📘 পশ্চিমা মিডিয়ার স্বরূপ > 📄 খৃস্টীয় সমাজ ধ্বংসে ইহুদী মিডিয়ার ভূমিকা

📄 খৃস্টীয় সমাজ ধ্বংসে ইহুদী মিডিয়ার ভূমিকা


কুরআনুল কারীম ও ইতিহাস অধ্যয়নে জানা যায়, ইহুদীদের আল্লাহ তাআলা অসাধারণ নিয়ামত দ্বারা ভূষিত করেছেন, কিন্তু যখন তারা সেই নিয়ামতের অবমূল্যায়ন করল তখন আল্লাহ তাআলা তাদের থেকে নেতৃত্বের বাগডোর ছিনিয়ে নিলেন। এই জাতি আল্লাহর প্রেরিত অসংখ্য নবী-রাসূলকে হত্যা করেছে। কিতাবুল্লাহর মধ্যে রদবদল করেছে। কঠিন অপরাধের ফলস্বরূপ আল্লাহ তাআলা তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত করেন। আর সেসব রোগই ইহুদীদের জাতীয় বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। যেমন কাপুরুষতা, অপরাধপ্রবণ মস্তিষ্ক, পাষাণ হৃদয়, অকৃতজ্ঞতা, মিথ্যা, অপরাধপ্রবণতা, প্রতারণা, সম্পদের পূজা, হারামখোরী, প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করা, খেয়ানত, অহংকার, অশ্লীলতা, নির্লজ্জতা, সুদখোরী এবং লাঞ্ছনা অপদস্থতা-এগুলো তাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। এসব কুৎসিত দাগগুলো ধোয়ার জন্য ইহুদীরা প্রথমে খৃস্টানদের, অতঃপর মুসলমানদের, এরপর গোটা মানবতাকে টার্গেট করে।

📘 পশ্চিমা মিডিয়ার স্বরূপ > 📄 খৃস্টবাদ সম্পর্কে ইহুদীদের আকীদা ও সংকল্প

📄 খৃস্টবাদ সম্পর্কে ইহুদীদের আকীদা ও সংকল্প


খৃস্টান ধর্ম যত প্রাচীন, খৃস্টানদের সাথে ইহুদীদের দ্বন্দ্ব-শত্রুতাও তত প্রাচীন। ইহুদীদের ওপর এই অপবাদ আরোপ করা হতে থাকে যে, তারাই হযরত ঈসা (আ.)-কে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলিয়েছে। ইহুদীদের সীমাহীন চাপের মুখে তাদের ললাটে সেঁটে থাকা এই কুৎসিত দাগ বিশ শতকের ষাটের দশকে রোমের পোপ চিরতরে ধুয়ে মুছে দেবার ঘোষণা দেন এবং তাদের এই অপরাধ থেকে বেকসুর খালাস দেন। খৃস্টজগত ইহুদীদের কুৎসিত দাগ ধুয়ে মুছে দেবার ঘোষণা দিলেও কিন্তু খৃস্টানদের সম্পর্কে ইহুদীদের আকীদা-বিশ্বাস সেভাবেই রয়ে গেছে, যা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান রয়েছে। আর সেগুলো বাস্তবায়নকে তারা নিজেদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য বানিয়ে রেখেছে। ইহুদীদের তালমূদ গ্রন্থ থেকে খৃস্টানদের সম্পর্কে ইহুদীদের আকীদা- বিশ্বাসের নির্বাচিত কিছু অংশ নিম্নে তুলে ধরা হলো।

০১. প্রত্যেক ইহুদীর অবশ্য কর্তব্য হলো, তারা দিনে কমপক্ষে তিন বার খৃস্টানদের অভিশাপ দেবে। এই প্রার্থনা করবে, হে আল্লাহ! খৃস্টানদের নিস্তনাবুদ করে দাও।

০২. খৃস্টানদের হত্যা করা প্রত্যেক ইহুদীর মৌলিক কর্তব্য। যদি তারা খৃস্টানদের হত্যা করতে না পারে, তাহলে তাদের হত্যার উপকরণ, কমপক্ষে ধ্বংসের উপকরণ সরবরাহ করবে।

০৩. খৃস্টানদের হত্যা করা ইহুদীদের একটি মৌলিক দায়িত্ব, যার বাস্তবায়ন প্রত্যেক ইহুদীর অত্যাবশ্যক কর্তব্য।

০৪. খৃস্টানদের হত্যা করা ইহুদীদের একটি অন্যতম কীর্তি, যে কীর্তির বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা হত্যাকারীকে ভরপুর প্রতিদান দেবেন।

০৫. খৃস্টানরা ধর্মান্তরিত হয়ে গেছে। যদি তারা ইহুদী ধর্ম গ্রহণ না করে তাহলে তারা আল্লাহ ও ইহুদীদের শত্রু।

০৬. খৃস্টানদের সাথে কৃত চুক্তি পালন করা ইহুদীদের জন্য মোটেই জরুরী নয়।

০৭. খৃস্টানদের গির্জা অপবিত্রতার কেন্দ্র। আর গির্জার মুখপাত্ররা ঘেউ ঘেউকারী কুত্তার ন্যায়।

০৮. ইহুদীদের উচিত তারা খৃস্টানদের সাথে বিবেকশূন্য, নির্বোধ এবং নিকৃষ্ট জানোয়ারের মতো আচরণ করবে।

০৯. খৃস্টানদের গির্জা ঘর পথভ্রষ্টতার কেন্দ্র এবং মূর্তিপূজার আড্ডা। তাদের ধ্বংস করা প্রত্যেক ইহুদীর মৌলিক দায়িত্ব।

১০. ইহুদীদের জন্য মিথ্যা শপথ করা ও মিথা সাক্ষ্য দেয়া জায়েয, যাতে তারা অ-ইহুদীদের ক্ষতি করতে পারে।

১১. ইহুদীরা আল্লাহ তাআলার নির্বাচিত জাতি আর অ-ইহুদীরা জানোয়ারের থেকেও নিকৃষ্ট।

১২. আমাদের ইহুদীদের আল্লাহ তাআলা খেদমতের জন্য দু'ধরনের জানোয়ার দান করেছেন। এক প্রকার হল গাধা, কুকুর, শূকর ও বিভিন্ন প্রকারের পাখি, অপরটি হল খৃস্টান, মুসলমান ও বৌদ্ধ।

১৩. মানুষ ও জানোয়ারের মধ্যে যে পার্থক্য ইহুদী আর অ-ইহুদীদের মাঝে সেই পার্থক্য। অ-ইহুদীরা কুকুর শূকর থেকেও নিকৃষ্ট। ইহুদীদের সামনে যদি ক্ষুধার্ত কুকুর আর অ-ইহুদী বসে থাকে, তাহলে তাদের মধ্যে কুকুর উত্তম।

আলোচ্য বিষয়গুলো হলো ইহুদীদের আকীদা-বিশ্বাসের সার-সংক্ষেপ, যা খৃস্টানদের সম্পর্কে তারা পোষণ করে থাকে। এসব আকীদা-বিশ্বাস বাস্তবায়ন করা ইহুদীদের মৌলিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, যাতে একদিকে তাদের কুৎসিত অবয়ব ও অপরাধমূলক কর্মকা ের ওপর পর্দা পড়ে, অপরদিকে গোটা মানবতা থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করা যায়। এ ক্ষেত্রে তারা প্রথম টার্গেট বানিয়েছে খৃস্টানদের। ইঞ্জিলে রদবদল করা, খৃস্ট ধর্মের পুরো কাঠামো পরিবর্তন করে ফেলা এবং খৃস্টজগতের গতি বিপরীতমুখে ফিরিয়ে দেবার কীর্তি ইহুদীরাই আঞ্জাম দিয়েছিল। ইসলামের আগমণ খৃষ্টানদের অনেকটা ধর্মের দিকে ধাবিত করেছিল। ধর্ম ও বিজ্ঞানের দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষে বিকৃত খৃস্ট ধর্মের পরাজয়ে খৃস্টীয় সমাজব্যবস্থা সম্পূর্ণ টুকরো টুকরো হয়ে যায়। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল ডারউইন ও ফ্রয়েড সেটুকু সম্পন্ন করে দেয়। কাল মার্কস খৃস্টীয় তাবুতে (কফিন) সর্বশেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। এই তিন ইহুদী প্রতারকের চিন্তা-চেতনা ও দর্শনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণকেই ইহুদী মিডিয়া নিজেদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বানিয়ে নিয়েছে। ইহুদীরা খৃস্ট সমাজকে চিরতরে নির্মূল করার জন্য যেসব উপায়-উপকরণ কাজে লাগিয়েছে, তার মধ্যে সাহিত্য, চলচ্চিত্র, নাটক, শিক্ষা-দীক্ষা, সংবাদ মাধ্যম এবং পরবর্তীতে ইলেকট্রিক মিডিয়া উল্লেখযোগ্য।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও বৃটেনের উর্বর ভূমিকে ইহুদীরা তাদের কর্মতৎপরতার কেন্দ্রভূমি বানিয়েছে। তারা অতি পরিকল্পিতভাবে নাটক, গান ও অশ্লীল উপন্যাসের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের ওপর আগ্রাসন চালিয়েছে এবং তাদের পথভ্রষ্টতার অতল গহ্বরে ঠেলে দিয়েছে। পশ্চিমা নাটক বিশ্লেষণ করলে জানা যায়, এ বিশ্ব ভূ-খন্ড ও তাতে বিদ্যমান মানব সম্প্রদায়ের সৃষ্টি অনর্থক। পৃথিবী ও মানবের মাঝে যৌক্তিক কোনো সম্পর্ক ও যোগাযোগ নেই। আর না এই সৃষ্টির কোনো স্রষ্টা, মালিক ও পরিচালক আছে। প্রসিদ্ধ নাট্যকার টি উইলিয়ামস তার নাটকসমূহে প্রকাশ্যে নতুন যুগের বিভিন্ন রোগ ও দৈহিক সমস্যা দূর করার জন্য স্বাধীন যৌন সম্পর্কের আহবান জানিয়েছেন। তিনি লেখেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষের মাঝে স্বাধীন যৌন সম্পর্কের সুযোগ সৃষ্টি না হবে, তারা ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণতায় পৌছতে পারবে না। টি. উইলিয়ামস তার প্রসিদ্ধ নাটকে লেখেন, স্বাধীনভাবে যৌন পিপাসা ও প্রবৃত্তির চাহিদা নিবারণের মাধ্যমেই মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর ও সুখকর হতে পারে। ব্যক্তি ও সমাজের স্বাধীনতার উদ্দ্যেশই যৌন স্বাধীনতা। এটাই আমাদের নাটকের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।

এমনিভাবে আরেক প্রসিদ্ধ নাট্যকার জন ওয়েটিং 'শয়তান' নামক এক নাটকে রাজনৈতিক উত্থান, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সম্পদ-প্রাচুর্য, সমরাস্ত্র ও স্বাধীন যৌন সম্পর্ক সফল জীবনের জন্য আবশ্যক সাব্যস্ত করেছেন। প্রসিদ্ধ বৃটিশ নাট্যকার গোলেজ কুপার তার এক নাটকে সমাজে ইজ্জত, সম্মান, অর্থ-বিত্ত, যশ-খ্যাতি ও জীবন মান উন্নত করার জন্য অনৈতিক কুকর্মকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার জোরদার ওকালতি করেছেন এবং একে দর্শন বানিয়ে জ্ঞানগত ও মনস্তাত্ত্বিক দলীল-প্রমাণের আলোকে উপস্থাপন করেছেন। অন্যান্য পশ্চিমা নাট্যকার যেমন আলবেরকামী, স্নাক্রো, বারোল্ড পেন্টার, আর্থার এডামস, ইউজে অনীল মানব মস্তিষ্কে স্রষ্টা সম্পর্কে সন্দেহ-সংশয় এবং মানুষ সম্পর্কে হতাশা, নিরাশা ও ব্যর্থতার অনুভূতি সৃষ্টি করার প্রয়াস চালিয়েছেন।

মার্কিন সমাজে এ ধরনের নাটক মঞ্চস্থকারী অভিনেতা-অভিনেত্রী ও তারকা-শিল্পীদের প্রায় সকলেই ইহুদী। হেনরী ফোর্ডের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, ১৮৮৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাটক ও চলচ্চিত্র শিল্পের ওপর ইহুদীদের ইজারাদারী প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল। ঘন্টার পর ঘন্টা যখন মার্কিন নওজোয়ানরা যৌন উত্তেজক দৃশ্য, গান, নগ্ন শরীরের নৃত্য, চিত্তহারী ড্যান্স, ছলনাময়ী অঙ্গভঙ্গি এবং নাইট ক্লাবে নগ্ন নাচ-গান প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের শরীরে আগুন লেগে যায়। তারা জানোয়ারের মতো মদের বোতল হাতে অলিতে গলিতে নারীদের পেছনে ছুটতে থাকে। সংবাদ মাধ্যম, উপন্যাস ও বিভিন্ন কাহিনীর মাধ্যমে এ কাজে তাদের আরো বেশি করে উদ্বুদ্ধ করা হয়। যখন এসব নাটক ও চলচ্চিত্রের চাহিদা ফ্রান্স, বৃটেন ও ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে আসতে লাগল, তখন সুচতুর ইহুদীরা বাণিজ্যিক উদ্দেশে এসব নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়কারীদের প্রস্তুত করে সেসব দেশে পাঠানো শুরু করে। একই অবস্থা চলচ্চিত্র অঙ্গনের। অশ্লীল গান-বাজনার সয়লাব ভালো ভালো ঘরকে প্রভাবিত করে। হেনরী ফোর্ডের বক্তব্য অনুযায়ী মার্কিনসমাজ ব্যবস্থা টুকরো টুকরো হয়ে গেল। ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থা অবশিষ্ট চারিত্রিক ও নৈতিক মূল্যবোধ, সাধারণ ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক বন্ধন ও গির্জার নিয়ন্ত্রণ নির্মূল করে দেয়। কোনো বিবেকবান মানুষ যদি ইহুদীদের এই অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ বা সমালোচনা করার সাহস দেখায় তাহলে মিডিয়ার শক্তি দিয়ে তাকে সমাজে সম্পূর্ণ কোণঠাসা করে তার বিবেকের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়।

মার্কিন নাটকের প্রসিদ্ধ সমালোচক বেরিসন গীরি ১৮৯৭ সালে স্বরচিত গ্রন্থ 'ড্রামেটিক মিরর'-এ মার্কিন নাটকের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে লেখেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো, মার্কিন নাটকের ওপর সেই গোষ্ঠী থাবা বিস্তার করে আছে, যাদের জন্ম ও লালন- পালন সঠিক পদ্ধতিতে হয়নি। যাদের জাতীয় ইতিহাস লাঞ্ছনা-গঞ্জনায়, অপমান- অপদস্থতায় ভরপুর। এই গোষ্ঠী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও ইজ্জত বিক্রিকারী। এরা উন্নত শাস্ত্রীয় পাণ্ডিত্য, সৌন্দর্যের রুচিবোধ এবং সজীব চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত। যেসব লোক বর্তমানে নাটক-ড্রামার ওপর ইজারাদারী প্রতিষ্ঠা করে আছে, তারা এই শিল্পে দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর যোগ্যও নয়। তাদের গোটা ইতিহাস লাঞ্ছনা-গঞ্জনা আর অপমান-অপদস্থতার ইতিহাস। অধিকাংশ অবস্থায় তাদের জীবনটাই অপরাধপ্রবণ। ফলে নাটকেও তাদের অভিনয়, কর্মকা অপরাধপ্রবণ, যা অবিকল তাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের প্রতিবিম্ব।

একজন খৃস্টান লেখকের কলম দিয়ে এ ধরনের সমালোচনা পুরো ইহুদী সংবাদ মাধ্যমে ভূমিকম্প শুরু হয়ে যায়। এই সমালোচনার পর ইহুদী পুঁজিপতিরা একদিকে নাট্যাঙ্গনের ওপর পূর্ণ ইজারাদারী প্রতিষ্ঠা করে নেয়, অপরদিকে ইহুদী মিডিয়ার সমালোচকের বিরুদ্ধে তুফান দাঁড় করিয়ে দেয়। ইহুদী সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো মি. বেরিসনের গ্রন্থ 'ড্রামেটিক মিরর' নিজেদের প্রতিষ্ঠানে রাখতে অস্বীকৃতি জানায়। নাটক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিষ্ঠানে এই সমালোচকের গ্রন্থের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। অপরদিকে ইহুদীরা সমালোচকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে যে, তার সমালোচনায় তাদের নাটকের ওপর প্রভাব পড়েছে। আদালত সমালোচকের দশ লাখ টাকা জরিমানা করে। এই ঘটনার পর তারা নাকট, চলচ্চিত্র ও সাহিত্য সমালোচকদের অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করে তাদের মুখ বন্ধ করে দেয় এবং তাদের সকল লেখাকে ইহুদী সংবাদপত্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00