📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 পোপ ঈলপ গল-এর অভিজ্ঞতা

📄 পোপ ঈলপ গল-এর অভিজ্ঞতা


পোপ ঈলপ গল ছিলেন পোল্যান্ডের বিশিষ্ট পাদ্রী। রোযা সম্পর্কে তিনি নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনায় বলেন, যারা আমার আধ্যাত্মিক অনুসারী তাদের আমি প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখার আদেশ দিচ্ছি। এ পদ্ধতির মাধ্যমে আমি যে শারীরিক সুস্থতা অনুভব করেছি তা ভাষায় অবর্ণনীয়। আমার দেহ অভাবনীয়ভাবে সতেজ হয়ে উঠেছে। আমার অনুসারীরা আরও কিছু দিক নির্দেশনার জন্যে আমায় পীড়াপীড়ি করে। যেসব রোগের কোনো ওষুধ নেই সেসব হতে আরোগ্য লাভের জন্যে আমি তাদের তিন দিন নয়, বরং একমাস রোযা রাখার পরামর্শ দিয়েছি।
যেসব রোগীর ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং পাকস্থলীর অসুখ রয়েছে, তাদের জন্যে আমি একমাস রোযা পালনের ব্যবস্থা দিয়েছি। এক মাস রোযা রাখার ফলে অনেকের বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগ নিরাময় হয়েছে। হৃদরোগীদের অস্থিরতা এবং নিঃশ্বাস ফুলে যাওয়া কমে গেছে। পাকস্থলীর রোগীদের উপকার হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 ক্যামব্রিজের ডাক্তার লোখার জিম-এর মন্তব্য

📄 ক্যামব্রিজের ডাক্তার লোখার জিম-এর মন্তব্য


এ ডাক্তার ছিলেন ফার্মাকোলজি বিশেষজ্ঞ। সবকিছু গভীরভাবে দেখা এবং পর্যালোচানা করা ছিলো তার স্বভাব। তিনি রোযাদার ব্যক্তির খালিপেটের খাদ্যনালীর লালা (স্টোমাক সিক্রেশন) সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করেন। এতে তিনি বুঝতে পারেন, রোযার মাধ্যমে ফুড পার্টিকেলস সেপটিক সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়ে যায়। পরীক্ষার পর ডাক্তার লোথার মন্তব্য করেছেন, রোযা হচ্ছে দেহের অসুস্থতায় বিশেষত পাকস্থলীর রোগে স্বাস্থ্যের গ্যারান্টি।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সিগমন্ড নারয়েড

📄 সিগমন্ড নারয়েড


সিগমন্ড নারায়েড ছিলেন বিশিষ্ট মনস্তত্ত্ববিশারদ। তাঁর আবিষ্কৃত থিওরী মনস্তত্ত্বের ক্ষেত্রে পথনির্দেশকের ভূমিকা পালন করে। তিনিও রোযা এবং উপবাসের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। তিনি বলেন, রোযার মাধ্যমে মস্তিষ্কের এবং মনের যাবতীয় রোগ ভালো হয়। মানুষ শরীরিকভাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় কিন্তু রোযাদার ব্যক্তির দেহ ক্রমাগত বাইরের চাপ সহ্য করার যোগ্যতা অর্জন করে। সে খিঁচুনি রোগ এবং মানসিক অবসাদ হতে মুক্তি লাভ করে। এমনকি সে এ দু’টি রোগের সম্মুখীন আর কখনো হয়নি।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 প্যারাসাইক্রোজি গবেষণা

📄 প্যারাসাইক্রোজি গবেষণা


বস্তুবাদী জীবন এবং বস্তুবাদী সম্পর্কের কারণে মানসিক শান্তি হতে বঞ্চিত হয়ে বতমান যুগের মানুষ শান্তির সন্ধানে ছুটছে আর ছুটছে। এ শান্তি অন্বেষার অন্য নাম হচ্ছে প্যারাসাইকোলজি। পাশ্চাত্যের বিজ্ঞান গবেষক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মনস্তত্ত্ববিদরা ইসলামী জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। কারণ পাশ্চাত্যের মানুষেরা বর্তমানে বস্তুবাদী জীবনযাপনে ত্যক্ত বিরক্ত। এ বস্তুবাদী সভ্যতার অনিবার্য পরিণতি হচ্ছে আত্মহত্যা, হত্যা প্রচেষ্টা, দুর্ঘটনা, সতীত্বহরণ, সমকামিতা, অপহরণ, হত্যা, প্রতিশোধ পরায়ণতা, বোমা সন্ত্রাস, সম্মিলিত হত্যাকাণ্ড, জারজ সন্তান, বিবাহ বিচ্ছেদ ইত্যাদি। এরকমের ধ্বংসাত্মক ঘটনাবলি গোটা বিশ্বকে ধ্বংসের অতলে তলিয়ে দিচ্ছে। গোটা ইউরোপ এবং পাশ্চাত্য সমাজ এ সকল ধ্বংসাত্মক তৎপরতায় নিয়োজিত।
পাশ্চাত্যের গবেষকরা বর্তমানে প্রাচ্যের ইসলামী জীবনধারা সম্পর্কে গবেষণা করছেন এবং নিজেদের জীবনযাত্রার সংস্কার উন্নতির উপায় অনুসন্ধান করছেন। রোযা সম্পর্কে ইউরোপীয় গবেষকরা নিয়মিত গবেষণা করেছেন। তারা স্বীকার করেছেন, রোযা একদিকে শারীরিক জীবনকে যেমন নতুন প্রাণশক্তিতে সঞ্জীবিত করে, তেমনি এর মাধ্যমে নানারকম অর্থনৈতিক সমস্যাও কমে যাবে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে ইউরোপের লোকেরা আস্তে আস্তে ইসলামের দিকে ফিরে আসছে আর আমরা ইউরোপীয়দের আচার-আচরণ অনুকরণ করে চলছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00