📄 মনোযোগ লাভের কার্যকরী পন্থা
মনোযোগ লাভের সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা হলো আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।
যে ব্যক্তি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুখী হতে চায়, তাকে আল্লাহর সাথে উত্তম সম্পর্ক গড়ে তুলতেই হবে।
পেছনের অধ্যায়গুলোতে মনোযোগ অর্জনের যত কলাকৌশল বলা হয়েছে তার সবই নির্ভর করে এই বিষয়টির ওপর। যে এটি অর্জন করতে পারবে না, তার বাকি সব অর্জন বৃথা।
এটিই জীবনের প্রকৃত অর্থ, সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য। যদি কারো ন্যূনতম জ্ঞান-বুদ্ধি থাকে, সে যেন এর আঙিনায় নিজেকে স্থাপন করে নেয়। এক মুহূর্ত সময়ও যেন হাত ফসকে পালিয়ে না যায়। সময় যতই অতিবাহিত হোক, বসন্ত একদিন আসবেই জীবনে।
আপনি যদি আপনার কোনো স্বপ্ন পূরণ করতে চান, তাহলে মসজিদমুখী হতে শিখুন। সালাতের হক আদায় করুন। যখনই শুনতে পাবেন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’, তখন যত ব্যস্ততাই আপনাকে ঘিরে থাক না কেন, ক্ষণিকের জন্য সেসব ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে রাখুন। আপনি কোন সভায় আছেন, তার পরোয়া করবেন না। হৃদয়ের আহ্বান ও মনের প্রশান্তির পথে যা কিছু বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাকে কখনো গুরুত্ব দেবেন না। যে ব্যক্তি এমন কিছুকে গুরুত্ব দেয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করে ছাড়েন! আর যে ব্যক্তি সুখের সময়েও আল্লাহকে আকুলভরে স্মরণ করে, আল্লাহ তাকে দুঃসময়ে আগলে রাখেন।
আমাদের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আগ্রহ মিশে আছে। সিজদায় গিয়ে কিংবা দুআয় যখন মহান রবকে আহ্বান করা হয়, তখন যে স্বাদ পাওয়া যায়, তার বিবরণ শুধু সেই দিতে পারবে যে তা অনুভব করেছে দুনিয়ার বুকে। আর যদি তার সাথে যুক্ত হয় একান্তে নফল সালাত পড়া কিংবা শেষ রাতে জায়নামাজে কিছু সময় কাটানো, তার চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না। সেই সাথে কেউ যদি এ কাজটি অভ্যাসে পরিণত করতে পারে, তাহলে সে দুনিয়ায় থেকেই জান্নাতের খানিকটা নিয়ামত পেয়ে গেল।
আপনার হৃদয়কে কুরআনের আঙিনায় ছেড়ে দিন। কুরআনের সাথে বেশ ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে তুলুন। কুরআনের কিছু পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করাকে আপনার দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত করুন। প্রতিদিন কুরআন নিয়ে ভাবার যেন নির্দিষ্ট সময় থাকে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আপনি ধীরে ধীরে অনুভব করবেন, সব কিছু পেয়ে গেছেন। এমন অনাবিল প্রশান্তির স্বর্গীয় স্বাদ আর কিছুতেই পাবেন না।
আল্লাহর আনুগত্য (সালাত, সিয়াম, সাদাকা, যিকর, তিলাওয়াত, তাদাব্বর, আত্মীয়তার সম্পর্ক, উমরাহ) যত রকমের হতে পারে, সবগুলোতে যেন আপনার সামান্য হলেও অংশ থাকে। আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করুন। হৃদয়ের গভীরে অনুভব করতে থাকুন। যদি আপনার রব এবং তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে কোনো আদেশ জানতে পারেন, তবে তা পালনে আত্মনিয়োগ করুন।
যে কাজে আল্লাহর অসন্তুষ্টি অর্জনের সামান্যতম আশঙ্কা থাকে, তা নির্দ্বিধায় ছেড়ে দিন। হারাম কাজ থেকে আরো দূরে থাকুন। আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খেয়াল রাখুন। কোনো পাপ কাজে ভুলেও জড়াবেন না। হ্যাঁ, যদি অভ্যাসবশত কিছু হয়ে যায়, সেটা ভিন্ন কথা। আশা করা যায়, পরম করুণাময় তা নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন। এভাবে চলতে থাকলে ধীরে ধীরে আপনার জীবনে বাধাগুলো সরে যাবে।
মনোযোগ লাভের সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা হলো আল্লাহর সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।
যে ব্যক্তি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুখী হতে চায়, তাকে আল্লাহর সাথে উত্তম সম্পর্ক গড়ে তুলতেই হবে।
পেছনের অধ্যায়গুলোতে মনোযোগ অর্জনের যত কলাকৌশল বলা হয়েছে তার সবই নির্ভর করে এই বিষয়টির ওপর। যে এটি অর্জন করতে পারবে না, তার বাকি সব অর্জন বৃথা।
এটিই জীবনের প্রকৃত অর্থ, সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য। যদি কারো ন্যূনতম জ্ঞান-বুদ্ধি থাকে, সে যেন এর আঙিনায় নিজেকে স্থাপন করে নেয়। এক মুহূর্ত সময়ও যেন হাত ফসকে পালিয়ে না যায়। সময় যতই অতিবাহিত হোক, বসন্ত একদিন আসবেই জীবনে।
আপনি যদি আপনার কোনো স্বপ্ন পূরণ করতে চান, তাহলে মসজিদমুখী হতে শিখুন। সালাতের হক আদায় করুন। যখনই শুনতে পাবেন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’, তখন যত ব্যস্ততাই আপনাকে ঘিরে থাক না কেন, ক্ষণিকের জন্য সেসব ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে রাখুন। আপনি কোন সভায় আছেন, তার পরোয়া করবেন না। হৃদয়ের আহ্বান ও মনের প্রশান্তির পথে যা কিছু বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাকে কখনো গুরুত্ব দেবেন না। যে ব্যক্তি এমন কিছুকে গুরুত্ব দেয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করে ছাড়েন! আর যে ব্যক্তি সুখের সময়েও আল্লাহকে আকুলভরে স্মরণ করে, আল্লাহ তাকে দুঃসময়ে আগলে রাখেন।
আমাদের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আগ্রহ মিশে আছে। সিজদায় গিয়ে কিংবা দুআয় যখন মহান রবকে আহ্বান করা হয়, তখন যে স্বাদ পাওয়া যায়, তার বিবরণ শুধু সেই দিতে পারবে যে তা অনুভব করেছে দুনিয়ার বুকে। আর যদি তার সাথে যুক্ত হয় একান্তে নফল সালাত পড়া কিংবা শেষ রাতে জায়নামাজে কিছু সময় কাটানো, তার চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না। সেই সাথে কেউ যদি এ কাজটি অভ্যাসে পরিণত করতে পারে, তাহলে সে দুনিয়ায় থেকেই জান্নাতের খানিকটা নিয়ামত পেয়ে গেল।
আপনার হৃদয়কে কুরআনের আঙিনায় ছেড়ে দিন। কুরআনের সাথে বেশ ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে তুলুন। কুরআনের কিছু পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করাকে আপনার দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত করুন। প্রতিদিন কুরআন নিয়ে ভাবার যেন নির্দিষ্ট সময় থাকে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আপনি ধীরে ধীরে অনুভব করবেন, সব কিছু পেয়ে গেছেন। এমন অনাবিল প্রশান্তির স্বর্গীয় স্বাদ আর কিছুতেই পাবেন না।
আল্লাহর আনুগত্য (সালাত, সিয়াম, সাদাকা, যিকর, তিলাওয়াত, তাদাব্বর, আত্মীয়তার সম্পর্ক, উমরাহ) যত রকমের হতে পারে, সবগুলোতে যেন আপনার সামান্য হলেও অংশ থাকে। আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করুন। হৃদয়ের গভীরে অনুভব করতে থাকুন। যদি আপনার রব এবং তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে কোনো আদেশ জানতে পারেন, তবে তা পালনে আত্মনিয়োগ করুন।
যে কাজে আল্লাহর অসন্তুষ্টি অর্জনের সামান্যতম আশঙ্কা থাকে, তা নির্দ্বিধায় ছেড়ে দিন। হারাম কাজ থেকে আরো দূরে থাকুন। আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খেয়াল রাখুন। কোনো পাপ কাজে ভুলেও জড়াবেন না। হ্যাঁ, যদি অভ্যাসবশত কিছু হয়ে যায়, সেটা ভিন্ন কথা। আশা করা যায়, পরম করুণাময় তা নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন। এভাবে চলতে থাকলে ধীরে ধীরে আপনার জীবনে বাধাগুলো সরে যাবে।