📘 পশ্চিমা মিডিয়ার স্বরূপ > 📄 মুসলমানরা—প্রবৃত্তি ও নফস পূজারী

📄 মুসলমানরা—প্রবৃত্তি ও নফস পূজারী


পশ্চিমা চলচ্চিত্রে এ দৃশ্য দেখাতে মোটেও দ্বিধা করা হয় না যে, আরব ও মুসলমানরা নারীদের ব্যাপারে একই রকম লালায়িত ও বুভুক্ষু। তারা প্রবৃত্তি পূজারী। তারা কোনোভাবেই নারীদের সাথে যৌনকর্মে পরিতৃপ্ত হয় না। তাদের সবচে দুর্বল দিক হলো নারী, বিশেষ করে ইউরোপিয়ান শ্বেতাঙ্গ নারীরা হলো তাদের সবচে' প্রিয় বস্তু। মুসলমান ও আরবদের সম্পর্কে এ ধরনের দৃশ্য প্রায় অধিকাংশ সিনেমাতেই দেখানো হয়। অথচ পশ্চিমারা দাবী করে, তারা সব বিষয়ে নিরপেক্ষ। যেমন 'মিউনিখের কীর্তি' নামক সিনেমাটি আরব বিশ্ব ও ইসরাঈলের সব জায়গাতেই প্রদর্শন করা হয়। এ সিনেমার নামকরা অভিনেতা হল স্পিনার ও ট্রান্স বিল। নির্মাতাদের দাবী, সিনেমাটি নিরপেক্ষ, কিন্তু এতে আবরদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকে চলে আসা ঘৃণা-বিদ্বেষ ও শত্রুতা অত্যন্ত সুন্দর মোড়কে উপস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু আরবরা তামাশা দেখার মতো তা উপভোগ করতে থাকে। পশ্চিমাদের ঠিকই উপলদ্ধি আছে, সিনেমার পর্দায় যাদের দেখানো হয় তারা সেসব ব্যক্তি, যারা সোনালী চুল আর সাদা চামড়ার সুন্দরী নারীদের সৌন্দর্যের উত্তাল সহ্য করতে পারে না। তাদের সামনে পানি পানি হয়ে যায়।

পশ্চিমারা ভালো করেই জানে, আরবদের ঘায়েল করার একমাত্র পথ সুন্দরী নারী। যখন মার্কিনীদের আরব বিশ্বের অবকাঠামো নির্মাণ সংক্রান্ত আলোচনা ব্যর্থ হয়ে যায় এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে কোটি কোটি ডলারের মার্কিন বিমান ক্রয়ে তাদের রাজি করাতে ব্যর্থ হয়, তখন তারা আরব প্রতিনিধি দলকে অভ্যর্থনা জানাতে লম্বা চুল আর সাদা চামড়ার সুন্দরী এয়ার হোস্টেস প্রেরণ করে। কারণ তারা বিলক্ষণ জানে, এতে সহজেই আরবরা মাত হয়ে যাবে। এই সুন্দরী নারী যখন কোনো দাবী করবে তখন তাদের পক্ষে সেটা প্রত্যাখ্যান করার কোনো সুযোগ থাকবে না। যে কাজ পূর্বে দশ কোটি ডলারেও সম্ভব ছিল না সে কাজ এখন বিশ কোটি ডলারে সিদ্ধান্ত হয়। কথোপকথন ছাড়াই অত্যন্ত সহজে সাদামাটাভাবে এটা প্রমাণ করে দেয়া হয়।

'রোলিরো' নামক সিনেমায় দেখানো হয়েছে, এক আরব শায়খ এক যুবতী নারীকে অনৈতিক কাজে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়ে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। 'নীল দরিয়ার মতি' সিনেমায় দেখানো হয়েছে, সিনেমার নায়িকা এক আরব শাসকের জীবনী লেখার উদ্দেশে তথ্য সংগ্রহের জন্য তার প্রাসাদে প্রবেশ করে। সেখানে পৌছে নায়িকা অনুভব করতে পারে, সে আরব শাসকের জালে আটকা পড়ে গেছে এবং সে তার কাছে বন্দিনী। খুব দ্রুত নায়িকা অনুমান করে ফেলে, আরব শাসক যৌনতার দিক থেকে খুবই দুর্বল।

📘 পশ্চিমা মিডিয়ার স্বরূপ > 📄 মুসলমানরা—প্রান্তিক ও হাসি-তামাশার পাত্র

📄 মুসলমানরা—প্রান্তিক ও হাসি-তামাশার পাত্র


১৯৮৪ সালে নির্মিত 'মরুভূমি' নামক সিনেমায় দেখানো হয়েছে, আরবরা যাদুটোনায় বিশ্বাস রাখে। তারা যে কাজই করে তার ওপর হাসি আসে।

১৯৮১ ও ১৯৮৪ সালে দুই পর্বে নির্মিত 'গুলি' নামক সিনেমায় দেখানো হয়েছে, এক আরব আমীর ফালাফেল তার ছেলেকে তিরস্কার করছে, সে কেন মোটর দৌড়ে হেরে গেছে। সে ঝিড়কি মেরে ছেলেকে বলছে, আমার কুৎসিত স্ত্রীর অনুপযুক্ত ছেলে! নে, এই দুই মিলিয়ন ডলার নিয়ে আমেরিকায় চলে যা। হয়ত বা সেখানে তুই দৌড় প্রতিযোগিতায় বিজয় লাভ করতে পারবি। এই কথোপকথনের পর অত্যন্ত হাসি-কৌতুক ও ব্যক্তি স্বার্থপূর্ণ কিছু দৃশ্য অতিবাহিত হওয়ার পর একটি দৃশ্য সামনে আসে, যাতে আমীর ফালাফেল বলছে, রাতে আল্লাহ তাআলা আমার নিকট এসে নির্দেশ দিয়েছেন, তোমার সমুদয় সম্পদ মানুষের মধ্যে বিতরণ করে দাও। নে, এই সম্পদ নিয়ে যা আর কাপড় ভর্তি আলমারি কিনে আন। দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, ছেলে পশ্চিমা হারমোনিয়াম বাজাচ্ছে আর পিতার সাথে কথা বলছে। এ দেখে পিতা ছেলেকে বলে, তোমার যেহেতু এ হারমোনিয়াম পছন্দ, তাই আমি ৪৮ মিলিয়ন ডলার দিয়ে সে কোম্পানী কিনে নিয়েছি, যে কোম্পানী এ হারমোনিয়াম বানিয়েছে।

📘 পশ্চিমা মিডিয়ার স্বরূপ > 📄 মুসলমানরা—শয়তান ও নির্মম নির্দয়

📄 মুসলমানরা—শয়তান ও নির্মম নির্দয়


পাশ্চাত্য নির্মিত কিছু সিনেমায় অত্যন্ত সোৎসাহে দেখানো হয়েছে, আরবরা যখন কাউকে হত্যা করে তখন অত্যন্ত নির্মম ও নির্দয়ভাবে হত্যা করে। অথচ আরবদের জীবনের সাথে এর দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। আরবদের লাঞ্ছিত, হীন ও অপমানিত করার জন্যই তাদের হত্যাকারী, জালেম, নির্মম-নির্দয় দৃশ্যে দেখানো হয়। ১৯৮৪ সালে নির্মিত 'শয়তান' নামক সিনেমায় জর্জ হর্সকে শয়তানের আকৃতিতে দেখানো হয়েছে। যে এক আরব নেতার আনুগত্যে গর্ববোধ করে।

১৯৮৫ সালে নির্মিত 'অগ্নি সংযোগ' এক সিনেমায় দেখানো হয়েছে, এক রিসার্চ ফেলো ছাত্রীকে এক আরব অপহরণ করে হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে তার ইজ্জত লুণ্ঠন করে। এ এক এমন আরব, যার ইজ্জত সম্মানের কোন পরোয়া নেই। সে সব সময় যৌন নেশায় উন্মাদ হয়ে থাকে। সে যৌনতার প্রতি প্রচন্ড দুর্বল মনে হয়। এজন্যই আরবদের মাধ্যমে নেশা ও মাদক দ্রব্যের ব্যাপক বিস্তার ঘটানো হচ্ছে।

📘 পশ্চিমা মিডিয়ার স্বরূপ > 📄 মুসলমানরা—আগামীর জন্য বিপদ

📄 মুসলমানরা—আগামীর জন্য বিপদ


১৯৮৫ সালে নির্মিত এক সিনেমা শুধু একথা জানান দিতে নির্মাণ করা হয়েছে যে, আরব বিশেষ করে মুসলমানরা আগামীর জন্য বিপদ। তাই তাদের সম্পর্কে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। আরবরা এমন, ইসলামী বোমের অনুসন্ধানে রয়েছে, যা দ্বারা তারা উন্নত পৃথিবীকে ধ্বংস বরবাদ করে দেবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00