📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 বুখারী ও মুসলিম শরীফের বর্ণনা

📄 বুখারী ও মুসলিম শরীফের বর্ণনা


বর্ণিত আছে, কোনো বাড়িতে কারো আকস্মিক মৃত্যু হলে আয়েশা সিদ্দীকা (রা) তালবিনার বুন্দিয়া রান্নার জন্য নির্দেশ দিতেন। সেমতে তালবিনা পাকানো হতো, আর মা আয়েশা (রা) নিজ হাতে গোশত ও রুটির টুকরো এক সাথে মিশ্রিত করে সরীদ তৈরি করতেন এবং সরীদের মধ্যে তালবিনা মিশ্রিত করে বলতেন, "তোমরা এটা খাও।" কারণ- আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, তালবিনা রুগীদের মনে প্রশান্তি আনে এবং মৃত্যু শোক দূর করে। (বুখারী হা/৫৪১৭, মুসলিম হা/৫৯০০)
রাসূল (সা) রুগীদের জন্য জবকে একটা উত্তম পথ্য, পেটের পিড়ার একটি উপকারি ঔষধ এবং দুর্বলতায় বিশেষ শক্তিবর্ধক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বর্তমান সভ্যতার ক্রমবর্ধমান উন্নতির পাশাপাশি খাদ্যসহ বিভিন্ন জিনিসের মোড়ক ও প্রকাশের মাধ্যমও পরিবর্তিত হয়েছে। হরলিক্সা, মালটোভা ইত্যাদি এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। রাসূল (সা)-এর সময়ে জবের ছাতু পেটের পীড়া, দুর্বলতা, সহজেই হজম হয়, এমন খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হতো। যা জব কিংবা মিষ্টি মিশ্রিত খাদ্যের সমন্বয়ে তৈরি করা হতো। বর্তমানে হরলিক্স কিংবা মালটোভার তৈরির উপাদানও গম কিংবা জব যা শারীরিক দুর্বলতা ও হজমী দুর্বলতায় ব্যবহৃত হয়। অথবা রোগগ্রস্ত দুর্বল ব্যক্তিকে কিংবা রোগ থেকে আরোগ্য লাভের পর হরলিক্স/মালটোভা খাওয়ার অন্য পরামর্শ দেয়া হয়। সর্বোপরি এটা একদিকে যেমন খাদ্য, অপরদিকে তেমনি শোকের প্রতিষেধকও বটে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00