📄 নবী করীম (সা.) এর অন্যান্য পূতঃপবিত্র পত্নীগণ
বিগত শতাব্দীগুলোতে মুসলিম নারীর পর্দার আড়ালের অবস্থানই ছিল জাতির মূল শক্তির রহস্য। এটি উপলব্ধি করে উপনিবেশিক শক্তিগুলো মুসলিম নারীর হিজাব হরণ ও তাকে ঘর থেকে বের করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। তথাকথিত নারী-স্বাধীনতার স্লোগান দিয়ে আসলে নারীকে পণ্য ও লালসার বস্তুতে পরিণত করা হয়েছে।
পাশ্চাত্যের এই মরীচিকার পেছনে ছুটে অনেক মুসলিম নারী তাদের সুখ ও শান্তি হারিয়েছেন। আজ অনেক পশ্চিমা নারীও স্বীকার করছেন যে, ঘরই হলো নারীর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও সম্মানের জায়গা। তথাকথিত প্রগতির নামে যে নগ্নতা ও অবাধ মেলামেশা চলছে, তা সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
প্রিয় বোন, বিভ্রান্তি ছেড়ে নিজের ধর্মের মাহাত্ম্য বোঝার চেষ্টা করুন। হিজাব ও লজ্জাশীলতাকে আঁকড়ে ধরে ঘরে ফিরে আসুন। পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলুন। মরীচিকার পেছনে না ছুটে আল্লাহর দেওয়া বিধানের শীতল ছায়ায় আশ্রয় নিন।
টিকাঃ
১. কিতাবুল হিয়া মিন আলামিন ওয়ালাদ ইলা রিহাবিল ঈমান: ৬৯-৬৯।
২. রিসালাতুন ইলা হাওয়া: ৩৪/২৪-২৫।
📄 নবীজী (সা.) এর বহু বিবাহের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
আমাদের প্রত্যাশা হলো একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী সমাজ, যার মূল ভিত্তি হবে আদর্শ মুসলিম পরিবার। যেখানে প্রতিটি সদস্য আল্লাহর আনুগত্যে ঐক্যবদ্ধ থাকবে এবং মা-বাবার স্নেহে নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠবে।
আমরা এমন একটি যুবসমাজ চাই যারা কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহর আদর্শে বলীয়ান হয়ে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থাকবে। তারা হবে সাহসী, নির্ভীক এবং যাবতীয় কুচক্রী শক্তির বিরুদ্ধে অটল।
একজন মুসলিম নারীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা— তিনি হবেন একজন রত্নগর্ভা মা এবং স্বামীর বিশ্বস্ত জীবনসঙ্গিনী। তিনি সমাজগঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন এবং পরবর্তী প্রজন্মকে ইসলামের গৌরবময় পথে পরিচালিত করবেন। জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে ইসলামের বিজয়পতাকা উড্ডীন করাই হোক আমাদের পরম লক্ষ্য।
কেটে যায় কালো ভোরের আভাসে, দিগন্তে হাসে উষার আলো...
সমাপ্ত