📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সহবাসের পর যা করা প্রয়োজন

📄 সহবাসের পর যা করা প্রয়োজন


বিশ্ব বিখ্যাত ফিকহ শাস্ত্রবিদ আবু লাইছ সমরকন্দী (রহ) লিখেছেন, সহবাস শেষে উভয়ের লজ্জাস্থান ধৌত করা উচিত। এতে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। কিন্তু তৎক্ষণাৎ ঠাণ্ডা পানি দ্বারা ধৌত করা যাবে না। কেননা, তাতে জ্বর আসার সম্ভাবনা থাকে। শরীরের তাপমাত্রা সহবাসের পরে হ্রাস পায়। এ জন্য শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা পর্যন্ত ধৌত করার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আলী (রা)-এর মতে সহবাসের পর প্রস্রাব করে নেয়ার কথা উল্লেখ আছে। অন্যথায় জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। লজ্জাস্থান মৃদু গরম পানি দিয়ে ধৌত করাই উত্তম।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় কর্ম প্রকাশ করা উচিত নয়

📄 স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় কর্ম প্রকাশ করা উচিত নয়


রাসূল (সা)-এর পবিত্র বাণী যার মর্ম কথা হলো, স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় আলাপ-আলোচনা সঙ্গী-সাথিদের মধ্যে বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন। উপরন্তু তা নির্লজ্জতা ও অসভ্যতার কাজ; যা কোনো সংস্কৃতবান পুরুষের কার্য হতে পারে না।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সহবাসের সর্বোত্তম সময়

📄 সহবাসের সর্বোত্তম সময়


ফিকহ গবেষক আবু লাইস (রহ) তাঁর বুস্তান গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, সহবাসের সর্বোত্তম সময় হচ্ছে রাত্রের শেষ ভাগ। কারণ রাত্রের শুরুভাগে পেট আহারাদী দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে।
মা আয়েশা (রা)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইমাম গাজ্জালী (রহ) তাঁর "এহইয়াউল উলুম" নামক গ্রন্থে লিখেছেন, রাসূল (সা) শেষ রাতে বেতেরের নামায আদায় করে অবসর হওয়ার পর সহবাসের প্রয়োজন হলে তা সেরে নিতেন। নতুবা অত্র জায়নামাযেই শয়ন করতেন। বেলাল (রা) এসে রাসূলে করীম (সা) কে ফজরের নামাজের জন্য আহ্বান করতেন।
"তিব্বে নববী” নামক গ্রন্থে ভরা উদরে সহবাস করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
রাসূল (সা) কর্তৃক রাত্রের শুরুতে এবং দিনের বিভিন্ন সময়েও সহবাসের প্রমাণ সাক্ষ্যবহন করে। (শামায়েলে তিরমিযী)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সর্বোত্তম পদ্ধতি

📄 সর্বোত্তম পদ্ধতি


অর্থ : স্ত্রী চিৎ আসনে শায়িত হবে, আর স্বামী তার ওপর উপুর হয়ে উপগত হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00