📄 কালিজিরা বীজ তেলের রাসায়নিক বিশ্লেষণ
কালিজিরার তেলে নানাবিধ মূল্যবান কার্যকরী উপাদান সনাক্ত করা হয়েছে। নিম্নে চার্টের সাহায্যে তা পেশ করা হলো-
Essential Oil's composition - কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার।
১ নং চার্ট
অত্যাবশ্যকীয় তেলের উপাদানসমূহ
১. কার্বন : ২১.১%
২. আলফা পাইনিন : ৭.৪%
৩. সাবিনিন : ৫.৫%
৪. বেটা পাইনিন : ৭.৭%
৬. অন্যান্য : ১১.৫%
২নং চার্ট
পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান
কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার
১. প্রোটিন/আমিষ ২১.১%
২. কার্বোহাইড্রেট/শর্করা ৩৫%
৩. ফ্যাট / চর্বি ৩৫-৩৮%
৩নং চার্ট
নিউট্রিশনাল ভ্যালু
পমিাণ
১. প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম
২. থায়ামিন ২৫ " "
৩. রিবোফ্লাভিন ১ " "
৪. পাইরিডক্সিন ৫ " "
৫. নায়াসিন ৫৭ " "
৬. ফ্লোসাসিন ৬১০ " "
৭. ক্যালসিয়াম ১.৮৫ " "
৮. আয়রন ১০৫ " "
৯. কপার ১৮ " "
১০. জিংক ৬০ " "
১১. ফসফরাস ৫.২৬৫" "
(বি: দ্র: উপরিউক্ত উপাদানগুলো প্রতি গ্রামে উপরিউক্ত পরিমাণে বিদ্যমান।)
কালিজিরা তেলের মধ্যে ১০০ মাইক্রোগ্রামে ফ্যাটি এসিডের মধ্যে নিম্নোক্ত অনুপাতে উল্লিখিত উপাদানগুলো বিদ্যমান
ফ্যাটি এসিড
১. মায়রিসটিক এসিড / Myristic Acid- ০.৫%
২. প্যালমিটিক এসিড / Palmitic Acid- ১৩.৭%
৩. প্যালমিটোলিক এসিড / Palmitolic Acid-০.১%
৪. স্টেয়ারিক এসিড / Stearic Acid-২.৬%
৫. ওলিক এসিড / Oleic Acid-২৩.৭%
৬. লিনওনিক এসিড/ Linonic Acid-৫৭.৯%
৭. লিনওলিক এসিড/ Linoleic Acid-০.২%
৮. এরাসিডিক এসিড/ Arachidic Acid1.৩%
সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড
Saturated & unsaturated fatty Acid
১. সম্পৃক্ত এসিড (Saturated Acid)
২. এক অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Mono-unsaturated Acid)
৩. বহু অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Poly-unsaturated)
কালিজিরার তেলে নানাবিধ মূল্যবান কার্যকরী উপাদান সনাক্ত করা হয়েছে। নিম্নে চার্টের সাহায্যে তা পেশ করা হলো-
Essential Oil's composition - কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার।
১ নং চার্ট
অত্যাবশ্যকীয় তেলের উপাদানসমূহ
১. কার্বন : ২১.১%
২. আলফা পাইনিন : ৭.৪%
৩. সাবিনিন : ৫.৫%
৪. বেটা পাইনিন : ৭.৭%
৬. অন্যান্য : ১১.৫%
২নং চার্ট
পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান
কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার
১. প্রোটিন/আমিষ ২১.১%
২. কার্বোহাইড্রেট/শর্করা ৩৫%
৩. ফ্যাট / চর্বি ৩৫-৩৮%
৩নং চার্ট
নিউট্রিশনাল ভ্যালু
পমিাণ
১. প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম
২. থায়ামিন ২৫ " "
৩. রিবোফ্লাভিন ১ " "
৪. পাইরিডক্সিন ৫ " "
৫. নায়াসিন ৫৭ " "
৬. ফ্লোসাসিন ৬১০ " "
৭. ক্যালসিয়াম ১.৮৫ " "
৮. আয়রন ১০৫ " "
৯. কপার ১৮ " "
১০. জিংক ৬০ " "
১১. ফসফরাস ৫.২৬৫" "
(বি: দ্র: উপরিউক্ত উপাদানগুলো প্রতি গ্রামে উপরিউক্ত পরিমাণে বিদ্যমান।)
কালিজিরা তেলের মধ্যে ১০০ মাইক্রোগ্রামে ফ্যাটি এসিডের মধ্যে নিম্নোক্ত অনুপাতে উল্লিখিত উপাদানগুলো বিদ্যমান
ফ্যাটি এসিড
১. মায়রিসটিক এসিড / Myristic Acid- ০.৫%
২. প্যালমিটিক এসিড / Palmitic Acid- ১৩.৭%
৩. প্যালমিটোলিক এসিড / Palmitolic Acid-০.১%
৪. স্টেয়ারিক এসিড / Stearic Acid-২.৬%
৫. ওলিক এসিড / Oleic Acid-২৩.৭%
৬. লিনওনিক এসিড/ Linonic Acid-৫৭.৯%
৭. লিনওলিক এসিড/ Linoleic Acid-০.২%
৮. এরাসিডিক এসিড/ Arachidic Acid1.৩%
সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড
Saturated & unsaturated fatty Acid
১. সম্পৃক্ত এসিড (Saturated Acid)
২. এক অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Mono-unsaturated Acid)
৩. বহু অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Poly-unsaturated)
📄 কালিজিরার ব্যবহার ও গুণাগুণ
১. নার্ভাস টেনশনে : এক কাপ চায়ের সাথে এক চা চামচ কালিজিরা তেল সেবনে স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
২. কফ এবং এ্যাজমা : কালিজিরা তেল বুকে পিঠে মাখলে এবং প্রত্যহ সকাল + দুপুর + সন্ধ্যায় এক চা চামচ তেল সেবনে কফ ও এ্যাজমাতে বিশেষ কার্যকরী।
৩. মেধা বা মেমোরী শক্তি বৃদ্ধিতে প্রত্যহ সকালে এক কাপ চা এর সঙ্গে এক চা চামচ কালিজিরার তেল মিশ্রিত করে পান করলে বিশেষ উপকারি পাওয়া যায়।
৪. হৃদরোগ ও ব্লাড ভেসেল স্টেনোসিস : কালিজিরা + রসুন জোশান্দা আকারে বা চায়ের মতো নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় এবং শিরা-ধমনীর চর্বিকে গলিয়ে বের করতে সক্ষম।
৫. এছাড়া ইহা ডায়াবেটিস, মেনিনজাইটিস, যৌন-অক্ষমতাসহ বিভিন্ন রোগে কার্যকর। তবে রোগ বিশেষ ইহার ব্যবহার বিভিন্নমুখি হয়ে থাকে।
ক. গবেষকরা দেখেছেন যে, এই তেলের এমন কিছু কার্যকরী উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার কোষ তৈরির কার্যকরী টক্সিন উপাদানের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল এবং রক্তের টক্সিসিটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
খ. সাউথ ক্যারোলিনার একদল গবেষক তাদের ল্যাবটরিতে গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে, এর কার্যকরী উপাদান থাইমোকুইনোলাইন এবং ডাই থাই-মোকুইনোন। উভয়ই টিউমার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
গ. কালিজিরাতে বেশ কিছু পুষ্টিকর কার্যকরী উপাদান রয়েছে, যা লিস্ফসাইট কোষ তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে এবং এন্টি-বডি তৈরিতে বিশেষভাবে ক্রিয়াশীল।
১. নার্ভাস টেনশনে : এক কাপ চায়ের সাথে এক চা চামচ কালিজিরা তেল সেবনে স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
২. কফ এবং এ্যাজমা : কালিজিরা তেল বুকে পিঠে মাখলে এবং প্রত্যহ সকাল + দুপুর + সন্ধ্যায় এক চা চামচ তেল সেবনে কফ ও এ্যাজমাতে বিশেষ কার্যকরী।
৩. মেধা বা মেমোরী শক্তি বৃদ্ধিতে প্রত্যহ সকালে এক কাপ চা এর সঙ্গে এক চা চামচ কালিজিরার তেল মিশ্রিত করে পান করলে বিশেষ উপকারি পাওয়া যায়।
৪. হৃদরোগ ও ব্লাড ভেসেল স্টেনোসিস : কালিজিরা + রসুন জোশান্দা আকারে বা চায়ের মতো নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় এবং শিরা-ধমনীর চর্বিকে গলিয়ে বের করতে সক্ষম।
৫. এছাড়া ইহা ডায়াবেটিস, মেনিনজাইটিস, যৌন-অক্ষমতাসহ বিভিন্ন রোগে কার্যকর। তবে রোগ বিশেষ ইহার ব্যবহার বিভিন্নমুখি হয়ে থাকে।
ক. গবেষকরা দেখেছেন যে, এই তেলের এমন কিছু কার্যকরী উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার কোষ তৈরির কার্যকরী টক্সিন উপাদানের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল এবং রক্তের টক্সিসিটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
খ. সাউথ ক্যারোলিনার একদল গবেষক তাদের ল্যাবটরিতে গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে, এর কার্যকরী উপাদান থাইমোকুইনোলাইন এবং ডাই থাই-মোকুইনোন। উভয়ই টিউমার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
গ. কালিজিরাতে বেশ কিছু পুষ্টিকর কার্যকরী উপাদান রয়েছে, যা লিস্ফসাইট কোষ তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে এবং এন্টি-বডি তৈরিতে বিশেষভাবে ক্রিয়াশীল।
📄 ক্যান্সার প্রতিরোধে কালিজিরা
আমেরিকার বিখ্যাত প্রফেসর ডঃ মোকামাল বলেছেন, ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো ফ্রি-রেডিক্যাল বা মুক্তমূলক। কালিজিরা তেলের essential oil তথা অত্যবশ্যকীয় তেল ঐসব মুক্তমূলক বা ফ্রি-রেডিক্যালগুলোর চতুর্দিকে একটি Bond তথা বন্ধন তৈরি করে, এতে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে ক্যান্সার মুক্ত করে। পরবর্তীতে একে মল-মূত্র ঘাম ইত্যাদির মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্য হতে অনেকেই বলেন, যখন কোনো লোককে পাগলা কুকুরে কামড় দেয়, তখন হতে পরবর্তী ১০/১২ দিন যদি সে লোক দুই বেলা করে পৌনে এক তোলা Error! পরিমাণ কাল জিরা গরম পানির সাথে সেবন করে তবে তার জলাতংক রোগ হবে না। কোনো লোকের শরীরে যদি পানি আসে, তখন যদি সে প্রতিদিন দুই বেলা করে ৭ দিন নিয়মিতভাবে আধা তোলা Error! করে কলিজিরা চিবায়ে খায় তবে তার শরীরের পানি কমে যাবে। (মুরাককাবাতে মুফরাদা, পৃষ্ঠা- ২৬৬)
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, গর্ভবতী মেয়েরা বাচ্চা প্রসবের পর যদি কালিজিরা চিবায়ে বা পিষে খায় তবে তার পেশাবের বেগ বাড়বে এবং এতে তার গর্ভথলী দ্রুত পরিষ্কার হবে এবং এই পেশাবের সাথে দেহের নানা দূষিত পদার্থ বের হয়ে আসবে এবং এতে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের অনেকেই আরও বলেন, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে কালিজিরা সেবন করলে মাথার সর্বময় রোগের জন্য বিশেষ উপকার সাধন করে এবং এতে পেশাবের বেগ বৃদ্ধি পায়, ফলে কিডনী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে। অথচ- মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই কালিজিরা যে সর্বরোগের ঔষধ একথা তিনি তার হাদীসে বলে গেছেন। যেমন:
أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُمَا أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ لا يَقُولُ فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ شِفَاءٌ مِّنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ - قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَالسَّامُ الْمَوْتُ .
অর্থ: ইবনে শিহাব বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছে আবূ সালমা ও সাঈদ বিন মুসাইয়িব, নিশ্চয় আবু হুরায়রা উভয়কে সংবাদ দেয়, নিশ্চয় তিনি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছেন, মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে 'সাম' ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসার উপকরণ রয়েছে। তখন ইবনে শিহাব (রা) বলেন, 'সাম' হচ্ছে মৃত্যু। অর্থাৎ মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসা রয়েছে। (বুখারী, হা/৫৬৮৮ ২য় খণ্ড, ৮৪৯ পৃষ্ঠা, কিতাবুত তির।)
আমেরিকার বিখ্যাত প্রফেসর ডঃ মোকামাল বলেছেন, ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো ফ্রি-রেডিক্যাল বা মুক্তমূলক। কালিজিরা তেলের essential oil তথা অত্যবশ্যকীয় তেল ঐসব মুক্তমূলক বা ফ্রি-রেডিক্যালগুলোর চতুর্দিকে একটি Bond তথা বন্ধন তৈরি করে, এতে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে ক্যান্সার মুক্ত করে। পরবর্তীতে একে মল-মূত্র ঘাম ইত্যাদির মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্য হতে অনেকেই বলেন, যখন কোনো লোককে পাগলা কুকুরে কামড় দেয়, তখন হতে পরবর্তী ১০/১২ দিন যদি সে লোক দুই বেলা করে পৌনে এক তোলা Error! পরিমাণ কাল জিরা গরম পানির সাথে সেবন করে তবে তার জলাতংক রোগ হবে না। কোনো লোকের শরীরে যদি পানি আসে, তখন যদি সে প্রতিদিন দুই বেলা করে ৭ দিন নিয়মিতভাবে আধা তোলা Error! করে কলিজিরা চিবায়ে খায় তবে তার শরীরের পানি কমে যাবে। (মুরাককাবাতে মুফরাদা, পৃষ্ঠা- ২৬৬)
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, গর্ভবতী মেয়েরা বাচ্চা প্রসবের পর যদি কালিজিরা চিবায়ে বা পিষে খায় তবে তার পেশাবের বেগ বাড়বে এবং এতে তার গর্ভথলী দ্রুত পরিষ্কার হবে এবং এই পেশাবের সাথে দেহের নানা দূষিত পদার্থ বের হয়ে আসবে এবং এতে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের অনেকেই আরও বলেন, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে কালিজিরা সেবন করলে মাথার সর্বময় রোগের জন্য বিশেষ উপকার সাধন করে এবং এতে পেশাবের বেগ বৃদ্ধি পায়, ফলে কিডনী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে। অথচ- মহানবী মুহাম্মদ (সা) উক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের বহু পূর্বেই কালিজিরা যে সর্বরোগের ঔষধ একথা তিনি তার হাদীসে বলে গেছেন। যেমন:
أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُمَا أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ لا يَقُولُ فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ شِفَاءٌ مِّنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ - قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَالسَّامُ الْمَوْتُ .
অর্থ: ইবনে শিহাব বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছে আবূ সালমা ও সাঈদ বিন মুসাইয়িব, নিশ্চয় আবু হুরায়রা উভয়কে সংবাদ দেয়, নিশ্চয় তিনি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছেন, মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে 'সাম' ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসার উপকরণ রয়েছে। তখন ইবনে শিহাব (রা) বলেন, 'সাম' হচ্ছে মৃত্যু। অর্থাৎ মহানবী (সা) বলেছেন, কালিজিরার মধ্যে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের চিকিৎসা রয়েছে। (বুখারী, হা/৫৬৮৮ ২য় খণ্ড, ৮৪৯ পৃষ্ঠা, কিতাবুত তির।)