📄 খেজুরের পুষ্টিগুণ
১০০ গ্রাম খেজুরে নিম্নোক্ত খাদ্য উপাদান বিদ্যমান
১. প্রোটিন: ২ গ্রাম।
২. কার্বোহাইড্রেট: ২৪ গ্রাম।
৩. ক্যালরী: ২ ক্যালরী
৪. সোডিয়াম: ৪.৭০ মিলি গ্রাম।
৫. পটাসিয়াম: ৭৫৪ মিলি গ্রাম।
৬. ক্যালসিয়াম: ৬৭.৯০ মিলি গ্রাম।
৭. ম্যাগনেসিয়াম: ৫৮.৯০ মিলি গ্রাম।
৮. কপার: ০.২১ মিলি গ্রাম।
৯. আয়রণ: ০.৬১ মিলি গ্রাম।
১০. ফসফরাস: ৬৩৮ মিলি গ্রাম।
১১. সালফার: ৫১.৬০ মিলি গ্রাম।
১২. ক্লোরিন: ২৯০ মিলি গ্রাম।
১০০ গ্রাম খেজুরে নিম্নোক্ত খাদ্য উপাদান বিদ্যমান
১. প্রোটিন: ২ গ্রাম।
২. কার্বোহাইড্রেট: ২৪ গ্রাম।
৩. ক্যালরী: ২ ক্যালরী
৪. সোডিয়াম: ৪.৭০ মিলি গ্রাম।
৫. পটাসিয়াম: ৭৫৪ মিলি গ্রাম।
৬. ক্যালসিয়াম: ৬৭.৯০ মিলি গ্রাম।
৭. ম্যাগনেসিয়াম: ৫৮.৯০ মিলি গ্রাম।
৮. কপার: ০.২১ মিলি গ্রাম।
৯. আয়রণ: ০.৬১ মিলি গ্রাম।
১০. ফসফরাস: ৬৩৮ মিলি গ্রাম।
১১. সালফার: ৫১.৬০ মিলি গ্রাম।
১২. ক্লোরিন: ২৯০ মিলি গ্রাম।
📄 খেজুরের অন্যান্য উপকারিতা
ভেষজ চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, খেজুরের প্রথম উপকার হলো অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ইহা ব্যবহৃত হয়। ইহা হৃদযন্ত্রে দুবর্লতায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। রুচিবর্ধক, স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। ইহা রক্তবর্ধক। হৃদযন্ত্রের দুর্বলতায় ইহা বিশেষ উপকারী।
ভেষজ চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, খেজুরের প্রথম উপকার হলো অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ইহা ব্যবহৃত হয়। ইহা হৃদযন্ত্রে দুবর্লতায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। রুচিবর্ধক, স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। ইহা রক্তবর্ধক। হৃদযন্ত্রের দুর্বলতায় ইহা বিশেষ উপকারী।