছানোর পূর্বে শ্রবণকারীর ওপর আগুনের তীর নিক্ষিপ্ত হয়। আবার কোন কোন সময় আগুনের তীর নিক্ষিপ্ত হওয়ার পূর্বেই সে কথা দুনিয়াতে পৌঁছে যায়। ঐ সত্য কথাটির সাথে শত মিথ্যা কথা যোগ করে মিথ্যার বেশাতি করা হয়। অতঃপর শত মিথ্যার সাথে মিশ্রিত সত্য কথাটি যখন বাস্তবে রূপ লাভ করে তখন বলা হয়, অমুক অমুক দিনে এমন এমন কথাকি তোমাদের বলা হয়নি? এমতাবস্থায় আসমানের শ্রুত কথাটিকেই সত্যায়িত করা হয়। (বুখারী- হাঃ ৪৭০১, ইবনু কাসীর- ৩য় খণ্ড, ৭০৯ পৃষ্ঠা)
📄 বিনা কারণে অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা শির্ক
জীবন মরণ কেবলমাত্র আল্লাহরই হাতে। তিনি ব্যতীত কেউ জীবন দিতেও পারে না নিতেও পারে না। তাই আল্লাহর নির্ধারিত হদ ব্যতীত কাউকে হত্যা করা আল্লাহর ক্ষমতায় শরীক বা অংশ নেয়া হয়। আর আল্লাহর কাজে শরীক করা স্পষ্ট শির্ক। মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًا
“যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোন মু'মিনকে হত্যা করে তার বিনিময় হচ্ছে জাহান্নাম, তাতে সে সর্বদা অবস্থান করবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত হয়েছেন এবং লা'নাত করেছেন। আর তার জন্য প্রস্তুত রেখেছেন বিরাট শাস্তি।” (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪: ৯৩)
মহানাবী বলেছেন, عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ﷺ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ : مَنْ قَتَلَ مُعَاهِدًا لَمْ يَرَحْ رَائِحَةَ الْجَنَّةِ وَإِنَّ رِيحَهَا تُوْجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ أَرْبَعِينَ خَرِيفًا.
'আবদুল্লাহ বিন 'আম্র হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন জিম্মি লোককে হত্যা করে সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। যদিও চল্লিশ বছরের পথ দূরত্ব হতে জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া যায়। (বুখারী- হাঃ ৩১৬৬, ৬৯১৪, ইবনু মাজাহ- হাঃ ২৬৮৬, মিশকাত- হাঃ ৩৪৫২) عَنْ مُعَاوِيَةَ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ل يَقُولُ: كُلُّ ذَنْبٍ عَسَى اللَّهُ أَنْ يَغْفِرَهُ، إِلَّا الرَّجُلُ يَمُوتُ كَافِرًا، أَوِ الرَّجُلُ يَقْتُلُ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا.
মু'আবিয়াহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ-কে বলতে শুনেছি, আশা করা যায় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু ঐ ব্যক্তির গুনাহ ব্যতীত যে কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে অথবা ঐ ব্যক্তির গুনাহ যে ব্যক্তি কোন মু'মিন ব্যক্তিকে স্বেচ্ছায় হত্যা করবে। (আহমাদ- হাঃ ১৬৯০৭: হাসান লিগয়রিহী, আবূ দাউদ- হাঃ ৪২৭০, মিশকাত- হাঃ ৩৪৬৮ : সহীহ; ইবনু কাসীর- ১ম খণ্ড, ৬৭৭ পৃষ্ঠা)
📄 তারকার মাধ্যমে বৃষ্টি কামনা করা শির্ক ও কুফ্র
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন : وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ ﴾
“তোমাদের (নক্ষত্রের মধ্যে তোমাদের) রিযিক আছে মনে করে আল্লাহর নি'আমাতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছ।” (সূরাহ্ আল ওয়াক্বি'আহ্ ৫৬ : ৮২)
عَنْ عَلِيٍّ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ، يَقُولُ: شُكْرَكُمْ ، أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ ، وَتَقُولُونَ: مُطِرْنَا بِنَوْءٍ كَذَا وَكَذَا بِنَجْمِ كَذَا وَكَذَا.
'আনহু 'আলী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী বলেছেন: তোমাদের প্রতি করুণাকে এর ব্যাখ্যায় তিনি () বলেন: তোমাদের শুকরিয়াকে তোমরা (তারকার দ্বারা) মিথ্যা প্রতিপন্ন করছো, আর বলো, অমুক অমুক তারকা, অমুক অমুক নক্ষত্রের দ্বারা আমাদের প্রতি বৃষ্টি হয়েছে। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ৮৪৯, ১০৮৭: হাসান লিগয়রিহী; ইবনু কাসীর- ৪র্থ খণ্ড ৩৮২, ৩৮৩ পৃষ্ঠা)
عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ قَالَ: صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ صَلَاةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَّةِ عَلَى أَثَرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنَ اللَّيْلِ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ: هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ؟ قَالُوا: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ: أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ فَأَمَّا مَنْ قَالَ: مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللهِ وَرَحْمَتِهِ فَذَلِكَ مُؤْمِنٌ بِي كَافِرٌ بِالْكَوْكَبِ وَأَمَّا مَنْ قَالَ: مُطِرْنَا بِنَوْءٍ كَذَا وَكَذَا فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي وَمُؤْمِنْ بِالْكَوْكَبِ.
'আনহু যায়দ বিন খালিদ আল জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদায়বিয়াতে রসূলুল্লাহ আমাদেরকে ফাজরের সলাত আদায় করালেন। সে রাতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। সলাত শেষে তিনি লোকেদের দিকে ফিরে বললেন, তোমরা কি জান তোমাদের প্রভু কি বলেছেন? লোকেরা বলল, আল্লাহ ও তার রসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, আল্লাহ বলেছেন, আমার বান্দাদের মধ্যে কেউ আমার প্রতি ঈমানদার হিসেবে এবং কেউ কাফির হিসেবে সকাল করেছে। যে ব্যক্তি বলেছেন আল্লাহর দয়া অনুগ্রহে বৃষ্টি হয়েছে সে আমার প্রতি ঈমান এনেছে আর তারকাকে অস্বীকার করেছে। আর যে ব্যক্তি বলেছে অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে সে আমাকে অস্বীকার করেছে এবং তারকার প্রতি ঈমান এনেছে। (বুখারী- হাঃ ৮৪৬, মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ১৭০৬১, মিশকাত- হাঃ ৪৫৯৬)
📄 বংশের বড়াই ও মৃত ব্যক্তির প্রতি বিলাপ করা হারাম
عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: أَرْبَعٌ فِي أُمَّتِي مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ لَا يَتْرُكُوْنَهُنَّ الْفَخْرُ فِي الْأَحْسَابِ وَالطَّعْنُ فِي الْأَنْسَابِ وَالِاسْتِسْقَاءُ بِالنُّجُومِ وَالنِّيَاحَةُ. وَقَالَ: النَّائِحَةُ إِذَا لَمْ تَتُبْ قَبْلَ مَوْتِهَا تُقَامُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَعَلَيْهَا سِرْبَالٌ مِنْ قِطْرَانٍ وَدِرْعٍ مِنْ جَرْبٍ.
আবূ মালিক আল আশ্'আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জাহিলী যুগের চারটি কু-স্বভাব আমার উম্মাতের মধ্যে বিদ্যমান থাকবে, যা তারা পরিত্যাগ করতে পারবে না। ১. আভিজাত্যের অহঙ্কার; ২. বংশের অপবাদ দেয়া; ৩. নক্ষত্রের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি কামনা করা; ৪. মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করা। তিনি আরো বলেন, মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপকারিণী তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তাওবাহ্ না করে তবে ক্বিয়ামাতের দিন আলকাতরার জামা ও মরিচা ধরা বর্ম পরিধান করে উঠবে। (মুসলিম- হাঃ ২৯-[৯৩৪], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২২৯১২, মিশকাত- হাঃ ১৭২৭)
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: مَنِ اقْتَبَسَ بَابًا مِّنْ عِلْمِ النُّجُومِ لِغَيْرِ مَا ذَكَرَ اللهُ فَقَدِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِّنَ السِّحْرِ الْمُنَجِّمُ كَاهِنٌ وَالْكَاهِنُ سَاحِرٌ وَالسَّاحِرُ كَافِرُ.
'আবদুল্লাহ বিন 'আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি তারকা বা জ্যোতিষবিদ্যা শিখল, সে যেন যাদুবিদ্যার অংশই শিখল। (মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ২৮৪০ : সানাদ সহীহ, আবূ দাউদ- হাঃ ৩৯০৫: হাসান, মিশকাত- হাঃ ৪৬০৪)
ইবনু 'আব্বাস থেকে আরো বর্ণিত হয়েছে যে, জ্যোতিষী হল গণক। আর গণক হল যাদুকর। আর যাদুকর হলো কাফির। (মিশকাত [ইবনু রযীন]- হাঃ ৪৬০৪)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: اثْنَتَانِ فِي النَّاسِ هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ: الطَّعْنُ فِي النَّسَبِ وَالنِّيَاحَةُ عَلَى الْمَيِّتِ.
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : দু'টি বিষয়ে মানুষ কুফরী করে, আর তা হলো, ১. বংশের দোষারোপ করা; ২. মৃত ব্যক্তির ওপর বিলাপ করা। (মুসলিম- হাঃ ১২১-[৬৭], মুসনাদে আহমাদ- হাঃ ১০৪৩৪)
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ (رضي الله عنه)، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَطَمَ الْخُدُودَ، وَشَقَّ الْجُيُوبَ، وَدَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ.
'আবদুল্লাহ বিন মাস্'ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি গালে থাপ্পড় মারে, জামার পকেট ছিঁড়ে এবং জাহিলী যুগের ডাকের (বিলাপের) ন্যায় ডাকে সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়। (বুখারী- ১ম খণ্ড ১৭২, ১৭৩ পৃষ্ঠা, মুসলিম ১ম খণ্ড ৭০ পৃষ্ঠা)