📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 মেসওয়াক

📄 মেসওয়াক


দন্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন যে, খাদ্য গ্রহণের পর মুখ ও দাঁত ভালো করে পরিষ্কার না করলে দাঁতে লেগে থাকা খাদ্যকণা এবং মুখের ভেতরের বিভিন্ন জীবাণু মিলে দাঁতের গায়ে এক ধরনের আঠাল জীবাণুর প্রলেপ তৈরি করে। এই জীবাণু প্রলেপের মধ্যে এসিড প্রস্তুতকারী জীবাণু তাদের তৈরি এসিডের সাহায্যে দাঁতের ক্ষয় সাধন করে, যা দন্ত ক্ষয় নামে পরিচিত। জীবাণু প্রলেপ হতে নিঃসৃত বিষাক্ত পদার্থ মাড়িতেও প্রদাহের সৃষ্টি করে। দাঁতের গায়ে লেগে থাকা এই জীবাণু প্রলেপ যদি নিয়মিত পরিষ্কার না করা হয়, তবে তা আস্তে আস্তে পাথরে পরিণত হয়ে যায়, যা সত্যিকারভাবে দাঁত ও মাড়ির জন্য খুবই ক্ষতিকর। এবং এ হতে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে, দিনে কমপক্ষে দুইবার 'মেসওয়াক' করা। অর্থাৎ সকালে ঘুম হতে উঠার পর এবং রাতে শোয়ার পূর্বে নিয়মিতভাবে 'মেসওয়াক' করা। এছাড়াও স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা আরও বলেন যে, বাম পাশের দাঁতে যখন মেসওয়াক করা হয়, তখন বুকের বাম পাশের ঝাঁকুনী হতে থাকে, যা হৃদযন্ত্রের জন্য খুব উপকারী। (ইত্তেফাক ২৯.৯.১৯৯৮ ইং)
মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত দন্ত বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই নিয়মিত 'মেসওয়াক' করার জন্য তাঁর উম্মতকে কঠোর নির্দেশ দিয়ে হাদীসে বলে গেছেন। যেমন-
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَوْ لَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَا مَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلَّ صَلُوةٍ (النَّسَائِيُّ جِلْدِ أَوَّلِ كِتَابُ الطَّهَارَةِ)
অর্থ: আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত যে নিশ্চয় রাসূল (সা) বলেছেন, যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্ট না হত, তবে আমি তাদেরকে অবশ্যই প্রত্যেক নামাযের পূর্বে মেসওয়াক করার জন্য কড়া নির্দেশ দিতাম। (নাসায়ী হা/৭, ১ম খণ্ড, কিতাবুত তাহারাত)
حَدَّثَنَا عِيسَى وَهُوَ ابْنُ يُونُسَ عَنْ مِسْعَرٍ عَنِ الْمِقْدَامِ وَهُوَ ابْنُ شُرَيْحٍ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ بِأَيِّ شَيْءٍ كَانَ يَبْدَأُ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا دَخَلَ بَيْتَهُ قَالَتْ بِالسِّوَاكِ النَّسَائِيُّ جِلْدِ أَوَّلِ كِتَابُ الطَّهَارَةِ)
অর্থ: ইবনে শুরাহ তাঁর পিতা হতে হাদীস বর্ণনা করে বলেন যে, তাঁর পিতা বলেন, আমি আয়েশা ছিদ্দিকা (রা)-কে একদা বললাম, যখন রাসূল (সা) বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারপর তিনি সর্বপ্রথম কোন কাজ করতেন, উত্তরে আয়েশা (রা) বলেন, যে তিনি মেসওয়াক করতেন। (নাসায়ী হা/৮, ১ম খণ্ড কিতাবুত তাহারাত)
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ هِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ عَل قَالَ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ لَا مَرْتُهُمْ بِتَأْخِيرِ الْعِشَاءِ بِالسِّوَاكِ - عِنْدَ كُلِّ صَلُوةٍ .
অর্থ: আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত যে, মহানবী (সা) বলেছেন, যদি ঈমানদার লোকদের ওপর কষ্ট না হত, তাহলে আমি অবশ্যই তাদেরকে আদেশ দিতাম যে, তারা যেন মেসওয়াক করে দেরীতে এশার নামায আদায় করে। অর্থাৎ প্রত্যেক নামাযের ওযুর পূর্বে অবশ্যই মেসওয়াক করে। (আবু দাউদ হা/৪৬)
وَقَالَ النَّبِيُّ السَّوَاكُ مُطَهِّرَةٌ لِلْفَمِ مَرْضَاةً لِلرَّبِّ.
অর্থ: মহানবী (সা) বলেছেন যে, মেসওয়াক মুখের পবিত্রকারীর একটি বিশেষ কারণ। এবং আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টিরও একটি বিশেষ কারণ। (মুস্তাতরফ)
وَقَالَ النَّبِيُّ لا أَنَّهُ قَالَ لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي السَّوَاكِ لَبَاتَ مَعَ الرَّجُلِ فِي لحافة.
অর্থ: মহানবী (সা) বলেছেন যে, যদি মানুষ মেসওয়াকের গুরুত্ব জানতো তাহলে অবশ্যই মানুষ রাতে মেসওয়াক করে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়তে। (মুস্তাতরাফ)
এছাড়াও মেসওয়াক মহানবী (সা)-এর সুন্নতের মধ্যে অন্যতম একটি সুন্নাত। মেসওয়াকের ফযীলত বর্ণনাতীত। মেসওয়াক ব্যবহারে ৭০টি রোগ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন-
১. মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা থাকে।
২. মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।
৩. মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।
৪. পাকস্থলীর কঠিন রোগ হতে মুক্তি পাওয়া যায়।
সর্বোপরি দাঁত থাকে কান্তিমান। এখন দেখা যাক এ সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে? অভিজ্ঞ ডাক্তারগণের রিচার্স ও পরীক্ষা নিরীক্ষায় একথাই প্রমাণিত হয় যে, পাকস্থলীর ৮০% রোগ দন্ত রোগের কারণেই হয়ে থাকে। আর এ রোগ নিরাময়ের একমাত্র উপায় হচ্ছে মেসওয়াক। মেসওয়াক করার সময় মুখ এমনিভাবে হিল্লোলিত হয় যা দ্বারা যেকোন পড়াশোনার মধ্যে পাওয়া যায় অনাবিল প্রশান্তি। অতএব, মেসওয়াক করা আমাদের জীবনে অত্যন্ত প্রয়োজন। (ইনকিলাব ২১.০৬.২০০৪ ইং)
নামাযের পূর্বে মেসওয়াক করা আমাদের প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা)-এর আদর্শসমূহের মধ্যে অন্যতম আদর্শ, আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে এটা আত্মিক ও শারীরিক উভয় দিকের উপকার সাধন করে। এ জন্য স্বয়ং মেসওয়াককে আত্মিক ইবাদতের মর্যাদা প্রদান করা হয়। এছাড়াও ইহাকে ইসলামী পবিত্রতার উপর চিন্তা-ভাবনার মাপকাঠিতে লক্ষ্য করলে স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের পন্থার চেয়েও উত্তম ও সমুজ্জ্বল হিসেবে দৃষ্টিগোচর হবে।
একজন মুসলমান পাঞ্জেগানা নামাযে প্রতিদিন পনের বার মুখ পরিষ্কার করে। সুতরাং মুসলিম নামাযী ব্যক্তির মুখ সর্বদা পরিষ্কার থাকে। নামাযীকে নামাযের মধ্যে মহান স্রষ্টা ও মালিকের সামনে উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রশংসা কীর্তন করতে হয়। এ কারণে মুখ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া একান্ত আবশ্যকীয় কাজ। মুখ পরিষ্কার না থাকলে দুর্গন্ধ আসে। সঙ্গের নামাযীও বিরক্ত ও ক্রুদ্ধ হতে পারেন। এছাড়াও ময়লা মুখ দ্বারা আল্লাহ পাকের প্রশংসা কীর্তন ও ইবাদত করার দ্বারা মানুষের মন মস্তিষ্কের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে এবং নামাযে খুশু খুজুও অর্জিত হয় না। যদি মেসওয়াক ও পানি দ্বারা মুখ উত্তমরূপে পরিষ্কার করা যায় তাহলে মুখে এমন রশ্মি তৈরি হয় যার দ্বারা কুরআন তিলাওয়াত ও প্রশংসা কীর্তনের মধ্যে স্বাদ ও আনন্দ সৃষ্টি হয়।
মুখ পরিষ্কার রাখার জন্য মেসওয়াক করতে থাকায় দাঁত মজবুত ও উজ্জ্বল হয়ে যায়। দাঁতের নানা রকমের রোগের আশংকা থাকে না। চোয়াল শক্ত হয়ে যায়। মানুষের আস্বাদন শক্তি বেড়ে যায়। তারা গলা ইত্যাদির রোগ বালাই হতে বেঁচে থাকে।
মেসওয়াক সম্পর্কে নিম্নে কতিপয় হাদীস উপস্থাপন করা হলো। মহানবী (সা) মেসওয়াকের উপর বেশি বেশি গুরুত্ব দিয়ে, মিসওয়াক করার জন্য কড়া নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং তিনি নিজেও বেশি বেশি মেসওয়াক করতেন এবং এর ওপর লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, মেসওয়াকের মধ্যে ১৫টি সৌন্দর্য রয়েছে। যেমন:
১. মহান আল্লাহ খুশী হন
২. শয়তান অসন্তুষ্ট হয়
৩. মহানবী (সা)-এর অন্যতম সুন্নাত
৪. মুখকে পাক-ছাপ করে
৫. মেসওয়াককারীকে ফেরেশতারা ভালোবাসে
৬. প্রশান্তি ও স্বস্তি অর্জিত হয়
৭. ক্ষতিগ্রস্ত চোখের রোগ দূর হয়ে যায়
৮. কফ কেটে যায়
৯. পরিচ্ছন্নতা সৃষ্টি হয়
১০. মুখ সুগন্ধিময় হয়ে যায়
১১. গরমের কষ্ট দূর হয়ে যায়
১২. দারিদ্র্য এবং সংকীর্ণতা দূর হয়ে যায়
১৩. দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়ে যায়।
১৪. মেসওয়াক করে যে নামায আদায় করা হয়, তার সাওয়াব ৭০ গুণেরও অধিক হয়।
১৫. মাথা ব্যথা দূর হয়ে যায়
আবু হুরায়রাহ (রা) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা) বলেছেন, মেসওয়াক করতে তোমরা কখনো অলসতা করো না, কেননা এটা মাড়ির দাঁতের ব্যথা দূর করে। এতে দাঁত উজ্জ্বল থাকে এবং এর ব্যবহারে স্মৃতিশক্তিও বেড়ে যায়।
মহানবী (সা) বলেছেন যে, জুমআর দিন মেসওয়াক করা সকল মুসলমানের জন্য আবশ্যক।
রাসূল (সা) বলেছেন যে, নবীদের গুণাবলীর মধ্যে মেসওয়াক করা হলো একটি বিশেষ গুণ।
নবী করীম (সা) আরও বলেছেন যে, খানা খাবার পর মেসওয়াক করা দু'জন কম বয়সী গোলাম আযাদ করার চাইতে উত্তম।
রাসূল (সা) বলেছেন যে, মেসওয়াক করে নামায আদায় করা ঐ নামাযের চেয়ে সত্তর গুণ সওয়াব বেশি, যে নামাযের পূর্বে অজু করা হয়নি।
নবী করীম (সা) বর্ণনা করেন যে, জিবরাঈল (আ) মেসওয়াকের গুরুত্ব ও ফযীলত এতোই বর্ণনা করেছেন যে, যেন ইহা আমার উম্মতের ওপর ফরয হয়ে যাবে।
মহানবী (সা) বলেছেন যে, তোমরা মেসওয়াক দ্বারা নিজেদের মুখ পাক ছাফ রাখ, কেননা এটি মুখের হক।
আয়েশা সিদ্দিকা (রা) বর্ণনা করেন: নবী করীম (সা) দিন বা রাতে যখনই শোয়া হতে উঠতেন, তখন অজু করার পূর্বে অবশ্যই মেসওয়াক করতেন।
(সুনানে আবু দাউদ, যিনি রাত্রি জাগরণ করেন তার মেসওয়াককরণ অধ্যায় পৃষ্ঠা নং ৫৭)
যায়েদ ইবনে খালিদ জুহানী (রা) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) নিজ ঘর হতে ততক্ষণ পর্যন্ত নামাযের জন্য বের হতেন না, যতক্ষণ না তিনি মেসওয়াক করতেন। (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ খ-২, পৃ. নং ২৬৬)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 মেসওয়াক : নতুন চিকিৎসা এবং আধুনিক বিজ্ঞান

📄 মেসওয়াক : নতুন চিকিৎসা এবং আধুনিক বিজ্ঞান


মেসওয়াক ও জীবাণু মেসওয়াক জীবাণু হত্যাকারী Anti Septic, এটা মুখ হতে দুর্গন্ধ দূর করে। এর ব্যবহারে মুখের ভেতরের জীবাণু মরে খতম হয়ে যায়। এভাবে মেসওয়াককারী ব্যক্তি মুখের যাবতীয় রোগ হতে রক্ষা পায়। নতুন গবেষণা অনুযায়ী কিছু এমন জীবাণুও হয় যা প্রচলিত ব্রাশ এবং পেস্ট দ্বারা দূর হয় না বরং সেগুলোকে শুধু মেসওয়াকই শেষ করতে পারে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 মেসওয়াক এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য

📄 মেসওয়াক এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য


চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল সাইন্স প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, মেসওয়াক দ্বারা মস্তিষ্কের শক্তি অর্জিত হয় এবং এর দ্বারা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য অটুট থাকে। মেসওয়াক করার দ্বারা মস্তিষ্ক সবল হয় এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত স্বাস্থ্যবান থাকে। যদি মেসওয়াক দ্বারা দাঁত পরিষ্কার না করা হয় তাহলে দাঁত দুর্গন্ধযুক্ত হয়। যার দ্বারা চোয়াল ও মাড়িতে পুঁজ সৃষ্টি হয়, বা মস্তিষ্কের রোগের কারণ হয় এবং এর দ্বারা হার্টের রোগও হয়ে থাকে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 মেসওয়াক এবং দাঁতের স্বাস্থ্য

📄 মেসওয়াক এবং দাঁতের স্বাস্থ্য


মানুষ খাদ্য খায়, পানি পান করে এবং বহু রকমের খাদ্য খেয়ে থাকে। আর খানার ছোট কণা দাঁতের মাঝে জমতে থাকে, যা সাধারণভাবে শুধু কুলি করার দ্বারা বের হয় না। এর দ্বারা দাঁতের মধ্যে দুর্গন্ধ জমা হয়ে থাকে, যা বহু রোগের পথ তৈরি হয়। উল্লেখ্য যে, এভাবে লোকের দাঁত ময়লাযুক্ত হলে খারাপ গন্ধ আসতে থাকে। নিকটে উপবেশনকারী ব্যক্তি খারাপ দৃষ্টিতে দেখে। এর সঙ্গে সঙ্গে তার দাঁতের সাথে মাড়িও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। মাড়িতে পুঁজ জমা হয়, যার দ্বারা অসহ্য রকমের ব্যথা শুরু হয়। এর প্রভাব শুধু দাঁতের উপরই পড়ে না বরং এই সমস্যা এবং পুঁজ আরও বড় হয়ে মাড়িও আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ সমস্যা আরও বড় হয়ে গলায়ও প্রভাব ফেলে থাকে। এর প্রভাবে গলা খারাপ হতে থাকে এবং সাথে সাথে সর্দি, কাশি, সর্দি-জ্বর ইত্যাদির প্রকোপ বেড়ে যায়। বুকের ছাতির উপর কফ তৈরি হওয়া শুরু হয়ে যায়। যার দ্বারা মস্তিষ্কও প্রভাবিত হয়। এর প্রভাবে দৃষ্টিশক্তি কমজোর হয়ে যায়। যখন চোখ খারাপ হয়ে যায় তখন এই পুঁজ এবং সমস্যার কারণে কান ও পাকস্থলীও প্রভাবিত হয়। এমনকি এসব জীবাণু দেহের উপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
ঐ দাঁতগুলো মেসওয়াক দ্বারা পরিষ্কার না করাতে মানব জীবনকে ধ্বংসের দিকেই নিয়ে যায়। জীবন তো স্বাস্থ্য ও সুস্থতার নাম। জীবনে যদি সুস্থতাই না থাকে তা হলে জিন্দেগীর মূল্য কোথায়? বৎস! মেসওয়াক ছাড়া উপায় নেই এবং মেসওয়াক ব্যতীত কখনোই পুঁজ, দূষণ ও কঠিন জীবাণু কখনো দূর হতে পারে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00