📄 আল্লাহই রক্ষা করেন সমস্ত বিপদ থেকে
বিমান জমীন ও আসমানের মাঝে বেশ উপরে ভাসমান ছিল। উড়োজাহাজের রিপোর্টকারী যন্ত্র বলছিল, বিমানের কোন যন্ত্র খারাপ হয়ে গেছে। পাইলট, কর্মচারী ও যাত্রীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। কান্না শুরু করল লোকজন। নারীদের চিৎকার আরম্ভ হল। শিশুরা ঘাবড়ে গেল। ভয়ভীতির কারণে লোকজনের অবস্থা হয়ে গেল সংকটাপন্ন। এর মধ্যে তারা আল্লাহ ﷻ-কে কেঁদে কেঁদে ডাকতে শুরু করল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হল। নাযিল হল তাঁর রহমত ও মেহেরবানী। বিপদ সরে গেল। লোকজন আশ্বস্ত হল। স্থির হয়ে গেল তাদের অন্তর এবং নিরাপদে জমীনে অবতরণ করল বিমান।
সময়টা ছিল বাচ্চা জন্মের। মহিলা তীব্র ব্যথায় কাতর হচ্ছিল। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল সে। প্রাণ চলে যাওয়ারই আশঙ্কা ছিল। এর মধ্যে সে আল্লাহ ﷻ-এর দিকে রুজু করল। আল্লাহ ﷻ-ই তো সমস্ত পেরেশানী দূর করেন, পুরো করেন সমস্ত জরুরত। মহিলা ডাকতে লাগল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আচানক তার বিপদ সরে গেল এবং সহিসালামতে বাচ্চা দুনিয়ায় আগমন করল।
এক আলেম একটি মাসআলা নিয়ে পেরেশানীতে পড়ে গেলেন। সঠিক সমাধান তিনি বের করতে পারছিলেন না। বহু প্রকারে চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কাজ হচ্ছিল না। তিনি তখন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ডেকে উঠলেন, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! হে
শিক্ষাদানকারী! তুমি ইবরাহীমকে শিখিয়েছ। হে বুঝ-বুদ্ধির মালিক! তুমি সুলাইমানকে বুঝবুদ্ধি দিয়েছিলে। হে আল্লাহ! হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব! হে জমীন ও আসমানের মালিক!! হে আলেমুল গায়ব ওয়াশ-শাহাদাহ! তুমি তোমার বান্দা-বান্দীর মাঝে সঠিক ফায়সালা দিয়ে থাক, যখন তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। মেহেরবানী করে তুমি আমাকে নির্দেশনা দান করো। নিশ্চয় তুমি যাকে চাও, তাকে সিরাতে মুস্তাকীমের নির্দেশনা দান করে থাক।
এরপর আল্লাহর মেহেরবানীতে তার মাসআলার সমাধান হয়ে গেল। তাঁর সত্তা কত পবিত্র এবং তিনি কত দয়ালু।
যে ব্যক্তি যত বেশি মানুষকে খুশি করবে, সে তত বেশি খোশনসিব।
বিমান জমীন ও আসমানের মাঝে বেশ উপরে ভাসমান ছিল। উড়োজাহাজের রিপোর্টকারী যন্ত্র বলছিল, বিমানের কোন যন্ত্র খারাপ হয়ে গেছে। পাইলট, কর্মচারী ও যাত্রীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। কান্না শুরু করল লোকজন। নারীদের চিৎকার আরম্ভ হল। শিশুরা ঘাবড়ে গেল। ভয়ভীতির কারণে লোকজনের অবস্থা হয়ে গেল সংকটাপন্ন। এর মধ্যে তারা আল্লাহ ﷻ-কে কেঁদে কেঁদে ডাকতে শুরু করল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হল। নাযিল হল তাঁর রহমত ও মেহেরবানী। বিপদ সরে গেল। লোকজন আশ্বস্ত হল। স্থির হয়ে গেল তাদের অন্তর এবং নিরাপদে জমীনে অবতরণ করল বিমান।
সময়টা ছিল বাচ্চা জন্মের। মহিলা তীব্র ব্যথায় কাতর হচ্ছিল। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল সে। প্রাণ চলে যাওয়ারই আশঙ্কা ছিল। এর মধ্যে সে আল্লাহ ﷻ-এর দিকে রুজু করল। আল্লাহ ﷻ-ই তো সমস্ত পেরেশানী দূর করেন, পুরো করেন সমস্ত জরুরত। মহিলা ডাকতে লাগল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আচানক তার বিপদ সরে গেল এবং সহিসালামতে বাচ্চা দুনিয়ায় আগমন করল।
এক আলেম একটি মাসআলা নিয়ে পেরেশানীতে পড়ে গেলেন। সঠিক সমাধান তিনি বের করতে পারছিলেন না। বহু প্রকারে চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কাজ হচ্ছিল না। তিনি তখন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ডেকে উঠলেন, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! হে শিক্ষাদানকারী! তুমি ইবরাহীমকে শিখিয়েছ। হে বুঝ-বুদ্ধির মালিক! তুমি সুলাইমানকে বুঝবুদ্ধি দিয়েছিলে। হে আল্লাহ! হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব! হে জমীন ও আসমানের মালিক!! হে আলেমুল গায়ব ওয়াশ-শাহাদাহ! তুমি তোমার বান্দা-বান্দীর মাঝে সঠিক ফায়সালা দিয়ে থাক, যখন তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। মেহেরবানী করে তুমি আমাকে নির্দেশনা দান করো। নিশ্চয় তুমি যাকে চাও, তাকে সিরাতে মুস্তাকীমের নির্দেশনা দান করে থাক।
এরপর আল্লাহর মেহেরবানীতে তার মাসআলার সমাধান হয়ে গেল। তাঁর সত্তা কত পবিত্র এবং তিনি কত দয়ালু।
যে ব্যক্তি যত বেশি মানুষকে খুশি করবে, সে তত বেশি খোশনসিব।
বিমান জমীন ও আসমানের মাঝে বেশ উপরে ভাসমান ছিল। উড়োজাহাজের রিপোর্টকারী যন্ত্র বলছিল, বিমানের কোন যন্ত্র খারাপ হয়ে গেছে। পাইলট, কর্মচারী ও যাত্রীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। কান্না শুরু করল লোকজন। নারীদের চিৎকার আরম্ভ হল। শিশুরা ঘাবড়ে গেল। ভয়ভীতির কারণে লোকজনের অবস্থা হয়ে গেল সংকটাপন্ন। এর মধ্যে তারা আল্লাহ ﷻ-কে কেঁদে কেঁদে ডাকতে শুরু করল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হল। নাযিল হল তাঁর রহমত ও মেহেরবানী। বিপদ সরে গেল। লোকজন আশ্বস্ত হল। স্থির হয়ে গেল তাদের অন্তর এবং নিরাপদে জমীনে অবতরণ করল বিমান।
সময়টা ছিল বাচ্চা জন্মের। মহিলা তীব্র ব্যথায় কাতর হচ্ছিল। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল সে। প্রাণ চলে যাওয়ারই আশঙ্কা ছিল। এর মধ্যে সে আল্লাহ ﷻ-এর দিকে রুজু করল। আল্লাহ ﷻ-ই তো সমস্ত পেরেশানী দূর করেন, পুরো করেন সমস্ত জরুরত। মহিলা ডাকতে লাগল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আচানক তার বিপদ সরে গেল এবং সহিসালামতে বাচ্চা দুনিয়ায় আগমন করল।
এক আলেম একটি মাসআলা নিয়ে পেরেশানীতে পড়ে গেলেন। সঠিক সমাধান তিনি বের করতে পারছিলেন না। বহু প্রকারে চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কাজ হচ্ছিল না। তিনি তখন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ডেকে উঠলেন, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! হে শিক্ষাদানকারী! তুমি ইবরাহীমকে শিখিয়েছ। হে বুঝ-বুদ্ধির মালিক! তুমি সুলাইমানকে বুঝবুদ্ধি দিয়েছিলে। হে আল্লাহ! হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব! হে জমীন ও আসমানের মালিক!! হে আলেমুল গায়ব ওয়াশ-শাহাদাহ! তুমি তোমার বান্দা-বান্দীর মাঝে সঠিক ফায়সালা দিয়ে থাক, যখন তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। মেহেরবানী করে তুমি আমাকে নির্দেশনা দান করো। নিশ্চয় তুমি যাকে চাও, তাকে সিরাতে মুস্তাকীমের নির্দেশনা দান করে থাক।
এরপর আল্লাহর মেহেরবানীতে তার মাসআলার সমাধান হয়ে গেল। তাঁর সত্তা কত পবিত্র এবং তিনি কত দয়ালু।
যে ব্যক্তি যত বেশি মানুষকে খুশি করবে, সে তত বেশি খোশনসিব।
📄 অলস হয়ো না
অলসতা থেকে বিরত থাকো। অলসতা কী? আল্লাহ -র যিকির থেকে গাফেল থাকা, সালাত ছেড়ে দেওয়া, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, দীনী ওয়াজমাহফিলে অংশগ্রহণের বেলায় গড়িমসি করা। এগুলো অলসতার বিভিন্ন রূপ। এরপর দিল শক্ত হয়ে যায়; দিলে মহর পড়ে যায়। নেক ও বদ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং আল্লাহ -র দীনের বুঝ থেকে মানুষ মাহরুম হয়ে পড়ে। এমন মানুষ পাষণ্ড, পেরেশান, মানসিক বিক্ষিপ্ততার শিকার ও ব্যর্থ হয়ে থাকে। এ হল অলসতার দুনিয়াবী ফল; আখেরাতে কী হবে?
এজন্য গাফলতের এসব উপকরণ (যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে) থেকে তোমার বিরত থাকা আবশ্যক। তাকওয়া অবলম্বন করো। নিজের যবানকে আল্লাহ -র যিকিরে তরতাজা রাখো। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়তে থাকো। তাসবীহ, তাহলীল, তওবা ও এস্তেগফার জারী রাখো এবং প্রিয় নবীর উপর দরুদ ও সালাম পড়তে থাকো। সবসময়, প্রতিটি মুহূর্তে- দাঁড়ানো অবস্থায়, বসা অবস্থায় এবং শুয়ে পাশ ফেরাতে ফেরাতেও। এতে তোমার দিল সুখ ও স্বস্তিতে ভরে যাবে। আল্লাহ -র যিকিরের ফল এমনই।
মনে রেখো, আল্লাহ যিকির হচ্ছে সেই বস্তু, যদ্বারা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [১৩:২৮]
ভেবো না যে, সুখ পেলে হাসবে; বরং হাসো, হাসতে থাকো, যাতে সুখ পাও।
অলসতা থেকে বিরত থাকো। অলসতা কী? আল্লাহ -র যিকির থেকে গাফেল থাকা, সালাত ছেড়ে দেওয়া, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, দীনী ওয়াজমাহফিলে অংশগ্রহণের বেলায় গড়িমসি করা। এগুলো অলসতার বিভিন্ন রূপ। এরপর দিল শক্ত হয়ে যায়; দিলে মহর পড়ে যায়। নেক ও বদ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং আল্লাহ -র দীনের বুঝ থেকে মানুষ মাহরুম হয়ে পড়ে। এমন মানুষ পাষণ্ড, পেরেশান, মানসিক বিক্ষিপ্ততার শিকার ও ব্যর্থ হয়ে থাকে। এ হল অলসতার দুনিয়াবী ফল; আখেরাতে কী হবে?
এজন্য গাফলতের এসব উপকরণ (যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে) থেকে তোমার বিরত থাকা আবশ্যক। তাকওয়া অবলম্বন করো। নিজের যবানকে আল্লাহ -র যিকিরে তরতাজা রাখো। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়তে থাকো। তাসবীহ, তাহলীল, তওবা ও এস্তেগফার জারী রাখো এবং প্রিয় নবীর উপর দরুদ ও সালাম পড়তে থাকো। সবসময়, প্রতিটি মুহূর্তে- দাঁড়ানো অবস্থায়, বসা অবস্থায় এবং শুয়ে পাশ ফেরাতে ফেরাতেও। এতে তোমার দিল সুখ ও স্বস্তিতে ভরে যাবে। আল্লাহ -র যিকিরের ফল এমনই।
মনে রেখো, আল্লাহ যিকির হচ্ছে সেই বস্তু, যদ্বারা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [১৩:২৮]
ভেবো না যে, সুখ পেলে হাসবে; বরং হাসো, হাসতে থাকো, যাতে সুখ পাও।
অলসতা থেকে বিরত থাকো। অলসতা কী? আল্লাহ -র যিকির থেকে গাফেল থাকা, সালাত ছেড়ে দেওয়া, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, দীনী ওয়াজমাহফিলে অংশগ্রহণের বেলায় গড়িমসি করা। এগুলো অলসতার বিভিন্ন রূপ। এরপর দিল শক্ত হয়ে যায়; দিলে মহর পড়ে যায়। নেক ও বদ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং আল্লাহ -র দীনের বুঝ থেকে মানুষ মাহরুম হয়ে পড়ে। এমন মানুষ পাষণ্ড, পেরেশান, মানসিক বিক্ষিপ্ততার শিকার ও ব্যর্থ হয়ে থাকে। এ হল অলসতার দুনিয়াবী ফল; আখেরাতে কী হবে?
এজন্য গাফলতের এসব উপকরণ (যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে) থেকে তোমার বিরত থাকা আবশ্যক। তাকওয়া অবলম্বন করো। নিজের যবানকে আল্লাহ -র যিকিরে তরতাজা রাখো। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়তে থাকো। তাসবীহ, তাহলীল, তওবা ও এস্তেগফার জারী রাখো এবং প্রিয় নবীর উপর দরুদ ও সালাম পড়তে থাকো। সবসময়, প্রতিটি মুহূর্তে- দাঁড়ানো অবস্থায়, বসা অবস্থায় এবং শুয়ে পাশ ফেরাতে ফেরাতেও। এতে তোমার দিল সুখ ও স্বস্তিতে ভরে যাবে। আল্লাহ -র যিকিরের ফল এমনই।
মনে রেখো, আল্লাহ যিকির হচ্ছে সেই বস্তু, যদ্বারা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [১৩:২৮]
ভেবো না যে, সুখ পেলে হাসবে; বরং হাসো, হাসতে থাকো, যাতে সুখ পাও।
📄 ছড়িয়ে দাও মুচকি হাসির ঝিলিক
রেশানীর সময়ও যখন তুমি মুচকি মুচকি হাস, তখন বিপদের অনুভূতি কমে যায় এবং পেরেশানী থেকে মুক্তির দরজা অবমুক্ত হয়। মুচকি হাসির ক্ষেত্রে ইতস্তত করতে নেই। কেননা, তোমার মধ্যে বিশেষ এক শক্তি আছে, যার উৎস মুচকি হাসি। মুচকি হাসি রোধ করতে চেষ্টা কোরো না। কেননা, মুচকি হাসি চাপা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে তুমি নিজেকে দুঃখকষ্ট, শোক ও সংকটের মধ্যে মেরে ফেলতে এবং ঘট ঘট করে মরে যেতে চাও। মুচকি হাসি তোমার জন্য ক্ষতিকর সাব্যস্ত হতে পারে না। এমন কি তখনও নয়, যখন তুমি অন্যদের সঙ্গে গভীর মনোযোগের সাথে গুরুগম্ভীর কোন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে থাক। হাঁ, সেই সময়টা কতই না চমৎকার, যখন আমরা ঠোঁটের উপর মুচকি হাসির ঝিলিক নিয়ে আলোচনায় লিপ্ত হই।
এক পশ্চিমা পণ্ডিত স্টেফেইন জজাল বলেছেন, মুচকি হাসি হচ্ছে সামাজিক দায়িত্ব।
তাঁর এই কথা সঠিক। কেননা, যদি তুমি সমাজে ওঠাবসা বহাল রাখতে চাও, তা হলে হাস্যোজ্জ্বল চেহারা ও সদ্ব্যবহারের সাথে ওঠাবসা আবশ্যক। তোমাকে জানতে হবে যে, সামাজিক জীবন অতিবাহিত করার জন্য এক বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে তোমার দক্ষ হওয়া বাঞ্ছনীয়। আর মানবিক গুণের একটি পর্ব হচ্ছে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় মেলামেশা। এটা সম্মিলিত যোগ্যতার একাংশ এবং প্রত্যেক সমাজে এর প্রয়োজন সমান।
যখন তুমি মুচকি মুচকি হাসবে, তখন তুমি জীবনের সৌন্দর্য দ্বিগুণ করে দিবে এবং মানুষের অন্তরে প্রত্যাশার প্রদীপ জ্বালাবে। তাদেরকে সুসংবাদ দেওয়া হবে, তাদেরকে প্রাণসঞ্চারক অভিবাদন জ্ঞাপন করা হবে এবং জীবন থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণের একীন প্রদান করা হবে। কিন্তু যে চেহারায় অনুগ্রহের কোন লক্ষণ নেই, তুমি যদি সেই চেহারা নিয়ে মানুষের সাথে মেশ, তা হলে এই দৃশ্য তাদেরকে পীড়া দিবে এবং তাদের রুচি নষ্ট করে দিবে। চিন্তা করো এবং সিদ্ধান্ত নাও যে, তোমার সত্তা অন্যদের জীবনে হতাশা ও ব্যর্থতা সৃষ্টির কারণ হলে তুমি কি মেনে নিতে পারবে?
সম্মান শুধু তারাই লাভ করে, যারা এর স্বপ্ন দেখতে থাকে।
রেশানীর সময়ও যখন তুমি মুচকি মুচকি হাস, তখন বিপদের অনুভূতি কমে যায় এবং পেরেশানী থেকে মুক্তির দরজা অবমুক্ত হয়। মুচকি হাসির ক্ষেত্রে ইতস্তত করতে নেই। কেননা, তোমার মধ্যে বিশেষ এক শক্তি আছে, যার উৎস মুচকি হাসি। মুচকি হাসি রোধ করতে চেষ্টা কোরো না। কেননা, মুচকি হাসি চাপা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে তুমি নিজেকে দুঃখকষ্ট, শোক ও সংকটের মধ্যে মেরে ফেলতে এবং ঘট ঘট করে মরে যেতে চাও। মুচকি হাসি তোমার জন্য ক্ষতিকর সাব্যস্ত হতে পারে না। এমন কি তখনও নয়, যখন তুমি অন্যদের সঙ্গে গভীর মনোযোগের সাথে গুরুগম্ভীর কোন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে থাক। হাঁ, সেই সময়টা কতই না চমৎকার, যখন আমরা ঠোঁটের উপর মুচকি হাসির ঝিলিক নিয়ে আলোচনায় লিপ্ত হই।
এক পশ্চিমা পণ্ডিত স্টেফেইন জজাল বলেছেন, মুচকি হাসি হচ্ছে সামাজিক দায়িত্ব।
তাঁর এই কথা সঠিক। কেননা, যদি তুমি সমাজে ওঠাবসা বহাল রাখতে চাও, তা হলে হাস্যোজ্জ্বল চেহারা ও সদ্ব্যবহারের সাথে ওঠাবসা আবশ্যক। তোমাকে জানতে হবে যে, সামাজিক জীবন অতিবাহিত করার জন্য এক বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে তোমার দক্ষ হওয়া বাঞ্ছনীয়। আর মানবিক গুণের একটি পর্ব হচ্ছে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় মেলামেশা। এটা সম্মিলিত যোগ্যতার একাংশ এবং প্রত্যেক সমাজে এর প্রয়োজন সমান।
যখন তুমি মুচকি মুচকি হাসবে, তখন তুমি জীবনের সৌন্দর্য দ্বিগুণ করে দিবে এবং মানুষের অন্তরে প্রত্যাশার প্রদীপ জ্বালাবে। তাদেরকে সুসংবাদ দেওয়া হবে, তাদেরকে প্রাণসঞ্চারক অভিবাদন জ্ঞাপন করা হবে এবং জীবন থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণের একীন প্রদান করা হবে। কিন্তু যে চেহারায় অনুগ্রহের কোন লক্ষণ নেই, তুমি যদি সেই চেহারা নিয়ে মানুষের সাথে মেশ, তা হলে এই দৃশ্য তাদেরকে পীড়া দিবে এবং তাদের রুচি নষ্ট করে দিবে। চিন্তা করো এবং সিদ্ধান্ত নাও যে, তোমার সত্তা অন্যদের জীবনে হতাশা ও ব্যর্থতা সৃষ্টির কারণ হলে তুমি কি মেনে নিতে পারবে?
সম্মান শুধু তারাই লাভ করে, যারা এর স্বপ্ন দেখতে থাকে।
রেশানীর সময়ও যখন তুমি মুচকি মুচকি হাস, তখন বিপদের অনুভূতি কমে যায় এবং পেরেশানী থেকে মুক্তির দরজা অবমুক্ত হয়। মুচকি হাসির ক্ষেত্রে ইতস্তত করতে নেই। কেননা, তোমার মধ্যে বিশেষ এক শক্তি আছে, যার উৎস মুচকি হাসি। মুচকি হাসি রোধ করতে চেষ্টা কোরো না। কেননা, মুচকি হাসি চাপা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে তুমি নিজেকে দুঃখকষ্ট, শোক ও সংকটের মধ্যে মেরে ফেলতে এবং ঘট ঘট করে মরে যেতে চাও। মুচকি হাসি তোমার জন্য ক্ষতিকর সাব্যস্ত হতে পারে না। এমন কি তখনও নয়, যখন তুমি অন্যদের সঙ্গে গভীর মনোযোগের সাথে গুরুগম্ভীর কোন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে থাক। হাঁ, সেই সময়টা কতই না চমৎকার, যখন আমরা ঠোঁটের উপর মুচকি হাসির ঝিলিক নিয়ে আলোচনায় লিপ্ত হই।
এক পশ্চিমা পণ্ডিত স্টেফেইন জজাল বলেছেন, মুচকি হাসি হচ্ছে সামাজিক দায়িত্ব।
তাঁর এই কথা সঠিক। কেননা, যদি তুমি সমাজে ওঠাবসা বহাল রাখতে চাও, তা হলে হাস্যোজ্জ্বল চেহারা ও সদ্ব্যবহারের সাথে ওঠাবসা আবশ্যক। তোমাকে জানতে হবে যে, সামাজিক জীবন অতিবাহিত করার জন্য এক বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে তোমার দক্ষ হওয়া বাঞ্ছনীয়। আর মানবিক গুণের একটি পর্ব হচ্ছে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় মেলামেশা। এটা সম্মিলিত যোগ্যতার একাংশ এবং প্রত্যেক সমাজে এর প্রয়োজন সমান।
যখন তুমি মুচকি মুচকি হাসবে, তখন তুমি জীবনের সৌন্দর্য দ্বিগুণ করে দিবে এবং মানুষের অন্তরে প্রত্যাশার প্রদীপ জ্বালাবে। তাদেরকে সুসংবাদ দেওয়া হবে, তাদেরকে প্রাণসঞ্চারক অভিবাদন জ্ঞাপন করা হবে এবং জীবন থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণের একীন প্রদান করা হবে। কিন্তু যে চেহারায় অনুগ্রহের কোন লক্ষণ নেই, তুমি যদি সেই চেহারা নিয়ে মানুষের সাথে মেশ, তা হলে এই দৃশ্য তাদেরকে পীড়া দিবে এবং তাদের রুচি নষ্ট করে দিবে। চিন্তা করো এবং সিদ্ধান্ত নাও যে, তোমার সত্তা অন্যদের জীবনে হতাশা ও ব্যর্থতা সৃষ্টির কারণ হলে তুমি কি মেনে নিতে পারবে?
সম্মান শুধু তারাই লাভ করে, যারা এর স্বপ্ন দেখতে থাকে।