📄 একটি শিক্ষণীয় হাদিস
كَانَ ابْنُ عُمَرَ لَا يَقْرَأُ خَلْفَ الإِمَامِ ، قَالَ: فَسَأَلْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ ذَلِكَ ، فَقَالَ: إِنْ تَرَكْتَ فَقَدْ تَرَكَهُ نَاسٌ يُقْتَدَى بِهِمْ ، وَإِنْ قَرَأْتَ فَقَدْ قَرَاهُ نَাসٌ يُقْتَدَى بِهِمْ -
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) ইমামের পেছনে কিরাত পড়তেন না। সালেম (রহ.) বলেন-'আমি এ ব্যাপারে কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন-তুমি যদি কিরাত না পড়ো, তাহলে এমন অনেকেই কিরাত পড়তেন না, যারা অনুসরণযোগ্য। আর যদি কিরাত পড়ো, তাহলে এমন অনেকেই কিরাত পড়তেন, যারা অনুসরণযোগ্য।'২৮৭
কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ (রহ.)-এর এই বক্তব্যে পরমত সহিষ্ণুতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। শুধু কিরাত পড়া, না পড়ার ক্ষেত্রে নয়; বরং প্রত্যেক ক্ষেত্রে যেখানে মতবিরোধের সুযোগ রয়েছে, সেখানে নিজের মতকে সঠিক মনে করে বিপরীত মতকে ভুল প্রমাণ করার নীতি বর্জন করা জরুরি। কেননা, যে মতকে ভুল প্রমাণের অপচেষ্টা করা হয়, তা সাহাবিদেরই আমল। সাহাবিদের আমলকে ভুল প্রমাণ করতে চাওয়া, নবিজির হাদিসের বিরুদ্ধাচরণ করার নামান্তর।
টিকাঃ
২৮৭. মুহাম্মাদ বিন হাসান আশ-শায়বানি, মুয়াত্তা ইমাম মালেক: ১১৮