📄 হাসি
পৃথিবীর বিখ্যাত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী ডা. পল গবেষণা করে দেখেছেন যে, সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের অধিকারী হতে হলে হাসি অপরিহার্য্য। হাসি একজন মানুষকে সুস্থ দেহ নিয়ে অনেক দিন বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী ডা. পল বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রীর ওপর ১৮ রকমের হাসির এক জরিপে দেখেছেন যে, সুন্দর হাসিতে মস্তিষ্কে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়ে তাকে সুখী করছে। তিনি বলেন, যখন হাসবেন আপনার মুখমণ্ডল এর ডান দিকে গোশত পেশীর সংকোচনের কারণে মস্তিষ্কে এক ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে যা সত্যিকার অর্থে মানুষের মনে সুখানুভূতি জাগায়। সুতরাং ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির সাইকিয়াট্রিস্ট ডাক্তার পল একম্যান বলেন যে, যদি আপনি অনেক দিন বেঁচে থাকতে চান তাহলে হাসুন। (যুগান্তর ০২.০৩.২০০৩ ইং, ডা. প্রমানন্দ মিত্র)
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই সুস্থ মনের সুস্থ দেহের অধিকারী হওয়ার নমুনা তাঁর উম্মতের মধ্যে সৃষ্টি হওয়ার জন্য তিনি তার সুন্দর হাসির নমুনা তাঁর উম্মতের মধ্যে রেখে গেছেন। যেমন-
أَخْبَرَنَا ابْنُ لَهِيعَةٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ الْمُغِيرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ جِزْءٍ قَالَ مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْثَرُ تَبَسَّمًا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ .
অর্থ: আব্দুল্লাহ বিন হারেস বিন জাযায়ী বলেন যে, আমি কাউকে রাসূল (সা)-এর চেয়ে অতি সুন্দর হাসতে দেখিনি। (তিরমিযি হা/৩৬৪১, ১৬ পৃ. আবুওয়াবু শামায়েল)
حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنَ أَبِي جَيْبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ مَا كَانَ يَضْحَكُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِلَّا تَبَسَّمَا.
অর্থ: আব্দুল্লাহ বিন হারেস (রা) বলেন যে, সুন্দর করে মুচকি হাসি ছাড়া মহানবী (সা)-এর অট্টহাসি দেয়ার অভ্যাস ছিল না। (তিরমিযি হা/৩৬৪২, ১৬ পৃ. আবওয়াবু শামায়েল।)
মহানবী (সা)-এর উক্ত হাদীসদ্বয়ের নমুনা আমাদের অনুসরণ করাই উক্ত বিজ্ঞানীদের সুন্দর হাসির বিকল্প।
এছাড়াও মহানবী (সা) আরও বলেছেন যে, কারো সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা ছদকাহ। এটা মূলত মহব্বত এবং প্রেম-প্রীতি বৃদ্ধির বিশেষ উপায়। তিন প্রকার হাসির মধ্যে মুচকি হাসি সর্বোত্তম।
একজন প্রসিদ্ধ মনোবিজ্ঞানী বলেন, আচার ব্যবহারের মূল ভিত্তি হিসেবে মৃদু হাসি বা মুচকি হাসির কথা উল্লেখ করা যায়। যেখানে মুচকি হাসি আছে সেখানে সৌজন্যমূলক আচার ব্যবহার বিদ্যমান, আর যখন এ হাসি খতম হয়ে গেল তখন মহব্বত-ভালোবাসা, সৌহার্দ-সম্প্রীতি, মানবতা, সহমর্মিতার প্রভাব আপনা আপনি শেষ হয়ে যায়। মুচকি হাসির তরঙ্গ বা ঢেউ সহজেই অন্যের অন্তরে মহব্বت ও সহমর্মিতার ঢেউ সৃষ্টি করে। (ইনকিলাব ২১-৬-০৪)
সুতরাং দেখা যায় যে, মহানবী (সা)-এর হাসির নমুনাই হচ্ছে বর্তমান যুগের স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের সুন্দর হাসি আবিষ্কারের বিকল্প।
হাসি মানুষের মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যেসব লোক মানসিক চাপ উপেক্ষা করে এবং সবকিছুকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে তাদের মধ্যে শতকরা ২% ভাগ লোক ৫০ বছর বয়স হওয়ার আগে মারা যায়। পক্ষান্তরে যারা মানসিক চাপ, টেনশন উপেক্ষা করতে পারে না তাদের মধ্যে শতকরা ১৫ ভাগ লোক ৫০ বছর বয়স হওয়ার আগেই দুনিয়া হতে বিদায় নিয়ে যায়।
খুশী বা আনন্দ হচ্ছে সুস্বাস্থ্যের প্রমাণ। মানুষ যখন আনন্দিত হয় তখন তার দেহের ভেতরে এনড্রোলিন তৈরী হয়। মানুষের মস্তিষ্কে তৈরী হওয়া এই উপাদান সারাদেহে বিস্তার লাভ করে। এর রাসায়নিক উপাদান অনেকটা আফিমের মতো। এই উপাদান মানুষের আবেগ অটুট রাখে এবং তাদের ব্যথা বেদনার অনুভূতি কমিয়ে দেয়। এছাড়া অন্য একটি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যাকে বলা হয় অক্সিটোফিন। এই হরমোন বিশেষ গ্লান্ড হতে তৈরী হয় এবং হরমোন মানুষের দেহমনকে শান্ত করে এবং মানসিক সজীবতা তৈরী করে।
খুশির একটি বিশেষ প্রকাশ হচ্ছে হাসি। আপনি যখন হাসবেন তখন আপনার পেট, ঘাড় এবং কাঁধের হাড়ের মধ্যে উঠানামা চলতে থাকে। হৃদস্পন্দন এবং রক্ত চাপ বেড়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাস গভীর হতে থাকে। হাসি থামার পর রক্তচাপ এবং নাড়ির স্পন্দন স্বাভাবিক হয়ে আসে। এবং এক ঘণ্টার হাসি ১০ মিনিট নৌকা চালানোর মতো শ্রম সাপেক্ষ। তবে হাসি কৃত্রিম হতে পারবে না। আপনাকে প্রাণ খুলে হাসতে হবে।
বিনোদনমূলক কর্মসূচিতে মানুষের ধৈর্যশক্তি বৃদ্ধি পায়। কারণ বিনোদনমূলক কর্মসূচির, মধ্যে হাসির যথেষ্ট উপাদান থাকে। জীবনে চলার পথে কিছু ঘটনা ঘটে যখন আনন্দ অনুভব করা যায়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একজন ছাত্র পরীক্ষা দেয়ার পর তার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি নাম্বার পেলে তার খুশীর সীমা থাকে না।
এখানে রূহানী খুশী বা আত্মিক খুশী সম্পর্কে আলোচনা না করা হলে আলোচনা অসম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
গরীব মিসকিনদের সাহায্য করে মানুষ খুশী লাভ করতে পারে। অল্পে তুষ্টি মানুষকে আনন্দিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।
📄 হতাশা
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত দুই বিজ্ঞানী চার্লস ফকনার ও স্মিথ এনড্রিস উভয়ে মানুষের মনের ভয়ভীতি, হতাশা, মৃত্যুচিন্তা, প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোক, কোনো কাজে অকৃতকার্য হলে দুঃখে, দুঃশ্চিন্তায় মানুষের মনে তখন নানা অস্থিরতা ও নানা অশান্তির সৃষ্টি হয়। মানুষের সেই অশান্তি দূর করার জন্য উক্ত বিজ্ঞানীদ্বয়, ইউরোলিংগু ইস্টিক প্রোগ্রাম নামে এক প্রকার চিকিৎসা আবিষ্কার করেছেন। তারা উভয়ে আশাপোষণ করে বলেন যে, ইহার দ্বারা মানুষের উক্ত আলোচ্য হতাশাসমূহ উক্ত মানুষের অন্তর হতে দূর হয়ে তার মনে, আনন্দ ও প্রফুল্লতা ফিরে এসে তাকে সুস্থ ও সুখীময় করে তুলবে। (ইত্তেফাক ৬-১১-১৯৯৮)
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত বিজ্ঞানীদ্বয়ের বহুপূর্বেই মানুষের ভয়ভীতি, হতাশা, দুঃখ-কষ্ট, মৃত্যুচিন্তা, প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোক, কোনো কাজে অকৃতকার্য হলে মানুষের মনের অস্থিরতা ও অশান্তি দূরীকরণের চিকিৎসাস্বরূপ দৈনন্দিন মানুষের মধ্যে নামায, কুরআন পাঠ ও যিকিরের ব্যবস্থা আবিষ্কার করে তা ঠিকমত পালন করার জন্য জোর নির্দেশ দিয়ে গেছেন। এছাড়াও নিম্নে উক্ত হতাশাসমূহ দূরীকরণের জন্য, কুরআন ও হাদীস পেশ করা হলো। যেমন-
قَالَ النَّبِيُّ الْإِيْمَانُ بِالْقَدْرِ أَنْ يَذْهَبَ بِالْهَمِّ وَالْحُزْنِ.
অর্থ : মহানবী (সা) বলেছেন, ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস করলে, শারীরিক ও মানসিক হতাশার যাবতীয় অশান্তি ও অস্থিরতার উপকরণসমূহ দূর হয়ে যায়।
أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ .
অর্থ : সাবধান! একমাত্র আল্লাহর যিকিরের মাধ্যমে অন্তরসমূহ শান্তি লাভ করে। (সূরা রাদ: আয়াত-২৮)
وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّلِحَتِ أَنَّ لَهُمْ جَنَّتٍ.
অর্থ : হে নবী! আপনি সুসংবাদ প্রদান করুন, যারা আল্লাহ পাকের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎ কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে বেহেশত বা শান্তি। (সূরা বাকারা: আয়াত-২৫)
وَالَّذِينَ هَادُوا وَالنَّصْرِى وَالصَّابِئِينَ - مَنْ أَمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَعَمِلَ صَالِحًا فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ - وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ .
অর্থ: যারা ইহুদী, খ্রীস্টান ও বেদুঈন এবং এদের মধ্য হতে যে আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের নিকটে, এবং তাদের কোনো ভয়ভীতি ও হতাশার কোনো কারণ নেই। (সূরা বাকারা: আয়াত-৬২)
অতএব, মহানবী (সা)-এর হতাশা দূরীকরণের উপরোক্ত আলোচনাই বর্তমান উক্ত বিজ্ঞানীদ্বয়ের ইউরোলিংগুইস্টিক প্রোগ্রামের বিকল্প।
📄 হৃদযন্ত্র
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন যে, যখন মানুষ বেশি পরিমাণে চর্বি জাতীয় খাদ্য ভক্ষণ করতে থাকে, তখন তার দেহের রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে থাকে এবং কোলস্টেরল হচ্ছে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়া। যখন কোনো মানর দেহের রক্তের ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় অস্বাভাবিক হয়ে যায় তখন দেহের উক্ত রক্ত ভারী হওয়ার ফলে, দেহের হৃদযন্ত্র উক্ত ভারী রক্ত ঠিকমত সারা দেহে পরিচালনা করতে পারে না। তখন উক্ত দেহের হৃদযন্ত্র উক্ত রক্তের দ্বারা ভারী হয়ে যায়, তখন উক্ত মানুষ বলে যে, এখন আমার বুক ভার অথবা আমার বুকে ভীষণ চাপ। অর্থাৎ উক্ত কোলস্টেরল যুক্ত রক্তের দ্বারা তার হৃদযন্ত্র অসুস্থ এবং এইভাবে তার হৃদযন্ত্র দীর্ঘদিন থাকলে তার হৃদক্রিয়া একদিন বন্ধ হয়ে সে মৃত্যুমুখে পতিত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
আবার কোনো কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞানী বলেন যে, ভয় ভীতি, দুঃশ্চিন্তা, দুঃসংবাদ ও হতাশা ইত্যাদি দ্বারাও রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গিয়ে হৃদযন্ত্র অসুস্থ হয়ে যায়।
আবার কোনো কোনো বিজ্ঞানী বলেন যে, খারাপ কাজ ও খারাপ কথা বেশি বেশি করলে ও বললে, হৃদযন্ত্রে ভয়-ভীতি, দুশ্চিন্তা ও হতাশা বেড়ে যায় এবং এর দ্বারা দেহের রক্তে কোলস্টেরল বেড়ে গিয়ে হৃদযন্ত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে।
তাই স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন যে, প্রত্যেক মানুষ যেন তার জীবনের শুরু হতে শেষ পর্যন্ত সুষম খাবার খায় এবং সুষম খাবার বলতে ঐ খাবারকে বুঝানো হয়েছে, যে খাবারটি মধ্যম খাবার অর্থাৎ উক্ত খাবার বেশি উন্নতমানেরও নয় এবং বেশি নিম্নমানেরও নয়। এবং তা প্রতিদিন এক মানের খাবারও নয়।
অথচ এ সম্পর্কে মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই একটি অমূল্য হাদীস আমাদেরকে উপহার দিয়ে গেছেন। যেমন:
قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: خَيْرُ الْأُمُورِ أَوْسَطُهَا .
অর্থ: মহানবী (সা) বলেছেন, মধ্যম বস্তুই হচ্ছে উত্তম বস্তু। অর্থাৎ মধ্যম খাবারই হচ্ছে উত্তম বা সুষম খাবার। (আমছিলাতুল হাদীস লি ইমাম ইবনে শাইবা হা/৩৩৮)
এছাড়াও মহানবী (সা) হৃদযন্ত্র সম্পর্কে একটি হাদীস বলেছেন, যেমন-
عَنِ النُّعْمَانِ ابْنِ بَشِيرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلُحَتْ صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّهُ وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ - (متفق عليه)
অর্থ: নু'মান ইবনে বাশীর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সা) বাণী প্রদান করেছেন: সাবধান! নিশ্চয়ই মানব দেহের মধ্যে এমন একটি গোশতপিণ্ড রয়েছে যা সুস্থ থাকলে গোটা দেহই সুস্থ থাকে, আর অসুস্থ (দূষিত) হয়ে পড়লে সমস্ত দেহটাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। (অর্থাৎ যখন এ গোশতপিণ্ড দূষিত হয়ে পড়ে, তখন সমস্ত শরীরই বিষায়িত হয়ে পড়ে) সাবধান! সেটাই হলো হৃদযন্ত্র বা অন্তরকণ। (বুখারী হা/৫২ ও মুসলিম হা/১৫৯৯)
মানুষের হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য মহানবী (সা) মানুষের মধ্যে কিছু ভালো কাজ করার ব্যবস্থা ও নির্দেশ দিয়ে গেছেন এবং উক্ত ভাল কাজগুলো করলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং কখনও হৃদযন্ত্রে কোনো ভয়ভীতি, দুঃশ্চিন্তা ও হতাশার উদ্রেক হয় না। এবং উক্ত ভালো কাজগুলো হচ্ছে, নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত, আল্লাহ পাকের যিকির, কুরআন পাঠ ও নানা মাখলুকাতের সেবামূলক কাজ ইত্যাদি। এবং এই কাজগুলো নিয়মিতভাবে করলে হৃদযন্ত্র সর্বদাই প্রফুল্ল থাকে এবং হৃদযন্ত্র কখনও অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না।