📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 লালা

📄 লালা


স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন যে, যার কথা বলার শব্দ উচ্চারণের বাচনভঙ্গি শুদ্ধ ও সঠিক, অর্থাৎ কোনো মানুষ যখন কোনো শব্দ উচ্চারণ করে তখন যদি সে উক্ত শব্দের প্রতিটি অক্ষর, মুখের ভেতরের যে অংশ হতে যে অক্ষরটি উচ্চারণ হওয়ার দরকার ঠিক মুখের ভেতরের সেই স্থান হতে ঠিকভাবে উচ্চারণ করে কথা বলে, তার জীবনে কখনও মুখ দিয়ে লালা পড়বে না। এমনকি বার্ধক্যকালেও তার মুখ দিয়ে লালা পড়বে না। এবং সে যে ভাষারই লোক হউক না কেন? তবুও সে যদি তার নিজ ভাষার প্রতিটি শব্দের অক্ষরগুলোর যে অক্ষরটি মুখের ভেতরের যে স্থান হতে উচ্চারণ হওয়া দরকার, ঠিক সেই স্থান হতে একটু শব্দ করে উচ্চারণ করে, তবে তার মুখ দিয়ে কখনও লালা পড়বে না এবং মুখ বাঁকা হবে না।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই কুরআন পাঠের প্রতিটি শব্দের উচ্চারণকে পবিত্র কুরআনের আলোকেই সহীহ শুদ্ধ করে মাখরাজ আদায় করে তিলাওয়াত করার নির্দেশ দিয়ে গেছেন।
وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا -
অর্থ: এবং কুরআন আবৃত্তি করুন সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে। (সূরা মুয্যাম্মিল: আয়াত-৪)
অর্থাৎ মাখরাজ আদায় করে কুরআনের প্রতিটি শব্দ উচ্চারণ করে পাঠ কর। মাখরাজ পবিত্র কুরআনের প্রতিটি অক্ষর মুখের ভেতরের যে যে স্থান হতে যে যে অক্ষর উচ্চারণ হওয়া দরকার, কুরআন পাঠের সমুর কুরআনের অক্ষরগুলো মুখের ভেতরের ঠিক ঠিক স্থান হতে উচ্চার করাকেই মাখরাজ বলা হয়।
অতএব, পবিত্র কুরআন কারীম পাঠ করার সময় যে ইহার প্রতিশব্দের প্রতি অক্ষরের মাখরাজ সঠিকভাবে আদায় করে সুবিন্যস্ত ও স্পষ্টভাবে পাঠ করবে। তার জীবনে কখনও মুখ দিয়ে লালা পড়বে না এবং মুখ বাকা হবে না। এ সম্পর্কে মহানবী (সা) একটি হাদীসও বলে গেছেন। যেমন-
حَدَّثَنَا سَعَادُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيِّ ﷺ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ خَيْرُ الدَّوَاءِ الْقُرْآنُ . (ابن ماجه جلد الثاني صفه . ابواب الطب)
অর্থ : আলী (রা) বলেন যে, মহানবী (সা) বলেছেন, সর্বরোগের উত্তম চিকিৎসা হচ্ছে, 'আল কুরআন' অর্থাৎ সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে মাখরাজ আদায় করে কুরআন পাঠ করলে সর্বপ্রকার রোগ দূরীভূত হয়। এবং এটাই হচ্ছে মানুষের উত্তম চিকিৎসা। (ইবনে মাজা হা/৩৫০১, ২য় খণ্ড ২৫০ পৃ. আবুওয়াবুত তিব্ব।) যয়ীফ

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 এক শ্বাস

📄 এক শ্বাস


'স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন যে, এক গ্লাস পানি এক নিঃশ্বাসে পান করলে স্ত্রে চাপ পড়ে, তাতে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয় এবং হৃদযন্ত্রে চাপ পড়লে চাপ বৃদ্ধি পায়, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতাড়ে। এবং এতে শ্বাস প্রশ্বাসেও কষ্ট সাধিত হয়। তাই স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা লেন যে, মানুষের উপরোক্ত দৈনন্দিন জীবনের উক্ত শারীরিক ও মানসিক কষ্ট হতে পরিত্রাণ পাওয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে, যখন এক গ্লাস পানি পান করবে তখন সে পানি ধীরে ধীরে কমপক্ষে কয়েক নিঃশ্বাসে পান করবে। তাহলে, তার জীবনে কখনও হৃদরোগ, রক্তচাপ, অস্থিরতা ও আরও নানা প্রকার রোগ তার হবে না।
মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই তাঁর উম্মতের লোকদেরকে এক গ্লাস পানি এক নিঃশ্বাসে পান করতে নিষেধ করে গেছেন। যেমন- তাঁর একটি হাদীস:
حَدَّثَنَا يَحْيى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ لا وَإِذَا شَرِبَ فَلَا يَشْرَبُ نَفَسًا وَاحِدًا .
অর্থ: আবু কাতাদাহ (রা) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, মহানবী (সা) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ পানীয় পান করবে তখন তোমরা উক্ত পানীয় এক নিঃশ্বাসে পান করবে না। (আবু দাউদ হা/৩১, ১ম খণ্ড ৬ পৃষ্ঠা কিতাবুত তাহারাত।)
মহানবী মুহাম্মদ (সা) তাঁর উম্মতকে যেকোনো পানীয় তিন নিঃশ্বাসে পান করতে আদেশ দিয়েছেন। যেমন তাঁর একটি হাদীস:
حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ أَبِي عَصَامٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ لا كَانَ إِذَا شَرِبَ يَنْفَسُ ثَلَاثًا.
অর্থ : আনাস বিন মালিক (রা) হতে বর্ণিত যে, মহানবী (সা) এর অভ্যাস ছিল যে, যখন তিনি কোনো পানীয় পান করতেন, তখন তিনি তা তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন। (আবু দাউদ হা/৩৭২৯, ২য় খণ্ড ১৬৮)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 শিংগা

📄 শিংগা


পৃথিবীর যে সকল মানুষের জ্ঞান, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি স্বাভাবিকের তুলনায় কম তাদের জ্ঞান-বিবেক, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তিকে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনয়ন করার জন্য অদ্যাবধি পৃথিবীর কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞানী কোনো সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেননি। কিন্তু সমাজকল্যাণ বিজ্ঞানীরা উক্ত প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণের জন্য নানা শিক্ষা পদ্ধতি চালু করেছেন, কিন্তু তাতেও কোনো আশানুরূপ ফল হয়নি। কিন্তু মহানবী মুহাম্মদ (সা) আজ হতে বহু বৎসর পূর্বে পৃথিবীর উক্ত প্রতিবন্ধি মানুষের জ্ঞান-বিবেক, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তির উন্নতির জন্য এই পৃথিবীর মানুষদেরকে একটি চিকিৎসার ব্যবস্থা প্রদান করে একটি হাদীস বলে গেছেন। যেমন:
حَدَّثَنَا عُمَانُ بْنُ مَطَرٍ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ عَنْ مُحَمَّدٍ بْنِ جُحَادَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ لا يَقُولُ الْحِجَامَةُ عَلَى الرِّيَّقِ أَمْثَلُ وَفِيهِ شِفَاءٌ وَبَرْكَةً وَتَزِيدُ فِي الْعَقْلِ وَفِي الْحِفْظِ - (ابن ماجه جلد ثاني صفه ابواب الطب)
অর্থ: ইবনে ওমর বলেন যে, নিশ্চয় আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, মানুষের ঘাড়ের রগে শিংগা লাগানো অতি উত্তম এবং এর মধ্যে রয়েছে সুচিকিৎসা ও কল্যাণ এবং এর দ্বারা জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে। (ইবনে মাজা হা/৩৪৮৮, ২য় খণ্ড ২৪৯ পৃ. আবুওয়াবুত তিব্ব।)
লক্ষ্য করলে অবলোকিত হয় যে, যদি আধুনিক বিশ্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা মহানবী (সা)-এর উক্ত বর্ণিত হাদীসের কথামত মানুষের ঘাড় ও তার নানা রগসমূহ নিয়ে নানা গবেষণা করে যদি দেখে, তাহলে তারা অবশ্যই পাবে যে, ঘাড়ের কোনো কোনো স্থানে অথবা কোনো কোনো রগে শিংগা লাগালে অথবা শিংগা লাগানোর মতো কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করলে, মানুষের জ্ঞান-বিবেক, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি পাবে অথবা অস্বাভাবিক হলে তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। তাহলে তা অবশ্যই মানুষের জন্য কল্যাণকর হবে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সাদা

📄 সাদা


রং ও আলো বিষয়ের বিখ্যাত বিজ্ঞানী ক্রোসোপ্যাথী বলেছেন যে, সাদা পোশাক হলো ক্যান্সার হতে প্রতিরক্ষার সর্বোত্তম ঔষধ। এবং তার মতে সাদা পোশাক মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড ও চর্মের সংরক্ষক।
বিখ্যাত চিকিৎসক ডা. লহী কুনীর গবেষণা তিনি ছিলেন জার্মানির একজন প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও চিকিৎসক। তিনি বলেন, সমস্ত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাদা পোশাককে অধিক প্রাধান্য দেন।
খলিল জিব্রান: তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও লেখক। তিনি সাদা পোশাককে সাদা ফুলের সমতুল্য মনে করতেন। তিনি বলেন যে, গোলাপের সাদা পাঁপড়ি ও আমার দেহের সাদা পোশাক উভয়টাই সমপর্যায়ের। আর উভয়টাই আমার আনন্দের সামগ্রী।
এমন কি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা পোশাক পরিধানকারী ব্যক্তি (Setaceous Glands) ঘামের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফাংগাল ইনফেকশন (Fingal Infection) এর ন্যায় মারাত্মক ব্যাধি হতে রক্ষা পেতে পারে। তারা চর্মরোগ ও এলার্জি এবং উচ্চ-রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের সর্বদা সাদা পোশাক পরিধানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা এটাও লক্ষ্য করে দেখেছেন যে, সাদা কাপড় সর্বপ্রকার আবহাওয়া পরিবর্তনের মোকাবিলা করে থাকে। কারণ তীব্র গরম মৌসুমেও সাদা পোশাক গরম হয় না। কেননা ইহা যেমনি গরমকে আকর্ষণ করে না, তেমনি প্রচণ্ড শীতের মৌসুমে ঠাণ্ডার কারণে তা শীতলও হয়ে যায় না।
এছাড়াও বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে পেয়েছেন যে, সাদা কাপড় উত্তাপ এবং আলোর একটি উত্তম প্রতিফলক এবং অপরদিকে ইহা উত্তাপ এবং আলোর একটি কুপরিশোষক। তাই বিজ্ঞানীরা বলেন যে, যেহেতু সাদা কাপড়ের উত্তাপ ধারণক্ষমতা কম এবং উত্তাপ বিকিরণক্ষমতা বেশি, সেহেতু গরমের দিনে সাদা কাপড় পরিধান করা সুবিধাজনক ও আরামদায়ক।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উপরোক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই তিনি সাদা পোশাকের গুণাগুণ রহস্য বুঝতে পেরেছিলেন, তাই তিনি সাদা পোশাক পছন্দ করতেন এবং পরিধানও করতেন। এবং সাদা পোশাক পরিধান করা তার আদর্শ একথা তিনি তাঁর উম্মতগণকে বলেও গেছেন। এবং মৃত্যু ব্যক্তিকে সাদা কাপড় দিয়ে কাফন পরিধান করলো তাঁর আদর্শ, একথাও তিনি তাঁর উম্মতগণকে বলে গেছেন।
আরব দেশে তীব্র গরম ও সূর্যকিরণ প্রখর, এবং সেইখানে সাদা কাপড়ের পোশাক উত্তাপ এবং আলোর উত্তম প্রতিফলক হিসেবে কাজ করবে একথা একমাত্র মহানবী (সা)-ই সর্বপ্রথম এই পৃথিবীতে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই তিনি সাদা কাপড়ের পোশাক পরিধান করা তাঁর উম্মতের ওপর সুন্নাত করে গেছেন।
ফেরেশতারা আলোর সৃষ্টি এবং সাদা পোশাক হচ্ছে আলোকের উত্তম প্রতিফলক, তাই ফেরেশতারা সদা সর্বদাই মহানবী (সা)-এর নিকট সাদা পোশাক পরিধান করে আসতেন। এবং প্রত্যেক মানুষের কবরে ফেরেশতারা সাদা পোশাক পরিধান করে যাবে। তাই মহানবী (সা) মৃত্যু ব্যক্তিকে সাদা কাপড় দিয়ে দাফন কাফনের জন্য তাঁর সকল উম্মতগণকে নির্দেশ দিয়ে গেছেন। ফেরেশতারা যে মহানবী (সা)-এর নিকট সাদা পোশাকে আসতেন তার ওপর দু'টি হাদীস নিম্নে দেয়া হলো: যেমন-
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ اللهِ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ ذَاتَ يَوْمٍ إِذْ طَلَعَ عَلَيْنَا رَجُلٌ شَدِيدُ بَيَاضِ الثِّيَابِ شَدِيدُ سَوَادِ الشَّعْرِ لَا يُرَى عَلَيْهِ أَثَرُ السَّفَرِ وَلَا يَعْرِفُهُ مِنَّا أَحَدٌ . ثُمَّ انْطَلَقَ - فَلَبِثْتُ مَلِيًّا ثُمَّ قَالَ لِي. يَا عُمَرُ أَتَدْرِي مَنِ السَّائِلُ؟ قُلْتُ اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ فَإِنَّهُ جِبْرِيلُ . آتَاكُمْ يُعَلِّمُكُمْ دِينَكُمْ - (رواه مسلم)
অর্থ: ওমর ইবনে খাত্তাব (রা) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, একদা আমরা কতিপয় সাহাবী রাসূল (সা)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমনি মুহূর্তে এক আগন্তুক এসে উপস্থিত হলেন। তার পোশাক পরিচ্ছদ ছিলো ধবধবে সাদা, মাথার চুল ছিল কুচকুচে কালো। তাঁর মধ্যে ভ্রমণের কোনো চিহ্নও দেখা যায় নি। আমাদের মধ্যে কেউ তাঁকে চিনতেও পারছে না। তারপর লোকটি চলে গেল। অতঃপর আমরা কিছুক্ষণ চুপ থাকলাম। তারপর মহানবী (সা) আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে ওমর! প্রশ্নকারী কে তা কি জান? আমি বললাম আল্লাহ ও তদীয় রাসূল (সা)-ই ভালো জানেন। তখন রাসূল (সা) বললেন, ইনি জিবরাঈল (আ) যিনি তোমাদেরকে দ্বীনের শিক্ষা প্রদানের জন্যে আগমন করেছিলেন। এই হাদীসখানি ইমাম মুসলিম (র) বর্ণনা করেছেন। (সহীহ মুসলিম হা/১০২)
حَدَّثَنَا مِشْعَرْ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَعْدٍ قَالَ رَأَيْتُ بِشِمَالِ النَّبِيِّ ﷺ وَيَمِيْنِهِ رَجُلَيْنِ عَلَيْهِمَا ثِيَابٌ بَيْضٌ يَوْمَ أَحُدٍ مَا رَأَيْتُهُمَا قَبْلَ وَلَا بَعْدَ - بخاری شریف کتاب اللباس
অর্থ: সাদ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদের দিন আমি রাসূল পাক (সা)-এর ডানে ও বামে দু'জন পুরুষ লোককে দেখতে পেলাম। তাদের পরিধানে সাদা পোশাক ছিল। তাদেরকে আমি কখনও এর আগে ও পরে দেখিনি। (বুখারী হা/৫৮২৬, কিতাবুল লিবাস।)
অতএব, প্রতীয়মান হয় যে, সাদা পোশাকের উত্তাপ ধারণ ক্ষমতা কম এবং উত্তাপ বিকিরণ ক্ষমতা বেশি। তাই গরমকালে সাদা পোশাক পরিধান করা সুবিধাজনক ও আরামদায়ক। তাই মহানবী (সা) তার দেশে তীব্র গরম হওয়ার কারণে এবং ফেরেশতাদের পোশাক সাদা হওয়ার কারণে তিনি সাদা পোশাক পরিধান তাঁর আদর্শ বলে ঘোষণা করে গেছেন। এবং বলেছেন যে, তোমরা নিজেরা সাদা কাপড় পরবে এবং মুর্দাকে কাফনেও পরাবে। (মেশকাত)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00