📄 নামাযের মধ্যে শেফা
আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত যে, একবার আমার পেটে ব্যথা হচ্ছিল তখন রাসূল (সা) আমার দিকে মনোযোগ দিয়ে ইরশাদ করেন, তোমার পেটে কি ব্যথা হচ্ছে? আমি বললাম, জ্বী হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! রাসূল (সা) ইরশাদ করলেন, দাঁড়াও এবং নামায আদায় কর। কেননা নামাযের মধ্যে শেফা (আরোগ্য) রয়েছে। (সুনানে ইবনে মাজা, চিকিৎসা অধ্যায়, খ-২, হাদীস নং ৩৪৫৮)
নবী করীম (সা)-এর বাণী এই সত্যকে প্রকাশ করে যে, নামায কায়েম করা শারীরিক রোগের জন্যও আরোগ্য তবে শর্ত এই যে, পূর্ণ আদবের সাথে নবী করীম (সা)-এর সুন্নাত অনুযায়ী আদায় করতে হবে।
📄 নামাযের প্রভাব
নামায দেহ এবং মনের স্বাস্থ্যের রক্ষা ও হিফাযতের ব্যাপারে আশ্চর্য রকমের প্রভাব রাখে এবং উভয়ের ক্ষতিকর বস্তু বের করে দেয়। দুনিয়াতে যত লোক আছে তার কোনো লোক যখন কোনো রোগ বিপদ ও সমস্যার শিকার হয় এর সঙ্গে নামায আদায়কারীর সংশ্লিষ্টতা কম হতে কম হয়ে থাকে এবং এর শেষ ফল সবদিক দিয়ে সংরক্ষিত ও নিরাপদ থাকে।
📄 রোগ হতে মুক্তি
ডাক্তার মুহাম্মদ আলমগীর খানের দৃষ্টিতে, নামায হতে যেমন আত্মিক আনন্দ এবং প্রশান্তি লাভ হয় ঐরূপ দৈনিক স্বাস্থ্যেরও বিষয়াদি মওজুদ আছে। নামাযের আরকান যদি উত্তমভাবে এবং নিয়মমতো আদায় করা যায়, তাহলে এর দ্বারা কয়েক প্রকারের শারীরিক রোগ হতেও মুক্তি অর্জন সম্ভব।
📄 বড় ইহসান
আল্লাহ তায়ালা পাঁচ ওয়াক্ত নামায আমাদের ওপর ফরয করে বড়ই ইহসান করেছেন, নামায যেখানে আমাদের আত্মিক উন্নতি এবং হৃদয়ের প্রশান্তি দান করে এবং খারাপ হতে ফিরিয়ে পবিত্রতার বৃত্তের মধ্যে প্রবেশ করায়, অনুরূপ শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যও নামায সাহায্যকারী বটে। শরীরকে দুরস্ত রাখতে, শিরার কষ্ট ও জোড়াগুলোর রোগ হতে বাঁচতে এবং খাদ্য হজম করার ক্ষেত্রে নামায অনেক প্রভাবশীল জিনিস। মানব স্বাস্থ্যের জন্য নামাযের একটি উপকারিতা এও যে এটি আমাদের রক্তের কলেস্টোরেল অর্থাৎ চর্বিকে কমানোর ক্ষেত্রে একটা সীমা পর্যন্ত কাজ করে।