📄 মেসওয়াক ও কান
কিছু এমন রোগীও হয় যারা কানের প্রদাহ, পুঁজ এবং ব্যথায় কাতর হয়ে থাকে। মাসের পর মাস চিকিৎসা করালেও তাদের এ কষ্ট হতে মুক্তি মেলে না। যখন উত্তমরূপে এ সকল রোগীদের পরীক্ষা করা হয়, তাহলে জানা যায় যে, এদের মাড়িতে পুঁজ হয়ে গেছে এবং এর পুরা মুখ দুর্গন্ধে ভরপুর। যখন মাড়ির চিকিৎসা করা হয় এবং নিয়মমত তাজা মেসওয়াক ব্যবহার করা হয় তখন কানও সম্পূর্ণরূপে সুস্থ হয়ে যায়।
📄 মেসওয়াক ও পাকস্থলী
বিজ্ঞানীদের অভিজ্ঞতা হতে একথা বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়েছে যে, প্রায় ৮০% রোগ পাকস্থলী ও দাঁতের সমস্যা সংশ্লিষ্ট রোগ। বিশেষতঃ বর্তমানে প্রতি তিন ব্যক্তির মধ্যে একজন (তিনজনে একজন) পেটের রোগে আক্রান্ত। মেসওয়াক না করার কারণে মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হয়, যে কারণে মাড়িতে পুঁজ জমা হয় এবং কিছু অদৃশ্য জীবাণুও মুখে সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় যখন খানা খাওয়া হয় তখন খাদ্যের সাথে মাড়ির পুঁজও পাকস্থলীতে প্রবেশ করে। যার কারণে পাকস্থলী আক্রান্ত হয়ে যায়। মাড়ির পুঁজের কারণে ভক্ষিত অংশ ভারী ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যায়, যে কারণে পাকস্থলী ও জঠরের রোগ সৃষ্টি হয়ে যায়। যা হতে পরিত্রাণ লাভ করা মুশকিল হয়ে যায়। যদি জঠর ও পাকস্থলীর রোগের চিকিৎসার পরে দাঁতের দিকে মনোযোগ দেয়া যায় অর্থাৎ নিয়মিত মেসওয়াক করা যায় তাহলে রোগের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা হয়ে যায়।
📄 মেসওয়াক এবং সার্বক্ষণিক কফ কাশি
সার্বক্ষণিক কফ কাশিতে ভোগে সে এমন এক রোগী যার কফ আটকে গেছে, যখন সে মেসওয়াক করে তখনই কফ ভেতর হতে বের হওয়া শুরু হয় এবং এ রোগীর মাথা হালকা হয়ে যায়। প্যাথলজিষ্ট বিজ্ঞানীদের অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষণ হতে এ কথা প্রমাণিত যে, সার্বক্ষণিক সর্দির জন্য মেসওয়াক প্রতিষেধকের চেয়ে কম নয়। এমনকি মেসওয়াকের স্বতন্ত্র ও বিধিমত ব্যবহারে নাক ও গলা অপারেশন অনেক কমে যায়।
📄 মেসওয়াক ও মুখের দুর্গন্ধ
এক লোকের মুখ হতে দুর্গন্ধ আসত। এ বেচারা বিভিন্ন প্রকারের ভালো ভালো টুথপেস্ট এবং মাজন ব্যবহার করেন। এছাড়াও অনেক ডাক্তারের কাছ হতে অনেক ওষুধও ব্যবহার করেছেন কিন্তু কোনো উপকার হয়নি। কোনো একজন দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শে তিনি পিলুর ডালের মেসওয়াক ব্যবহার করেন। তিনি নিয়মানুযায়ী মেসওয়াক ব্যবহার করতেন। পুরাতন লোম ফেলে প্রত্যহ নতুন মাথা দ্বারা মেসওয়াক করতে থাকেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে রাসূল (সা)-এর এই সুন্নাতের বরকতে আল্লাহ পাক তাকে সুস্থতা প্রদান করেন।