📄 পাবলিক রিলেশন ও প্রোপাগান্ডার সম্পর্ক ও পার্থক্য
তথ্য-প্রযুক্তি ও যোগাযোগ-ব্যবস্থার উন্নয়নের শতাব্দীতে জনসংযোগ পরিণত হয়েছে কমার্শিয়াল সাইট, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমগুলোর অবিচ্ছেদ্য এক অংশে। জনসংযোগের সাথে প্রোপাগান্ডার ঘনিষ্ঠ যোগসূত্রও রয়েছে। জনসংযোগ কর্মীরা তাদের মক্কেল বা খদ্দেরদের স্বার্থ চরিতার্থ করার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে সামনে এগিয়ে যান। এক্ষেত্রে খদ্দেরদের স্বার্থ উদ্ধারই তাদের প্রধানতম কর্তব্য। উক্ত স্বার্থোদ্ধারের কর্মপদ্ধতিও অনেকাংশে তারাই ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করেন। বার্নেইস (১৯২৮) উভয়ের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, জনসংযোগ যেখানে শেষ, প্রোপাগান্ডার সেখানে শুরু। যদিও তিনি তার অনেক অনৈতিক কাজকেই প্রোপাগান্ডা হিসেবে চিহ্নিত করতে নারাজ ছিলেন, তার কাছে সেগুলো শুধুই জনসংযোগ। প্রকৃতপক্ষে, জনসংযোগ কর্মীরা যেহেতু শুধুমাত্র ক্লায়েন্টদের দেওয়া দায়িত্ব বাস্তবায়ন করেন, সেহেতু এটি সর্বদাই প্রোপাগান্ডাতে রূপান্তরিত হবার সম্ভাবনা রাখে না。
ধরুন, কোনো কমার্শিয়াল অথবা অলাভজনক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ টিম তাদের শিক্ষা বিষয়ক বা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারণা করল কিংবা কোনো সাইটে তাদের পণ্যের প্রচারণা করল। আপনি তাদের এই কর্মকাণ্ডকে প্রোপাগান্ডা বলতে পারবেন না, যতক্ষণ না তাদের 'সামাজিক' কর্মকাণ্ড LGBTQ+ টাইপের কোনো 'সামাজিক' কর্মকাণ্ডের প্রচারণা হয়, যা ইসলাম-বিরোধী। সাধারণত পাবলিক রিলেশন প্রোপাগান্ডা ছড়ায় না, বরং তা ক্লায়েন্টের স্বার্থ রক্ষার্থে চেষ্টা চালায়। কিন্তু, ঐ জনসংযোগ টিম যদি LGBTQ+ এর পরোক্ষ প্রচারণা করে? কিংবা ধরুন, কোনো আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক প্রোমোটকারী দাতব্য সংগঠন সব ধর্মের অনুসারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তার 'নির্দিষ্ট' একটা অংশ দুঃস্থদের জন্য ব্যয় করে। হঠাৎ একদিন আপনি দেখতে পেলেন, সংগঠনটি মুসলিমদের যাকাতের টাকা নিয়ে আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত যাকাতের আটটি খাতের বাইরে যথেচ্ছভাবে অন্য ধর্মের উৎসবে ব্যয় করছে। এ বিষয়ে জনরোষের সৃষ্টি হলে তারা তাদের জনসংযোগ টিমকে দিয়ে দুঃস্থ মুসলিমদের খাদ্যসামগ্রী প্রদান, মাদরাসার ছেলেদের খাবার খাওয়ানোর ছবি প্রচার করতে শুরু করল, তাদের সমালোচনা করা ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করল, আবেগি বক্তব্য দিয়ে সহমর্মিতা অর্জন করতে লাগলো; কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের কোনো সন্তোজক জবাব তারা দিচ্ছে না। তখন সেটা আর শুধুই জনসংযোগ থাকে না, সেখানে প্রোপাগান্ডাও যুক্ত হয়ে গেছে। কারণ, ঐ সংগঠনের ইসলাম-বিরোধী কর্মকাণ্ড 'ন্যায়সঙ্গত' করতে তারা তাদের জঘন্য কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি না করে এর পরিবর্তে অন্য একটি বিষয় তুলে এনে জনসংযোগ এক্টিভিটি পরিচালনা করছে。
মূলত, জনসংযোগ বিষয়ক কার্যক্রম তার সীমানা ছাড়িয়ে প্রোপাগান্ডার গণ্ডিতে পা দিয়েছে কি না, এটি নির্ভর করবে দুটি বিষয়ের ওপর। এক, খদ্দেরের উদ্দেশ্য; দুই, জনসংযোগ কর্মপ্রক্রিয়ার ধরন। অনেক সময় দেখা যায়, স্বয়ং প্রোপাগান্ডিস্টরাই জনসংযোগ টিম নিয়োগ করে, সেক্ষেত্রে প্রোপাগান্ডা আর জনসংযোগ একে অপরের সাথে এমনভাবে মিশে যায়, যেভাবে স্বচ্ছ জলে গলে যায় লবণ। তাই, দুটির মধ্যে যেকোনো একটি বিষয় ইসলামের বিপক্ষে চলে গেলে, তখন সেটি প্রোপাগান্ডা হিসেবে বিবেচিত হবে, এটি ছাড়া ঢালাওভাবে জনসংযোগ ইন্ডাস্ট্রিকে প্রোপাগান্ডা ইন্ডাস্ট্রি বলার কোনো যৌক্তিকতা নেই。
টিকাঃ
[১] Interfaith Relation
📄 পাবলিক রিলেশন ও সাংবাদিকতা
সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব 'মূল্যবোধ'সমূহ যদি বিবেচনা করা হয়, তাহলে সাংবাদিকতা ও পাবলিক রিলেশন বিষয়ক কার্যক্রমের মধ্যে একটি কল্পিত নিরপেক্ষতার দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে। সাংবাদিকদের কাছে জনগণ যে প্রত্যাশা করে, জনসংযোগ কর্মীদের নিকট তারা সেই আশা করে না। এই দুটি প্রফেশন যখন তাদের মধ্যকার ব্যবধান দূর করে ফেলে, তখন ক্ষতিটা হয় মূলত জনসাধারণের; তারা তাদের আকাঙ্ক্ষিত ও প্রত্যাশিত সত্য, নিরপেক্ষ, ভারসাম্যপূর্ণ, প্রয়োজনীয় ও তাৎক্ষনিক জরুরি তথ্য পাবার সুযোগটুকু হারিয়ে ফেলে。
পঞ্চাশের দশকে ভ্যান্স প্যাকার্ড আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, মিডিয়া-রিসার্চ এবং 'ইমেজ' বিল্ডিং প্রসেস ব্যবহার করে মিডিয়া মানুষকে প্রভাবিত করার কাজে লাগাতে পারে। পরবর্তীকালে ব্রিটিশ অনুসন্ধানী সাংবাদিক নিক ডেভিয়েস দাবি করেন যে, সাংবাদিকতা নামক পেশাটি ক্রমেই পাবলিক রিলেশন ও স্পিন পদ্ধতির অব্যাহত প্রসারণের ফলে সংকুচিত হয়ে আসছে। তার মতে, পাবলিক রিলেশন বলতে—'...শুধু প্রেস কনফারেন্স আর প্রেস রিলিজ প্রদানই নয়, বরং মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মিডিয়া কভারেজের ব্যবস্থা করা, নকল 'ফ্রন্ট গ্রুপ' তৈরি করে নির্দিষ্ট ইস্যুতে সংবাদ সৃষ্টি করা, আপাতদৃষ্টিতে নিরপেক্ষ 'বিশেষজ্ঞ' সরবরাহ করা—যারা গোপন কোনো জনসংযোগ এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কথা বলবে—এবং বিভিন্ন মিডিয়া কভারেজ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে লবিং ও সমন্বয় করে সরকারি পলিসিতে রদবদল ঘটানো'—ও পাবলিক রিলেশনের আওতাধীন হয়ে পড়েছে।
১৯২৮ সালে জনসংযোগের যে বীজ বার্নেইস রোপণ করেছিলেন, প্রায় এক শতাব্দী ধরে অভিযোজিত হয়ে আজ তা এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সাংবাদিক এবং জনসংযোগ বিষয়ক পরামর্শদাতারা নিয়মিতই সংবাদ 'তৈরি' করতে একত্রে কাজ করে থাকেন। ফলাফলে সাংবাদিকতা পরিণত হয়েছে বাণিজ্যে; সংগৃহীত সংবাদের পরিবর্তে প্রচারিত হয় প্রেস রিলিজ, নিউজ এজেন্সি কর্তৃক প্রদানকৃত ও অন্যান্য পূর্ব-প্রস্তুতকৃত সংবাদ। সংবাদের পরিবর্তে জনসংযোগধর্মী আর্টিকেল প্রচারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পশ্চিমে প্রতিনিয়তই হ্রাস পাচ্ছে সংবাদপত্রের সংখ্যা。
অ্যামেরিকাতে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতি এক লক্ষ নাগরিকের বিপরীতে কাজ করত ৩৬ জন সাংবাদিক এবং ৪৫ জন জনসংযোগ কর্মকর্তা। ২০০৯ সালে এসে প্রতি এক লক্ষ নাগরিকের বিপরীতে সাংবাদিকের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২৫ জনে, অপরদিকে জনসংযোগ কর্মীদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯০ জন। অর্থাৎ, প্রতি ১ জন সাংবাদিকের পরিবর্তে ৩ জনেরও বেশি জনসংযোগ কর্মী কর্মরত (McChesney & Nichols, 2009, chapter 1, chart 6), যারা সাংবাদিকদের থেকেও বেশি অর্থের যোগান প্রাপ্ত (Sullivan, 2011)। ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে জনসংযোগ সেক্টরের আয় $৩.৫ বিলিয়ন থেকে $৮.৭৫ বিলিয়নে উন্নীত হয়। অপরদিকে একই সময়ের ভিতর পত্রিকার বিজ্ঞাপন প্রদানের মাধ্যমে আয় হ্রাস পেয়েছে অর্ধেকেরও বেশি (Barthel, 2017)।
মার্গারেট থ্যাচার যখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন, তখন ব্রিটিশ সরকার-এর সেন্ট্রাল অফিস অব ইনফরমেশন-এর বার্ষিক ব্যয় ছিল £২৭ মিলিয়ন। ব্রিটিশ জনসংযোগ বিভাগ এই সেন্ট্রাল অফিস অব ইনফরমেশন-এর অধীনে কাজ করত। দশ বছর পর তাদের বাজেট বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছায় £১৫০ মিলিয়নে। টনি ব্লেয়ার প্রধানমন্ত্রী হবার প্রথম দু বছরে ৩১০ জন প্রেস অফিসার নিয়োগ প্রদান করেন, সেই সাথে জনগণের মিলিয়ন মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করতে শুরু করেন প্রাইভেট জনসংযোগ এজেন্সির পিছনে। অ্যামেরিকার কথাই ধরুন; ফেডারেল সরকার ২০০৬-২০১৭, এই এক দশকে জনসংযোগ ও বিজ্ঞাপনের পেছনে বার্ষিক $১ বিলিয়ন হারে ব্যয় করেছে! ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে ফেডারেল পাবলিক রিলেশন অফিসারের সংখ্যা ছিল ৫০৮৬ জন, যা মার্কিন শিক্ষা বিভাগের কর্মীদের সংখ্যা থেকেও বেশি (Boehm, 2016)। বাস্তবিক অর্থে, এই সেক্টরে অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ কখনোই স্তিমিত হয়নি, বরং উত্তরোত্তর বৃদ্ধিই পেয়েছে (Davies, 2008)。
নিক ডেভিয়েস ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের পাঁচটি জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকার সংবাদের উৎস নিয়ে কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের স্পেশালিষ্ট গবেষকদের সঙ্গে নিয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করেন। পত্রিকা পাঁচটি হলো দ্যা টাইমস, দ্যা গার্ডিয়ান, দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট, দ্যা টেলিগ্রাফ এবং দ্যা ডেইলি মেইল। পরপর দু' সপ্তাহ এই পত্রিকাগুলোর (ইংল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ) সবগুলো দেশীয় সংবাদ (২২০৭টি) চিহ্নিত করে তারা 'গার্ডিয়ান' পত্রিকার নিউজ ডেস্কের সাহায্য নিয়ে ঐ দু সপ্তাহে সবগুলো সংবাদ সংগ্রহ করে। কোনো সংবাদ বা তথ্য সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে তারা সংশ্লিষ্ট পত্রিকার রিপোর্টারদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ঐ তথ্যের একেবারে গোড়া পর্যন্ত পৌঁছে যান。
দু সপ্তাহের তদন্ত শেষে তারা যে ফলাফল হাতে পেলেন, তাতে তারা বিস্মিত-ই হলেন—দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও মর্যাদাশালী পত্রিকাগুলো প্রতিনিয়ত যাচাই-বাছাই ছাড়াই সেকেন্ড-হ্যান্ড সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। আর এই ধরনের খবরগুলো প্রধানত দুই ধরনের প্রাথমিক সোর্স থেকে আসে : ওয়্যার এজেন্সি-সমূহ ও পাবলিক রিলেশন ফার্মসমূহ, যারা প্রধানত বিশেষ কোনো কমার্শিয়াল বা পলিটিকাল উদ্দেশ্যে কাজ করে। সংবাদগুলোর ৬০%-ই সম্পূর্ণ বা প্রধানত কোনো তারবার্তা বা জনসংযোগ বিষয়ক পেপার। ২০% সংবাদ তারবার্তা বা জনসংযোগ মেটারিয়ালের সাথে কম-বেশি তথ্য যোগ করে প্রস্তুত করা হয়। ৮% তথ্যের ক্ষেত্রে রিসার্চারদের দল কোনো উৎস নির্ধারণ করতে সক্ষম হননি। কেবল মাত্র ১২% সংবাদের ক্ষেত্রেই রিসার্চারগণ নিশ্চিতভাবে বলতে সক্ষম হন যে, আর্টিকেলগুলো রিপোর্টারদের নিজেদের প্রস্তুতকৃত。
কিন্তু, দুঃখের বিষয় হলো—পত্রিকাগুলো এ কথা বেমালুম অস্বীকার করে। কার্ডিফের রিসার্চাররা দেখতে পেলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো 'স্টাফ রিপোর্টার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত' টাইপের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া থাকত। অপরদিকে জনসংযোগ কর্মীরা সচরাচর সংবাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে নিজেদের আইডেন্টিটি প্রকাশ করতে চান না, যার ফলে সাংবাদিকরা তাদের প্রদানকৃত তথ্য নিজেদের নামে চালিয়ে দিলে সেটা বরং দু'পক্ষের জন্যই লাভজনক হয়। পরিশেষে রিসার্চারগণ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, প্রকাশনা সংস্থা কর্তৃক কোনো অর্থবহ স্বাধীন সাংবাদিকতা সংশ্লিষ্ট কর্মপ্রক্রিয়া এখন আর বিধিবিধান হিসেবে বিদ্যমান নেই, বরং তা 'ব্যতিক্রম' হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বা প্রতিটি সাংবাদিকই যে নিজেদের মূল্যবোধ বিকিয়ে দিয়েছেন, বিষয়টা তেমন নয়। কিন্তু, এখন আর সেটি 'স্বাভাবিক' কোনো ঘটনা নয়।
টিকাঃ
[১] ফ্রন্ট গ্রুপ হলো এমন একটি সংস্থা, যা একটি এজেন্ডাকে প্রতিনিধিত্ব করার অভিপ্রায় প্রকাশ করে, কিন্তু বাস্তবিকপক্ষে এটি অন্য কোনো পক্ষ বা স্বার্থের জন্য কাজ করে, যে পক্ষের অর্থায়ন হয়তো লুকানো থাকে বা খুব কমই উল্লেখ করা হয়।
[২] ১৯৭৯
[৩] ১৯৮৮
[১] ৪৫০০
[২] The Times, The Guardian, The independent, The Telegraph এবং The Daily Mail.
[৩] ওয়্যার এজেন্সি বা নিউজ এজেন্সি হলো সেসব ব্যবসায়ী সংগঠন, যেগুলো সংবাদ সংগ্রহ করে পত্রিকা, ম্যাগাজিন, রেডিও, টিভি, বা অন্যান্য সংবাদ-মাধ্যমের কাছে বিক্রয় করে।
[১] 'Prepared by Stuff Reporter' বা নির্দিষ্ট কোনো রিপোর্টারের নাম যিনি এজেন্সি কপিটা নিজের ভাষায় পুনর্লিখন করেন。