📄 উত্তম ব্যবস্থাপত্র
ডাক্তার হুলুক নূর বাকী নামাযের আত্মিক দিকের ওপর অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন, কিন্তু তিনি এর দৈহিক উপকারিতার দিকে দৃষ্টি দেননি। এভাবে তিনি লিখেছেন-
It today even materialits acknowledge that there can be no prescription other than prayer for the relief of joints.
অর্থ: আজ বস্তুবাদীরাও স্বীকার করে যে, জোড়ার ব্যথা হতে মুক্তির জন্য নামায ব্যতীত আর কোনো ব্যবস্থাপত্র নেই
📄 কেমিষ্ট্রির ব্যবস্থাপত্র
নামাযের ব্যায়াম যেমন বাইরের অঙ্গ সুনিপুণ সৌন্দর্য ও বৃদ্ধির মাধ্যম, এটা তেমনি এরূপ ভেতরের অঙ্গগুলো যেমন- হৃদয়, প্লীহা, জঠর, ফুসফুস, মগজ, অস্ত্র, পাকস্থলী, মেরুদণ্ডের হাড়, ঘাড়, বুক এবং দেহের সকল গ্লান্ড (Glands) ইত্যাদি সুদৃঢ় করে ও উন্নত করে এবং দেহের শিডিউল এবং সৌন্দর্য রক্ষা করে।
কিছু রোগ এরূপও আছে যেগুলো হতে নামায চালু করার দ্বারা রক্ষা পাওয়া যায়। কেননা নামায আদায়ের মাধ্যমে দেহে এসব রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ধারাবাহিকতায় ডাক্তার হাসান গজনবীর এ বাক্যগুলো চিন্তার খোরাক যোগায়। তিনি লিখেছেন-
In addition to saving us from the sins and elevating us to the heights of spirituality prayers are great help in maintaining our physical health. They keep our body active, help digestion and save us from nuscase and joint diseaes through regular balanced excs cise. They help the circulation of blood and also nitifate the bad effect of cholesterol. Prayers a vital role in acting as preventive measure against heart attack, Paralyses diabetes mellitus etc. Hearts patients should offer the five obligatory prayers regularly as they get the permission from their doctor to leave bad. (Islamic Medicine P. 68)
অর্থ : আমাদেরকে পাপ হতে রক্ষা করা এবং আধ্যাত্মিকতার উচ্চ শিখরে আরোহণ করানোর সাথে নামায আমাদের দৈহিক স্বাস্থ্য রক্ষায় বড় ধরনের সাহায্য করে। এটি আমাদের দেহকে সক্রিয় রাখে, হজমে সাহায্য করে আমাদেরকে জড়তা ও জোড়ার রোগ হতে নিয়মিত সুষম ব্যায়ামের দ্বারা রক্ষা করে। এটি রক্ত পরিসঞ্চালনে এবং কলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সালাত হার্ট এ্যাটাক, প্যারালাইসিস, ডায়াবেটিস মেলিটাস ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা উচিত, যেমনিভাবে তারা তাদের ডাক্তারদের নিকট খারাপ অবস্থা হতে উত্তরণের জন্য অনুমতি লাভ করে থাকেন। (প্রাগুক্ত)
পশ্চিমারা আজ হরেক রকমের ব্যায়াম করছেন যাতে তাদের দেহের কলেস্টেরল গড় মাত্রা সীমাতিক্রম না করে। এছাড়াও এদের দেহ সব প্রভাবশীল পন্থায় কাজ করে। তারা এ সত্যকে স্বীকার করে নিয়েছেন যে, নামায যা কোনোরূপ ব্যায়াম নয় অথচ তা নানারূপ ব্যায়ামের রূপ পরিগ্রহ করে। তা স্বাস্থ্যসম্মতও বটে। যেমন জার্মানের প্রসিদ্ধ পত্রিকা ডি হায়েফ- এ প্রসিদ্ধ জার্মান মান্যবর ও প্রাচ্যবিদ জাওয়াকীম ডি জুলদ এ সত্যকে প্রকাশ করেছেন তার লেখনীতে। তিনি লিখেছেন : যদি ইউরোপে নামাযের প্রচলন হতো তা হলে আমাদের দৈহিক ব্যায়ামের জন্য নতুন নতুন ব্যায়াম ও নড়াচড়া আবিষ্কার করার প্রয়োজন হতো না। (আল মাসালিহুল আমালিয়্যাহ লিল আহকামিশ শারইয়াহ পৃ. ৪০৬)