📄 স্বাস্থ্যসম্মত সহবাস
* নারীর যৌনক্ষুধা পুরুষের তুলনায় ৯০ ভাগ বেশি। তাই কিছু কৌশল বা টেকনিক অবলম্বন করে ১০ ভাগ শক্তি দিয়ে ৯০ ভাগ শক্তির ওপর বিজয় লাভ করা সম্ভব। তবে শর্ত হলো, ধৈর্য ধারণ করে কৌশল অবলম্বন করা। যেমন-
* স্বামী এবং স্ত্রী উভয় পূর্বে লজ্জাস্থান হালকা ঠাণ্ডা পানি দ্বারা ধুয়ে নিবে। অতঃপর সাধ্যমত সুগন্ধি, সেন্ট বা আতর ব্যবহার করবে。
* মহিলাদের শুরশুড়ি চুলের বেনিতে, উত্তেজনাপূর্ণ কথা, গর্দানে চুম্বন করা, কাতুকুতু, সুড়সুড়ি, নিতম্বে স্পর্শ করা এগুলো করলে স্ত্রীর বীর্যপাত তাড়াতাড়ি হয়。
* পুরুষ তার স্ত্রীর স্তন্যের বোটাতে কামড়াবে, পুরুষাঙ্গ দ্বারা স্তন্যের বোটাতে সুড়সুড়ি দিলে স্ত্রীর বীর্যপাত তাড়াতাড়ি হয়。
* মিষ্টি উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, আর টক উত্তেজনা হ্রাস করে।
হাদীসে বর্ণিত, তোমাদের কেউ একবার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর পুনরায় সহবাসের আগ্রহ জাগ্রত হলে মধ্যবর্তী সময়ে অজু করে নিবে।" (মুসলিম ও আবু দাউদ)
"ইমাম গাজ্জালী (রহ)-এর মতে, একবার স্বপ্নদোষ বা সহবাস করার পর পুনরায় সহবাস করতে হলে মধ্যবর্তী সময়ে পুরুষাঙ্গ ধৌত করতে হবে। অথবা প্রস্রাব করতে হবে।
📄 যে কাজে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়
শিরাআতুল ইসলাম "কিতাবের লেখক লিখেছেন, সহবাসকালে স্ত্রী চিহ্ন অবলোকন করলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।
📄 চক্ষুরোগ (চোখ উঠা) অবস্থায় সহবাস ক্ষতির কারণ
"জামে কবীল” গ্রন্থে উম্মে সালমা (রা) হতে বর্ণিত। কোনো স্ত্রীর চক্ষু উঠলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত রাসূল (সা) তাঁর সাথে সহবাস করতেন না।"
📄 সহবাস শেষে পানি বিয়োগ স্বাস্থ্য সম্মত
"মিরআতুল ইসলাম” নামক গ্রন্থের লেখক লিখেছেন, সহবাস শেষে স্বামী-স্ত্রীর প্রস্রাব করে নেয়া উচিত।