📄 ক্যান্সার প্রতিরোধে কালিজিরা
আমেরিকার বিখ্যাত প্রফেসর ডঃ মোকামাল বলেছেন, ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো ফ্রি-রেডিক্যাল বা মুক্তমূলক। কালিজিরা তেলের essential oil তথা অত্যবশ্যকীয় তেল ঐসব মুক্তমূলক বা ফ্রি-রেডিক্যালগুলোর চতুর্দিকে একটি Bond তথা বন্ধন তৈরি করে, এতে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে ক্যান্সার মুক্ত করে। পরবর্তীতে একে মল-মূত্র ঘাম ইত্যাদির মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্য হতে অনেকেই বলেন, যখন কোনো লোককে পাগলা কুকুরে কামড় দেয়, তখন হতে পরবর্তী ১০/১২ দিন যদি সে লোক দুই বেলা করে পৌনে এক তোলা Error! পরিমাণ কাল জিরা গরম পানির সাথে সেবন করে তবে তার জলাতংক রোগ হবে না। কোনো লোকের শরীরে যদি পানি আসে, তখন যদি সে প্রতিদিন দুই বেলা করে ৭ দিন নিয়মিতভাবে আধা তোলা Error! করে কলিজিরা চিবায়ে খায় তবে তার শরীরের পানি কমে যাবে। (মুরাককাবাতে মুফরাদা, পৃষ্ঠা- ২৬৬)
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, গর্ভবতী মেয়েরা বাচ্চা প্রসবের পর যদি কালিজিরা চিবায়ে বা পিষে খায় তবে তার পেশাবের বেগ বাড়বে এবং এতে তার গর্ভথলী দ্রুত পরিষ্কার হবে এবং এই পেশাবের সাথে দেহের নানা দূষিত পদার্থ বের হয়ে আসবে এবং এতে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের অনেকেই আরও বলেন, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে কালিজিরা সেবন করলে মাথার সর্বময় রোগের জন্য বিশেষ উপকার সাধন করে এবং এতে পেশাবের বেগ বৃদ্ধি পায়, ফলে কিডনী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে। অথচ- মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই কালিজিরা যে সর্বরোগের ঔষধ একথা তিনি তার হাদীসে বলে গেছেন। যেমন:
أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُمَا أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ لا يَقُولُ فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ شِفَاءٌ مِّنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ - قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَالسَّامُ الْمَوْتُ .
অর্থ: ইবনে শিহাব বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছে আবূ সালমা ও সাঈদ বিন মুসাইয়িব, নিশ্চয় আবু হুরায়রা উভয়কে সংবাদ দেয়, নিশ্চয় তিনি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছেন, মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে 'সাম' ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসার উপকরণ রয়েছে। তখন ইবনে শিহাব (রা) বলেন, 'সাম' হচ্ছে মৃত্যু। অর্থাৎ মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসা রয়েছে। (বুখারী, হা/৫৬৮৮ ২য় খণ্ড, ৮৪৯ পৃষ্ঠা, কিতাবুত তির।)
আমেরিকার বিখ্যাত প্রফেসর ডঃ মোকামাল বলেছেন, ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো ফ্রি-রেডিক্যাল বা মুক্তমূলক। কালিজিরা তেলের essential oil তথা অত্যবশ্যকীয় তেল ঐসব মুক্তমূলক বা ফ্রি-রেডিক্যালগুলোর চতুর্দিকে একটি Bond তথা বন্ধন তৈরি করে, এতে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে ক্যান্সার মুক্ত করে। পরবর্তীতে একে মল-মূত্র ঘাম ইত্যাদির মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্য হতে অনেকেই বলেন, যখন কোনো লোককে পাগলা কুকুরে কামড় দেয়, তখন হতে পরবর্তী ১০/১২ দিন যদি সে লোক দুই বেলা করে পৌনে এক তোলা Error! পরিমাণ কাল জিরা গরম পানির সাথে সেবন করে তবে তার জলাতংক রোগ হবে না। কোনো লোকের শরীরে যদি পানি আসে, তখন যদি সে প্রতিদিন দুই বেলা করে ৭ দিন নিয়মিতভাবে আধা তোলা Error! করে কলিজিরা চিবায়ে খায় তবে তার শরীরের পানি কমে যাবে। (মুরাককাবাতে মুফরাদা, পৃষ্ঠা- ২৬৬)
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, গর্ভবতী মেয়েরা বাচ্চা প্রসবের পর যদি কালিজিরা চিবায়ে বা পিষে খায় তবে তার পেশাবের বেগ বাড়বে এবং এতে তার গর্ভথলী দ্রুত পরিষ্কার হবে এবং এই পেশাবের সাথে দেহের নানা দূষিত পদার্থ বের হয়ে আসবে এবং এতে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের অনেকেই আরও বলেন, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে কালিজিরা সেবন করলে মাথার সর্বময় রোগের জন্য বিশেষ উপকার সাধন করে এবং এতে পেশাবের বেগ বৃদ্ধি পায়, ফলে কিডনী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে। অথচ- মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই কালিজিরা যে সর্বরোগের ঔষধ একথা তিনি তার হাদীসে বলে গেছেন। যেমন:
أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُمَا أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ لا يَقُولُ فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ شِفَاءٌ مِّنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ - قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَالسَّامُ الْمَوْتُ .
অর্থ: ইবনে শিহাব বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছে আবূ সালমা ও সাঈদ বিন মুসাইয়িব, নিশ্চয় আবু হুরায়রা উভয়কে সংবাদ দেয়, নিশ্চয় তিনি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছেন, মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে 'সাম' ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসার উপকরণ রয়েছে। তখন ইবনে শিহাব (রা) বলেন, 'সাম' হচ্ছে মৃত্যু। অর্থাৎ মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসা রয়েছে। (বুখারী, হা/৫৬৮৮ ২য় খণ্ড, ৮৪৯ পৃষ্ঠা, কিতাবুত তির।)