📄 মার্কিন গির্জা সংগঠন
১৯০৮ সালে হেনরী ফোর্ড এবং রোসগান্স রকফেলার ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় 'মার্কিন গির্জা সংগঠন' প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪২ সালে এই প্রতিষ্ঠান এমন কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিল, যেসব প্রস্তাবে এমন একটি বিশ্বব্যবস্থার রূপরেখা বিদ্যমান ছিল, যার সামরিক বাহিনী সকল দেশের ওপর কর্তৃত্ব করবে। এই বিশ্বব্যবস্থা এমন একটি অর্থব্যবস্থা রূপায়ণ করবে, যা বিশ্ব ব্যাংকের অধীন হবে। ১৯৪৮ সালের ২৩ আগস্ট এ সংগঠনের নামকরণ করা হয় 'বিশ্ব গির্জা সংস্থা'। এটি নবরূপে প্রতিষ্ঠার পর যেসব নতুন উদ্দেশ্য সামনে আসে, তন্মধ্যে একটি মনোহারি উদ্দেশ্য ছিল, পুঁজিবাদী ব্যবস্থা নির্মূল করে একটি নতুন অর্থব্যবস্থা প্রণয়ন করা। মার্কিন গির্জা সংস্থা নাম ধারণ করে মৌলিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে সংগঠনটি খৃস্টান বিশেষতঃ মার্কিনীদের সাথে প্রতারণা করেছে। নাম ধারণ করেছে মার্কিন গির্জা সংস্থা, কিন্তু উদ্দেশ্য পুঁজিবাদী ব্যবস্থা নির্মূল করা।১১
টিকাঃ
১১. ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গির্জাগুলোর ওপর সংগঠনটির একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে। এটি খৃস্টবাদের লেবাস পরে ভেটিকান সিটির ওপরও দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের ক্ষমতা এত অসাধারণ যে, রোমের পোপ জন পলের সভাপতিত্বে ১৯৬২ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্ব খৃস্ট সম্মেলন ইহুদীদের হযরত ঈসা হত্যার অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।
📄 পররাষ্ট্র সম্পর্ক কমিটি—(C.F.R)
'কাউন্সিল অফ ফরেন রিলেশন্স' (C.F.R) নামের এই প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তি রাখা হয় ১৯০৭ সাল থেকে ১৯১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন রাহুড সেশাল ও তার বন্ধু-বান্ধব। প্রতিষ্ঠার সময় এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য খুব গোপন রাখা হয়। ১৯২১ সালে রোতিশলেড ব্যাংকের মার্কিন প্রতিনিধি মি. জে. আর মর্গান, জন রকফেলার, বার্নার্ড বারূখ (একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইহুদী উপদেষ্টা), পল ওয়ারবার্গ, জেকবশেপ এবং অটোকাহান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ এই প্রতিষ্ঠানে বিপুল আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এটা তখনকার কথা যখন লীগ অফ নেশনের প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ধুলোয় মিশে গিয়েছিল। সি.এফ.আর-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলসন-এর উপদেষ্টা কর্নেল এ্যাডওয়ার্ড মান্ডিল হাউস, মার্কিন সাংবাদিক ওয়াটার ল্যাম্পম্যান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেন হাওয়ার-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন ফাস্টার ডেলিস, সি.আই.এ-এর সাবেক ডাইরেক্টর এলিন ডালস এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়ান হার্টার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সি.এফ.আর-এর তত্ত্বাবধানেই প্রকাশিত হয় বহুল প্রচারিত মার্কিন পত্রিকা ফরেন এ্যাফেয়ার্স। এই পত্রিকার এক সংখ্যায় গবেষণাধর্মী একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। তাতে উল্লেখ আছে, নতুন বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দিকে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে।
সি.এফ.আর-এর উদ্দেশ্যের আরো ব্যাখ্যা দিয়ে মার্কিন এ্যাডমিরাল জাসটিরোর বলেন, সি.এফ.আর-এ কর্মরত এক শক্তিশালী গ্রুপের মৌলিক উদ্দেশ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নির্মূল করে এমন একটি বিশ্ব সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যার একটি অংশ হবে আমেরিকা। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হলো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অস্ত্রমুক্ত একটি বিশ্বব্যবস্থার অধীন করে দেয়া।
মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে কর্মচারী নিয়োগের ব্যাপারে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সহকারী জন মেকলে বলেন, আমাদের যখনই মার্কিন প্রশাসনের জন্য কোন লোকের প্রয়োজন হয় তখনই আমরা সর্বপ্রথম সি.এফ.আর-এর কর্মকর্তাদের তালিকা দেখি এবং সঙ্গে সঙ্গে নিউইয়র্কে অবস্থিত সি.এফ.আর-এর কেন্দ্রীয় দফতরের সাথে যোগাযোগ করি। কারণ তাদের নিকট সব ধরনের বিশেষজ্ঞ রয়েছে। মূলতঃ মার্কিন প্রশাসন পরিচালনা ও তার নিয়ন্ত্রক সকল ব্যক্তিবর্গ সি.এফ.আর-এর সক্রিয় সদস্য, যারা ইহুদী উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কর্মতৎপর। নিম্নের কিছু উদাহরণ থেকে একথা সহজেই অনুমান করা যায়।
০১. জাতিসংঘ গঠনে সহযোগিতার জন্য মার্কিন প্রশাসন ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল। উক্ত কমিটির সদস্যদের মধ্যে জন ফাস্টার ডালস, নেলসন রকফেলার ও এ্যাডলাঈ ষ্টিউনসন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির সকলেই ছিলেন সি.এফ.আর-এর সক্রিয় সদস্য।
০২. মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত ৩১৩ কর্মকর্তার সকলেই ছিলেন সি.এফ.আর-এর সক্রিয় সদস্য। একই অবস্থা জর্জ বুশের দফতরেরও। যেখানে ৩৮৭ জন্য কর্মকর্তা এই প্রতিষ্ঠান থেকেই নির্বাচিত হয়ে এসেছিলেন। ১৯৯২ সালে সি.এফ.আর-এর সদস্য সংখ্যা ২৯০-এ উন্নীত হয়। ১৯২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ জন অর্থমন্ত্রীর ১২ জনই ছিলেন সি.এফ.আর-এর সদস্য। এমনিভাবে ১৬ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে ১২ জনই ছিলেন সি.এফ.আর-এর সদস্য। ১৯৪৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১৫ জন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মধ্যে ৯ জনই ছিলেন সি.এফ.আর-এর সদস্য। একই অবস্থা সি.আই.এ'রও। সি.আই.এ'র প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ১১ জন ডাইরেক্টরের মধ্যে ৯ জনই ছিলেন সি.এফ.আর-এর সদস্য। এখন পরিস্থিতি এ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং নিরাপত্তা বিষয়ক সকল প্রতিষ্ঠান সি.এফ.আর-এর জন্য নির্ধারিত হয়ে গেছে।
১৯৫২ সাল থেকে (১৯৬৪ সাল ছাড়া) এ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উভয় রাজনৈতিক দলের যত প্রার্থী প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন, সকলেরই সি.এফ.আর-এর সাথে ঘনিষ্ঠ ও নিবিড় সম্পর্ক ছিল।
মার্কিন মিডিয়ার সকল উল্লেখযোগ্য ও কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সি.এফ.আর-এর সদস্য দ্বারা ছেয়ে গেছে। যেমন কলম্বো ব্রডকাস্টিং সিস্টেম (C.B.S), ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কোম্পানী (N.B.C), কেন্দ্রীয় টিভি স্টেশন ইত্যাদি। এমনিভাবে মার্কিন সংবাদ সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস, জাতীয় পত্রিকাগুলোর মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনের মধ্যে টাইম নিউজউইক ইত্যাদিতে সি.এফ.আর-এর সদস্যদের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে, তারাই এসব সংবাদপত্রের নীতিনির্ধারক।
১৯৭২ সালে ডেভিড রকফেলার-এর বাসভবনে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে গোটা আমেরিকা থেকে নির্বাচিত মাত্র ৮ জন সদস্য অংশ গ্রহণ করেন। যাদের সবারই নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক ছিল সি.এফ.আর-এর সাথে, বাকী সদস্যরা ছিলেন ইউরোপ ও জাপানের। সে বৈঠকেই 'ট্রিলিটারা কমিশন' প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেগনো বার্জেনসকিও ছিলেন। উক্ত বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি ও প্রশস্ত করার, প্রচার মাধ্যমের ক্ষমতা সীমিত করার এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা হ্রাস করার আহবান জানানো হয়। উক্ত সংস্থার টিসি সদস্যদের মধ্যে Exxon, Mobil standard, Shell, Philips, B.R Bankk, Bank of Amrika, C.N.N, A.B.S, R.C.A, I.T.T, Sony, Goodyear ইত্যাদি কোম্পানীসমূহের সদস্য ও ডাইরেক্টররাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
মার্কিন লেখক বার্জানসকি স্বীয় গ্রন্থ 'দুই যুগের মাঝে' লেখেন, মার্ক্সিজম মানুষের অভ্যন্তরের ওপর বাহ্যিক দিককে এবং ঈমানের ওপর বিবেককে বিজয় দানের ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের সংস্থা টিসি ইউরোপ, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার ছাঁচে ঢালতে চায়। এই সংস্থার এক তৃতীয়াংশ সদস্য জাপানী, এক তৃতীয়াংশ ইউরোপীয় ও এক তৃতীয়াংশ মার্কিনী। এদের সবার মৌলিক উদ্দেশ্য এক অভিন্ন। কারণ এ সকল সদস্যের সবাই সি.এফ.আর-এর সাথে সংশ্লিষ্ট। উল্লিখিত সংস্থা ছাড়াও এমন দুই ডজনেরও বেশি সংস্থা ইহুদী স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। যেমন বেনাই বার্ট, এ্যাপেক, এ.ডি, ইত্যাদি। এরা নির্বাচনের সময় কর্ম কৌশল নির্ধারণ করে থাকে। ১২
টিকাঃ
১২. বিস্তারিত জানতে দেখুন, লি ও ব্রাইন লিখিত 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদী সংগঠন'। এ গ্রন্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মতৎপর ইহুদী সংগঠনগুলোর বিস্তারিত পরিচিতি, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মকা উল্লেখ করা হয়েছে। ইহুদীরা মার্কিন প্রশাসনে কিভাবে জেঁকে বসে আছে তা জানতে দেখুন, মার্কিন কংগ্রেসের সাবেক সদস্য পল ফান্ডলের গ্রন্থ-'ইহুদী যাঁতাকল'।
📄 নতুন বিশ্বব্যবস্থা : রূপরেখা ও কর্মপদ্ধতি
(পশ্চিমা রাজনীতিক, চিন্তাবিদ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দস্তাবেজের উদ্ধৃতিক্রমে)
নতুন বিশ্বব্যবস্থার রূপরেখা ও মানচিত্র এমনি এমনিই অস্তিত্ব লাভ করেনি, আর না কোন চিন্তা-ফিকির ছাড়াই এ পরিকল্পনা ও রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়েছে; বরং এই বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পূর্বেই এর জন্য বিরাট পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। জায়নিষ্ট প্রটোকলে তার রূপরেখা ও রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। অতঃপর তা বাস্তবায়নের জন্য উপকরণ, মাধ্যম ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বস্তুগত সম্পদে ভরপুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এর পরীক্ষা-নিরীক্ষাস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বসে বিভিন্ন ইহুদী গ্রুপ ঐক্যবদ্ধভাবে এই রূপরেখায় আরো রং প্রলেপ শুরু করে। পরবর্তীতে এর মৌলিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের জন্য যুগের চাহিদা, পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা এবং সময়ের বাস্তবতার আলোকে এর উপকরণ, মাধ্যম ও কর্মপদ্ধতির মধ্যে আংশিক পরিবর্তন সাধন করা হয়। নিম্নলিখিত বক্তৃতা-বিবৃতির আলোকে সহজেই অনুমিত হয়, নতুন বিশ্বব্যবস্থার রূপরেখা ও মানচিত্র কেমন হবে? এবং এ বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কি ভূমিকা রয়েছে?
📄 নতুন বিশ্বব্যবস্থার রাজনৈতিক অবকাঠামো
আমরা মানবেতিহাসের এমন এক স্পর্শকাতর ও চূড়ান্ত স্তরে এসে উপনীত হয়েছি, যে স্তরের মূল কথা হলো, এমন একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা গঠন ও বিনির্মাণ করা হবে, যার মধ্যে সকল দেশের কৃত্রিম সীমানা নির্মূল করে দেয়া হবে। সেসব দেশের স্বাতন্ত্র্য, বৈশিষ্ট্য, সভ্যতা-সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিচয় মুছে ফেলা হবে। (মানবাধিকারের দস্তাবেজ থেকে)
০১. ১৯৮৭ সালের ১২ই মে সিনিয়র জর্জ বুশ তার এক ভাষণে বলেন, নিকট ভবিষ্যতে এমন একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা অস্তিত্ব লাভ করবে, যে ব্যবস্থায় সকল জাতি-গোষ্ঠী একে অপরের সাথে একীভূত হয়ে যাবে। অতঃপর উপসাগরীয় যুদ্ধ পরিসমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিকভাবে এ নতুন বিশ্বব্যবস্থার অবকাঠামোর ঘোষণা দেয়া হয়।
০২. ১৯৯১ সালে প্রকাশিত এবং রোম ক্লাবের তত্ত্বাবধানে মুদ্রিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামক গ্রন্থে উল্লেখ আছে, গোটা বিশ্বের ব্যবস্থাপনা জাতিসংঘের হাতে তুলে দেয়া একান্ত জরুরী।
০৩. ট্রাজেডি ও আকাঙ্খা' নামক গ্রন্থের লেখক রোটিগেল বলেন, অতি সত্বর ব্যক্তিস্বাধীনতা সীমিত হয়ে যাবে। কারণ একক ব্যক্তির কোনো গুরুত্ব নেই।