📄 আজওয়া খেজুর, বিষের মহৌষধ ও যাদু রোগের প্রতিষেধক
আজওয়া খেজুর মধ্যম আকৃতি হয়ে থাকে। এর ঘনত্ব ও মাধ্যম ধরনের এবং কালচে বর্ণের হয়। এই খেজুর সম্পর্কে রাসূল (সা) ইরশাদ করেন-
وَالْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهِيَ شِفَاءٌ مِّنَ السَّمِّ -
অর্থ: "আজওয়া জান্নাতের ফল। এর মধ্যে বিষের নিরাময় রয়েছে। (তিরমিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ)
বুখারী শরীফে বর্ণিত আছে-
مَنْ تَصَبَّحَ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرُّهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ سَمَّ وَلَا سَحْرٌ.
অর্থ: " সা, আদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা) বর্ণনা করেন। রাসূল (রা) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে সে দিন বিষ এবং যাদু তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।" (বুখারী, হা/৫৭৬৯)
আজওয়া খেজুর খুব মূল্যবান। বাংলাদেশে ১ কেজি খেজুরের দাম প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা। বাংলাদেশের খুব কম জায়গায় এই খেজুরটি কিনতে পাওয়া যায়। আজওয়া খেজুরের জন্য বিখ্যাত মক্কা ও মদিনাই।
📄 বরণী খেজুর
আবু সায়ীদ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা) ইরশাদ করেন, “তোমাদের খেজুরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম খেজুর হলো বরণী। এটা রোগ নিরাময় করে এবং এতে কোনো রোগ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।” (মুস্তাদরাকে হাকিম)
📄 বরণী খেজুরের পরিচিতি
এই খেজুর কালো নয়। সামান্য লালিমা মিশ্রিত কালো রংয়ের হয়ে থাকে। এর আকার অন্যান্য খেজুরের তুলনায় বড় এবং খুবই মিষ্টি ও স্বাদযুক্ত। শাস অধিক এবং বীচি ছোট হয়। এ কারণে সবাই এই খেজুর পছন্দ করে। রাসূল (সা) এই বরণী খেজুরকে রোগের ঔষধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
📄 রাসূল (সা) হাসীস পছন্দ করতেন
মা আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। "রাসূল (সা) হাসীস" পছন্দ করতেন। হাসীস তিনটি উপাদান যোগে প্রস্তুত করা হয়।
১. খেজুর ২. মাখন এবং ৩. জমাট দই। ইহা শারীরিক ও মানসিক শক্তিবর্ধক। ইহা যৌবন বর্ধক হিসেবে কাজ করে। খেজুরের সাথে তিল, কালিজিরা ও রসুন উপাদান যৌগে যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে।
সর্বোপরি খেজুর বিশ্বের একটি নন্দিত ফল। বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই ফলটি অতি গুরুত্বের সাথে পুষ্টিকর ফলের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য (যেমন সিরকা) হিসেবে ব্যাপক সমাদর রয়েছে। মুসলিম পরিবারে খেজুর ব্যতীত যেন ইফতারী অসমাপ্ত রয়ে যায়।