📄 রাসূল (সা.) এর নূরানী চেহারা যখম হওয়া
উহুদ যুদ্ধের এক পর্যায়ে যখন মুসলিম বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে পড়ে, তখন কাফেররা সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। ইবনে কামিয়া নামক এক কাফেরের আঘাতে রাসূলের শিরস্ত্রাণ ভেঙে দুটি আংটা তাঁর নূরানী চেহারার গণ্ডদেশে বিঁধে যায় এবং তাঁর একটি দাঁত মুবারক শহীদ হয়। তাঁর পবিত্র চেহারা রক্তে ভিজে যায়। তিনি নিজ হাতে মুখ থেকে রক্ত মুছে বলছিলেন, "ঐ জাতি কীভাবে সফল হবে যারা তাদের নবীকে রক্তাক্ত করেছে?" এই কঠিন মুহূর্তেও তিনি তাদের জন্য হেদায়েতের দুআ করেছিলেন।
📄 সাহাবায়ে কেরামের আত্মোৎসর্গ
রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন আহত ও পরিবেষ্টিত হলেন, তখন সাহাবীরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে তাঁকে রক্ষা করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। হযরত আবু দুজানা (রা.) রাসূলের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যান এবং তাঁর পিঠ শত্রুদের তীরে চালুনির মতো হয়ে যায়। হযরত তালহা (রা.) তলোয়ারের আঘাত থেকে রাসূলকে বাঁচাতে নিজের হাত বাড়িয়ে দেন, যার ফলে তাঁর হাতটি অবশ হয়ে যায়। উম্মে আম্মারা (রা.) তলোয়ার ও ঢাল নিয়ে শত্রুদের প্রতিহত করেন এবং রাসূলের সুরক্ষায় বারোটি জখম সহ্য করেন। সাহাবীদের এই নজিরবিহীন আত্মোৎসর্গ রাসূলের জীবন রক্ষা করে এবং কাফেরদের চূড়ান্ত অসফল করে দেয়।