📄 মেসওয়াক : নতুন চিকিৎসা এবং আধুনিক বিজ্ঞান
মেসওয়াক ও জীবাণু মেসওয়াক জীবাণু হত্যাকারী Anti Septic, এটা মুখ হতে দুর্গন্ধ দূর করে। এর ব্যবহারে মুখের ভেতরের জীবাণু মরে খতম হয়ে যায়। এভাবে মেসওয়াককারী ব্যক্তি মুখের যাবতীয় রোগ হতে রক্ষা পায়। নতুন গবেষণা অনুযায়ী কিছু এমন জীবাণুও হয় যা প্রচলিত ব্রাশ এবং পেস্ট দ্বারা দূর হয় না বরং সেগুলোকে শুধু মেসওয়াকই শেষ করতে পারে।
📄 মেসওয়াক এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য
চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল সাইন্স প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, মেসওয়াক দ্বারা মস্তিষ্কের শক্তি অর্জিত হয় এবং এর দ্বারা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য অটুট থাকে। মেসওয়াক করার দ্বারা মস্তিষ্ক সবল হয় এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত স্বাস্থ্যবান থাকে। যদি মেসওয়াক দ্বারা দাঁত পরিষ্কার না করা হয় তাহলে দাঁত দুর্গন্ধযুক্ত হয়। যার দ্বারা চোয়াল ও মাড়িতে পুঁজ সৃষ্টি হয়, বা মস্তিষ্কের রোগের কারণ হয় এবং এর দ্বারা হার্টের রোগও হয়ে থাকে।
📄 মেসওয়াক এবং দাঁতের স্বাস্থ্য
মানুষ খাদ্য খায়, পানি পান করে এবং বহু রকমের খাদ্য খেয়ে থাকে। আর খানার ছোট কণা দাঁতের মাঝে জমতে থাকে, যা সাধারণভাবে শুধু কুলি করার দ্বারা বের হয় না। এর দ্বারা দাঁতের মধ্যে দুর্গন্ধ জমা হয়ে থাকে, যা বহু রোগের পথ তৈরি হয়। উল্লেখ্য যে, এভাবে লোকের দাঁত ময়লাযুক্ত হলে খারাপ গন্ধ আসতে থাকে। নিকটে উপবেশনকারী ব্যক্তি খারাপ দৃষ্টিতে দেখে। এর সঙ্গে সঙ্গে তার দাঁতের সাথে মাড়িও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। মাড়িতে পুঁজ জমা হয়, যার দ্বারা অসহ্য রকমের ব্যথা শুরু হয়। এর প্রভাব শুধু দাঁতের উপরই পড়ে না বরং এই সমস্যা এবং পুঁজ আরও বড় হয়ে মাড়িও আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ সমস্যা আরও বড় হয়ে গলায়ও প্রভাব ফেলে থাকে। এর প্রভাবে গলা খারাপ হতে থাকে এবং সাথে সাথে সর্দি, কাশি, সর্দি-জ্বর ইত্যাদির প্রকোপ বেড়ে যায়। বুকের ছাতির উপর কফ তৈরি হওয়া শুরু হয়ে যায়। যার দ্বারা মস্তিষ্কও প্রভাবিত হয়। এর প্রভাবে দৃষ্টিশক্তি কমজোর হয়ে যায়। যখন চোখ খারাপ হয়ে যায় তখন এই পুঁজ এবং সমস্যার কারণে কান ও পাকস্থলীও প্রভাবিত হয়। এমনকি এসব জীবাণু দেহের উপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
ঐ দাঁতগুলো মেসওয়াক দ্বারা পরিষ্কার না করাতে মানব জীবনকে ধ্বংসের দিকেই নিয়ে যায়। জীবন তো স্বাস্থ্য ও সুস্থতার নাম। জীবনে যদি সুস্থতাই না থাকে তা হলে জিন্দেগীর মূল্য কোথায়? বৎস! মেসওয়াক ছাড়া উপায় নেই এবং মেসওয়াক ব্যতীত কখনোই পুঁজ, দূষণ ও কঠিন জীবাণু কখনো দূর হতে পারে না।
📄 মেসওয়াক ও গলা
যে সব রোগীর গলা খারাপ হয়, তারা টনসিলের রোগী। এসব রোগী নিয়ম মাফিক মেসওয়াক ব্যবহার করলে সুস্থ হয়ে যায়, এরূপভাবে যদি কোনো রোগীর গলার নালী বড় হয়ে যায় তাহলে তিনি শাহতুত এর শরবত এবং নিয়মানুযায়ী মেসওয়াক করলে আরাম পেয়ে থাকেন।