📄 সম্পাদকের কথা
আলহামদুলিল্লাহ, 'পরিশুদ্ধ ক্বলব' বইটি সম্পাদনা করে নিজেকে ধন্য মনে করছি। (যদিও এর যোগ্য আমি নই) কেননা, এই বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ে ছিল আমার জন্য নতুন নতুন বার্তা; নতুন নতুন শিক্ষা। এই বইয়ে লেখক এমন সব বিষয় সংকলন করেছেন, যা আপনার আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্পাদনার প্রাক্কালে প্রতিটি পাতায় পাতায় নিজেকে খুঁজেছি। খুঁজেছি আমার ভুলে ভরা জীবনের বিষাক্ত অধ্যায়।
আত্মশুদ্ধি হচ্ছে প্রতিটি মুমিনের পাথেয়। আর সেই আত্মশুদ্ধির জন্য প্রয়োজন হচ্ছে, পরিশুদ্ধ ক্বলব। পরিশুদ্ধ ক্বলব আপনার আমার জন্য কতটা জরুরী; কীভাবে অন্তর পরিশুদ্ধ করবেন-তা এই বইয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। নিজেকে জানতে, নিজেকে চিনতে, নিজেকে বুঝতে-এই বইটা খুবই সহায়ক হবে, ইন শা আল্লাহ। আসুন, নিজেকে চিনি, নিজেকে খুঁজি; নিজেকে মুক্ত করি ভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে। আসুন, ফুল হয়ে ফুটি; প্রভাতের স্নিগ্ধ আলো গায়ে মেখে, নতুন করে সাজি!
মাও: মাহমুদ বিন নূর
লেখক ও সম্পাদক
১০/০৯/২০২১
📄 অনুবাদকের কথা
আত্মা বা ক্বলব বনী আদমের চালিকাশক্তি। দেহ প্রজা, আত্মা রাজা। এ রাজার আদেশেই প্রজা তার সমস্ত কাজ আঞ্জাম দেয়। তাই দেহের চেয়ে আত্মার শক্তি হয় বেশি। মূল্যের দিক থেকেও আত্মা অমূল্য, দেহ অতি তুচ্ছ।
মানুষ যতই দেহশক্তিসম্পন্ন হোক না কেন, যতই ধনসম্পদের মালিক হোক না কেন, যতই রূপলাবণ্যের অধিকারী হোক না কেন, যদি তার অন্তর শক্তিশালী প্রসন্ন ও সুন্দর না হয়, তাহলে তার শক্তি সম্পদ ও সৌন্দর্যের কানাকড়িও মূল্য নেই। মৃত্যুর সাথে সাথেই এই নিরেট বাস্তবতা আমাদের সামনে প্রস্ফুটিত হয় অত্যন্ত করুণ রূপে।
জীবদ্দশায় আমাদের একটি নাম থাকে, থাকে পরিচয় পদবি। কিন্তু দেহ থেকে অন্তর বিচ্ছিন্ন হওয়ার সাথে সাথেই আমরা আমাদের নাম পদবি সবকিছুই হারিয়ে বসি। অতি আপনজনও আমার দিকে ইঙ্গিত করে বলে 'লাশ'। সৌন্দর্য তো তখন ধূলোয় মিশে যায়। আর সম্পদ চলে যায় অন্যের মালিকানায়।
অতএব, যেহেতু দেহের চেয়ে আত্মার মূল্য ক্ষমতা ও শক্তি বেশি, তাই আমাদের কর্তব্য হলো, দেহের পরিচর্যার চেয়ে আত্মার পরিচর্যার দিকে অধিক মনোযোগ দেওয়া। আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা। কেননা আত্মা যদি কালিমাযুক্ত অপরিচ্ছন্ন হয়, তাহলে দেহের পরিশীলতা ও সৌন্দর্য কোনো কাজের নয়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথাই আমাদের খুবই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'নিশ্চয়ই মানুষের শরীরে একটি মাংসপিণ্ড আছে। যদি তা পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে পুরো শরীর পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে। আর যদি তা বিনষ্ট হয়ে যায়, তাহলে পুরো শরীরই বিনষ্ট হয়ে যাবে। শুনে রাখ, তা হলো ক্বলব (অন্তর)। (সহিহ বুখারী ৫২)
বক্ষমান বইটি আত্মশুদ্ধি বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। লিখেছেন মিশরের প্রখ্যাত দাঈ, লব্ধপ্রতিষ্ঠ লেখক এবং বহুগ্রন্থ প্রণেতা শায়খ ডক্টর আহমদ ফরিদ। তিনি মূলত ইমাম গাজালি, ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে রজব হাম্বলী প্রমূখ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ উলামায়ে কেরামের কিতাবাদি ও রচনা থেকে বাছাইকৃত কিছু আলোচনা এখানে সন্নিবেশিত করেছেন। যুগপৎ যুক্ত করেছেন কোরআনের অসংখ্য আয়াত, অনেক হাদীস এবং সাহাবি-সালাফদের প্রচুর মূল্যবান উপদেশ বাণী। পাঠক অবশ্যই বইটি পাঠ করার সময় বিষয়টি ঠাওর করতে পারবেন।
মাকতাবাতুল ক্বলব। সদ্য প্রতিষ্ঠিত একটি রুচিশীল প্রকাশনী। নামের সঙ্গে মিল রেখে এবং আত্মশুদ্ধির প্রযোজনীয়তার কারণে এই বইটিকে বাংলাভাষী পাঠকদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছে। আল্লাহ তায়ালা এই বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমাদের সকলকেই নিষ্কলুষ পবিত্র আত্মা নিয়ে তাঁর সামনে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করুন। যেন মরণের সাথে সাথে আমাদের কর্ণকুহরে মধুর তরঙ্গে দোলা দিয়ে যায় এই সুর: 'হে প্রশান্ত আত্মা, তুমি সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হযে ফিরে এসো তোমার রবের কাছে। অতঃপর আমার প্রিয় বান্দাদের দলভুক্ত হয়ে যাও এবং অবগাহন করো আমার জান্নাতে'। (সুরা ফজর ২৭-৩০)
অনুবাদক- ইলিয়াস আশরাফ
📄 লেখকের কথা
إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ صَلَّى اللَّهُ وَسَلَّمَ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ. أَمَّا بَعْدُ
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো তাজকিয়াতুন নুফুস তথা আত্মশুদ্ধি। আল্লাহ্ তায়ালা তাঁকে প্রেরণ করার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন-
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّنَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُوا عَلَيْهِمْ أَيْتِهِ وَيُزَكِّيْهِمْ وَ يُعَلِّمُهُمُ الْكِتَبَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوْا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلْلٍ مُّبِيْنٍ
তিনি উম্মিদের মাঝে তাদের মধ্য থেকেই একজন রাসুল পাঠিয়েছেন, যে তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করবে, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবে এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমত (প্রজ্ঞা) শিক্ষা দিবে। আগে তো তারা স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যেই ছিল। [১]
সুতরাং যারা আল্লাহেক পেতে চায়, আখিরাতের সাফল্য কামনা করে, তাদের জন্য নিজের আত্মশুদ্ধির প্রতি মনযোগী হওয়া ছাড়া কোনো গত্যান্তর নেই। কুরআনের একটি সুরায় আল্লাহ্ তায়ালা একাধারে এগারটি কসম করে অতঃপর বান্দার সফলতাকে যুক্ত করে দিয়েছেন নিজের আত্মার পরিশুদ্ধির ওপর। পুরো কুরআনে অন্য কোথাও এভাবে একাধারে এতো দীর্ঘ ও বিচিত্র কসমের সারি পাওয়া যায় না। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-
وَالشَّمْسِ وَضُحْبَهَا وَالْقَمَرِ إِذَا تَلْبَهَا وَالنَّهَارِ إِذَا جَلْبَهَا وَ الَّيْلِ إِذَا يَغْشَهَا وَ السَّمَاءِ وَ مَا بَنْهَا وَ الْأَرْضِ وَ مَا طحبها وَ نَفْسٍ وَ مَا سَوْنَهَا فَالْهَمَهَا فُجُوْرَهَا وَتَقْوْنَهَا . قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكَّهَا وَ قَدْ خَابَ مَنْ دَسْهَا
কসম সূর্যের ও তার আলোর, কসম চাঁদের যখন তা সূর্যের অনুগামী হয়, কসম দিনের যখন তা সূর্যকে প্রকাশ করে, কসম রাতের যখন তা একে ঢেকে রাখে, কসম আসমানের এবং যিনি তা বানিয়েছেন তার, কসম জমিনের এবং যিনি তা বিছিয়ে দিয়েছেন তার এবং কসম মানুষের অন্তরের ও সেই সত্ত্বার যিনি তাকে সুষম করেছেন এবং তাদেরকে তার পাপ ও পুন্যের জ্ঞান দিয়েছেন; নিঃসন্দেহে সে সফলকাম, যে মনকে পবিত্র করেছে। আর যে তাকে কলুষিত করেছে, সে বিফল। [২]
আমাদের পূর্বসূরি উলামায়ে কেরাম তাজকিয়া সম্পর্কে অনেক কিতাব বইপত্র রচনা করেছেন। কিন্তু তার মধ্যে কিছু আছে খুবই দীর্ঘ এবং বড়। তাই সমস্ত মুসলমান সেখান থেকে উপকৃত হতে পারে না। অনুরূপ কিছু বই আছে দুর্বল ও বানোয়াট বর্ণনা ও ঘটনাবলী দ্বারা ভরপুর। তাই তা পাঠ করা নিরাপদ নয়। তাই উম্মাহর উপকারের দিকে লক্ষ্য করে এই বিষয়ক সহিহ ও গ্রহণযোগ্য কিছু বর্ণনা উক্ত গ্রন্থে একত্রিত করার চেষ্টা করেছি। ইবনুল কাইয়িম, ইবনে রাজাব হাম্বলি এবং ইমাম গাজালির মতো প্রাজ্ঞ উলামায়ে কেরামের গ্রন্থ থেকে সেগুলো চয়ন করে এনেছি। আশা করি আল্লাহ্ তায়ালা এর দ্বারা লেখক, পাঠক ও প্রকাশককে উপকৃত করবেন। সম্মানিত করবেন ওই দিন 'যেদিন কোনো সম্পদ কিংবা সন্তানসন্ততি কাজে আসবে না; তবে যে আসবে নিরাপদ অন্তর নিয়ে'। প্রশংসা সব আল্লাহর। তিনি আমাদের মাওলা। তাঁর কাছেই আমরা ফিরে যাবো।
টিকাঃ
[১] সুরা জুমআ ২
[২] সুরা শামস ১-১১
📄 দোয়া
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-
ادْعُوْنِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ
'তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।' [১]
উক্ত আয়াতে আল্লাহ্ তায়ালা আমাদেরকে দোয়া করার আদেশ দিয়েছেন এবং আমাদের দোয়া কবুল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এরপর বলেছেন—
إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُوْنَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُوْنَ جَهَنَّمَ دُخِرِينَ
'যারা আমার দাসত্ব থেকে বিমুখ থাকবে অহংকারবশত, তারা অচিরেই লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে।' [২]
আল্লাহ্ তায়ালা কতই না মহান! কতই ব্যাপক তাঁর দয়া! তিনি কতই না উদার! বান্দাদের নিজের প্রয়োজন পূরণে, নিজের কামনা পূরণের জন্য তাঁকে প্রার্থনা করাকে তাঁর ইবাদত বানিয়ে দিয়েছেন। উপরন্তু বান্দাকে চাইতে আদেশ করেছেন। অধিকন্তু অহংকারবশত বিরত থাকলে কঠোর ভাষায় নিন্দা করেছেন।
আবু হুরাইরা রদিয়াল্লাহু আনহু রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন—
'যে আল্লাহর কাছে চায় না, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত হন।' ।৩৷
জনৈক ব্যক্তি কতো সুন্দর বলেছেন, 'মানুষের কাছে নিজের প্রয়োজন চেয়ো না; বরং চাও ওই সত্ত্বার কাছে যার দরজা কখনো বন্ধ হয় না। আল্লাহ্ তায়ালা ক্রোধান্বিত হন যদি তাঁর কাছে না চাও; মানুষের কাছে চাইলে সে নারাজ হয়'।
আল্লাহ্ তায়ালা বলেন— امَنْ يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ 'যখন আর্ত ডাক দেয়, কে তার ডাকে সাড়া দেন এবং বিপদ দূর করেন?' [৪]
অন্যত্র বলেন— وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّى فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ 'যখন আমার বান্দারা আপনার কাছে আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবে, আপনি তাদের বলুন, আমি নিকটেই আছি। প্রার্থনাকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে।' [৫]
নুমান বিন বশির রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
'দোয়াই হলো ইবাদত।' 1 অতঃপর তিনি উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করেছেন—'তোমাদের রব বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।
নিশ্চয়ই যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত থেকে বিরত থাকে, অতিশীঘ্রই তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।' [৬]
দোয়া অবশ্যই গৃহীত হয়, উপরোক্ত আয়াতসমুহ থেকে তাই স্পষ্ট। নিম্নোক্ত হাদিসগুলোও এ কথার প্রমাণ বহন করে। তবে দোয়া তখনই কবুল হয়, যখন তার সমস্ত শর্ত পাওয়া যায়।
সালমান ফারসি রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন— 'আল্লাহ্ তায়ালা অত্যন্ত লজ্জাশীল এবং উদার। কেউ তাঁর দরবারে দুই হাত তুললে তিনি তাকে খালি হাতে ফেরত দিতে লজ্জাবোধ করেন। '৭]
আনাস রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'তোমরা দোয়া করা থেকে নিবৃত্ত হইয়ো না। কেননা দোয়া করতে থাকলে কেউ ধ্বংস হয় না'। [৮]
আবু সাইদ খুদরি রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- 'কোনো মুসলমান যদি এমন দোয়া করে, যা কোনো গুনাহ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি করে না, তাহলে আল্লাহ্ তায়ালা তাকে তিনটির একটি প্রতিদান দান করেনঃ ১- হয়তো তার কাঙ্ক্ষিত বস্তু দুনিয়াতে দিয়ে দেন। ২- অথবা আখিরাতের জন্য তা সঞ্চয় করে রাখেন। ৩- অথবা তার পরিবর্তে কোনো বিপদ দূর করে দেন।' [৯]
উমর বিন খাত্তাব রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন-'আমি দোয়া কবুল হওয়ার চিন্তা করি না; বরং দোয়া করতে পারার জন্য চিন্তা করি। কেননা যাকে দোয়া করার তাওফিক দেওয়া হয়, সাড়া তার নিকটেই থাকে।'
টিকাঃ
[১] সুরা গাফির ৬০
[২] সুরা গাফরি ৬০
[৩] জামে তিরমিজি ৩৩৭৩
[৪] সুরা নামল ৬২
[৫] সুরা বাকারা ১৮৬
[৬] জামে তিরমিজি ২৯৬৯
[৭] জামে তিরমিজি ৩৫৫৬
[৮] মুসতাদরাক, হাকিম ১/৪৯৩
[৯] মুসনাদ, আহমদ ১১১৩৩; মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৯