📘 প্রোডাক্টিভ লেসনস > 📄 কোথায় আপনি ক্রস দেবেন?

📄 কোথায় আপনি ক্রস দেবেন?


ওপরের ঘটনা থেকে একটা জিনিস খুব স্পষ্ট—সফল হতে হলে, সমস্যা সমাধান করতে হলে আগে মূল বিচ্যুতিটা খুঁজে বের করতে হবে। নয়তো অক্লান্ত শ্রম, অমূল্য চিন্তা আর অঢেল অর্থই কেবল ব্যয় হবে, কাজের কাজ কিছুই হবে না।
অনেক সময় আমাদের কাজে ছিদ্র বা ফাটল থেকে যায়। আমাদের শ্রম, শক্তি আর ক্ষমতার একটি বিরাট অংশ সেই ছিদ্রপথে বেরিয়ে যায়, নষ্ট হয় আমাদের ভেতরকার অমিত সম্ভাবনা। সেসব ফাটল আমরা যখন খুঁজে পাই ততক্ষণে হয়তো সুযোগ হাতছাড়া ।
রোগ নিরাময় করতে হলে আগে রোগ নির্ণয় জরুরি। সফল হতে হলে কাজে লাগাতে হয় নিজের শক্তিকে। তাই ঠিকভাবে ক্রসচিহ্ন দিতে পারা অত্যাবশ্যকীয়। আমাদের সেই জায়গায় ক্রসচিহ্ন আঁকতে হবে, যা আমাদের শক্তি আর সম্ভাবনাকে ক্রমাগত দুর্বল করে তোলে। আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই এমন কিছু আছে যার জন্য আমরা অন্যদের থেকে আলাদা। নিজেদের সেই শক্তি আর দক্ষতাকে খুঁজে বের করুন। কেননা এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ভবিষ্যতে আপনাকে স্বতন্ত্র স্থানে পৌঁছে দেবে, অনন্য করে তুলবে।
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ‘কোন কোন সমস্যা বা ভুলের জন্য ক্রস দিতে হবে?’
সমস্যার তো শেষ নেই। যেমন : সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যম। অন্যের জীবনের টুকিটাকি খবর জানতে গিয়ে নিজের জীবনের অমূল্য সময়কে পায়ে ঠেলে দিচ্ছি আমরা। সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে না পারা আরেকটি কারণ। হতে পারে অতিরিক্ত ঘুম, আড্ডাবাজির মতো কিছু বদভ্যাস আপনার সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আরেকটা প্রশ্ন হলো, কোন কোন পারদর্শিতাকে চিহ্নিত করা প্রয়োজন? কোন দক্ষতাকে চিহ্নিত করলে তা সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করবে, ভবিষ্যতে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানের কারণ হবে?
কেবল নিজের সম্ভাবনার ক্ষেত্র নির্ধারণ করতে পারাই আপনার সাথে অন্যদের বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। এই একটি কাজই আপনার মর্যাদাকে উন্নীত করতে সক্ষম, সফলতার মুকুট পরাতে পারঙ্গম।
এক মুহূর্ত থেমে নিজের দক্ষতার জায়গাগুলো যাচাই করে দেখুন। এগুলো কি আপনার জীবনের উদ্দেশ্যের সীমারেখার মধ্যেই আছে নাকি পুরোপুরি আওতার বাইরে চলে গেছে?
সফলতার জন্য আমরা যেমন সমস্যা ও সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করি, একই সাথে পর্যবেক্ষণ করা উচিত আমাদের বৈবাহিক জীবন, কর্মজীবন, স্বাস্থ্য ও অর্থ-সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলোকে। এভাবে জীবনের এমন প্রতিটা বিষয়কে আমরা চিহ্নিত করতে পারি যেগুলো ভবিষ্যতে আমাদের অর্জন আর সফলতাকে প্রভাবিত করবে।

চিন্তার খোরাক
কল্পনার রাজ্য থেকে বেরিয়ে আসুন। সকল দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। আত্মসমালোচনায় দৃঢ় হোন। জীবন একটাই, বারবার আসবে না!

টিকাঃ
[1] Focal Point, Brian Tracy
[২] সুরা কিয়ামাহ, আয়াত: ১৪-১৫

📘 প্রোডাক্টিভ লেসনস > 📄 ঝেড়ে ফেলুন সব অস্থিরতা

📄 ঝেড়ে ফেলুন সব অস্থিরতা


আপনার মনোযোগ স্থাপনে প্রধান বাধা হচ্ছে অস্থিরতা আর বিক্ষিপ্ততা। আপনার যদি নিজের ওপর আস্থা থাকে, আল্লাহর দেওয়া দক্ষতা ও প্রতিভার গুরুত্ব বুঝতে পারেন, মনোযোগ বাড়াতে চান তাহলে সবার আগে এই বাধাকে দূর করতে হবে।
আমরা একেবারেই প্রান্তিক এবং অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে ডুবে থাকি। এমন সব বিষয় নিয়ে রাতদিন ব্যস্ত থাকি যার সাথে সংস্কার, গঠন বা পরিবর্তনের বিন্দুমাত্র সম্পর্কও নেই। একে বলা চলে ব্যাপক বিক্ষিপ্ততা। দুঃখজনক হলেও সত্যি, এটা এখন প্রবলভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষিপ্ত জনতার কাছ থেকে কীই বা আশা করা যায়?
মোবাইল ফোন, বিশেষ করে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জার আমাদের সীমাহীন ক্ষতি করছে। অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমের কথা বাদ দিলেও এ দুটোর ক্ষতিকর প্রভাব এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। এসব আমাদের অনুভূতিকে ভোঁতা করে আমাদেরকে ব্যক্তিত্বহীন মানুষে পরিণত করছে, ঠেলে দিচ্ছে বিষণ্ণতার দিকে। ফলে আমরা নিজেরাই নিজেদের ওপর বিরক্ত হয়ে পড়ছি। সেই বিরক্তির জায়গাটা এমন কিছু দিয়ে পূরণ করতেও পারছি না, যা সত্যি সত্যিই আমাদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনবে।
যে লোকটি মোবাইলের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট করে, তার কাছ থেকে কি আদৌ কল্যাণকর কিছু আশা করা যায়? চারদিকে এত এত সমস্যা, রক্তপাত, দুর্দশা আর দুর্নীতির গল্প কেবল আমাদের অস্থিরতাই বাড়িয়ে দেয়, চিন্তাকে বিক্ষিপ্ত করে তোলে। আমাদের মন-প্রাণ আর সময়ের বারাকাহ নষ্ট করে দেয়।
আমরা যদি মনোযোগ দিতেই চাই, তাহলে দীর্ঘসময়ের জন্য হাত থেকে মোবাইল সরিয়ে ফেলার অভ্যাস করতে হবে। এটাই মনোযোগী হবার দ্বিতীয় ধাপ। মোবাইলের আকর্ষণ উপেক্ষা করা না গেলে, কাজে মনোযোগ পাওয়া দুষ্কর। আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে সময়। আর সেটাই কেড়ে নিচ্ছে এই মুঠোফোন।
সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যম যে কেবল আমাদের সময় কেড়ে নিচ্ছে তা নয়, বরং আমাদের চিন্তা ও মননে, কাজে ও কর্মে প্রতিনিয়ত অস্থিরতা তৈরি করছে। সারা বিশ্বের খবরাবর জানা দোষের কিছু নয়। কিন্তু যেকোনো চলমান ঘটনা জানার জন্য আমরা এত বেশি সময় ব্যয় করি, যা আমাদের অকল্যাণ ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনে না। কখনো কি নিজেকে প্রশ্ন করেছি, এত এত খারাপ খবরের ভিড়ে আমরা শান্ত থাকব কী করে? এমন দুঃসহ বাস্তবতার মুখে কতটুকুই আর আত্মোন্নয়ন আশা করতে পারি?

📘 প্রোডাক্টিভ লেসনস > 📄 জীবনে আপনি কী হতে চান

📄 জীবনে আপনি কী হতে চান


আপনি যদি এটা মনে করেন, মোবাইল ফোনের সাথে আপনার বিচ্ছেদ সম্ভব নয়, তাহলে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানো বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আপনি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে চাচ্ছেন, অথচ সবচেয়ে ক্ষতিকারক বস্তুটি থেকে দূরে থাকতে চাচ্ছেন না। প্রশ্ন করুন নিজেকে, ‘লোহার বেড়ি পায়ে জড়িয়ে আমি কি খুব সহজে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব?’
সেক্ষেত্রে আপনার পথ দীর্ঘায়িত হবে। আপনার চাওয়া-পাওয়ার মাঝে অনেক বাধা আসবে। অথচ এই অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা দূর করে নিজের পথ নিজে প্রস্তুত করার সম্ভাবনা ছিল।
আমি যা বললাম তা মানতে যেহেতু আপনি রাজি নন, তাহলে বিকল্প রাস্তায় আপনাকে হাঁটতে হবে। যদি মোবাইল ফোনের এই আসক্তি পুরোপুরি ছাড়তে না পারেন, তাহলে একে সীমিত করে ফেলুন। নিজের লক্ষ্য অর্জনে একটা চ্যালেঞ্জ ঠিক করুন। প্রতিদিন এক ঘণ্টা মনোযোগ দিয়ে কাজ করার পর বিশ্রাম হিসেবে ১০ মিনিট করে মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন। ছোট্ট এই বিশ্রাম আপনার শক্তি ফিরিয়ে দেবে। এরপর আবার পূর্ণোদ্যমে কাজ শুরু করতে পারেন।

চিন্তার খোরাক
যদি আপনি মোবাইলে ব্যয় করা সময় থেকে প্রতিদিন এক ঘণ্টা আর সপ্তাহে একদিন বাঁচাতে পারেন তাহলে বোঝা যাবে, ভবিষ্যৎ গঠনে এবং লক্ষ্য পূরণে আপনার সত্যিকারের ইচ্ছা আছে।

মনোযোগের অভ্যাস গড়ে তোলার পরবর্তী ধাপ হলো পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হওয়া। এই ধাপটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; যেন নিজেকে নির্দিষ্ট কাজে ধরে রাখা যায়।
সকালে দিনের শুরুতেই চিন্তার বেশিরভাগজুড়ে সেই লক্ষ্য থাকবে। আবার রাতে যখন ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরবেন তখনও যেন সেই চিন্তা আপনার মাথায় ঘুরপাক খায়।
প্রতিভা নষ্ট হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ বিক্ষিপ্ততা। আমরা আসলে কী চাই সেটাই জানি না। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে, যারা একই সাথে অনেকগুলো কাজে গা ভাসিয়ে দিয়েছি। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ছাড়াই স্রোতের সাথে ভেসে চলেছি। রাফ খাতায় যেমন সব কিছুই জায়গা পায়, আমাদের অবস্থাও তেমন। হয়তো আমার বন্ধু কোনো প্রকল্পে যোগ দিচ্ছে তা দেখে আমিও কোনো চিন্তাভাবনা না করে অংশ নিলাম, অথচ সব ভালো কাজ সবার জন্য নয়। প্রতিটি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন বিশেষত্ব থাকে, সবার একই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতেই হবে এমন তো নয়। যেকোনো কাজ শুরুর আগে কেন কাজটি করছি জানতে হবে, আসলেও কাজটা আমার জন্য কি না, কাজে জড়াব কি না—সেই সিদ্ধান্ত নিতে জ্ঞানীদের পরামর্শ নেব এবং ইস্তিখারার সালাত আদায় করব। সাহাবিরা যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ইস্তিখারা পড়তেন। কিন্তু হুজুগে কাজ করতে থাকলে ভবিষ্যতেও ভালো কিছু করা সম্ভব না।
নিজেকে মাত্র কয়েক মিনিট সময় দিন। সফল মানুষদের নিয়ে ভাবুন, যারা ইতিহাসে পদচিহ্ন রেখে গেছে, সভ্যতা গড়েছে, যারা কর্মের জন্য মুসলিম জাতির কাছে চিরস্মরণীয়। এমন স্মরণীয় ব্যক্তিরা একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছে, সে কারণেই ইতিহাসে তাদের নাম লেখা আছে সোনালি হরফে। কিন্তু আপনি এমন একজন মানুষেরও উদাহরণ দিতে পারবেন না, যে ব্যক্তিটি কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই সভ্যতার অগ্রযাত্রায় বড় অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে!
প্রত্যেক বড় মানুষ, যারাই জীবনে উল্লেখযোগ্য কিছু করেছে; তারা একটা স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে সামনে এগিয়েছে। সেই লক্ষ্যের প্রতি তাদের ছিল সীমাহীন আগ্রহ। সেখানে সবটুকু মনোযোগ ঢেলে দিয়ে তবেই তারা ইতিহাস গড়তে সক্ষম হয়েছিল। আমি নিশ্চিতভাবেই বলছি, ‘আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য না থাকে, জীবনের কোনো পরিকল্পনা না থাকে; তাহলে হাজার হাজার বই পড়ে, শত শত কোর্স করেও বিশেষ কিছু লাভ হবে না। তাই একটু থেমে ক্ষণিকের জন্য হলেও নিজেকে নিয়ে ভাবুন।

📘 প্রোডাক্টিভ লেসনস > 📄 লিখিয়া করিয়ে কাজ, করিয়া লিখিয়ো না

📄 লিখিয়া করিয়ে কাজ, করিয়া লিখিয়ো না


আপনি যদি আপনার পরিকল্পনা নির্ধারণ করতে পারেন, আপনার জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতে সফল হন, আপনার সক্ষমতা আর সম্ভাবনার সাথে খাপ খায় এমন কাজের সন্ধান পেয়ে যান; তাহলে আপনি ইতোমধ্যেই এই অভ্যাসের ভিত্তি স্থাপন করে ফেলেছেন। এবার এর ওপর আপনার স্বপ্নের নান্দনিক ইমারত গড়ে তুলুন, আশার মিনার তৈরি করুন। লিখতে শুরু করে দিন জীবনের গল্প। জীবনের বৃহত্তম মর্যাদার অধ্যায় রচনা করুন।
আপনার পরিকল্পনার সংক্ষিপ্ত রূপরেখা লিখে ফেলুন। আগামী পাঁচ বছর পর আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
আপনার জীবনে কোনো পরিকল্পনা থাকা এক কথা, আর এর জন্য রূপরেখা প্রণয়ন করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। কেবল পরিকল্পনা থাকলেই একজন মানুষের পক্ষে যথেষ্ট পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়। বরং একজন মানুষের এমন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন যার মাধ্যমে পথের শেষটা দেখতে পাবে, যা তাকে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই স্বপ্নের পানে ছুটে চলতে সহায়তা করবে।
এমন অনেকে আছে যাদের মনে স্বপ্ন আছে। সে স্বপ্ন পানে ছুটে চলতে গিয়ে তারা পুলকিত হয়। কিন্তু তারা জানে না, কী করে সেই স্বপ্ন পূরণ করবে, কীভাবে সে গন্তব্যে পৌঁছবে। তাদের স্বপ্নের পথ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। দিনশেষে এরা সুখকর কিছু খুঁজে পায় না। তাদের কিছু অর্জন অবশ্য হয়, তবে রূপরেখা না থাকায় দুর্বলতা থেকেই যায়। এজন্য প্রথমেই রূপরেখা তৈরি করা বাঞ্ছনীয়। তারপর সেটার আলোকে প্রতিটি দিন, সপ্তাহ, মাস কিংবা বছর অগ্রসর হওয়া যাবে। এই রূপরেখাই আপনাকে বিক্ষিপ্ততা থেকে রক্ষা করে স্বপ্নপূরণে মনোযোগী করে তুলবে। তাই পরবর্তী পাঁচটা বছরের জন্য আপনার রূপরেখা রচনা করে ফেলুন।

আমার পরিকল্পনা :





পরিকল্পনা যেভাবে বাস্তবায়ন করব :





उदाहरण হিসেবে নিচের রূপরেখাগুলো দেখতে পারেন :
যিনি জ্ঞানার্জনের পদক্ষেপ নিয়েছেন, তিনি আগামী ১০ বছরের জন্য নিজের রূপরেখা প্রণয়ন করতে পারেন। তার মধ্যে ৫ বছর শারয়ি জ্ঞানের প্রতিটি মৌলিক ক্ষেত্র (আকিদা, তাফসির, হাদিস, ফিকহ, সিরাহ) আর সহায়ক ক্ষেত্রের (নাহু[১], উসুল[২], কাওয়ায়িদুল ফিকহ[৩], কাওয়িদুত তাফসির[৪], মুস্তালাহ[৫]) মৌলিক জ্ঞান অর্জন করবেন। প্রধান লক্ষ্য হবে ৫ বছরের মধ্যে এই সব বিষয়ে মূল জ্ঞানটুকু আত্মস্থ করা। শেষ হলে পরের ৫ বছর এই বিষয়গুলোর মাঝে যেকোনো একটি বিষয়ে ব্যুৎপত্তি অর্জনে সময় দেবে। এভাবে নিজের বিশেষত্বের ক্ষেত্রে সে অভিনব কিছু করার জন্য নিজেকে উপযোগী করে তুলবে।
যিনি সাংবাদিকতা সেক্টরে পরিকল্পনা নিয়েছেন, তার আগামী পাঁচ বছরের একটা পরিকল্পনা থাকবে। সেই পরিকল্পনায় তিনি শারয়ি কিছু মৌলিক জ্ঞান অর্জন করার বিষয়টা অন্তর্ভুক্ত করবেন যাতে ভবিষ্যতে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে পদস্খলন না ঘটে। আর সাংবাদিকতা সম্পর্কে সামগ্রিক জ্ঞান অর্জন করে নেবেন। এরপর একটি নির্দিষ্ট শাখায় বিশেষ যোগ্যতা অর্জন করবেন। সেটা হতে পারে প্রেজেন্টেশন, ডিজাইনিং, ফটোগ্রাফি কিংবা অন্য কিছু। এভাবে তিনি সফলতার দিকে এগিয়ে যাবেন।

টিকাঃ
[১] মাসিরির আত্মজীবনী গ্রন্থ রিহালাতি আল-ফিকরিয়‍্যা থেকে নেওয়া।
[১] আরবি ব্যাকরণশাস্ত্র
[২] ইসলামি আইনের মূলনীতি
[৩] ফিকহশাস্ত্রে মূলনীতি
[৪] তাফসিরশাস্ত্রের নীতিমালা
[৫] হাদিস ও ফিকহের মৌলিক পরিভাষা সমগ্র

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00