📄 চক্ষুরোগ হতে বাঁচুন
আপনাদের ঘরে কারো চোখে ব্যথা হলে আপনারা চোখে পানির ছিটা দেয়ার পরামর্শ দেন। এটা একটা ভালো ব্যবস্থা, অথচ এ ব্যবস্থা প্রত্যেক মুসলমানের অজুর মধ্যে নিহিত আছে, এর মাধ্যমে চোখের অসুখ কমে যায়। চোখে পানি দেয়া হলে ধোঁয়া, ধুলোবালি ধুয়ে যায়। ধুলোবালি, ধোঁয়া নাক চোখকে প্রভাবিত করে। পানি দিয়ে ধোয়া হলে চোখ নানা রকম অসুখ হতে রক্ষা পায়।
📄 চোখ, পানি ও স্বাস্থ্য
ইউরোপের একজন ডাক্তার চোখ, পানি ও স্বাস্থ্য নামে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। সেই প্রবন্ধে তিনি প্রতিদিন কয়েকবার পানি দিয়ে চোখ ধোয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি লিখেছেন, তোমরা প্রতিদিন একাধিকবার মুখ ধোও, তা না হলে তোমরা মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হবে। অথচ ইহা মুসলমানেরা অজুর মাধ্যমে দিনে কমপক্ষে পাঁচবার করছেন।
📄 অজুর বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ
ইঞ্জিয়ার নকশেবন্দী তার রচিত 'মাওয়ায়েছে' লিখেছেন, মহানবী (সা) প্রতিদিন সকালে ঘুম হতে উঠে অজু করতেন। বর্তমানে বিজ্ঞানীদের যুগে বলা হয়েছে, ঘুমোবার পর চোখের পাতা বন্ধ হয়ে যায়, ফলে চোখে পিচুটি জমে। এতে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থা হতে পরিত্রাণের উপায় হচ্ছে ঘুম হতে উঠেই চোখে পানির ছিটা দিতে হবে। যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের জন্যে উঠবে এবং অজু করবে, তারপর ফজরের জন্যে উঠবে এবং অজু করবে, এভাবে একাধিকবার অজু করা হলে চোখের রোগ ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া মুখমণ্ডল ধোয়া হলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপকার হয়।
📄 অজু ও রক্তচাপ
শরীয়তে আদেশ রয়েছে, তোমরা রাগান্বিত হলে অজু করবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, যখন রক্তচাপ বেড়ে যাবে তখন অজু করবে। এ উভয় বিধান লক্ষ্য করলে গবেষণার নতুন পথ খুলে যায়। ক্রোধের সময় রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। হৃদরোগের কারণে যখন উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয় তখন অজু করা হলে রক্তচাপ কমে যায়।