📄 স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় কর্ম প্রকাশ করা উচিত নয়
রাসূল (সা)-এর পবিত্র বাণী যার মর্ম কথা হলো, স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় আলাপ-আলোচনা সঙ্গী-সাথিদের মধ্যে বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন। উপরন্তু তা নির্লজ্জতা ও অসভ্যতার কাজ; যা কোনো সংস্কৃতবান পুরুষের কার্য হতে পারে না।
📄 সহবাসের সর্বোত্তম সময়
ফিকহ গবেষক আবু লাইস (রহ) তাঁর বুস্তান গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, সহবাসের সর্বোত্তম সময় হচ্ছে রাত্রের শেষ ভাগ। কারণ রাত্রের শুরুভাগে পেট আহারাদী দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে।
মা আয়েশা (রা)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইমাম গাজ্জালী (রহ) তাঁর "এহইয়াউল উলুম" নামক গ্রন্থে লিখেছেন, রাসূল (সা) শেষ রাতে বেতেরের নামায আদায় করে অবসর হওয়ার পর সহবাসের প্রয়োজন হলে তা সেরে নিতেন। নতুবা অত্র জায়নামাযেই শয়ন করতেন। বেলাল (রা) এসে রাসূলে করীম (সা) কে ফজরের নামাজের জন্য আহ্বান করতেন।
"তিব্বে নববী” নামক গ্রন্থে ভরা উদরে সহবাস করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
রাসূল (সা) কর্তৃক রাত্রের শুরুতে এবং দিনের বিভিন্ন সময়েও সহবাসের প্রমাণ সাক্ষ্যবহন করে। (শামায়েলে তিরমিযী)
📄 সর্বোত্তম পদ্ধতি
অর্থ : স্ত্রী চিৎ আসনে শায়িত হবে, আর স্বামী তার ওপর উপুর হয়ে উপগত হবে।
📄 মাত্রাততিরিক্ত রতিক্রিয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
বুস্তান গ্রন্থে ফকীহ আবু লাইস (রহ) লিখেছেন। আলী (রা) বলেন, "যে ব্যক্তি এ আশা করে যে, তার স্বাস্থ্য সুন্দর সুদর্শন ও দীর্ঘকাল অটুক থাকুক তাহলে সে যেন সকালে ও রাত্রে আহার করে, ঋণ থেকে বেঁচে থাকে নগ্নপায়ে না হাঁটে এবং স্ত্রীর সাথে কম সহবাস করে।" (তিব্বে নববী)
পরনারীর দর্শনার্থে কামভাব জাগ্রত হলে স্ত্রীর সাথে সহবাস করে নেয়াই উত্তম।
ইমাম গাজ্জালী (রহ) লিখেছেন, জুনাইদ বাগদাদী (রহ) বলতেন, আমার কাছে সহবাসের প্রয়োজনীয়তা ততটুকুই, যতটুকু প্রয়োজনীয়তা খাদ্যের। একটি হাদীসে এসেছে, যার মর্মকথা হলো, কখনও কোনো পরনারীর প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ হলে, যদি সে মহিলার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যাও তখন ঘরে গিয়ে নিজ স্ত্রীর সাথে সহবাস করে নাও। কারণ সহবাস অন্তরের কুমন্ত্রণা দূর করে দেয়।