📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 রাগ

📄 রাগ


বিজ্ঞানীরা বলেন যে, যতটা সম্ভব ততটাই রাগ বা উত্তেজনা পরিহার করে চলবে, তবে দেহমনের হবে উপকার। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এক গবেষণায় লক্ষ্য করে দেখেছেন যে, বেশি রাগী লোকেরা তুলনামূলকভাবে কম দিন বাঁচে। এর কারণ তারা গবেষণা করে পেয়েছেন যে, রাগ করলে স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানব দেহের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়। মানব দেহে কোলেস্টেরল বেড়ে যাবার ফলে রক্তনালীর দেয়াল পুরু হয়ে যায়। ফলে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। কমে আসে স্বাভাবিক আয়ু। তাই বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে, কোনো মানুষ বেশিবেশি দিন বেঁচে থাকতে চাইলে তাদের 'রাগ' করার মতো পরিস্থিতিগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। ক্রোধ দমন করে হাসিখুশী থাকতে হবে। নচেৎ বেশিদিন বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। (জনকণ্ঠ ৩১-১২-১৯৯৯)
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই এই পৃথিবীর মানুষদেরকে 'রাগ' পরিহার করার জন্য হাদীস বলে গেছেন। যেমন-
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ ابْنُ يُوسُفَ قَالَ أَخْبَرَنَا مَلِكَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ لَا قَالَ لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ إِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ - (جامع البخاري جلد ثاني صفه . كِتَاب الاداب)
অর্থ: আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, মহানবী (সা) বলেছেন, শক্তিশালী সেই ব্যক্তি নয়, যে খুব কুস্তি লড়তে পারে বরং প্রকৃত শক্তিশালী হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে, ক্রোধের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে। (বুখারী হা/৬১১৪, ২য় খণ্ড ৯০৩ পৃষ্ঠা কিতাবুল আদাব, মুসলিম ২৬০৯)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ هِ أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِلنَّبِيِّ لا أَوْصِنِي قَالَ لَا تَغْضَبْ فَرَدَّدَ مِرَارًا - قَالَ لَا تَغْضَبْ - جامع البخاری جلد ثاني صفه . کتاب الاداب)
অর্থ: আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, নিশ্চয় এক ব্যক্তি মহানবী (সা) কে বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাকে কিছু উপদেশ দিন, তখন মহানবী (সা) বললেন, কখনও 'রাগ' করো না। এবং তিক্ত স্বভাব প্রত্যাহার করো। তারপর আবার বললেন কখনও রাগ করো না। (বুখারী হা/৬১১৬, ২য় খণ্ড ৯০৩ পৃষ্ঠা কিতাবুল আদব।)
এছাড়াও মহানবী (সা) আরও বলেছেন যে, আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির জন্যে ক্রোধের ঢোঁক পান করার চেয়ে উত্তম কোনো ঢোঁক নেই। তিনি আরও বলেছেন, হে মুসলমানেরা! যদি তোমাদের মধ্যে কারো ক্রোধ আসে, তা হলে তার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে চুপ হয়ে যাওয়া জরুরি।
বিখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ফ্রয়েড ক্রোধের ব্যাপারে অনুসন্ধান চালিয়ে যেসব সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তাহলো:
ক্রোধ এমনই এক মারাত্মক ব্যাধি যা মানুষের ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠিত জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। ক্রোধের ফলে তার শিরাতন্ত্র এবং ইন্দ্রিয়সমূহ কুঁকড়ে যায়। স্মরণশক্তি লোপ পায়। সহনশক্তি কমে যায় এবং ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেয়। সর্বদা লজ্জা ও অপমানকর অবস্থার সম্মুখীন হয়।
আমেরিকার ডিউক ইউনির্ভার্সিটির বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ভাসার রেড ফোর্ড বি ভিলনজের মতে, ক্রোধ, শত্রুতা ও হিংসাকারী ব্যক্তিরা তাড়াতাড়ি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তার মতে, এগুলোর দ্বারা মানুষ ঐ পরিমাণই ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানুষ ধূমপান এবং হাইব্লাডপ্রেসারের কারণে। (দৈনিক ইনকিলাব ২১-৬-০৪ ইং)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 রাস্তা, ছায়া ও পানি

📄 রাস্তা, ছায়া ও পানি


স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলেন যে, যখন কেউ রাস্তায় পায়খানা করে, তখন এই পায়খানার অসংখ্য প্রজাতির রোগ জীবাণু উক্ত রাস্তার ধূলাবালির মধ্যে ধ্বংস না হয়ে মিশে থাকে। এবং উক্ত রোগজীবাণুগুলো বাতাসের সাহায্যে উক্ত রাস্তায় লোক চলাচলের সময় নিঃশ্বাসের সাথে তাদের দেহে প্রবেশ করে তাদের দেহের ভেতর নানা রোগের সৃষ্টি করে। এছাড়াও উক্ত পায়খানা পরিবেশকেও দূষণ করে তোলে।
উক্ত বিজ্ঞানীরা আরও বলেন যে, যখন কেউ কোনো গাছের নীচে পায়খানা করে তখন এই পায়খানার নানা প্রজাতির রোগ জীবাণুগুলো বাতাসের সাহায্যে উক্ত গাছের পাতা, ফুল ও ফলের মধ্যে গিয়ে অবস্থান করে, তখন উক্ত রোগ জীবাণু বাতাসের সাহায্যে উক্ত মানুষের নিঃশ্বাসের মাধ্যমে তার দেহে প্রবেশ করে এবং দেহে নানা রোগের সৃষ্টি করে।
এছাড়াও উক্ত বিজ্ঞানীরা আরও বলেন যে, যখন কেউ কোনো বদ্ধ জলাশয়ে পায়খানা করে, তখন এই পায়খানার অসংখ্য প্রজাতির রোগ জীবাণুগুলো পানির মধ্যে ধ্বংস না হয়ে পানির মধ্যে মিশে যায়। তখন যদি কোনো মানুষ উক্ত জলাশয়ে নামে বা ইহার পানি পান করে তখন, উক্ত রোগ জীবাণুগুলো ঐ লোকের দেহের ভেতর প্রবেশ করে। তখন তারা এই পানের দ্বারা ও নিঃশ্বাসের দ্বারা এবং তার দেহের লোমের গোড়া দিয়ে তার দেহে প্রবেশ করে তার দেহে নানা রোগের সৃষ্টি করে।
তাই স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা উপরোক্ত তিন স্থানে পায়খানা করতে নিষেধ করেছেন।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই উক্ত তিন স্থানে পায়খানাকে আল্লাহ পাকের অভিশাপ বলে উল্লেখ করে হাদীস বলে গেছেন। যেমন-
عَنْ مُعَادٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ لاتَّقُوا الْمَلَا عِنَ الثَّلَثَةَ الْبَرَازَ فِي الْمَوَارِدِ وَقَارِعَةِ الطَّرِيقَ وَالظَّالِ.
অর্থ: মুয়াজ (রা) বলেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা তিনটি ক্ষতিকারক অভিশাপ হতে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন কর। যেমন-
১. জমাকৃত কোনো জলাশয়ে, ২. লোক চলাচলের কোনো রাস্তায়, ৩. এবং কোনো গাছের নীচে বা ছায়ায় পায়খানা করা হতে বিরত থাক। (আবু দাউদ হা/২৬ ও ইবনে মাজা হা/৩২৮)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ اللهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ اتَّقُوا اللَّاعِنِينَ قَالُوا وَمَا اللَّا عَنَانِ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الَّذِي يَتَخَلَّى فِي طَرِيقِ النَّاسِ أَوْ فِي ظِلْهِمُ .
অর্থ: আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, নিশ্চয় রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা দু'টি অভিশাপ হতে নিজেদেরকে রক্ষা কর। তখন সাহাবারা বললেন, ইয়া রাসূল (সা) সে অভিশাপ দু'টি কি? তখন মহানবী (সা) বললেন-
১. লোক চলাচলের পথে পায়খানা করা। ২. তাদের ছায়াদার কোনো ফলের গাছের নীচে পায়খানা করা। (মুসলিম হা/৬৪১, ১ম খণ্ড কিতাবুত তাহারাত।)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 রৌপ্য

📄 রৌপ্য


স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন যে, রৌপ্য, স্বর্ণ, তামা, কাঁসা ও পিতল এদের সবগুলোই স্বয়ংক্রিয় ধাতু এবং এইগুলোর দ্বারা তৈরি কোনো গ্লাস প্লেট ও পাত্রের মধ্য হতে সর্বদাই স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর বিষাক্ত দূষিত পদার্থ নির্গত হয়। তাই ঐসব পাত্রে কোনো রসালো খাদ্য অথবা কোনো পানীয় খাদ্য দ্রব্য রাখলে, উক্ত পাত্রের বিষাক্ত দূষিত পদার্থের প্রভাবে উক্ত খাদ্যদ্বয়ের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে ইহা খাদ্যের পরিবর্তে অখাদ্যে পরিণত হয়ে যায়। এছাড়াও উক্ত পাত্রসমূহে কোনো ভিজা খাদ্যদ্রব্য রেখে সাথে সাথে খেলেও উক্ত পাত্রের স্বয়ংক্রিয় বিষাক্ত দূষিত পদার্থ খাদ্যের সাথে মিশে যায় এবং সে খাদ্য খেলে দেহের বিশেষ ক্ষতি সাধন হয়। এছাড়াও সবাই লক্ষ্য করে দেখেছেন যে, স্বর্ণ, রৌপ্য, কাঁসা, তামা ও পিতলের কোনো পাত্রে 'দৈ' কিংবা 'মাঠা দৈ' অথবা ঠাণ্ডা দুধ রাখলে অতিদ্রুত বিষাক্ত হয়ে যায়। এর মূল কারণই হচ্ছে ঐগুলোর সবই স্বয়ংক্রিয় ধাতু, তাই ইহার মধ্য হতে নির্গত বিষাক্ত দূষিত পদার্থ উক্ত দৈ, মাঠা দৈ ও ঠাণ্ডা দুধে মিশে ইহাদের গুণাগুণ নষ্ট করে দিয়ে, ইহাদেরকে খাওয়ার অযোগ্য করে দেয়।
তাই স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন যে, স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, কাঁসা ও পিতলের নির্মিত কোনো পাত্রে কোনো রসালো খাদ্য দ্রব্য রেখে ভক্ষণ বা পান করলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তাই উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা সকলকেই উক্ত পাত্রসমূহের রসালো খাদ্য দ্রব্য ও পানীয় খাদ্য দ্রব্য খেতে ও পান করতে নিষেধ করেছেন।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই, স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, কাঁসা ও পিতলের পাত্রে রেখে খাদ্য ও পানীয় পান করতে নিষেধ করে হাদীস বলে গেছেন। যেমন-
عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ لَا تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ.
অর্থ: হুজায়ফা (রা) হতে বর্ণিত যে, মহানবী (সা) বলেছেন, তোমরা কখনও স্বর্ণ ও রৌপ্যের নির্মিত পাত্রে কোনো পানীয় দ্রব্য পান করো না। (বুখারী হা/৫৬৩৩, ২য় খণ্ড ৮১৬ পৃ. কিতাবুল আতআমা)
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرِ الصِّدِّيقِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجٍ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ الَّذِي يَشْرَبُ فِي إِنَاءِ الْفِضَّةِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ .
অর্থ: উম্মে ছালমা (রা) হতে বর্ণিত যে, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি রৌপ্যে নির্মিত কোনো পাত্রে পান করবে, নিশ্চয় সে যেন জাহান্নামের আগুন দ্বারা তার পেটকে প্রবাহিত করল। অর্থাৎ উক্ত রৌপ্যের পাত্রের কোনো পানীয় দ্রব্য পান করলে, ইহা হতে নির্গত বিষাক্ত পদার্থ পেটে গিয়ে যে অসুখের সৃষ্টি করে, ইহার কষ্ট জাহান্নামের আগুন বা পেরেশান। (বুখারী হা/৫৬৩৪, ২য় খণ্ড ৮৪২ পৃ. কিতাবুল আশরাবা)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 লালা

📄 লালা


স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন যে, যার কথা বলার শব্দ উচ্চারণের বাচনভঙ্গি শুদ্ধ ও সঠিক, অর্থাৎ কোনো মানুষ যখন কোনো শব্দ উচ্চারণ করে তখন যদি সে উক্ত শব্দের প্রতিটি অক্ষর, মুখের ভেতরের যে অংশ হতে যে অক্ষরটি উচ্চারণ হওয়ার দরকার ঠিক মুখের ভেতরের সেই স্থান হতে ঠিকভাবে উচ্চারণ করে কথা বলে, তার জীবনে কখনও মুখ দিয়ে লালা পড়বে না। এমনকি বার্ধক্যকালেও তার মুখ দিয়ে লালা পড়বে না। এবং সে যে ভাষারই লোক হউক না কেন? তবুও সে যদি তার নিজ ভাষার প্রতিটি শব্দের অক্ষরগুলোর যে অক্ষরটি মুখের ভেতরের যে স্থান হতে উচ্চারণ হওয়া দরকার, ঠিক সেই স্থান হতে একটু শব্দ করে উচ্চারণ করে, তবে তার মুখ দিয়ে কখনও লালা পড়বে না এবং মুখ বাঁকা হবে না।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই কুরআন পাঠের প্রতিটি শব্দের উচ্চারণকে পবিত্র কুরআনের আলোকেই সহীহ শুদ্ধ করে মাখরাজ আদায় করে তিলাওয়াত করার নির্দেশ দিয়ে গেছেন।
وَرَتِّلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا -
অর্থ: এবং কুরআন আবৃত্তি করুন সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে। (সূরা মুয্যাম্মিল: আয়াত-৪)
অর্থাৎ মাখরাজ আদায় করে কুরআনের প্রতিটি শব্দ উচ্চারণ করে পাঠ কর। মাখরাজ পবিত্র কুরআনের প্রতিটি অক্ষর মুখের ভেতরের যে যে স্থান হতে যে যে অক্ষর উচ্চারণ হওয়া দরকার, কুরআন পাঠের সমুর কুরআনের অক্ষরগুলো মুখের ভেতরের ঠিক ঠিক স্থান হতে উচ্চার করাকেই মাখরাজ বলা হয়।
অতএব, পবিত্র কুরআন কারীম পাঠ করার সময় যে ইহার প্রতিশব্দের প্রতি অক্ষরের মাখরাজ সঠিকভাবে আদায় করে সুবিন্যস্ত ও স্পষ্টভাবে পাঠ করবে। তার জীবনে কখনও মুখ দিয়ে লালা পড়বে না এবং মুখ বাকা হবে না। এ সম্পর্কে মহানবী (সা) একটি হাদীসও বলে গেছেন। যেমন-
حَدَّثَنَا سَعَادُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيِّ ﷺ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ خَيْرُ الدَّوَاءِ الْقُرْآنُ . (ابن ماجه جلد الثاني صفه . ابواب الطب)
অর্থ : আলী (রা) বলেন যে, মহানবী (সা) বলেছেন, সর্বরোগের উত্তম চিকিৎসা হচ্ছে, 'আল কুরআন' অর্থাৎ সুবিন্যস্তভাবে ও স্পষ্টভাবে মাখরাজ আদায় করে কুরআন পাঠ করলে সর্বপ্রকার রোগ দূরীভূত হয়। এবং এটাই হচ্ছে মানুষের উত্তম চিকিৎসা। (ইবনে মাজা হা/৩৫০১, ২য় খণ্ড ২৫০ পৃ. আবুওয়াবুত তিব্ব।) যয়ীফ

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00