📄 নামায এবং শারীরিক সুস্থতা
নামায হচ্ছে একটি উত্তম ব্যায়াম। দুর্বলতা, অলসতা এবং বেআমলের এ যুগে নামাযই এমন ব্যায়াম এবং ক্রীড়াশৈলী যার মাধ্যমে দুনিয়ার সকল দুঃখ কষ্ট দূর হতে পারে। তবে সেই নামায সঠিকভাবে আদায় করতে হবে।
নামাযের ব্যায়ামের মাধ্যমে দেহের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সৌন্দর্য যেমন বজায় থাকে তেমনি হৃৎপিণ্ড, লিভার, কিডনি, ফুসফুস, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, অস্ত্র, মেরুদণ্ড, ঘাড়, বুক এবং সকল প্রকার গ্লান্ড পুষ্টি ও সুস্থতা লাভ করে। নামায দেহকে সুডৌল এবং সৌন্দর্যমণ্ডিত করে।
নামায এমন একটি ব্যায়াম যার মাধ্যমে মানুষের আয়ু বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ অসাধারণ শক্তির অধিকারী হয়ে উঠে। নামাযের মাধ্যমে চেহারার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।
খেলাধুলা এবং ব্যায়ামের নানা রকম পদ্ধতি রয়েছে। বড়দের জন্যে এক রকম, ছোটদের জন্যে অন্যরকম, মহিলাদের জন্যে আবার আরেক রকম। কিন্তু নামায এমন একটি ব্যায়াম যা সকলের জন্যে এক সমান। যেকোনো বয়সের মানুষ নারী পুরুষ, শিশু, যুবক, বৃদ্ধ সকলের জন্যে নামায একই নিয়মে আদায় করতে হয়।
📄 নামায : আধুনিক বিজ্ঞান এবং মানব স্বাস্থ্য
যেভাবে রাসূল (সা) যাবতীয় আত্মিক শিক্ষার সাথে সাথে মানুষের দৈহিক স্বাস্থ্যেরও খুব কাছ হতে খুব খেয়াল রাখার ব্যাপারে সচেষ্ট থেকেছেন, এভাবে নামাযও আত্মিক শিক্ষার সাথে সাথে দৈহিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাব সৃষ্টিকারী ভূমিকা রাখে।
📄 নামাযের মধ্যে শেফা
আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত যে, একবার আমার পেটে ব্যথা হচ্ছিল তখন রাসূল (সা) আমার দিকে মনোযোগ দিয়ে ইরশাদ করেন, তোমার পেটে কি ব্যথা হচ্ছে? আমি বললাম, জ্বী হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! রাসূল (সা) ইরশাদ করলেন, দাঁড়াও এবং নামায আদায় কর। কেননা নামাযের মধ্যে শেফা (আরোগ্য) রয়েছে। (সুনানে ইবনে মাজা, চিকিৎসা অধ্যায়, খ-২, হাদীস নং ৩৪৫৮)
নবী করীম (সা)-এর বাণী এই সত্যকে প্রকাশ করে যে, নামায কায়েম করা শারীরিক রোগের জন্যও আরোগ্য তবে শর্ত এই যে, পূর্ণ আদবের সাথে নবী করীম (সা)-এর সুন্নাত অনুযায়ী আদায় করতে হবে।
📄 নামাযের প্রভাব
নামায দেহ এবং মনের স্বাস্থ্যের রক্ষা ও হিফাযতের ব্যাপারে আশ্চর্য রকমের প্রভাব রাখে এবং উভয়ের ক্ষতিকর বস্তু বের করে দেয়। দুনিয়াতে যত লোক আছে তার কোনো লোক যখন কোনো রোগ বিপদ ও সমস্যার শিকার হয় এর সঙ্গে নামায আদায়কারীর সংশ্লিষ্টতা কম হতে কম হয়ে থাকে এবং এর শেষ ফল সবদিক দিয়ে সংরক্ষিত ও নিরাপদ থাকে।