📄 হাদীসে আজওয়া খেজুর
আজওয়া খেজুর হৃদ-রোগের মহৌষধ
আজওয়া খেজুর সম্পর্কে রাসূল (সা)-এর পবিত্র বাণী সায়ীদ (রা) বর্ণনা করেন। একদা আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে রাসূল (সা) আমাকে দেখতে তাশরীফ নিয়ে এলেন। রাসূল (সা) স্বীয় হস্ত মোবারক আমার বুকের ওপর রাখলেন। রাসূল (সা)-এর পবিত্র হাতের শীতলতা আমার অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। অতঃপর রাসূলে আকরাম (সা) ইরশাদ করলেন, তুমি অন্তরে কষ্ট অনুভব করছ। তুমি হারেস ইবনে কালদাহ কাফিরের নিকট যাও। কারণ সে একজন চিকিৎসক। সে যেন মদিনার সাতটি আজওয়া খেজুর নিয়ে বীজসহ পিশে তোমার মুখে ঢেলে দেয়।
(আবু দাউদ, মিশকাত)
📄 আজওয়া খেজুর হৃদ-রোগের মহৌষধ
আজওয়া খেজুর সম্পর্কে রাসূল (সা)-এর পবিত্র বাণী সায়ীদ (রা) বর্ণনা করেন। একদা আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে রাসূল (সা) আমাকে দেখতে তাশরীফ নিয়ে এলেন। রাসূল (সা) স্বীয় হস্ত মোবারক আমার বুকের ওপর রাখলেন। রাসূল (সা)-এর পবিত্র হাতের শীতলতা আমার অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। অতঃপর রাসূলে আকরাম (সা) ইরশাদ করলেন, তুমি অন্তরে কষ্ট অনুভব করছ। তুমি হারেস ইবনে কালদাহ কাফিরের নিকট যাও। কারণ সে একজন চিকিৎসক। সে যেন মদিনার সাতটি আজওয়া খেজুর নিয়ে বীজসহ পিশে তোমার মুখে ঢেলে দেয়। (আবু দাউদ, মিশকাত)
📄 আজওয়া খেজুর, বিষের মহৌষধ ও যাদু রোগের প্রতিষেধক
আজওয়া খেজুর মধ্যম আকৃতি হয়ে থাকে। এর ঘনত্ব ও মাধ্যম ধরনের এবং কালচে বর্ণের হয়। এই খেজুর সম্পর্কে রাসূল (সা) ইরশাদ করেন-
وَالْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهِيَ شِفَاءٌ مِّنَ السَّمِّ -
অর্থ: "আজওয়া জান্নাতের ফল। এর মধ্যে বিষের নিরাময় রয়েছে। (তিরমিযী, মিশকাতুল মাসাবীহ)
বুখারী শরীফে বর্ণিত আছে-
مَنْ تَصَبَّحَ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرُّهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ سَمَّ وَلَا سَحْرٌ.
অর্থ: " সা, আদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা) বর্ণনা করেন। রাসূল (রা) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে সে দিন বিষ এবং যাদু তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।" (বুখারী, হা/৫৭৬৯)
আজওয়া খেজুর খুব মূল্যবান। বাংলাদেশে ১ কেজি খেজুরের দাম প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা। বাংলাদেশের খুব কম জায়গায় এই খেজুরটি কিনতে পাওয়া যায়। আজওয়া খেজুরের জন্য বিখ্যাত মক্কা ও মদিনাই।
📄 বরণী খেজুর
আবু সায়ীদ (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (সা) ইরশাদ করেন, “তোমাদের খেজুরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম খেজুর হলো বরণী। এটা রোগ নিরাময় করে এবং এতে কোনো রোগ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।” (মুস্তাদরাকে হাকিম)