📄 বরণী খেজুরের পরিচিতি
এই খেজুর কালো নয়। সামান্য লালিমা মিশ্রিত কালো রংয়ের হয়ে থাকে। এর আকার অন্যান্য খেজুরের তুলনায় বড় এবং খুবই মিষ্টি ও স্বাদযুক্ত। শাস অধিক এবং বীচি ছোট হয়। এ কারণে সবাই এই খেজুর পছন্দ করে। রাসূল (সা) এই বরণী খেজুরকে রোগের ঔষধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
📄 রাসূল (সা) হাসীস পছন্দ করতেন
মা আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। "রাসূল (সা) হাসীস" পছন্দ করতেন। হাসীস তিনটি উপাদান যোগে প্রস্তুত করা হয়।
১. খেজুর ২. মাখন এবং ৩. জমাট দই। ইহা শারীরিক ও মানসিক শক্তিবর্ধক। ইহা যৌবন বর্ধক হিসেবে কাজ করে। খেজুরের সাথে তিল, কালিজিরা ও রসুন উপাদান যৌগে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে।
সর্বোপরি খেজুর বিশ্বের একটি নন্দিত ফল। বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই ফলটি অতি গুরুত্বের সাথে পুষ্টিকর ফলের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য (যেমন সিরকা) হিসেবে ব্যাপক সমাদর রয়েছে। মুসলিম পরিবারে খেজুর ব্যতীত যেন ইফতারী অসমাপ্ত রয়ে যায়।
📄 খেজুর জন্মের ভৌগোলিক অবস্থান
মরুভূমিতে ইহা বেশি জন্মে। সেই সূত্র ধরেই আরব, ইরাকে বেশি জন্মে। এছাড়া পাকিস্তান, ভারতেও বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়ে থাকে।
📄 খেজুর ও কাকড়ি
আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে তাজা খেজুর এবং কাকড়ী একত্রে খেতে দেখেছি।" (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত)