📄 বিদ্‘আতী ওয়াসীরাহ্
যেমন- পীর ধরা, ক্ববরের ব্যক্তির নিকট ওয়াসীলাহ্ বানানো ইত্যাদি নাবী-এর যুগে ছিল না। এর কোন অস্তিত্ব কুরআন হাদীসে নেই। বিধায় এটা বিদ্'আত। আর বিদ্'আতীর ফার্য, নাফ্ল কোন 'আমল আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। যেমন নাবী বলেন,
عَنْ عَلِيٌّ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ لا مَنْ أَحْدَثَ حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ عَدْلٌ وَلَا صَرْفٌ .
'আলী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি নতুন (বিদ্'আত) কাজ করল অথবা কোন বিদ'আতীকে সাহায্য করল। তার ওপর আল্লাহর লা'নাত, ফেরেশতা ও সমস্ত মানুষের লা'নাত অপরিহার্য হয়ে যায়। তার কোন ফার্য ও নফল 'ইবাদাত ক্ববূল করা হবে না। (বুখারী- হাঃ ৩১৭৯, মুসলিম- হাঃ ৪৬৯-[১৩৭১], আবূ দাউদ- হাঃ ২০৩৪)
এরূপভাবে যদি পীর ধরাকে ওয়াসীলাহ্ ধরার অর্থ করে ফার্য দাবী করা হয় তাহলে তা শিক্ক হবে। কারণ ফার্য করার অধিকার কেবলমাত্র আল্লাহরই অধিকার। কেউ ফার্যের দাবী করলে যা আল্লাহ করেননি তার অংশীদারিত্ব করা হবে। কেউ যদি বলে পীর সাহেব আখিরাতের উকিল হবে এবং ওকালতী করে মুরিদদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাবেন, তাহলে এরূপ দাবী সম্পূর্ণ মিথ্যা হবে। কেননা মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন,
قُلْ إِنِّي لَا أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا قُلْ إِنِّي لَنْ يُجِيرَنِي مِنَ اللَّهِ أَحَدٌ وَلَنْ أَجِدَ مِنْ دُونِهِ مُلْتَحَدًا )
“হে নাবী! আপনি বলে দিন যে, আমি তোমাদের কোন অপকার এবং উপকার বা সুপথে আনয়ন করার কোনই ক্ষমতা রাখি না। হে নাবী! আপনি বলে দিন কোন ব্যক্তিই আমাকে আল্লাহর হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না এবং আমি তার নিকট ছাড়া অন্য কোন আশ্রয় স্থানও পাব না।” (সূরাহ্ জিন্ ৭২: ২১-২২)
আর নাবী -ও হাদীসের ভাষায় তার মেয়ে ফাত্বিমাহ্ -কে লক্ষ্য করে বলেন, يَا فَاطِمَةُ أَنْقِذِي نَفْسَكِ مِنَ النَّارِ سَلِينِي مَا شِئْتِ مِنْ مَّالِي لَا أُغْنِي عَنْكِ مِنَ اللهِ شَيْئًا.
হে ফাত্বিমাহ্! তোমার প্রাণকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা কর এবং আমার নিকট আমার মাল-সম্পদ হতে যত প্রয়োজন চেয়ে লও। আল্লাহর নিকট তোমার জন্য আমি কোন কাজেই আসব না। (বুখারী- হাঃ ৪৭৭১, মুসলিম- হাঃ ৩৪৮-[২০৪])
উপরোক্ত আলোচনা হতে বুঝা গেল পীরদের ওকালতীর দাবী সম্পূর্ণ মিথ্যা। কেননা, ক্বিয়ামাতের দিবসে নাবী -ই কোন কিছু করার ক্ষমতা রাখেন না। তিনি নিজের মেয়েকে পর্যন্ত কোন উপকার করতে পারবেন না। অবশ্যই আল্লাহ তাকে সুপারিশ করার ক্ষমতা দিবেন। কিন্তু পীরদের নিজের অবস্থাই নাজুক থাকবে। তাদের কিছুই করার থাকবে না। আল্লাহ আমাদের সকল প্রকার ফিতনা থেকে রক্ষা করুন। আমীন!!
যাকে ইচ্ছা তাকে সুপারিশ করার ক্ষমতা কাউকে দিবেন না বরং আল্লাহ যার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যার জন্য অনুমতি দিবেন কেবল তিনিই তাকে সুপারিশ করতে পারবেন।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন : مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ )
“কে সেই ব্যক্তি যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে?” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ২৫৫)
📄 তাক্বলীদ বা অন্ধ অনুকরণ, পূর্ববর্তীদের দোহাই, বাপদাদার দোহাই দেয়া মুশরিকদের নীতি
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেন : وَكَذَلِكَ مَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ فِي قَرْيَةٍ مِّنْ نَذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتْرَفُوْهَا إِنَّا وَجَدْنَا آبَاءَنَا عَلَى أُمَّةٍ وَإِنَّا عَلَى آثَارِهِمْ مُقْتَدُونَ قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكُمْ بِأَهْدًى مِمَّا وَجَدْتُمْ عَلَيْهِ آبَاءَكُمْ قَالُوا إِنَّا بِمَا أُرْسِلْتُمْ بِهِ كَفِرُونَ ﴾
“এমনিভাবে তোমার পূর্বে আমি যেখানেই কোন ভয় প্রদর্শনকারী নাবী পাঠিয়েছি, সেখানকার গণ্যমান্য মাতব্বর শ্রেণীর লোকেরা বলেছে, আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে একই দলভুক্ত পেয়েছি। অতএব, আমরা তাদেরই পদাঙ্ক অনুসরণ করবো। এর জওয়াবে নাবীগণ যখন বলতেন আমরা কি তোমাদের নিকট তোমাদের বাপ-দাদার চাইতে শ্রেষ্ঠ হিদায়াত নিয়ে আসিনি? তখন তারা বলে দিতো তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছ তা আমরা অস্বীকার করছি (মানি না)।” (সূরাহ্ আয যুখরুফ ৪৩ : ২৩-২৪)
মূসা আলাইহিস যখন দ্বীনের দা'ওয়াত নিয়ে ফির্ 'আওনের কওমের নিকট গিয়েছিলেন তখন ফির‘আওন ও তার মুশরিক সম্প্রদায় বলেছিল, فَلَمَّا جَاءَهُمْ مُوسَى بِأَيْتِنَا بَيِّنَاتٍ قَالُوا مَا هَذَا إِلَّا سِحْرٌ مُفْتَرَى وَمَا سَمِعْنَا بِهَذَا فِي آبَائِنَا الْأَوَّلِينَ ﴾
“মূসা আলাইহিস যখন স্পষ্ট দলীল ও আয়াতসমূহ নিয়ে তাদের নিকট গেলেন তখন তারা বললো, এটা তো যাদু ছাড়া কিছুই নয়। তাছাড়া এসব কথা তো আমরা আমাদের বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদের নিকট শুনিনি।” (সূরাহ্ আল ক্বাসাস ২৮: ৩৬)
নমরূদ ও তার মুশরিক বাহিনীও বলেছিল, قَالُوا بَلْ وَجَدْنَا آبَاءَنَا كَذلِكَ يَفْعَلُونَ
“তারা বললো, বরং আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে এরূপ করতে দেখেছি।” (সূরাহ্ আশ্ শু'আরা ২৬ : ৭৪)
মক্কার কাফির, মুশরিকরাও পূর্ববর্তীদের দোহাই দিয়ে বলেছিল, ﴿بَلْ قَالُوا إِنَّا وَجَدْنَا آبَاءَنَا عَلَى أُمَّةٍ وَإِنَّا عَلَى آثَارِهِمْ مُهْتَدُونَ ﴾
“বরং তারা বলে আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষ বাপ-দাদাদেরকে পেয়েছি এক পথের পথিক এবং আমরাও তাদের পদাঙ্ক অনুকরণ করে পথপ্রাপ্ত।” (সূরাহ্ আয্ যুখরুফ ৪৩ : ২২)
কাফির মুশরিকদেরকে আল্লাহর পথে কুরআনের দিকে ডাকলে তারা বলে, ﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنْزَلَ اللَّهُ قَالُوا بَلْ نَتَّبِعُ مَا أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ شَيْئًا وَلَا يَهْتَدُونَ ﴾
“যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তোমরা তার অনুকরণ করো। তখন তারা বলে, বরং আমরা তো সে বিষয়েরই অনুকরণ করব যে বিষয়ে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে পেয়েছি। যদিও তাদের বাপ-দাদারা কিছুই জ্ঞান রাখে না এবং তারা সঠিক পথপ্রাপ্তও নয়।” (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৭০)
আল্লাহ ও তার রসূলের অর্থাৎ কুরআন হাদীসের দিকে ডাকলে মুশরিক, কাফির, বিদ'আতীদের নীতি হচ্ছে তারা বলবে, ﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا إِلَى مَا أَنْزَلَ اللَّهُ وَإِلَى الرَّسُولِ قَالُوا حَسْبُنَا مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ شَيْئًا وَلَا يَهْتَدُونَ ﴾
“যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন সে (কুরআনের) পথে এবং রসূলের (হাদীসের) পথে আস। তখন তারা বলে, আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে যার উপর পেয়েছি তাই আমাদের জন্য
যথেষ্ট। যদিও তাদের বাপ-দাদারা কোন জ্ঞান রাখে না এবং হিদায়াত প্রাপ্তও না হয়, তবুও কি তারা তাই করবে।” (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ১০৪)
সূরাহ্ লুক্বমানে মহান আল্লাহ বলেন : وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوْا مَا أَنْزَلَ اللَّهُ قَالُوا بَلْ نَتَّبِعُ مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا أَوَلَوْ كَانَ الشَّيْطَنُ يَدْعُوهُمْ إِلَى عَذَابِ السَّعِيرِ “যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তোমরা তার অনুসরণ করো। তখন তারা বলে, বরং আমরা আমাদের বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছি তাই অনুকরণ করব। শয়তান যদি তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তির দিকে ডাকে তবুও তা মানবে।” (সূরাহ্ লুক্বমান ৩১ : ২১)
وَإِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً قَالُوا وَجَدْنَا عَلَيْهَا آبَاءَنَا وَاللَّهُ أَمَرَنَا بِهَا قُلْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَأْمُرُ بِالْفَحْشَاءِ أَتَقُولُونَ عَلَى اللهِ مَا لَا تَعْلَمُونَ “যখন তারা কোন অশ্লীল কাজ করে, তখন তারা বলে, আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে এরূপ করতে দেখেছি এবং আল্লাহও আমাদেরকে এ আদেশই দিয়েছেন। বলুন! আল্লাহ কখনও অশ্লীল কাজের আদেশ দেন না। তোমরা কি আল্লাহ সম্বন্ধে এমন কথা বলছ : যা তোমরা জান না?” (সূরাহ্ আল আ'রাফ ৭: ২৮)
📄 আল্লাহর নাম ও আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কারো নজরানা বা সন্তুষ্টির উদ্দেশে আল্লাহ ব্যতীত (গাইরুল্লাহ তথা পীর, আওলিয়া ও দরগাহ, মাজারে) যবেহ করা শির্ক
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন, قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعُلَمِينَ لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ ١٦٣
“হে নাবী! আপনি বলুন, নিশ্চয় আমার সলাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সবকিছুই কেবলমাত্র সমগ্রবিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। তার কোন শরীক নেই এবং আমি (কোন রূপ শরীক না করার জন্যই) আদিষ্ট হয়েছি এবং মুসলিমদের মধ্যে আমিই প্রথম।” (সূরাহ্ আল আন'আম ৬ : ১৬২-১৬৩)
قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ، فَقَالَ: مَا كَانَ النَّبِيُّ ا يُسِرُّ إِلَيْكَ، قَالَ: فَغَضِبَ، وَقَالَ: مَا كَانَ النَّبِيُّ لا يُسِرُّ إِلَى شَيْئًا يَكْتُمُهُ النَّاسَ، غَيْرَ أَنَّهُ قَدْ حَدَّثَنِي بِكَلِمَاتٍ أَرْبَعٍ، قَالَ : فَقَالَ: مَا هُنَّ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَ: قَالَ: «لَعَنَ اللهُ مَنْ لَعَنَ وَالِدَهُ، وَلَعَنَ اللهُ مَنْ ذَبَحَ لِغَيْرِ اللَّهِ، وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ آوَى مُحْدِثًا، وَلَعَنَ اللهُ مَنْ غَيَّرَ مَنَارَ الْأَرْضِ».
'আনহু 'আলায়হি ওয়াসাল্লাম 'আলী কবিয়াল্লা মায়া হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ আমাকে চারটি কালিমা বর্ণনা করেছেন,
১. যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে (পীর, আওলিয়াদের দরগায়) যবেহ করে আল্লাহ তা'আলা তাকে লা'নাত করেন;
২. যে ব্যক্তি পিতা-মাতাকে লা'নাত করে আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন;
৩. যে ব্যক্তি বিদ'আতীকে সাহায্য করে আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন;
৪. যে ব্যক্তি জমিনের সীমানা পরিবর্তন করে আল্লাহ তাকে লা'নাত করেন। (মুসলিম- হাঃ ৪৩-[১৯৭৮])
কোন পীর আওলিয়ার দরগা বা মাজারে পশু যবেহ করা উদ্দেশ্য হল ঐ ক্বরবাসী বা ঐ পীরের মনসন্তুষ্টি অর্জন করা। অপর দিকে পশু যবেহ করার মাধ্যমে মনসন্তুষ্টি আল্লাহকে ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনই হল শির্ক। মাজারে নিয়ে যবেহ করা মুশরিকদের রীতি, এজন্য সেখানে আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ করলেও সেটা শির্ক, খাওয়া হারাম。
📄 সকল ক্বব্রবাসী জীবিতদের ডাকে সাড়া দিতে অক্ষম এমনকি নাবী মুহাম্মাদ ﷺ-ও
মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন :
إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتَى وَلَا تُسْمِعُ الصُّمَّ الدُّعَاءَ إِذَا وَلَّوْا مُدْبِرِينَ وَمَا أَنْتَ بِهَادِي الْعُنى عَنْ ضَلَالَتِهِمْ ﴾
“আপনি মৃতদেরকে শোনাতে পারবেন না এবং বধিরকেও আহ্বান শোনাতে পারবেন না। যখন তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে চলে যায়। আপনি অন্ধদেরকে তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে ফিরিয়ে সৎপথে আনতে পারবেন না।” (সূরাহ্ আন্ নাম্ল ২৭ : ৮০-৮১)
وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَنْ فِي الْقُبُورِ ﴾
“আপনি ক্ববরে শায়িত ব্যক্তিদেরকে শোনাতে পারবেন না।” (সূরাহ্ আন্ নাম্ল ২৭ : ২২)
মহাহ আল্লাহ তা'আলা আরও বলেন :
وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنْ يَدْعُو مِنْ دُونِ اللَّهِ مَنْ لَا يَسْتَجِيبُ لَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَهُمْ عَنْ دُعَائِهِمْ غَافِلُونَ ﴾
“তার থেকে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে যে আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ডাকে, যে ক্বিয়ামাত পর্যন্ত তার ডাকের সাড়া দিবে না। আর তারা তাদের দু'আ (আহ্বান) সম্পর্কে অবগতও নয়।” (সূরাহ্ আল আহাক্বাফ ৪৬ : ৫)
যারা কথা শুনে না তারা কিভাবে অপরকে সাহায্য করবে? অপরকে সান্তনা দিবে, অপরের মাকসুদ পূর্ণ করবে? বরং তারা নিজেরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।
এতেই বুঝায় কোন মৃত ক্বর বা মাজারে কিছু চাইলে এটা নির্বুদ্ধিতার পরিচয় ছাড়া অন্য কিছুই নয় বরং মস্তবড় শির্ক।