📄 খেজুর ও মাখন
বুসর সুলামী (রা)-এর দুই পুত্র আতিয়া (রা) এবং আব্দুল্লাহ (রা) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, "আমাদের নিকট রাসূল (সা) তাশরীফ আনলেন। আমরা রাসূল (সা)-এর সামনে তাজা খেজুর এবং মাখন রাখলাম। রাসূল (সা) মাখন এবং তাজা খেজুর পছন্দ করতেন। (মিশকাত, যাদুল মাআদ, ৩য় খণ্ড)
বুসর সুলামী (রা)-এর দুই পুত্র আতিয়া (রা) এবং আব্দুল্লাহ (রা) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, "আমাদের নিকট রাসূল (সা) তাশরীফ আনলেন। আমরা রাসূল (সা)-এর সামনে তাজা খেজুর এবং মাখন রাখলাম। রাসূল (সা) মাখন এবং তাজা খেজুর পছন্দ করতেন। (মিশকাত, যাদুল মাআদ, ৩য় খণ্ড)
📄 কিতাবুল মুফরাদের উদ্ধৃতি
খেজুরের মেজাজ বা স্বভাব বা প্রকৃতি উষ্ণ ও গরম। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যোপাদন রয়েছে। এটা রক্ত উৎপাদনকারী। হজম শক্তি বর্ধক যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক। কাম শক্তি বৃদ্ধিকরণ। মুখে রুচি আনয়নকারী প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষাঘাত এবং এ ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খুবই উপকারী। খেজুরের বীচিও রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ইহা পাতলা পায়খানা বন্ধ করে। পোড়া খেজুর বীচির চূর্ণ প্রবাহিত রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে। এ চূর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়। (কিতাবুল মুফরাদাত: খাওয়াসুল আদভিয়া পৃষ্ঠা নং-৩৩৮) খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে। শুষ্ক কাশি এবং এ্যাজমা রোগে উপকারী। (সিহহত ও যিন্দেগী, পৃঃ ১২৪)
খেজুরের মেজাজ বা স্বভাব বা প্রকৃতি উষ্ণ ও গরম। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যোপাদন রয়েছে। এটা রক্ত উৎপাদনকারী। হজম শক্তি বর্ধক যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক। কাম শক্তি বৃদ্ধিকরণ। মুখে রুচি আনয়নকারী প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষাঘাত এবং এ ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খুবই উপকারী। খেজুরের বীচিও রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ইহা পাতলা পায়খানা বন্ধ করে। পোড়া খেজুর বীচির চূর্ণ প্রবাহিত রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে। এ চূর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়। (কিতাবুল মুফরাদাত: খাওয়াসুল আদভিয়া পৃষ্ঠা নং-৩৩৮) খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে। শুষ্ক কাশি এবং এ্যাজমা রোগে উপকারী। (সিহহত ও যিন্দেগী, পৃঃ ১২৪)
📄 খেজুরের প্রকারভেদ
খেজুর বিভিন্ন প্রকার রয়েছে। এগুলোর রং আকার-আকৃতি, স্বাদ এবং গুণগত মানে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। যেমন-আম্বরী (উত্তম ধরনের খেজুর) বরণী, জাবী, জালী কালমাহ, শাকাবী, আজওয়া ও সুখখাল (এই খেজুরের শুধু বীচি কাজে লাগে) ইত্যাদি এছাড়া সবাখখাল খেজুর রয়েছে। এর মেজাজ উষ্ণ ও শুষ্ক প্রকৃতির। এটাকে বীচিহীন মনে করা হয়। আম্বর খেজুর আকারে বড়, সুস্বাদু এবং দামী খেজুর। "তামার” খেজুরকে শুকনা খেজুরকে বলা হয়। রাসূলে (সা) এই খেজুরকে পছন্দ করতেন।
খেজুর বিভিন্ন প্রকার রয়েছে। এগুলোর রং আকার-আকৃতি, স্বাদ এবং গুণগত মানে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। যেমন-আম্বরী (উত্তম ধরনের খেজুর) বরণী, জাবী, জালী কালমাহ, শাকাবী, আজওয়া ও সুখখাল (এই খেজুরের শুধু বীচি কাজে লাগে) ইত্যাদি এছাড়া সবাখখাল খেজুর রয়েছে। এর মেজাজ উষ্ণ ও শুষ্ক প্রকৃতির। এটাকে বীচিহীন মনে করা হয়। আম্বর খেজুর আকারে বড়, সুস্বাদু এবং দামী খেজুর। "তামার” খেজুরকে শুকনা খেজুরকে বলা হয়। রাসূলে (সা) এই খেজুরকে পছন্দ করতেন।
📄 খেজুরের পুষ্টিগুণ
১০০ গ্রাম খেজুরে নিম্নোক্ত খাদ্য উপাদান বিদ্যমান
১. প্রোটিন: ২ গ্রাম।
২. কার্বোহাইড্রেট: ২৪ গ্রাম।
৩. ক্যালরী: ২ ক্যালরী
৪. সোডিয়াম: ৪.৭০ মিলি গ্রাম।
৫. পটাসিয়াম: ৭৫৪ মিলি গ্রাম।
৬. ক্যালসিয়াম: ৬৭.৯০ মিলি গ্রাম।
৭. ম্যাগনেসিয়াম: ৫৮.৯০ মিলি গ্রাম।
৮. কপার: ০.২১ মিলি গ্রাম।
৯. আয়রণ: ০.৬১ মিলি গ্রাম।
১০. ফসফরাস: ৬৩৮ মিলি গ্রাম।
১১. সালফার: ৫১.৬০ মিলি গ্রাম।
১২. ক্লোরিন: ২৯০ মিলি গ্রাম।
১০০ গ্রাম খেজুরে নিম্নোক্ত খাদ্য উপাদান বিদ্যমান
১. প্রোটিন: ২ গ্রাম।
২. কার্বোহাইড্রেট: ২৪ গ্রাম।
৩. ক্যালরী: ২ ক্যালরী
৪. সোডিয়াম: ৪.৭০ মিলি গ্রাম।
৫. পটাসিয়াম: ৭৫৪ মিলি গ্রাম।
৬. ক্যালসিয়াম: ৬৭.৯০ মিলি গ্রাম।
৭. ম্যাগনেসিয়াম: ৫৮.৯০ মিলি গ্রাম।
৮. কপার: ০.২১ মিলি গ্রাম।
৯. আয়রণ: ০.৬১ মিলি গ্রাম।
১০. ফসফরাস: ৬৩৮ মিলি গ্রাম।
১১. সালফার: ৫১.৬০ মিলি গ্রাম।
১২. ক্লোরিন: ২৯০ মিলি গ্রাম।