📄 কাঁকড়ীর উপকারিতা
রাসূল (সা)-এর খাওয়ার এই পদ্ধতিটি নিঃসন্দেহে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত। رطب ,পাকা তরু-তাজা খেজুরকে বলে। কাঁচা হোক বা শুকনা হোক খেজুরের মেজাজ বা প্রকৃতি বা তাপমাত্রা গরম বা উষ্ণ হয়ে থাকে। অপরদিকে কাকড়ীকে আরবিতে কিসসা বলা হয়।
মূলত: কাকড়ী আদ্র ও শীতল প্রকৃতির হয়ে থাকে। এ কারণে রাসূল (সা) খেজুরের উষ্ণ বা গরম স্বভাব বা মেজাজকে সমতায় আনায় জন্য এর সাথে শীতল-আদ্র প্রকৃতি বা মেজাজের খাদ্য কাকড়ী ফল সঙ্গে খেতেন।
ইহা ফল ও সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটা পিপাসা, গরম, জ্বালা-যন্ত্রণা এবং রক্তের চাপ ইত্যাদি কমিয়ে দেয়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বর্তমানে প্রস্রাব বর্ধক ঔষধ ব্যবহার করা হয়। এর ফলে শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীরের খনিজ উপাদান। যেমন-সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি বের হয়ে যায় এবং রক্তের চাপ কমে যায়। কাকড়িও প্রস্রাব বৃদ্ধির মাধ্যমে একইভাবে রক্তের চাপ কমিয়ে দেয়। কাকড়ি দ্রুত হজম হয়। (হায়াতে জিন্দেগী-১১৪৪)
কাকড়ি অন্তরে শান্তি বা শীতলতা আনয়ন করে। প্রস্রাব সৃষ্টি করে। প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণা দূর করে। মূত্র দ্বার দিয়ে পূঁজ, রক্ত ইত্যাদি নির্গত হওয়া বন্ধ করে। মূত্রাশয়ের পাথর এবং মূত্রথলীর জন্য বিশেষ উপকারী। (কিতাবুল মুফরাদাত: খাওয়াসুল আদভিয়া, পৃষ্ঠা নয়-২৭৮)
📄 কাকড়ীর মধ্যে নিম্নোক্ত খাদ্যোপাদান বিদ্যমান
১. পানির পরিমাণ শতকরা : ৭৫.৬ ভাগ
২. প্রোটিন-শতকরা -১/২ ভাগ
৩. শ্বেতসার শতকরা : ২/৩ ভাগ
এছাড়াও ফ্যাটি এসিড, বিভিন্ন প্রকার খনিজ লবণ যেমন পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, সালফার, লাইম ইত্যাদি বিদ্যমান। (সিহহাত আওর তন্দুরস্তী, পৃষ্ঠা ২০)
📄 খেজুর ও মাখন
বুসর সুলামী (রা)-এর দুই পুত্র আতিয়া (রা) এবং আব্দুল্লাহ (রা) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, "আমাদের নিকট রাসূল (সা) তাশরীফ আনলেন। আমরা রাসূল (সা)-এর সামনে তাজা খেজুর এবং মাখন রাখলাম। রাসূল (সা) মাখন এবং তাজা খেজুর পছন্দ করতেন। (মিশকাত, যাদুল মাআদ, ৩য় খণ্ড)
বুসর সুলামী (রা)-এর দুই পুত্র আতিয়া (রা) এবং আব্দুল্লাহ (রা) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, "আমাদের নিকট রাসূল (সা) তাশরীফ আনলেন। আমরা রাসূল (সা)-এর সামনে তাজা খেজুর এবং মাখন রাখলাম। রাসূল (সা) মাখন এবং তাজা খেজুর পছন্দ করতেন। (মিশকাত, যাদুল মাআদ, ৩য় খণ্ড)
📄 কিতাবুল মুফরাদের উদ্ধৃতি
খেজুরের মেজাজ বা স্বভাব বা প্রকৃতি উষ্ণ ও গরম। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যোপাদন রয়েছে। এটা রক্ত উৎপাদনকারী। হজম শক্তি বর্ধক যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক। কাম শক্তি বৃদ্ধিকরণ। মুখে রুচি আনয়নকারী প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষাঘাত এবং এ ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খুবই উপকারী। খেজুরের বীচিও রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ইহা পাতলা পায়খানা বন্ধ করে। পোড়া খেজুর বীচির চূর্ণ প্রবাহিত রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে। এ চূর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়। (কিতাবুল মুফরাদাত: খাওয়াসুল আদভিয়া পৃষ্ঠা নং-৩৩৮) খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে। শুষ্ক কাশি এবং এ্যাজমা রোগে উপকারী। (সিহহত ও যিন্দেগী, পৃঃ ১২৪)
খেজুরের মেজাজ বা স্বভাব বা প্রকৃতি উষ্ণ ও গরম। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যোপাদন রয়েছে। এটা রক্ত উৎপাদনকারী। হজম শক্তি বর্ধক যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক। কাম শক্তি বৃদ্ধিকরণ। মুখে রুচি আনয়নকারী প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষাঘাত এবং এ ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খুবই উপকারী। খেজুরের বীচিও রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ইহা পাতলা পায়খানা বন্ধ করে। পোড়া খেজুর বীচির চূর্ণ প্রবাহিত রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে। এ চূর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়। (কিতাবুল মুফরাদাত: খাওয়াসুল আদভিয়া পৃষ্ঠা নং-৩৩৮) খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে। শুষ্ক কাশি এবং এ্যাজমা রোগে উপকারী। (সিহহত ও যিন্দেগী, পৃঃ ১২৪)