📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 যা মেনে চলা অবশ্যই প্রয়োজন

📄 যা মেনে চলা অবশ্যই প্রয়োজন


সহবাসের পর শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয় এবং অতিরিক্ত সহবাস বার্ধক্য আনয়ন করে। সহবাসে পরে অবশ্যই কিছু পুষ্টিকর খাদ্য শর্ত সাপেক্ষে গ্রহণ করা আবশ্যক।
মৌসুমী ফল, ডিমের হালুয়া, গাজরের হালুয়া, হানী ওয়াটার থেরাপী, মাউল্লাহাম, গরম দুধ, মধু ও দুধের মিশ্রণ হজম শক্তি খুব ভালো থাকলে অথবা খেজুর দুধের মধ্যে রেখে ফুটিয়ে খাওয়া যেতে পারে, দুধের ছানার বরফি, দুধের সর ইত্যাদি।
কাতিলা গাম, খুরমা খেজুর, মোনাক্কা একত্রে কমপক্ষে আট ঘণ্টা ভিজিয়ে মিশ্রণসহ খেলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
বিঃ দ্রঃ উপরিউক্ত খাদ্যগুলো অবশ্যই মৌসুম বিশেষে এবং রোগ বিশেষে শর্ত-মোতাবেক গ্রহণ করতে হবে। ডায়াবেটিস মেলাইটাস রোগীর ক্ষেত্রে মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে।
অস্বাভাবিক বা বিকৃত পন্থায় সহবাস করা ও বীর্যপাত হওয়ার সময় তা আটকিয়ে রাখার ফলে প্রস্রাবের নালীতে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়।
সহবাসের পরে এবং গোসলের পূর্বে অর্থাৎ অপবিত্র অবস্থায় আহার করলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়।
অতিরিক্ত টক জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে।
অসুস্থ অবস্থায় সহবাস করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙ্গে যায়। ফলে পরবর্তীতে বিভিন্ন রকমের রোগ-ব্যাধি হতে পারে।
ভরাপেটে বা খাদ্য গ্রহণের পর পর সহবাস করলে স্বাস্থ্যহানী ঘটে। শরীরের বিশেষ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ যেমন, লিভার ও পাকস্থলীর শক্তি দুর্বল হয় পড়ে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 দু’জন পুরুষ বা দু’জন মহিলা এক বিছানায় শয়ন করা নিষেধ

📄 দু’জন পুরুষ বা দু’জন মহিলা এক বিছানায় শয়ন করা নিষেধ


হাদীস বর্ণিত হয়েছে- যার মর্ম কথা হলো এক বিছানায় দু'জন পুরুষ অথবা দু'জন মহিলা (বালেগ বা বালেগা) একসাথে শয়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিবস্ত্র অবস্থায় একজন নারী/মহিলা অন্য একজন নারী/মহিলার স্পর্শ এবং একজন পুরুষ বিবস্ত্র অবস্থায় অন্য পুরুষকে স্পর্শ করা নিষেধ।
অন্যত্র আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা) ইরশাদ করেন, "কোনো পুরুষ অন্য কোনো পুরুষকে বিবস্ত্র অবস্থায় দর্শন করবে না আর কোনো মহিলাও অন্য কোনো মহিলাকে বিবস্ত্র অবস্থায় দর্শন করবে না। দু'জন পুরুষ এক বিছানায় এবং দু'জন নারী এক বিছানায় শয়ন করবে না। (মিশকাত) দশ বছরের ঊর্ধ্বে ছেলে-মেয়েদেরকে পৃথক পৃথক বিছানায় শয়ন করানোর জন্য জোড় তাগিদ দেয়া হয়ছে। (রিয়াদুস সালেহীন)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসায় শারীরিক উপকারিতা

📄 স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসায় শারীরিক উপকারিতা


শরীরবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ভালোবাসা দ্বারা শরীরের আগত ভিটামিন- এ. বি. সি. ডি ইত্যাদি অতি তাড়াতাড়ি দেহ কোষে শোষিত হয়। মনে যদি আনন্দ, স্ফূর্তি থাকে তাহলে দেহের প্রতিটি যন্ত্র আনন্দময় হয়ে কাজ করে, ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়ে যায়। মনের আনন্দ স্ফূর্তি এক প্রকার টনিক বিশেষ, যা মানবদেহের জৈবরস বা হরমোনকে নিঃসৃত হতে ত্বরান্বিত করে এবং জৈব বিষকে নষ্ট করে। মনের আনন্দেই দীর্ঘায়ু লাভ করে।
স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার মধ্য দিয়ে যে মৃদ্যু আলোড়নের সৃষ্টি হয়। সেই আলোড়নের অনুভূতি কেউ প্রকাশ করতে না পারলেও এই অব্যক্ত অনুভূতি পরম মাদকতাময়। এর কল্যাণে দেহের প্রতিটি গ্রন্থি স্নায়ুসমূহ সজীব, জাগ্রত ও কার্যক্ষম গুণে গুণান্বিত।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সন্তানের ওপর স্বামী-স্ত্রীর ভাবাবেগের প্রভাব

📄 সন্তানের ওপর স্বামী-স্ত্রীর ভাবাবেগের প্রভাব


পৃথিবীর সব যৌন বিজ্ঞানীগণ একমত পোষণ করেন যে, স্বামী-স্ত্রীর প্রবল ভালোবাসার মধ্যে যে সন্তানটি পয়দা হয় তা প্রফুল্লচিত্ত, সুস্থ্যদেহী, বুদ্ধিমান, উদারমনা, উৎসাহী, বলিষ্ঠ, কর্মবীর হয়। এখানে তারা বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এভাবে দিয়েছেন যে, পুরুষের শুক্রকীট ও নারী ডিম্বের মিলনের ফলেই সন্তান হয়। পুরুষের প্রত্যেকটি শুক্রকীট ও নারীর ডিম্বানুর মধ্যে ২৪টি করে ক্রোমোজোম থাকে এই ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে জাতিগত সাধারণ গুণ ও স্বভাবের অসংখ্য বীজ লুক্কায়িত থাকে। নর-নারী মিলনের পর উভয় পক্ষের ক্রোমোজোমগুলো ঠিকভাবে পরিস্ফুটিত হয়ে মিলিত হলেই সন্তান স্বাস্থ্যবান, বলিষ্ঠ ও সুন্দর হয়। ঐ মুহূর্তে স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার আকর্ষণ ক্রোমোজোমগুলোকে উদ্দীপিত করতে থাকে, তাতে তারা যথার্থভাবে পরিস্ফুটিত হয়ে স্বামী-স্ত্রীর নিজস্ব গুণাগুণ সন্তানের মধ্যে বিকাশ লাভ করে। তাই অনেক সময় দেখা যায়; নিতান্তই দুর্বল স্বামী-স্ত্রীর মিলনেও তেজস্বী, সুদেহী ও প্রতিভাশালী সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ইহা স্বামী-স্ত্রীর প্রবল ভালোবাসারই ফল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রবল ভালোবাসা থাকলে সন্তান গর্ভে থাকাকালে ও পিতামাতার ভালোবাসজাত আকর্ষণ মাতৃদেহের প্রতিটি কোষকে প্রতিনিয়ত উদ্দিপ্ত রাখে এবং এর প্রতিক্রিয়া গর্ভস্থ সন্তানের দেহকোষকে উন্নত করতে থাকে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00