📘 প্রশ্নোত্তরে সীরাত 📄 সাহাবায়ে কেরামের বিস্ময়কর আত্মত্যাগ ও বীরত্ব

📄 সাহাবায়ে কেরামের বিস্ময়কর আত্মত্যাগ ও বীরত্ব


বদরের ময়দানে সাহাবীদের বীরত্ব ছিল কিংবদন্তীতুল্য। হযরত আলী (রা.), হযরত হামযা (রা.) এবং হযরত উবাইদা (রা.) দ্বৈরথ যুদ্ধে কুরাইশদের নামী-দামী বীরদের ধুলোয় মিশিয়ে দেন। উম্মে আম্মারা এবং সাফিয়া বিনতে আবদুল মুত্তালিবের মতো মহীয়সী নারীদের সাহসিকতাও ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে আছে। তারা কেবল নিজেদের জীবন রক্ষা নয়, বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুরক্ষাকেই পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। কোনো সাহাবীই শহীদ হওয়ার ভয়ে পিছুপা হননি।

📘 প্রশ্নোত্তরে সীরাত 📄 আবু জাহেলের পতন হলো

📄 আবু জাহেলের পতন হলো


ইসলামের চরম শত্রু আবু জাহেল বদর যুদ্ধে নিহত হয়। তাকে হত্যা করেছিল মদীনার দুই অল্পবয়স্ক আনসার বালক—মুআয ও মুআউয়িয। তারা যুদ্ধের ময়দানে খুঁজে খুঁজে আবু জাহেলকে আক্রমণ করে এবং তাকে ধরাশায়ী করে। পরবর্তীতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) তার শিরশ্ছেদ করেন। আবু জাহেলের মৃত্যু ছিল মক্কার কুরাইশদের জন্য সবচেয়ে বড় আঘাত এবং ইসলামের জন্য এক বড় বিজয়।

📘 প্রশ্নোত্তরে সীরাত 📄 এক আশ্চর্য মুজিযা এক মুষ্টি বালুকণা দ্বারা সমস্ত বাহিনীর পরাজয় এবং ফিরিশতাদের সাহায্য

📄 এক আশ্চর্য মুজিযা এক মুষ্টি বালুকণা দ্বারা সমস্ত বাহিনীর পরাজয় এবং ফিরিশতাদের সাহায্য


বদর যুদ্ধের এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) এক মুষ্টি বালু বা কঙ্কর নিয়ে শত্রুদের লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন এবং বলেন, "শত্রু মুখমণ্ডলসমূহ বিগড়ে যাক।" আল্লাহর অসীম কুদরতে সেই বালুকণা প্রতিটি কাফের সৈন্যের চোখে গিয়ে পৌঁছায়, যার ফলে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, "আপনি যখন নিক্ষেপ করেছিলেন, তখন আপনি নিক্ষেপ করেননি বরং আল্লাহ-ই নিক্ষেপ করেছিলেন।" এর সাথে সাথে ফেরেশতাদের অবতরণ শত্রুবাহিনীকে চূড়ান্ত পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেয়।

📘 প্রশ্নোত্তরে সীরাত 📄 যুদ্ধবন্দীদের সাথে মুসলামানদের আচরণ : সভ্যতার দাবীদার ইউরোপীয়দের জন্য শিক্ষা

📄 যুদ্ধবন্দীদের সাথে মুসলামানদের আচরণ : সভ্যতার দাবীদার ইউরোপীয়দের জন্য শিক্ষা


বদর যুদ্ধে সত্তর জন কাফের বন্দি হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদের সাথে অত্যন্ত মানবিক আচরণ করার নির্দেশ দেন। সাহাবীরা নিজেরা খেজুর খেয়ে বন্দিদের উন্নত খাবার তথা রুটি খেতে দিতেন। তাদের পোশাক ও থাকার সুব্যবস্থা করা হয়েছিল। যারা শিক্ষিত ছিল, তাদের মুক্তিপণ হিসেবে ধার্য করা হয়েছিল দশ জন মুসলিম শিশুকে অক্ষরজ্ঞান দান করা। যুদ্ধবন্দীদের প্রতি ইসলামের এই উদার ও সহনশীল আচরণ বর্তমান বিশ্বের তথাকথিত উন্নত রাষ্ট্রগুলোর জন্য এক উজ্জ্বল শিক্ষা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px