📄 আত্মনিয়ন্ত্রণের উপকারিতা
১- নিজের ত্রুটি ও দোষগুলো জানা যায়। যে ব্যক্তি নিজের দোষ সম্পর্কে অবগত নয়, সে তা পরিশুদ্ধও করতে পারে না। ইউনুস বিন উবাইদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-'আমি এমন একশটি ভালো গুণের কথা জানি, আমার নফসের মধ্যে যার একটিও উপস্থিত নেই'। মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি' রহিমাহুল্লাহ বলেন- 'যদি গুনাহের কোনো দুর্গন্ধ থাকত, তাহলে কেউ আমার পাশে বসতে পারতো না'。
২- নিজের ওপর আল্লাহ্ তায়ালার হকসমূহ জানতে পারা। এর মাধ্যমে ব্যক্তির মাঝে নিজের নফসের প্রতি ঘৃণা তৈরি হয়। তখন সে তাকে তাচ্ছিল্য করে এবং আত্মম্ভরিতা ও দেখানোপনা থেকে মুক্ত করে। ফলে তার জন্য নিজ রবের সামনে বিনয়, অবনত এবং ঝুঁকে যাওয়ার দ্বার উন্মুক্ত হয়। নিজের নফসের ওপর সৃষ্টি হয় নিরাশা। আল্লাহ্ তায়ালার ক্ষমা, মার্জনা এবং রহমত ছাড়া মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়, এ কথা তার অন্তরে দৃঢ় বদ্ধমূল হয়ে যায়। কেননা আল্লাহ্ তায়ালার হক হলো তাঁর বাধ্য হওয়া, অবাধ্য না হওয়া, তাঁকে স্মরণ করা ভুলে না যাওয়া এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা আদায় করা, অকৃতজ্ঞ না হওয়া。
অতএব নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা, জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা নিজেকে পরিশুদ্ধ এবং অনুগত করার জন্য অতীব জরুরী।