📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 আমেরিকার হাসপাতালে গবেষণা

📄 আমেরিকার হাসপাতালে গবেষণা


আমেরিকার একটি বৃহৎ হাসপাতালে ৯ হাজার রোগীকে ধ্যান করানো হয়েছে। এ সকল রোগীদের মধ্যে এইডস এর রোগী এবং সন্তান না হওয়া মহিলাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ধ্যানের অনুশীলন সেশন শেষ হওয়ার পর দেখা গেছে ৩৬ শতাংশ মহিলা গর্ভবতী হয়েছে এবং অন্য সকল রোগীদের সবাই শারীরিক মানসিক শান্তি অনুভব করেছে।
যারা বছরের পর বছর ধ্যান করে তাদের দেহে ডিএইচ ই এ হরমোন সাধারণ লোকদের চেয়ে বেশি থাকে। মানুষের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানব দেহে এই হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। এই শ্রেণীর লোক খুব কমই অসুস্থ হয় এবং হৃদরোগ হতে মুক্ত থাকে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 মানসিক রোগের চিকিৎসা

📄 মানসিক রোগের চিকিৎসা


উন্নত বিশ্বে বহু চিকিৎসক তাদের রোগীদেরকে ধ্যানের প্রতি আকৃষ্ট করছেন। এতে রোগীগণ খুব কম সময়ের মধ্যে ব্যথা বেদনা হতে মুক্তি লাভ করে। জখম হওয়া রোগীগণ ধ্যানের মাধ্যমে খুব কম সময়ে সুস্থ হয়ে উঠে।
শারীরিক সুস্থতার জন্য দেহে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকা অপরিহার্য। স্বাভাবিক রক্ত চলাচল দেহে অক্সিজেনের অভাব পূরণ করে এবং রোগের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। অসুস্থতা, জখম, ভয়, অস্থিরতা, মানসিক চাপ, ক্রোধ ইত্যাদির কারণে দেহে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল বিঘ্নিত হয়। দেহের হাড় স্বাভাবিক পুষ্টি পায় না। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক না হলে রোগীর মনে এ ভয় ঢুকে যায় যে, আমি কখনো সুস্থ হবো না। ধ্যান রোগীর মন হতে এসব অমূলক আশঙ্কা দূর করে এবং রোগীর দেহমনে শান্তি এনে দেয়। তার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। মানসিক রোগের রোগীগণও ধ্যানের মাধ্যমে মানসিক এবং শারীরিক শক্তি বৃদ্ধির অনুভূতি লাভ করে এবং সুস্থ বোধ করতে থাকে।
ধ্যান মানুষের কাজের ইচ্ছা এবং আগ্রহ বৃদ্ধি করে। ঐকান্তিক নিষ্ঠার সঙ্গে বছরে ১০ দিন ধ্যান করুন। অচিরেই আপনি এর সুফল অনুভব করতে সক্ষম হবেন। এই ১০ দিনের ধ্যানে একঘণ্টা নিশ্চল নির্জীব হয়ে বসে থাকতে হবে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা

📄 বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা


মানসিক চাপের রোগীদের উপর ধ্যানের অনুশীলন করা হয়েছে। এই শ্রেণীর রোগীগণ নেতিবাচক চিন্তার কারণে মানসিক চাপ বাড়াতে থাকে। কেউ যদি নেতিবাচক চিন্তা পরিহার করে এবং বিশেষ কোনো বিষয়ে মনযোগকে কেন্দ্রীভূত করে তাহলে সে মানসিক শান্তি লাভে সক্ষম হবে। ধীরে ধীরে সে সুস্থ হয়ে উঠবে।
বিশেষজ্ঞগণের অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত হয়েছে যে, গভীর নিষ্ঠার সঙ্গে কেউ যদি ধ্যান করে তাহলে অস্থিরতা, ভয়-ভীতির অনুভূতি কমে যায়। ধ্যানের শক্তি মানসিক চাপের রোগীদের সুস্থ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ শক্তি বৈজ্ঞানিক নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। আপনি যদি আকস্মিক দুর্ঘটনা বা আকস্মিক কোনো কষ্টকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন তখন আপনার মস্তিষ্ক সঙ্গে সঙ্গে এডরেনাল গ্লান্ডকে হরমোন সরবরাহ করার জন্য ইঙ্গিত দেয়। এতে আপনার মন ভারী হয়ে যায়, রক্ত চলাচল বেড়ে যায়, নিঃশ্বাস বড় হয়ে যায়, নিঃশ্বাস দ্রুততর হয়, দেহের হাড়ে খিঁচুনি দেখা দেয়, রক্ত চলাচল কমে যায়, আপনি ঘেমে একাকার হয়ে যান। মস্তিষ্ক যখন শান্ত থাকে তখন দেহও থাকে শান্ত। মস্তিষ্ক শান্ত থাকলে মনের ভেতরের যুদ্ধ থেমে যায়। আপনি যদি ধ্যানে অভ্যস্ত হন তাহলে উপরোক্ত পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে খুব শীঘ্র নিজের উপর আপনার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 এ কাজ খুব সহজ

📄 এ কাজ খুব সহজ


ধ্যান কোনো অলৌকিক অপার্থিব বিষয় নয় এবং চিকিৎসার বিকল্প নয়। ধ্যানের মাধ্যমে যৌনরোগ ভালো করা যায় না, শারীরিক রোগের নিরাময়ও ধ্যানের মাধ্যমে সম্ভব নয়। ধ্যানের মাধ্যমে তারাই উপকার পেতে পারে যারা উপকার পেতে চায়। ধ্যানের দ্বারা কারো ক্ষতি হয় না এবং ধ্যানের আমল খুব সহজ। এতে কোনো ওষুধের প্রয়োজন নেই। ধ্যানের কোনো সুদূর প্রসারী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। প্রতিষ্ঠিত মানুষ ধ্যান করতে পারে।
প্রতিদিন আপনি বিশ মিনিট করে ধ্যান করুন। এটা আপনার জন্য খুব সহজ হবে। এতে আপনার চিন্তা কেন্দ্রীভূত থাকবে। সমস্যা সমাধানে আপনি শক্তি পাবেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপনি শান্তিতে থাকবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে কোনো মানুষ যদি মানসিক চাপের মধ্যে থাকে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম না হয় তাহলে ধ্যানের মাধ্যমে এ দুই সমস্যার সমাধান পাবে। ধ্যান আপনার মনে আনন্দ সঞ্চার করবে। আনন্দের অনুভূতি আপনার মনে জাগিয়ে তুলবে। আনন্দিত হওয়ার মতো কারণ থাকলেই মানুষ আনন্দিত হয়। যেমন ভালো চাকরি পাওয়া ইচ্ছা অনুযায়ী কোনো জিনিস কিনতে পারা। অকারণ খুশী বা অকারণ আনন্দকে আপনি যে কোনো নাম দিতে পারেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00