📄 কালিজিরার অন্যতম কার্যকরী উপাদানসমূহ
কালিজিরা সম্পর্কে রাসূল (সা) বলেন- - الْحَبَّةُ السَّوْدَاءُ شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ
আবু সালামা (রা) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল (সা) ইরশাদ করেছেন, "তোমরা কালিজিরা ব্যবহার করবে। কেননা, কালিজিরা প্রত্যেক রোগের ঔষধ মৃত্যু ছাড়া।”
প্রথম বার ডান নাশারন্দ্রে: ২ ফোঁটা বাম নাশারন্দ্রে: ১ ফোঁটা (সহীহ বুখারী, হা/৫৬৮৮ ও সহীহ মুসলিম হা/৫৮৯৬)
দ্বিতীয়বার বাম নাশারন্দ্রে: ২ ফোঁটা ডান নাশারন্দ্রে: ১ ফোঁটা
তৃতীয় বার ডান নাশারন্দ্রে: ২ফোঁটা বাম নাশারন্দ্রে: ১ ফোঁটা (তিরমিযী)
কালিজিরা সম্পর্কে রাসূল (সা) বলেন- - الْحَبَّةُ السَّوْدَاءُ شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ
আবু সালামা (রা) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূল (সা) ইরশাদ করেছেন, "তোমরা কালিজিরা ব্যবহার করবে। কেননা, কালিজিরা প্রত্যেক রোগের ঔষধ মৃত্যু ছাড়া।”
প্রথম বার ডান নাশারন্দ্রে: ২ ফোঁটা বাম নাশারন্দ্রে: ১ ফোঁটা (সহীহ বুখারী, হা/৫৬৮৮ ও সহীহ মুসলিম হা/৫৮৯৬)
দ্বিতীয়বার বাম নাশারন্দ্রে: ২ ফোঁটা ডান নাশারন্দ্রে: ১ ফোঁটা
তৃতীয় বার ডান নাশারন্দ্রে: ২ফোঁটা বাম নাশারন্দ্রে: ১ ফোঁটা (তিরমিযী)
📄 কালিজিরার উপকারিতা
(খাওয়াসুল আদভিয়া হতে বর্ণিত)
১. ঠাণ্ডা জাতীয় ব্যাধি : সর্দি, কাশি, কফ ইত্যাদিতে অত্যন্ত উপকারী। পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস ও কম্পন রোগে কালিজিরার তৈল মালিশ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
২. যৌন ব্যাধি : স্নায়ুবিক দুর্বলতায় উপকারী।
৩. সর্দি, কাশি, বুকের ব্যথা, পাকস্থলীতে বায়ু সঞ্চয়, ঊর্ধ্বমুখী বায়ুতে উপকারী।
৪. প্রসূতী রোগে উপকারী।
৫. Acne vulgaris তথা ভ্রণের জন্য উপকারী
৬. শ্লেষ্মা বা বলগমী রোগির জন্য খুবই উপকারী।
৭. মূত্রথলীতে পাথর থাকলে মধুর সাথে কালিজিরা খেলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়।
৮. সুদরে হায়েজ বা অধিক ঋতুস্রাবের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
৯. মাত্রাতিরিক্ত প্রস্রাব প্রতিরোধক।
১০. ইহা কৃমি নাশক।
১১. মায়ের দুগ্ধ আনয়ন করে। (কিতাবুল মুফরাদাতি : খাওয়াসুল আদভিয়া)
(খাওয়াসুল আদভিয়া হতে বর্ণিত)
১. ঠাণ্ডা জাতীয় ব্যাধি : সর্দি, কাশি, কফ ইত্যাদিতে অত্যন্ত উপকারী। পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিস ও কম্পন রোগে কালিজিরার তৈল মালিশ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
২. যৌন ব্যাধি : স্নায়ুবিক দুর্বলতায় উপকারী।
৩. সর্দি, কাশি, বুকের ব্যথা, পাকস্থলীতে বায়ু সঞ্চয়, ঊর্ধ্বমুখী বায়ুতে উপকারী।
৪. প্রসূতী রোগে উপকারী।
৫. Acne vulgaris তথা ভ্রণের জন্য উপকারী
৬. শ্লেষ্মা বা বলগমী রোগির জন্য খুবই উপকারী।
৭. মূত্রথলীতে পাথর থাকলে মধুর সাথে কালিজিরা খেলে খুবই ভালো ফল পাওয়া যায়।
৮. সুদরে হায়েজ বা অধিক ঋতুস্রাবের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
৯. মাত্রাতিরিক্ত প্রস্রাব প্রতিরোধক।
১০. ইহা কৃমি নাশক।
১১. মায়ের দুগ্ধ আনয়ন করে। (কিতাবুল মুফরাদাতি : খাওয়াসুল আদভিয়া)
📄 কালিজিরা বীজ তেলের রাসায়নিক বিশ্লেষণ
কালিজিরার তেলে নানাবিধ মূল্যবান কার্যকরী উপাদান সনাক্ত করা হয়েছে। নিম্নে চার্টের সাহায্যে তা পেশ করা হলো-
Essential Oil's composition - কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার।
১ নং চার্ট
অত্যাবশ্যকীয় তেলের উপাদানসমূহ
১. কার্বন : ২১.১%
২. আলফা পাইনিন : ৭.৪%
৩. সাবিনিন : ৫.৫%
৪. বেটা পাইনিন : ৭.৭%
৬. অন্যান্য : ১১.৫%
২নং চার্ট
পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান
কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার
১. প্রোটিন/আমিষ ২১.১%
২. কার্বোহাইড্রেট/শর্করা ৩৫%
৩. ফ্যাট / চর্বি ৩৫-৩৮%
৩নং চার্ট
নিউট্রিশনাল ভ্যালু
পমিাণ
১. প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম
২. থায়ামিন ২৫ " "
৩. রিবোফ্লাভিন ১ " "
৪. পাইরিডক্সিন ৫ " "
৫. নায়াসিন ৫৭ " "
৬. ফ্লোসাসিন ৬১০ " "
৭. ক্যালসিয়াম ১.৮৫ " "
৮. আয়রন ১০৫ " "
৯. কপার ১৮ " "
১০. জিংক ৬০ " "
১১. ফসফরাস ৫.২৬৫" "
(বি: দ্র: উপরিউক্ত উপাদানগুলো প্রতি গ্রামে উপরিউক্ত পরিমাণে বিদ্যমান।)
কালিজিরা তেলের মধ্যে ১০০ মাইক্রোগ্রামে ফ্যাটি এসিডের মধ্যে নিম্নোক্ত অনুপাতে উল্লিখিত উপাদানগুলো বিদ্যমান
ফ্যাটি এসিড
১. মায়রিসটিক এসিড / Myristic Acid- ০.৫%
২. প্যালমিটিক এসিড / Palmitic Acid- ১৩.৭%
৩. প্যালমিটোলিক এসিড / Palmitolic Acid-০.১%
৪. স্টেয়ারিক এসিড / Stearic Acid-২.৬%
৫. ওলিক এসিড / Oleic Acid-২৩.৭%
৬. লিনওনিক এসিড/ Linonic Acid-৫৭.৯%
৭. লিনওলিক এসিড/ Linoleic Acid-০.২%
৮. এরাসিডিক এসিড/ Arachidic Acid1.৩%
সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড
Saturated & unsaturated fatty Acid
১. সম্পৃক্ত এসিড (Saturated Acid)
২. এক অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Mono-unsaturated Acid)
৩. বহু অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Poly-unsaturated)
কালিজিরার তেলে নানাবিধ মূল্যবান কার্যকরী উপাদান সনাক্ত করা হয়েছে। নিম্নে চার্টের সাহায্যে তা পেশ করা হলো-
Essential Oil's composition - কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার।
১ নং চার্ট
অত্যাবশ্যকীয় তেলের উপাদানসমূহ
১. কার্বন : ২১.১%
২. আলফা পাইনিন : ৭.৪%
৩. সাবিনিন : ৫.৫%
৪. বেটা পাইনিন : ৭.৭%
৬. অন্যান্য : ১১.৫%
২নং চার্ট
পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান
কালিজিরা তেলে এদের শতকরা হার
১. প্রোটিন/আমিষ ২১.১%
২. কার্বোহাইড্রেট/শর্করা ৩৫%
৩. ফ্যাট / চর্বি ৩৫-৩৮%
৩নং চার্ট
নিউট্রিশনাল ভ্যালু
পমিাণ
১. প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম
২. থায়ামিন ২৫ " "
৩. রিবোফ্লাভিন ১ " "
৪. পাইরিডক্সিন ৫ " "
৫. নায়াসিন ৫৭ " "
৬. ফ্লোসাসিন ৬১০ " "
৭. ক্যালসিয়াম ১.৮৫ " "
৮. আয়রন ১০৫ " "
৯. কপার ১৮ " "
১০. জিংক ৬০ " "
১১. ফসফরাস ৫.২৬৫" "
(বি: দ্র: উপরিউক্ত উপাদানগুলো প্রতি গ্রামে উপরিউক্ত পরিমাণে বিদ্যমান।)
কালিজিরা তেলের মধ্যে ১০০ মাইক্রোগ্রামে ফ্যাটি এসিডের মধ্যে নিম্নোক্ত অনুপাতে উল্লিখিত উপাদানগুলো বিদ্যমান
ফ্যাটি এসিড
১. মায়রিসটিক এসিড / Myristic Acid- ০.৫%
২. প্যালমিটিক এসিড / Palmitic Acid- ১৩.৭%
৩. প্যালমিটোলিক এসিড / Palmitolic Acid-০.১%
৪. স্টেয়ারিক এসিড / Stearic Acid-২.৬%
৫. ওলিক এসিড / Oleic Acid-২৩.৭%
৬. লিনওনিক এসিড/ Linonic Acid-৫৭.৯%
৭. লিনওলিক এসিড/ Linoleic Acid-০.২%
৮. এরাসিডিক এসিড/ Arachidic Acid1.৩%
সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড
Saturated & unsaturated fatty Acid
১. সম্পৃক্ত এসিড (Saturated Acid)
২. এক অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Mono-unsaturated Acid)
৩. বহু অণু অসম্পৃক্ত এসিড (Poly-unsaturated)
📄 কালিজিরার ব্যবহার ও গুণাগুণ
১. নার্ভাস টেনশনে : এক কাপ চায়ের সাথে এক চা চামচ কালিজিরা তেল সেবনে স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
২. কফ এবং এ্যাজমা : কালিজিরা তেল বুকে পিঠে মাখলে এবং প্রত্যহ সকাল + দুপুর + সন্ধ্যায় এক চা চামচ তেল সেবনে কফ ও এ্যাজমাতে বিশেষ কার্যকরী।
৩. মেধা বা মেমোরী শক্তি বৃদ্ধিতে প্রত্যহ সকালে এক কাপ চা এর সঙ্গে এক চা চামচ কালিজিরার তেল মিশ্রিত করে পান করলে বিশেষ উপকারি পাওয়া যায়।
৪. হৃদরোগ ও ব্লাড ভেসেল স্টেনোসিস : কালিজিরা + রসুন জোশান্দা আকারে বা চায়ের মতো নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় এবং শিরা-ধমনীর চর্বিকে গলিয়ে বের করতে সক্ষম।
৫. এছাড়া ইহা ডায়াবেটিস, মেনিনজাইটিস, যৌন-অক্ষমতাসহ বিভিন্ন রোগে কার্যকর। তবে রোগ বিশেষ ইহার ব্যবহার বিভিন্নমুখি হয়ে থাকে।
ক. গবেষকরা দেখেছেন যে, এই তেলের এমন কিছু কার্যকরী উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার কোষ তৈরির কার্যকরী টক্সিন উপাদানের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল এবং রক্তের টক্সিসিটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
খ. সাউথ ক্যারোলিনার একদল গবেষক তাদের ল্যাবটরিতে গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে, এর কার্যকরী উপাদান থাইমোকুইনোলাইন এবং ডাই থাই-মোকুইনোন। উভয়ই টিউমার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
গ. কালিজিরাতে বেশ কিছু পুষ্টিকর কার্যকরী উপাদান রয়েছে, যা লিস্ফসাইট কোষ তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে এবং এন্টি-বডি তৈরিতে বিশেষভাবে ক্রিয়াশীল।
১. নার্ভাস টেনশনে : এক কাপ চায়ের সাথে এক চা চামচ কালিজিরা তেল সেবনে স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
২. কফ এবং এ্যাজমা : কালিজিরা তেল বুকে পিঠে মাখলে এবং প্রত্যহ সকাল + দুপুর + সন্ধ্যায় এক চা চামচ তেল সেবনে কফ ও এ্যাজমাতে বিশেষ কার্যকরী।
৩. মেধা বা মেমোরী শক্তি বৃদ্ধিতে প্রত্যহ সকালে এক কাপ চা এর সঙ্গে এক চা চামচ কালিজিরার তেল মিশ্রিত করে পান করলে বিশেষ উপকারি পাওয়া যায়।
৪. হৃদরোগ ও ব্লাড ভেসেল স্টেনোসিস : কালিজিরা + রসুন জোশান্দা আকারে বা চায়ের মতো নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় এবং শিরা-ধমনীর চর্বিকে গলিয়ে বের করতে সক্ষম।
৫. এছাড়া ইহা ডায়াবেটিস, মেনিনজাইটিস, যৌন-অক্ষমতাসহ বিভিন্ন রোগে কার্যকর। তবে রোগ বিশেষ ইহার ব্যবহার বিভিন্নমুখি হয়ে থাকে।
ক. গবেষকরা দেখেছেন যে, এই তেলের এমন কিছু কার্যকরী উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার কোষ তৈরির কার্যকরী টক্সিন উপাদানের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল এবং রক্তের টক্সিসিটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
খ. সাউথ ক্যারোলিনার একদল গবেষক তাদের ল্যাবটরিতে গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে, এর কার্যকরী উপাদান থাইমোকুইনোলাইন এবং ডাই থাই-মোকুইনোন। উভয়ই টিউমার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
গ. কালিজিরাতে বেশ কিছু পুষ্টিকর কার্যকরী উপাদান রয়েছে, যা লিস্ফসাইট কোষ তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে এবং এন্টি-বডি তৈরিতে বিশেষভাবে ক্রিয়াশীল।