📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সচেতন মনোযোগ

📄 সচেতন মনোযোগ


এই ধ্যান আপনাকে শিক্ষা দেবে যে, নানা প্রকার মানসিক চাপের মধ্যে আপনার মস্তিষ্ক এবং দেহ কিভাবে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। আপনাকে বিছানার উপর বা চেয়ারের উপর সোজা হয়ে বসতে হবে তারপর শ্বাসগ্রহণ বর্জনের প্রতি মনযোগী হউন। দেহ এবং মস্তিষ্কের অবস্থা পর্যালোচনা করুন। দেখবেন ভয়ের চিন্তা এবং অসন্তুষ্টির চিন্তা আপনাকে কেমন নাখোশ করে সেটা দেখুন। এ পর্যালোচনায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসবে। সচেতনতার বোধ জাগ্রত হবে। আপনি প্রতিটি মুহূর্তকে এসময় উপলব্ধি করুন। দেখবেন আপনি কম হাসবেন এবং কম কথা বলবেন। যৌনতায় অধিক মনযোগী হবেন। মহিলাদের ক্ষেত্রেও একথা সত্য। এই ধ্যানে মানুষের মন থাকে শান্ত এবং তারা ঝগড়া বিবাদ হতে নিজেকে দূরে রাখে। হঠাৎ করে ক্ষেপে যাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 পায়চারির মাধ্যমে ধ্যান

📄 পায়চারির মাধ্যমে ধ্যান


ধীরে ধীরে হাঁটুন এবং সোজা পথে পায়চারি করুন। পথের সীমানা নির্ধারণ করবেন প্রায় ২০ ফুট। নিশ্বাস গ্রহণ এবং অনুভূতির প্রতি মনযোগ নিবদ্ধ করুন। ধীরে ধীরে পা তুলুন এবং মাটিতে রাখুন। চুপচাপ থাকুন। এতে আপনার উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্থিরতা কমে যাবে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 সর্বোত্তম ধ্যান

📄 সর্বোত্তম ধ্যান


সারাদিন কাজের ক্লান্তি এবং মানসিক চাপ কমানোর জন্য আল্লাহ যিকির হিসেবে আল্লাহু আকবর, ইয়া কাইউমু অথবা হে আল্লাহ! দয়া করো-এর যে কোনো একটি কথা নীরবে বা উচ্চস্বরে পনের হতে বিশবার লাগাতার পাঠ করুন। দিনে কয়েকবার এই আমল করুন। এতে আপনার দেহের সকল তৎপরতা শান্ত হয়ে যাবে এবং আপনি সারাদিন ভালো মুডে থাকবেন।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 চিন্তার একাগ্রতা

📄 চিন্তার একাগ্রতা


শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে আপনার মস্তিষ্ককে সঙ্গতিপূর্ণ করুন। আপনার দৈহিক ওজন কমান। এতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জীবাণুসমূহ স্থবির হয়ে যাবে। আপনি চিন্তা করতে থাকুন যে একটি সাদা আলো আপনার মাথা হতে পায়ের দিকে আসছে। আরো চিন্তা করুন সেই সাদা আলো আপনার দেহের প্রতিটি জিনিসকে বিগলিত করে দিচ্ছে। এ সময় মানসিক চাপকে আপনি মনে করুন নিষিদ্ধ বস্তু সেই বস্তু আপনার আঙ্গুল দিয়ে এবং মাথার চুল দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে। এ সময় নিঃশ্বাসের প্রতি আপনি মনযোগী হউন। আপনি চিন্তা করবেন যে প্রতিটি নিঃশ্বাস আপনাকে সুস্থতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আপনি যে কোনো রকম ধ্যানের অনুশীলন করতে পারেন। অনেককে দেখা যায়, কিছু দিন ধ্যান করার পর ধ্যান ত্যাগ করে। এতে প্রত্যাশিত উপকার পাওয়া সম্ভব হয় না। আপনি আপনার চিন্তাশক্তিকে কেন্দ্রীভূত করুন, দেখবেন ওতে পরিবর্তন আসছে। আপনার মস্তিষ্ক আপনার চিন্তাকে একদিক হতে অন্যদিকে নিয়ে যাবে। মস্তিষ্ককে একটি নির্দিষ্ট চিন্তায় কেন্দ্রীভূত রাখার জন্য অনেক মানুষকে বছরের পর বছর ধ্যান করতে হয়। ধ্যান জীবনকে শান্তিপূর্ণ করে। ভালোভাবে শিখতে হবে। নামায হচ্ছে ধ্যানের উৎকৃষ্ট প্রাথমিক পদ্ধতি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00