📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 লাউ

📄 লাউ


খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলেন যে, লাউ বা লাউ জাতীয় কোনো সবজি বেশি বেশি খেলে পেট ও মাথা ঠান্ডা থাকে। তারা আরও বলেন যে, লাউ পেটের জন্য খুব উপকারী সবজি এবং যে কোনো পেটের পীড়ায় লাউ খেলে পেটের জন্য অবশ্যই উপকার হবে। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন যে, নিয়মিত লাউ খেলে তার পেটে কোনো রোগ থাকবে না এবং লাউ ডায়েরিয়া রোগীর এক বিশেষ ঔষধ।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই, পৃথিবীর মানুষদেরকে লাউ-এর প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য তিনি বেশি বেশি লাউ খেতে উৎসাহ দিয়ে গেছেন। এবং আল্লাহ তায়ালাও তাকে অনুসরণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ.
অর্থ : বলুন! যদি তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভালবাস তবে তোমরা আমাকে অনুসরণ কর। তাহলে আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপ কাজগুলোকে ক্ষমা করে দিবেন। (সূরা আলে-ইমরান : আয়াত-৩১)
حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ اسْمَعِيلَ بْنَ أَبِي خَالِدٍ عَنْ حَكِيمِ بْنِ جَابِرٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ فِي بَيْتِهِ وَعِنْدَهُ هُذِهِ الدُّبَّاءُ فَقُلْتُ أَيُّ شَيْءٍ هَذَا قَالَ هَذَا الْقُرْعُ هُوَ الدُّبَّاءُ نُكْثِرُ بِهِ طَعَامُنَا.
অর্থ : জাবির (রা) তার পিতা হতে হাদীস বর্ণনা করে বলেন, আমি মহানবী (সা)-এর বাড়িতে গেলাম এবং তাঁর নিকট লাউ দেখতে পেলাম। অতঃপর আমি বললাম, এটা কি? তখন মহানবী (সা) বললেন, এটা লাউ যা আমরা বেশি বেশি পরিমাণে খাদ্য হিসেবে খেয়ে থাকি। (সুনানে ইবনে মাজা হা/৩৩০৪, ২য় খণ্ড ২৩৭ পৃ. আবুওয়াবু আতআমা)
সুতরাং প্রতীয়মান হয় যে, লাউ-এর উপকারিতা সম্পর্কে মহানবী (সা) জানতেন, তাই তিনি ইহা বেশি বেশি ভক্ষণ করেছেন এবং পৃথিবীর মানুষদেরকে খাওয়ার জন্য উৎসাহ দিয়ে গেছেন। যা বর্তমান যুগের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন।

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 লবণ

📄 লবণ


খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলেন, মানুষের যখন তীব্র ক্ষুধা লাগে, তখন দেহের আভ্যন্তরীণ পিত্তথলী হতে এক প্রকার বিষাক্ত তিক্ত রস নির্গত হয় এবং ইহা এসে তার মুখের জিবের মধ্যে অবস্থান করে। তাই যদি কোনো মানুষ তার তীব্র ক্ষুধার মধ্যে কোনো খাদ্য- দ্রব্য খাওয়ার পূর্বে তার জিবে একটু লবণ দেয়, তখন তার উক্ত লবণ খাওয়ার দ্বারা তার জিবের উক্ত বিষাক্ত রসের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে তখন সে যে খাদ্য-দ্রব্য খায় তাতে তার বেশ মজা লাগে এবং সে তৃপ্তি সহকারে খেতে পারে এবং সে খাদ্য অতি সহজেই তার পেটে গিয়ে হজম হয়। তাই উক্ত খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সকলকেই তার খাদ্য খাওয়ার পূর্বে তার জিহ্বায় একটু লবণ দিতে বলেন।
এছাড়াও খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা আরো বলেন, তরকারি রান্না করার সময়, ইহার পানিতে মাছ, গোশত, শাক, সব্জী, হলুদ, মরিচ, পিঁয়াজ ও রসুনের বিষাক্ত ও দূষিত পদার্থগুলো পরস্পর একত্র হয়ে মিশে যায় এবং সমস্ত তরকারিই তখন স্বাদহীন হয়ে যায়। তাই তখন উক্ত তরকারিকে সুস্বাদু ও মজাদার করার জন্য প্রধান ভূমিকা রাখে একমাত্র লবণ। তাই বিজ্ঞানীরা বলেন, তরকারিকে সুস্বাদু করার মূল মন্ত্র হচ্ছে লবণ। এ জন্য লবণের বিকল্প নেই। অতএব দেখা যায় দেহকে সংরক্ষণের জন্যও লবণের ভূমিকা অপরিসীম।
অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই লবণের গুরুত্ব সম্পর্কে হাদীস বলে গেছেন, রোগের ঔষধ, এবং লবণ হচ্ছে তরকারিকে সুস্বাদু করার জন্য মূল মন্ত্র। যেমন এ সম্পর্কে মহানবী (সা)- এর একটি হাদীস বর্ণনা করা হলো-
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ أَبِي عِيسَى عَنْ رَجُلٍ أَرَاهُ مُوسَى عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ سَيِّدُ إِدَامِكُمُ الْمِلْحُ . (ابن ماجه جلد الثاني صفه ۲۳۸ ابواب الاطعمة)
অর্থ: আনাস বিন মালিক (রা) বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, লবণ হচ্ছে তোমাদের তরকারির মূলমন্ত্র।
(ইবনে মাজা হা/৩৩১৫, ২য় খণ্ড ২৩৮ পৃ. আবওয়াবুল আতুআমা।) হাদীসটি যয়ীফ

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 খাদ্যের পুষ্টি

📄 খাদ্যের পুষ্টি


হিন্দু ধর্মের একজন বিখ্যাত খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানী বলেছেন যে, কোনো প্লেটে কোনো রসালো খাদ্য দ্রব্য খাওয়ার পর, উক্ত খাদ্য দ্রব্যের পলি স্যাকারাইজ নামে খাদ্যের মৌলিক ভিটামিন, উক্ত খাদ্য দ্রব্যের প্লেটের তলায় ও তার আঙ্গুলের মাথায় এসে জমা হয়ে থাকে। তাই তিনি প্রত্যেক মানুষকে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন যে, কোনো মানুষ যখন কোনো প্লেটে কোনো রসালো খাদ্য দ্রব্য খায়, তখন যেন সে তা খাওয়ার পর তার আঙ্গুল ও উক্ত প্লেটের তলা খুব ভালো করে চেঁটে খায়। তাহলে তার দেহে উক্ত খাদ্যের মৌলিক ভিটামিন প্রবেশ করবে এবং তার দেহের দৈহিক উপকার সাধন করবে।
এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানী প্রমাণ করে বলেছেন যে, কোনো প্লেটে কোনো রসালো খাদ্য দ্রব্য রেখে খাওয়ার পর উক্ত প্লেটের তলা ও আঙ্গুল চেঁটে খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
আরো অন্যান্য খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলেন যে, কোনো প্লেটে কোনো রসালো খাদ্য দ্রব্য রেখে খাওয়ার পর তাই খাদ্য দ্রব্যের মৌলিক উপাদানগুলো উক্ত প্লেটের তলায় জমা হয়ে থাকে। উক্ত প্লেটে খাদ্য দ্রব্য খাওয়ার পর তার মধ্যে পানি দ্বারা হাত ধুলে তাতে উক্ত খাদ্য দ্রব্যের মৌলিক উপাদানগুলো পানিতে মিশে যায় এবং সেই পানির কিছু অংশ চোখে দিলে চোখের দৃষ্টিশক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে। অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানীদের বহুপূর্বেই তাদের দেয়া উক্ত রসালো খাদ্যদ্রব্য প্লেটে রেখে খাওয়ার পর তার তলের অংশ ও তার আঙ্গুল চেঁটে খাওয়ার নির্দেশ দিয়ে হাদীস বলে গেছেন। যেমন-
عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ مَا أَمَرَ بِلَعِقِ الْأَصَابِعِ وَالصُّحْفَةُ ، وَقَالَ أَنَّكُمْ لَا تَدْرُونَ فِي أَيَّةِ الْبَرْكَةِ - ترمذى جلد الثاني صفه ২ کتاب الاطعمة)
অর্থ: জাবির (রা) হতে বর্ণিত। নিশ্চয় মহানবী (সা) খাদ্য খাওয়ার পর আঙ্গুল ও উক্ত খাওয়ার প্লেট চেঁটে খাওয়ার জন্য আদেশ করেছেন এবং এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, খাদ্যদ্রব্য খাওয়ার পর আঙ্গুল ও প্লেট চেঁটে খাওয়ার মধ্যে অনেক বরকত বা উপকার রয়েছে যা তোমরা জান না। (মুসলিম- হা/৫৪২০)

📘 পরিবেশ ও স্বাস্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মদ সাঃ > 📄 গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কিছু টিপস

📄 গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কিছু টিপস


* আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা) ইরশাদ করেছেন- আমার নিকট নেফাস ওয়ালী মহিলাদের খেজুর সমতুল্য কোনো শেফা (রোগমুক্তি) নেই এবং রোগীর জন্য মধুতুল্য কোনো জিনিস নেই।
* রাসূল (সা) ইরশাদ করেছেন, "নেফাসের অবস্থায় স্বীয় স্ত্রীদেরকে খেজুর খাওয়াও। কেননা, মরিয়ম (আ) থেকে যখন ঈসা (আ) আল্লাহ তা'আলার ইলমের চেয়ে কোনো উত্তম খাদ্য থাকতো তবে তিনি তারই ব্যবস্থা করবেন।
* রাসূল (সা) ইরশাদ করেছেন, নেফাসের মধ্যে নারীদের খাদ্য তালিকায় তাজা খেজুর অথবা শুকনা খেজুর থাকে, তার সন্তান হয় অত্যন্ত সহনশীল (নযহাতুল মজলিশ দ্বিতীয় খণ্ড)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00