📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ 📄 গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদান সময়কালে সহবাস না করাই উত্তম

📄 গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদান সময়কালে সহবাস না করাই উত্তম


রাসূল (সা) ইরশাদ করেছেন, যার মর্মকথা হলো- “তোমরা নিজ সন্তানদের গুপ্তভাবে হত্যা করবে না। কেননা, স্তন্যপানকারী শিশুর উপস্থিতিতে স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে শিশুর ক্ষতি হয়ে থাকে। (আবু দাউদ, হা/৩৮৮৩)
অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে যার মর্মকথা হলো- আমার ইচ্ছে হয়, স্তন্যপানকারী শিশুদের মাতাদের সাথে সহবাস নিষিদ্ধ করে দেই। কিন্তু পারস্য ও রোম লোকদের ব্যাপারে জানতে পারলাম যে, তারা এ রকমই করে থাকে। কিন্তু শিশুদের কারণে তাদের কোনো ধরনের অসুবিধা হয় না।”
উপরিউক্ত হাদীসের আলোকে বুঝা যায়, স্তন্যদানকালে ঘন ঘন সহবাস থেকে পুরুষদের অবশ্যই বিরত থাকা উচিত। যদিও গর্ভাবস্থায় এবং সন্তানের দুগ্ধ পান অবস্থায় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সহবাস করার অনুমতি আছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও সহবাস থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে। কারণ এর দ্বারা প্রসূতি মা এবং শিশুর স্বাস্থ্যহানী ঘটবে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ 📄 দুই সহবাসের মধ্যবর্তী সময়ে যতটুকু বিরতি দেয়া উচিত

📄 দুই সহবাসের মধ্যবর্তী সময়ে যতটুকু বিরতি দেয়া উচিত


মাওলানা সাঈদ ওসমানী (রহ) তাঁর গ্রন্থ “রিফাহুল-মুসলিমীনে বর্ণনা করেছেন, চারদিন অন্তর অন্তর এক দু'বার সহবাস করবে। সেক্ষেত্রে স্ত্রীর আগ্রহ থাকতে হবে। স্ত্রীর আগ্রহ এর চেয়ে বেশি হলে ক্ষতি নেই। কারণ স্ত্রীর অসন্তুষ্টি ও তার মনের একাগ্রতা হলো, তার সম্ভ্রম সংরক্ষণের জন্য হাতিয়ার স্বরূপ।” তবে সংযত করতে পারলে উভয়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য মঙ্গলজনক।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ 📄 বাসর ঘরের রাত্রিতে যা করণীয়

📄 বাসর ঘরের রাত্রিতে যা করণীয়


বিয়ের পর যখন কনে বাসর ঘরে প্রবেশ করবে, তখন কনের হাত ধরে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তে হবে। কোনো কোনো কিতাবে হাত ধরার পরিবর্তে কনের চুল ধরার কথা বর্ণিত হয়েছে।
দোয়া: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلَتَهَا عَلَيْهِ وَأَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّهِمَا جَبَلَتَهَا عَلَيْهِ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট তার কল্যাণ ও সৎ স্বভাবের জন্য প্রার্থনা করছি এবং তার দুষ্ট চরিত্র ও অকল্যাণ থেকে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (আবু দাউদ, হা/২১৬২)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ 📄 নব দম্পতির অবকাশ যাপনের কক্ষে যা করণীয়

📄 নব দম্পতির অবকাশ যাপনের কক্ষে যা করণীয়


সহবাসের তীব্র আকর্ষণ অনুভূত হলে, সহবাসের পূর্বে বিসমিল্লাহসহ তিনবার সূরা এখলাস এবং সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়তে হবে এবং নিম্নের দোয়া পড়ে সহবাসে লিপ্ত হতে হবে।
দোয়া- بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহী আল্লাহুম্মা জান্নিবনাস শায়তান ওয়াজান্নিবিস শায়তান মা রাজাকতানা।
অর্থ: "আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ! আমাদের উভয়কে শয়তান থেকে নিরাপদ রাখুন এবং যে সন্তান-সন্ততি আমাদের দান করবেন, তাকে শয়তান থেকে নিরাপদ রাখুন।" (বুখারী, হা/১৪১)
বীর্যপাতের সময় জিহবা এবং মুখের কোনোরূপ স্মরণ ঘটানো যাবে না। শুধু মনে মনে নিম্নের দোয়া পড়তে হবে। মুখে উচ্চারণ করা যাবে না।
দোয়া : اللَّهُمَّ لَا تَجْعَلْ لِلشَّيْطَانِ فِيمَا رَزَقْتَنِي نَصِيبًا
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের যে সন্তান দান করবেন তাতে শয়তানের প্রভাব রাখবেন না। (মুসান্নাফে ইবনে শাইবা, হা/৩০৩৫৩)
শায়খ আব্দুল হক মোহাদ্দেসে দেহলভী (রহ) বলেন। উক্ত বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, সহবাসের সময় উল্লিখিত দোয়া পাঠ না করা হলে শয়তান তাতে প্ররোচনার প্রভাব খাটাতে সক্ষম। যার ফলে সন্তান অসচ্চরিত্র এবং নোংড়া চরিত্রের বাহক হয়ে থাকে। (রিফাহুল মুসলিমীন)

ফন্ট সাইজ
15px
17px