📄 لاَ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ-এর আসল অর্থ ও তাৎপর্য
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর আসল অর্থ হচ্ছে لَا مَعْبُودَ بِحَقِّ إِلَّا اللَّهُ অর্থাৎ নেই কোন সত্য মা'বুদ আল্লাহ ছাড়া। যোগ্য ও সত্যিকার ইলাহ, মা'বূদ ও উপাস্য এক, একক, অদ্বিতীয়, যার কোন অংশীদার বা শরীক নেই। আর তিনিই হলেন মহান আল্লাহ। যুগে যুগে নাবী রসূলগণ কালিমাতুত্ ত্বইয়িবার যে দা'ওয়াত নিয়ে এসেছিলেন তার আসল উদ্দেশ্য ছিল এক আল্লাহর গোলামীর বাস্তবায়ন। শুধুমাত্র এর শব্দগুলো মুখে উচ্চারণই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক অর্থের উপর 'আমালের বাস্তবায়ন। জাহেল কাফিরগণও এ কথা জানত যে, এই কালিমার আসল উদ্দেশ্য হল যাবতীয় সৃষ্ট বস্তুর সঙ্গে আল্লাহর সম্পর্কহীনতা ঘোষণা করা। তার সঙ্গে বান্দার একমাত্র সম্পর্ক খালেক ও মাখলুক তথা মা'বূদ ও 'আবেদ সম্পর্ক। তাকে ছেড়ে আর যাকে বা যে বস্তুর উপাসনা করা হয় তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করা। এর থেকে তাকে সম্পূর্ণ পাক ও পবিত্র রাখা। কেননা যখন রসূলুল্লাহ কাফিরদের লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা বল لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ (লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ) অর্থাৎ নেই কোন সত্য মা'বুদ আল্লাহ ছাড়া। তখন তারা বলে উঠল,
أَجَعَلَ الْأَلِهَةَ إِلَهَا وَاحِدًا إِنَّ هَذَا لَشَيْءٍ عُجَابٌ
“এই লোকটি কি বহু উপাস্যদের এক উপাস্যে পরিণত করে ফেলছে? এতো ভারী এক আশ্চর্য ব্যাপার।” (সূরাহ্ সোয়াদ ৩৮ : ৫)
ওরা আরো বলছিল, হে মুহাম্মাদ! কা'বা ঘরে আমাদের ৩৬০ টি মা'বুদ রয়েছে আমরা একেক সমস্যার জন্য একেকজন মা'বৃদের কাছে সাহায্য চাই। এতগুলো মা'বুদ থাকতেও পারে না আমাদের দুঃখ দুর্দশা মিটাতে, আর তুমি মাত্র একজন ইলাহের কথা বলছ এটা কি করে সম্ভব যে সে একাই আমাদের সকল দুর্দশা মিটাবে। এটা সম্ভব নয়। তাই তাদের অনেকেই এক ইলাহের প্রতি ঈমান আনতে পারেনি।
তাহলে বুঝা গেল যে, তখনকার জাহিল কাফিরগণও لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর সঠিক অর্থ বুঝে নিয়েছিল। এটা কত বড় আশ্চর্যের বিষয় যে, এখনকার একশ্রেণীর ইসলামের দাবীদাররা মুসলিম নাম নিয়েও لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর সঠিক অর্থ বুঝতে সক্ষম হচ্ছে না। বরং এরা মনে করছে যে, لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর আক্ষরিক উচ্চারণই যথেষ্ট। তার প্রকৃত অর্থ ও তাৎপর্য উপলব্ধি করে অন্তর দিয়ে প্রত্যয় পোষণ করার প্রয়োজন নেই। কাফিরদের মধ্যে যারা ছিল বুদ্ধিমান তারাও لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর অর্থ সম্পর্কে জানত যে সত্যিকার ইলাহ একমাত্র আল্লাহ। তিনি ছাড়া নেই কোন সৃষ্টিকর্তা, নেই কোন রুযীদাতা, নেই কোন বিপদ উদ্ধারকারী হুকুম দানকারী এবং 'ইবাদাত পাওয়ার যোগ্য শুধুমাত্র তিনিই। আর তিনিই হলেন সকল কিছুর পরিচালক, সকল বিষয়ের ব্যবস্থাপক। অতএব ঐ মুসলিম নামধারীর মধ্যে কি মঙ্গল থাকতে পারে যার চেয়ে জাহিল কাফিরগণও لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর অর্থ বেশী বুঝত।
📄 لاَ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ পবিত্র এই কালিমার শুরুতে কেন আল্লাহ لاَ إِلَٰهَ অর্থাৎ নেই কোন মা'বূদ শব্দটি ব্যবহার করলেন
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এত শব্দ বা অক্ষর থাকতে إِلَهَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর শুরুতে কেন শব্দটি ব্যবহার করলেন তার জবাব হল إِلَّا اللهُ অর্থ অর্থ হলো নেই কোন মা'বুদ إِلَّا اللهُ যদিও একটি মাত্র শব্দ কিন্তু এই ক্ষেত্রে তার মধ্যে রয়েছে শিক্কের সাগর। আর আল্লাহ রাব্বুল 'আলামীন তিনি তো এমন যে, সব তিনি বরদাস্ত করতে পারেন কিন্তু শিক্ককে বড় অপছন্দ করেন। তার কাছে সবচাইতে ঘৃণিত হল তার সাথে অন্য কাউকে শরিক করা। এজন্য কুরআনুল কারীমে ঘোষণা করেন।
إِنَّهُ مَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّلِمِينَ مِنْ أَنْصَارٍ “নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার বাসস্থান হবে জাহান্নাম। আর যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।” (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ৭২)
মহান আল্লাহ আরো বলেন : إِنَّ اللهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا
"নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না যে তার সাথে শরীক করবে। এছাড়াও যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়।” (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ১১৬)
আল্লাহ চান তার বান্দা وَإِلَهَ إِلَّا اللَّهُ বা এক আল্লাহর উলুহিয়্যাতকে গ্রহণ করার, আগে, সমস্ত প্রকার শির্ক থেকে পরিষ্কার হয়ে আসুক। এজন্যেই প্রথমে لَا বর্ণনা-সূচক শব্দ দ্বারা সমস্ত শিক্ককারীর শির্ককে অস্বীকার করে দিয়ে হৃদয় আত্মাকে সমস্ত শির্ক এবং পাপাচার থেকে মুক্ত করে পরিষ্কার হৃদয়ে একমাত্র ইলাহকেই যেন গ্রহণ করে। আর এ কারণেই মহান আল্লাহ কালিমাতুত্ ত্বইয়িবার শুরুতে لَا এ অক্ষরটি ব্যবহার করে إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর ঘোষণা দিলেন।
📄 لاَ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ শুধু মুখে উচ্চারণই যথেষ্ট নয়, মূল হল পাঁচটি শর্তের বাস্তবায়ন
কালিমাতুত্ ত্বইয়িবার দু'টি অংশের মাঝে আবার পাঁচটি শর্ত রয়েছে। যে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন এবং তার বাস্তবায়ন প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফারয়ে আইন।
এ মর্মে আল্লাহ তা'আলা বলেন, فَاعْلَمْ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ “আর সকলে এ জ্ঞান অর্জন কর যে নিশ্চয় আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মা'বুদ নেই।” (সূরাহ্ মুহাম্মাদ ৪৭ : ৩)
প্রথমতঃ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর শর্ত চারটি যার প্রত্যেকটি না-সূচক, বর্জনীয় ও অস্বীকার যোগ্য।
দ্বিতীয়তঃ إِلَّا اللَّهُ এর শর্ত মাত্র একটি যা গ্রহণীয়।
মোট পাঁচটি শর্তের দলীল কুরআনুল কারীম থেকে এভাবে নিতে পারি। এ মর্মে মহান আল্লাহ বলেন,
“বল, (হে মুহাম্মাদ!) এসো, হে আহলে কিতাবরা তোমরা আল্লাহর এমন একটি كَلِمَةٍ (কথার) দিকে যা আমাদের এবং তোমাদের সকলের জন্য সমান। আর সে কথাটি হল আমরা একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া আর অন্য কারো 'ইবাদাত করব না। তার সাথে কোন অংশীস্থাপন করব না। আর আল্লাহকে ছাড়া অন্য আর কাউকে রব হিসেবে গ্রহণ করব না।” (সূরাহ্ আ-লি 'ইমরান ৩ : ৬৪)
উক্ত আয়াতের মাঝে এ তিন প্রকার বর্জনীয় শির্কী দাবী রয়েছে।
১. ﴿أَلَّا نَعْبُدَ إِلَّا اللَّهَ﴾ বাক্যের মাঝে আরো বহু ইলাহের মা‘বৃদদের ইঙ্গিত রয়েছে।
২. ﴿وَلَا نُشْرِكَ بِهِ شَيْئًا﴾ বাক্যের মাঝে আরো বহু সমকক্ষের ইঙ্গিত রয়েছে।
৩. ﴿وَلَا يَتَّخِذَ بَعْضُنَا بَعْضًا أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ﴾ এর মাঝে অসংখ্য রবের ইঙ্গিত রয়েছে।
মহান আল্লাহ আরো বলেন, ﴿وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ﴾
“প্রত্যেক জাতির মধ্যে আমি একজন করে রসূল প্রেরণ করেছি। যাতে করে তারা এই কথা বলে আহ্বান করতেন যে তোমরা আল্লাহর উপাসনা কর। এবং ত্বাগৃতের সকল প্রকার আনুগত্য ত্যাগ কর।” (সূরাহ্ আন্ নাহ্ল ১৬: ৩৬)
উক্ত আয়াতে সকল প্রকার ত্বাগূতকে বর্জন করতে বলা হয়েছে।
📄 পবিত্র বাক্য لاَ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ-এর পাঁচটি শর্ত রয়েছে যা দু'টি অংশে বিভক্ত
উক্ত আয়াত দু'টিতে لاَ إِلهَ এর চারটি বর্জনীয় বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে প্রথম আয়াতে তিনটি ১. أَرْبَابَ أَنْدَادَ آلِهَةً এবং দ্বিতীয় আয়াতে একটি। ২. طَاغُوتَ সর্বমোট চারটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে তাদের প্রত্যেকটিকে ছাড়তে বলা হয়েছে।
কালিমাতুত্ ত্বইয়িবার প্রথম অংশ لاَ إِلهَ ঘোষণা করছে বর্ণিত চারটি বিষয়কেই প্রথমে বর্জন করে দাও। যথা : ১. إِجْتَنِبُو الْأَرْبَابَ অসংখ্য রবদের বর্জন কর। ২. إِجْتَنِبُو الْأَنْدَادُ সকল প্রকার সমকক্ষদের বর্জন কর। ৩. إِجْتَنِبُو الْأَلِهَةَ সমস্ত বাতিল ইলাহদের মা'বৃদদের বর্জন কর। ৪. إِجْتَنِبُوا الْطَاغُوتُ এবং সকল প্রকার ত্বাগূতদেরকে বর্জন কর।
উপরোক্ত চারটি বিষয়ের প্রত্যেকটিই ইলাহের আসন দখল করে আছে। এজন্য আল্লাহ বলেন, لاَ إِلهَ অর্থাৎ এদের সকলকেই প্রথমে বর্জন কর।
প্রথম অংশ : ঘোষণা কর لاَ إِلهَ অর্থাৎ ত্যাগ কর, অস্বীকার কর, ছেড়ে দাও। কি ছাড়ব? لاَ إِلهَ অর্থাৎ দুনিয়ার সমস্ত অযোগ্য বাতিল ও অসংখ্য মিথ্যা ইলাহদের মা'বৃদদের উপাস্যদের ছেড়ে দাও। ত্যাগ কর, অস্বীকার কর।
মুশরিক এবং মুসলিমের মাঝে পার্থক্যের প্রথম মানদণ্ডই হল لاَ إِلهَ অর্থাৎ বাতিল মা'বৃদদের বর্জন নিয়ে।
দ্বিতীয় অংশ : প্রথম অংশ বাস্তবায়নের পরে দ্বিতীয় অংশের ঘোষণা إِلَّا اللهُ একমাত্র আল্লাহকেই সত্যিকার ইলাহ মা'বূদ ও উপাস্য হিসেবে মনে প্রাণে গ্রহণ কর। মুসলিম প্রথমে সব বাতিলকে অস্বীকার বা বর্জন করে পরে সত্য ইলাহকে গ্রহণ করবে। আর মুশরিক প্রথম অংশ বাতিলকে বর্জন না করে তার উপর অটল থেকে দ্বিতীয়, অংশের কিছু কিছু গ্রহণ করে, যার দরুন সে মুশরিকের গণ্ডি থেকে বের হতে পারে না। আর এদিকে কালিমাতুত্ ত্বইয়িবার মূল দাবী হল প্রথম অংশের অস্বীকার বা বর্জন, দ্বিতীয় অংশ গ্রহণ। প্রথমে বর্জন না করে শুধু গ্রহণই করলাম। এই ক্ষেত্রে বর্জন এবং গ্রহণ উভয়কে যদি একত্র করে নেয়া হয় তাহলে শির্ক এবং তাওহীদ মিশ্রিত হয়ে যায়। আর لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ এর দাবী কিন্তু এটা নয়। এমন মুসলিমের দাবীদার হাজার বারও যদি لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ পড়ে থাকে কখনও সে আল্লাহর একত্ব ঘোষণাকারী মুসলিম হতে পারবে না। অবস্থা এমন হবে যে, একই পাত্রে দুধ এবং বিষ মিশ্রিত করে রাখলে দুধ ভেবে খেয়ে যেমন বিষের যন্ত্রণায় মৃত্যুবরণ করতে হয়। ঠিক তেমনি হৃদয় নামক পাত্র খানিতে শির্ক নামক বিষ ও তাওহীদের কালিমা لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ একত্র করলেও জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনে দগ্ধ হতে হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রথম অংশের দাবীকে পৃথক করতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত সে যতবারই لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ মুখ দিয়ে উচ্চারণ করুক, যতই সলাত, সিয়াম, হজ্জ ও যাকাত আরো যত সাওয়াবের কাজ আছে সবই যদি সে করে তার পরেও সব 'আমাল পণ্ডশ্রম বা বাতিল হয়ে যাবে। এ মর্মে মহান আল্লাহ তা'আলা বলেন,
﴿ وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُمْ بِاللَّهِ إِلَّا وَهُمْ مُشْرِكُونَ ﴾ “অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সত্ত্বেও তারা মুশরিক।” (সূরাহ্ ইউসুফ ১২: ১০৬)
আলাইহি আল্লাহর রসূল যত জায়গায় যতবারই যুদ্ধ জিহাদ করেছেন মূল বিষয় ছিল প্রথম অংশের দাবী ত্যাগ নিয়ে। প্রথম অংশের দাবী যতক্ষণ বাস্তবায়ন না হয়েছে ততক্ষণ দ্বিতীয় অংশের দা'ওয়াত দেননি। এ মর্মে রসূলুল্লাহ ﷺ -এর হাদীস। রসূলুল্লাহ ﷺ মু'আয-কে ইয়ামান পাঠানোর সময় তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, অর্থাৎ- নিশ্চয় তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে আগমন করবে যারা আহলে কিতাব। সুতরাং তাদের সর্ব প্রথমে যে দা'ওয়াত দিবে তা হল বাতিল ইলাহদের মা'বৃদদের অস্বীকার আর আল্লাহ ছাড়া আর কোন সত্য উপাস্য নেই- এ কথার সাক্ষ্যদান এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর প্রেরিত রসূল। অন্য বর্ণনায় রয়েছে তা হল এই যে, তারা আল্লাহকে এক বলে মানবে। (বুখারী- হাঃ ৪৩৪৭, মুসলিম- হাঃ ২৯-[১৯])