📘 প্রিয় বোন! হতাশ হয়ো না > 📄 আয়েশ ও অপচয়মুক্ত জীবন

📄 আয়েশ ও অপচয়মুক্ত জীবন


নেকার ও ঈমানদার নারী প্রয়োজন মাফিকই খানা তৈয়ার করে। এতটুকু খাবার বেঁচে থাকে না যে, অপচয় বলা যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-এর আদর্শ খুব অনুসরণ করার মত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর দস্তরখানে জবের রুটিও সামান্য বা বেশি বেঁচে থাকত না।
অন্য বর্ণনায় আছে, রসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর সামনে থেকে যখন দস্তরখান ওঠানো হত, তখন সেখানে সামান্য জবও অতিরিক্ত থাকত না।
ইসলাম যেসব অপচয় ও আরাম-আয়েশ নিষেধ করেছে, সেগুলোর মধ্যে সোনা ও রূপার বাসনের ব্যবহারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উম্মে সালামা বলেন যে, রসুলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি রূপার বাসনে খানা খায় অথবা পানি পান করে, সে নিজের দেহের জন্য জাহান্নামের আগুন সেবন করে।
সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় আছে, যে ব্যক্তি রূপা বা সোনার পাত্রে খাবার খায় অথবা পানি পান করে, সে তার পেটের জন্য জাহান্নামের অঙ্গার গিলতে থাকে।
বাস্তব সত্য হচ্ছে এই যে, ইসলাম যে এসব বস্তু হারাম করেছে, এর মধ্যে বড় হেকমত রয়েছে। কেননা, এগুলো অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং আমীরদের কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত, যারা নিজেদের আমীরী প্রকাশ করে।
করে থাকে। ইসলাম চায় যে, তার অনুসারীরা যেন সবসময় বিনয় অবলম্বন করে এবং ধনদৌলত প্রকাশ না করে। এজন্যই রসুলুল্লাহ ﷺ যখন মুআয ইবনে জাবালকে ইয়ামান প্রেরণ করছিলেন, তখন তাঁকে বলে ছিলেন, খবরদার! আরাম-আয়েশের জীবন থেকে বিরত থাকো। আল্লাহ মানুষের আরাম-আয়েশের জীবন পছন্দ করেন না।
যদি তুমি নিজের বদনসিব হওয়ার কথা চিন্তা করতে থাক, তা হলে খোশনসিব হতে পারবে না।

নেকার ও ঈমানদার নারী প্রয়োজন মাফিকই খানা তৈয়ার করে। এতটুকু খাবার বেঁচে থাকে না যে, অপচয় বলা যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-এর আদর্শ খুব অনুসরণ করার মত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর দস্তরখানে জবের রুটিও সামান্য বা বেশি বেঁচে থাকত না।
অন্য বর্ণনায় আছে, রসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর সামনে থেকে যখন দস্তরখান ওঠানো হত, তখন সেখানে সামান্য জবও অতিরিক্ত থাকত না।
ইসলাম যেসব অপচয় ও আরাম-আয়েশ নিষেধ করেছে, সেগুলোর মধ্যে সোনা ও রূপার বাসনের ব্যবহারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উম্মে সালামা বলেন যে, রসুলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি রূপার বাসনে খানা খায় অথবা পানি পান করে, সে নিজের দেহের জন্য জাহান্নামের আগুন সেবন করে।
সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় আছে, যে ব্যক্তি রূপা বা সোনার পাত্রে খাবার খায় অথবা পানি পান করে, সে তার পেটের জন্য জাহান্নামের অঙ্গার গিলতে থাকে।
বাস্তব সত্য হচ্ছে এই যে, ইসলাম যে এসব বস্তু হারাম করেছে, এর মধ্যে বড় হেকমত রয়েছে। কেননা, এগুলো অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং আমীরদের কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত, যারা নিজেদের আমীরী প্রকাশ করে।
করে থাকে। ইসলাম চায় যে, তার অনুসারীরা যেন সবসময় বিনয় অবলম্বন করে এবং ধনদৌলত প্রকাশ না করে। এজন্যই রসুলুল্লাহ ﷺ যখন মুআয ইবনে জাবালকে ইয়ামান প্রেরণ করছিলেন, তখন তাঁকে বলে ছিলেন, খবরদার! আরাম-আয়েশের জীবন থেকে বিরত থাকো। আল্লাহ মানুষের আরাম-আয়েশের জীবন পছন্দ করেন না।
যদি তুমি নিজের বদনসিব হওয়ার কথা চিন্তা করতে থাক, তা হলে খোশনসিব হতে পারবে না।

নেকার ও ঈমানদার নারী প্রয়োজন মাফিকই খানা তৈয়ার করে। এতটুকু খাবার বেঁচে থাকে না যে, অপচয় বলা যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-এর আদর্শ খুব অনুসরণ করার মত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর দস্তরখানে জবের রুটিও সামান্য বা বেশি বেঁচে থাকত না।
অন্য বর্ণনায় আছে, রসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর সামনে থেকে যখন দস্তরখান ওঠানো হত, তখন সেখানে সামান্য জবও অতিরিক্ত থাকত না।
ইসলাম যেসব অপচয় ও আরাম-আয়েশ নিষেধ করেছে, সেগুলোর মধ্যে সোনা ও রূপার বাসনের ব্যবহারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উম্মে সালামা বলেন যে, রসুলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি রূপার বাসনে খানা খায় অথবা পানি পান করে, সে নিজের দেহের জন্য জাহান্নামের আগুন সেবন করে।
সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় আছে, যে ব্যক্তি রূপা বা সোনার পাত্রে খাবার খায় অথবা পানি পান করে, সে তার পেটের জন্য জাহান্নামের অঙ্গার গিলতে থাকে।
বাস্তব সত্য হচ্ছে এই যে, ইসলাম যে এসব বস্তু হারাম করেছে, এর মধ্যে বড় হেকমত রয়েছে। কেননা, এগুলো অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং আমীরদের কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত, যারা নিজেদের আমীরী প্রকাশ করে।
করে থাকে। ইসলাম চায় যে, তার অনুসারীরা যেন সবসময় বিনয় অবলম্বন করে এবং ধনদৌলত প্রকাশ না করে। এজন্যই রসুলুল্লাহ ﷺ যখন মুআয ইবনে জাবালকে ইয়ামান প্রেরণ করছিলেন, তখন তাঁকে বলে ছিলেন, খবরদার! আরাম-আয়েশের জীবন থেকে বিরত থাকো। আল্লাহ মানুষের আরাম-আয়েশের জীবন পছন্দ করেন না।
যদি তুমি নিজের বদনসিব হওয়ার কথা চিন্তা করতে থাক, তা হলে খোশনসিব হতে পারবে না।

📘 প্রিয় বোন! হতাশ হয়ো না > 📄 নেক আমল সীনা প্রশস্ত করে

📄 নেক আমল সীনা প্রশস্ত করে


উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক মিসকীন মহিলা দুটি বাচ্চা মেয়ে নিয়ে আমার কাছে এল। আমি তাদের তিনজনকে একটি করে খেজুর দিলাম। যখন মহিলা খেজুর খাওয়ার জন্য নিজের মুখের কাছে নিল তখন মেয়ে দুটি সেটাও চেয়ে বসল। মহিলা সেই খেজুরটিও দুই টুকরা করে তাদের দু' জনের মধ্যে ভাগ করে দিল। মহিলার এই কাজটি আমার কাছে খুব ভালো লাগল।
আমি বিষয়টি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে আলোচনা করলাম। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মহিলার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে মুক্তি দিয়েছেন।
নবীপত্নী উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা'র অবস্থা দেখুন। তিনি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাস করলেন, আচ্ছা আমি যে আবু সালামার ছেলেদের জন্য খরচ করি, এজন্য কি প্রতিদান পাব? আমি তো তাদেরকে পরিত্যাগ করিনি। তারা তো আমারও ছেলে।
উম্মে সালামা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জওয়াব দেওয়ার আগেই তাদের সাথে সদ্ব্যবহারের পন্থা অবলম্বন করে রেখেছিলেন। ইতিবাচক উত্তর পাওয়ার আগেই তাঁর সুস্থ রুচি সঠিক উত্তর দিয়েছিল।
ইসলাম নেক আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে। কুটুম্বিতার হক আদায়, নম্রতা ও মেহেরবানীর উপর জোর দেয়। পুরো সমাজে রহমত ও মহব্বতের বীজ বোপন করে, যাতে আগামী প্রজন্মের লালন-

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক মিসকীন মহিলা দুটি বাচ্চা মেয়ে নিয়ে আমার কাছে এল। আমি তাদের তিনজনকে একটি করে খেজুর দিলাম। যখন মহিলা খেজুর খাওয়ার জন্য নিজের মুখের কাছে নিল তখন মেয়ে দুটি সেটাও চেয়ে বসল। মহিলা সেই খেজুরটিও দুই টুকরা করে তাদের দু' জনের মধ্যে ভাগ করে দিল। মহিলার এই কাজটি আমার কাছে খুব ভালো লাগল।
আমি বিষয়টি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে আলোচনা করলাম। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মহিলার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে মুক্তি দিয়েছেন।
নবীপত্নী উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা'র অবস্থা দেখুন। তিনি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাস করলেন, আচ্ছা আমি যে আবু সালামার ছেলেদের জন্য খরচ করি, এজন্য কি প্রতিদান পাব? আমি তো তাদেরকে পরিত্যাগ করিনি। তারা তো আমারও ছেলে।
উম্মে সালামা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জওয়াব দেওয়ার আগেই তাদের সাথে সদ্ব্যবহারের পন্থা অবলম্বন করে রেখেছিলেন। ইতিবাচক উত্তর পাওয়ার আগেই তাঁর সুস্থ রুচি সঠিক উত্তর দিয়েছিল।
ইসলাম নেক আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে। কুটুম্বিতার হক আদায়, নম্রতা ও মেহেরবানীর উপর জোর দেয়। পুরো সমাজে রহমত ও মহব্বতের বীজ বোপন করে, যাতে আগামী প্রজন্মের লালন-

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, এক মিসকীন মহিলা দুটি বাচ্চা মেয়ে নিয়ে আমার কাছে এল। আমি তাদের তিনজনকে একটি করে খেজুর দিলাম। যখন মহিলা খেজুর খাওয়ার জন্য নিজের মুখের কাছে নিল তখন মেয়ে দুটি সেটাও চেয়ে বসল। মহিলা সেই খেজুরটিও দুই টুকরা করে তাদের দু' জনের মধ্যে ভাগ করে দিল। মহিলার এই কাজটি আমার কাছে খুব ভালো লাগল।
আমি বিষয়টি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে আলোচনা করলাম। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মহিলার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন এবং জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে মুক্তি দিয়েছেন।
নবীপত্নী উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা'র অবস্থা দেখুন। তিনি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাস করলেন, আচ্ছা আমি যে আবু সালামার ছেলেদের জন্য খরচ করি, এজন্য কি প্রতিদান পাব? আমি তো তাদেরকে পরিত্যাগ করিনি। তারা তো আমারও ছেলে।
উম্মে সালামা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জওয়াব দেওয়ার আগেই তাদের সাথে সদ্ব্যবহারের পন্থা অবলম্বন করে রেখেছিলেন। ইতিবাচক উত্তর পাওয়ার আগেই তাঁর সুস্থ রুচি সঠিক উত্তর দিয়েছিল।
ইসলাম নেক আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে। কুটুম্বিতার হক আদায়, নম্রতা ও মেহেরবানীর উপর জোর দেয়। পুরো সমাজে রহমত ও মহব্বতের বীজ বোপন করে, যাতে আগামী প্রজন্মের লালন-

📘 প্রিয় বোন! হতাশ হয়ো না > 📄 আল্লাহই রক্ষা করেন সমস্ত বিপদ থেকে

📄 আল্লাহই রক্ষা করেন সমস্ত বিপদ থেকে


বিমান জমীন ও আসমানের মাঝে বেশ উপরে ভাসমান ছিল। উড়োজাহাজের রিপোর্টকারী যন্ত্র বলছিল, বিমানের কোন যন্ত্র খারাপ হয়ে গেছে। পাইলট, কর্মচারী ও যাত্রীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। কান্না শুরু করল লোকজন। নারীদের চিৎকার আরম্ভ হল। শিশুরা ঘাবড়ে গেল। ভয়ভীতির কারণে লোকজনের অবস্থা হয়ে গেল সংকটাপন্ন। এর মধ্যে তারা আল্লাহ ﷻ-কে কেঁদে কেঁদে ডাকতে শুরু করল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হল। নাযিল হল তাঁর রহমত ও মেহেরবানী। বিপদ সরে গেল। লোকজন আশ্বস্ত হল। স্থির হয়ে গেল তাদের অন্তর এবং নিরাপদে জমীনে অবতরণ করল বিমান।
সময়টা ছিল বাচ্চা জন্মের। মহিলা তীব্র ব্যথায় কাতর হচ্ছিল। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল সে। প্রাণ চলে যাওয়ারই আশঙ্কা ছিল। এর মধ্যে সে আল্লাহ ﷻ-এর দিকে রুজু করল। আল্লাহ ﷻ-ই তো সমস্ত পেরেশানী দূর করেন, পুরো করেন সমস্ত জরুরত। মহিলা ডাকতে লাগল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আচানক তার বিপদ সরে গেল এবং সহিসালামতে বাচ্চা দুনিয়ায় আগমন করল।
এক আলেম একটি মাসআলা নিয়ে পেরেশানীতে পড়ে গেলেন। সঠিক সমাধান তিনি বের করতে পারছিলেন না। বহু প্রকারে চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কাজ হচ্ছিল না। তিনি তখন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ডেকে উঠলেন, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! হে
শিক্ষাদানকারী! তুমি ইবরাহীমকে শিখিয়েছ। হে বুঝ-বুদ্ধির মালিক! তুমি সুলাইমানকে বুঝবুদ্ধি দিয়েছিলে। হে আল্লাহ! হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব! হে জমীন ও আসমানের মালিক!! হে আলেমুল গায়ব ওয়াশ-শাহাদাহ! তুমি তোমার বান্দা-বান্দীর মাঝে সঠিক ফায়সালা দিয়ে থাক, যখন তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। মেহেরবানী করে তুমি আমাকে নির্দেশনা দান করো। নিশ্চয় তুমি যাকে চাও, তাকে সিরাতে মুস্তাকীমের নির্দেশনা দান করে থাক।
এরপর আল্লাহর মেহেরবানীতে তার মাসআলার সমাধান হয়ে গেল। তাঁর সত্তা কত পবিত্র এবং তিনি কত দয়ালু।
যে ব্যক্তি যত বেশি মানুষকে খুশি করবে, সে তত বেশি খোশনসিব।

বিমান জমীন ও আসমানের মাঝে বেশ উপরে ভাসমান ছিল। উড়োজাহাজের রিপোর্টকারী যন্ত্র বলছিল, বিমানের কোন যন্ত্র খারাপ হয়ে গেছে। পাইলট, কর্মচারী ও যাত্রীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। কান্না শুরু করল লোকজন। নারীদের চিৎকার আরম্ভ হল। শিশুরা ঘাবড়ে গেল। ভয়ভীতির কারণে লোকজনের অবস্থা হয়ে গেল সংকটাপন্ন। এর মধ্যে তারা আল্লাহ ﷻ-কে কেঁদে কেঁদে ডাকতে শুরু করল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হল। নাযিল হল তাঁর রহমত ও মেহেরবানী। বিপদ সরে গেল। লোকজন আশ্বস্ত হল। স্থির হয়ে গেল তাদের অন্তর এবং নিরাপদে জমীনে অবতরণ করল বিমান।
সময়টা ছিল বাচ্চা জন্মের। মহিলা তীব্র ব্যথায় কাতর হচ্ছিল। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল সে। প্রাণ চলে যাওয়ারই আশঙ্কা ছিল। এর মধ্যে সে আল্লাহ ﷻ-এর দিকে রুজু করল। আল্লাহ ﷻ-ই তো সমস্ত পেরেশানী দূর করেন, পুরো করেন সমস্ত জরুরত। মহিলা ডাকতে লাগল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আচানক তার বিপদ সরে গেল এবং সহিসালামতে বাচ্চা দুনিয়ায় আগমন করল।
এক আলেম একটি মাসআলা নিয়ে পেরেশানীতে পড়ে গেলেন। সঠিক সমাধান তিনি বের করতে পারছিলেন না। বহু প্রকারে চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কাজ হচ্ছিল না। তিনি তখন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ডেকে উঠলেন, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! হে শিক্ষাদানকারী! তুমি ইবরাহীমকে শিখিয়েছ। হে বুঝ-বুদ্ধির মালিক! তুমি সুলাইমানকে বুঝবুদ্ধি দিয়েছিলে। হে আল্লাহ! হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব! হে জমীন ও আসমানের মালিক!! হে আলেমুল গায়ব ওয়াশ-শাহাদাহ! তুমি তোমার বান্দা-বান্দীর মাঝে সঠিক ফায়সালা দিয়ে থাক, যখন তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। মেহেরবানী করে তুমি আমাকে নির্দেশনা দান করো। নিশ্চয় তুমি যাকে চাও, তাকে সিরাতে মুস্তাকীমের নির্দেশনা দান করে থাক।
এরপর আল্লাহর মেহেরবানীতে তার মাসআলার সমাধান হয়ে গেল। তাঁর সত্তা কত পবিত্র এবং তিনি কত দয়ালু।
যে ব্যক্তি যত বেশি মানুষকে খুশি করবে, সে তত বেশি খোশনসিব।

বিমান জমীন ও আসমানের মাঝে বেশ উপরে ভাসমান ছিল। উড়োজাহাজের রিপোর্টকারী যন্ত্র বলছিল, বিমানের কোন যন্ত্র খারাপ হয়ে গেছে। পাইলট, কর্মচারী ও যাত্রীরা সব ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেল। কান্না শুরু করল লোকজন। নারীদের চিৎকার আরম্ভ হল। শিশুরা ঘাবড়ে গেল। ভয়ভীতির কারণে লোকজনের অবস্থা হয়ে গেল সংকটাপন্ন। এর মধ্যে তারা আল্লাহ ﷻ-কে কেঁদে কেঁদে ডাকতে শুরু করল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হল। নাযিল হল তাঁর রহমত ও মেহেরবানী। বিপদ সরে গেল। লোকজন আশ্বস্ত হল। স্থির হয়ে গেল তাদের অন্তর এবং নিরাপদে জমীনে অবতরণ করল বিমান।
সময়টা ছিল বাচ্চা জন্মের। মহিলা তীব্র ব্যথায় কাতর হচ্ছিল। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিল সে। প্রাণ চলে যাওয়ারই আশঙ্কা ছিল। এর মধ্যে সে আল্লাহ ﷻ-এর দিকে রুজু করল। আল্লাহ ﷻ-ই তো সমস্ত পেরেশানী দূর করেন, পুরো করেন সমস্ত জরুরত। মহিলা ডাকতে লাগল, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! আচানক তার বিপদ সরে গেল এবং সহিসালামতে বাচ্চা দুনিয়ায় আগমন করল।
এক আলেম একটি মাসআলা নিয়ে পেরেশানীতে পড়ে গেলেন। সঠিক সমাধান তিনি বের করতে পারছিলেন না। বহু প্রকারে চেষ্টা করছিলেন; কিন্তু কাজ হচ্ছিল না। তিনি তখন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ডেকে উঠলেন, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ!! হে আল্লাহ!!! হে শিক্ষাদানকারী! তুমি ইবরাহীমকে শিখিয়েছ। হে বুঝ-বুদ্ধির মালিক! তুমি সুলাইমানকে বুঝবুদ্ধি দিয়েছিলে। হে আল্লাহ! হে জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের রব! হে জমীন ও আসমানের মালিক!! হে আলেমুল গায়ব ওয়াশ-শাহাদাহ! তুমি তোমার বান্দা-বান্দীর মাঝে সঠিক ফায়সালা দিয়ে থাক, যখন তাদের মাঝে বিরোধ দেখা দেয়। মেহেরবানী করে তুমি আমাকে নির্দেশনা দান করো। নিশ্চয় তুমি যাকে চাও, তাকে সিরাতে মুস্তাকীমের নির্দেশনা দান করে থাক।
এরপর আল্লাহর মেহেরবানীতে তার মাসআলার সমাধান হয়ে গেল। তাঁর সত্তা কত পবিত্র এবং তিনি কত দয়ালু।
যে ব্যক্তি যত বেশি মানুষকে খুশি করবে, সে তত বেশি খোশনসিব।

📘 প্রিয় বোন! হতাশ হয়ো না > 📄 অলস হয়ো না

📄 অলস হয়ো না


অলসতা থেকে বিরত থাকো। অলসতা কী? আল্লাহ -র যিকির থেকে গাফেল থাকা, সালাত ছেড়ে দেওয়া, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, দীনী ওয়াজমাহফিলে অংশগ্রহণের বেলায় গড়িমসি করা। এগুলো অলসতার বিভিন্ন রূপ। এরপর দিল শক্ত হয়ে যায়; দিলে মহর পড়ে যায়। নেক ও বদ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং আল্লাহ -র দীনের বুঝ থেকে মানুষ মাহরুম হয়ে পড়ে। এমন মানুষ পাষণ্ড, পেরেশান, মানসিক বিক্ষিপ্ততার শিকার ও ব্যর্থ হয়ে থাকে। এ হল অলসতার দুনিয়াবী ফল; আখেরাতে কী হবে?
এজন্য গাফলতের এসব উপকরণ (যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে) থেকে তোমার বিরত থাকা আবশ্যক। তাকওয়া অবলম্বন করো। নিজের যবানকে আল্লাহ -র যিকিরে তরতাজা রাখো। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়তে থাকো। তাসবীহ, তাহলীল, তওবা ও এস্তেগফার জারী রাখো এবং প্রিয় নবীর উপর দরুদ ও সালাম পড়তে থাকো। সবসময়, প্রতিটি মুহূর্তে- দাঁড়ানো অবস্থায়, বসা অবস্থায় এবং শুয়ে পাশ ফেরাতে ফেরাতেও। এতে তোমার দিল সুখ ও স্বস্তিতে ভরে যাবে। আল্লাহ -র যিকিরের ফল এমনই।
মনে রেখো, আল্লাহ যিকির হচ্ছে সেই বস্তু, যদ্বারা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [১৩:২৮]
ভেবো না যে, সুখ পেলে হাসবে; বরং হাসো, হাসতে থাকো, যাতে সুখ পাও।

অলসতা থেকে বিরত থাকো। অলসতা কী? আল্লাহ -র যিকির থেকে গাফেল থাকা, সালাত ছেড়ে দেওয়া, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, দীনী ওয়াজমাহফিলে অংশগ্রহণের বেলায় গড়িমসি করা। এগুলো অলসতার বিভিন্ন রূপ। এরপর দিল শক্ত হয়ে যায়; দিলে মহর পড়ে যায়। নেক ও বদ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং আল্লাহ -র দীনের বুঝ থেকে মানুষ মাহরুম হয়ে পড়ে। এমন মানুষ পাষণ্ড, পেরেশান, মানসিক বিক্ষিপ্ততার শিকার ও ব্যর্থ হয়ে থাকে। এ হল অলসতার দুনিয়াবী ফল; আখেরাতে কী হবে?
এজন্য গাফলতের এসব উপকরণ (যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে) থেকে তোমার বিরত থাকা আবশ্যক। তাকওয়া অবলম্বন করো। নিজের যবানকে আল্লাহ -র যিকিরে তরতাজা রাখো। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়তে থাকো। তাসবীহ, তাহলীল, তওবা ও এস্তেগফার জারী রাখো এবং প্রিয় নবীর উপর দরুদ ও সালাম পড়তে থাকো। সবসময়, প্রতিটি মুহূর্তে- দাঁড়ানো অবস্থায়, বসা অবস্থায় এবং শুয়ে পাশ ফেরাতে ফেরাতেও। এতে তোমার দিল সুখ ও স্বস্তিতে ভরে যাবে। আল্লাহ -র যিকিরের ফল এমনই।
মনে রেখো, আল্লাহ যিকির হচ্ছে সেই বস্তু, যদ্বারা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [১৩:২৮]
ভেবো না যে, সুখ পেলে হাসবে; বরং হাসো, হাসতে থাকো, যাতে সুখ পাও।

অলসতা থেকে বিরত থাকো। অলসতা কী? আল্লাহ -র যিকির থেকে গাফেল থাকা, সালাত ছেড়ে দেওয়া, কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা, দীনী ওয়াজমাহফিলে অংশগ্রহণের বেলায় গড়িমসি করা। এগুলো অলসতার বিভিন্ন রূপ। এরপর দিল শক্ত হয়ে যায়; দিলে মহর পড়ে যায়। নেক ও বদ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় এবং আল্লাহ -র দীনের বুঝ থেকে মানুষ মাহরুম হয়ে পড়ে। এমন মানুষ পাষণ্ড, পেরেশান, মানসিক বিক্ষিপ্ততার শিকার ও ব্যর্থ হয়ে থাকে। এ হল অলসতার দুনিয়াবী ফল; আখেরাতে কী হবে?
এজন্য গাফলতের এসব উপকরণ (যেগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে) থেকে তোমার বিরত থাকা আবশ্যক। তাকওয়া অবলম্বন করো। নিজের যবানকে আল্লাহ -র যিকিরে তরতাজা রাখো। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার পড়তে থাকো। তাসবীহ, তাহলীল, তওবা ও এস্তেগফার জারী রাখো এবং প্রিয় নবীর উপর দরুদ ও সালাম পড়তে থাকো। সবসময়, প্রতিটি মুহূর্তে- দাঁড়ানো অবস্থায়, বসা অবস্থায় এবং শুয়ে পাশ ফেরাতে ফেরাতেও। এতে তোমার দিল সুখ ও স্বস্তিতে ভরে যাবে। আল্লাহ -র যিকিরের ফল এমনই।
মনে রেখো, আল্লাহ যিকির হচ্ছে সেই বস্তু, যদ্বারা অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [১৩:২৮]
ভেবো না যে, সুখ পেলে হাসবে; বরং হাসো, হাসতে থাকো, যাতে সুখ পাও।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00